সহিহ মুসলিম > অন্ধ ব্যক্তির সাথে চক্ষুস্মান লোক থাকলেও তার আযান দেয়া জায়িয

সহিহ মুসলিম ৭৩১

حدثني أبو كريب، محمد بن العلاء الهمداني حدثنا خالد، - يعني ابن مخلد - عن محمد بن جعفر، حدثنا هشام، عن أبيه، عن عائشة، قالت كان ابن أم مكتوم يؤذن لرسول الله صلى الله عليه وسلم وهو أعمى ‏.‏

‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ইবনু মাকতূম (রাঃ) রসূল্ললাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সম্মতিতে আযান দিতেন। তখন তিনি ছিলেন অন্ধ। (ই. ফা. ৭২৯, ই. সে. ৭৪৪)


সহিহ মুসলিম ৭৩২

وحدثنا محمد بن سلمة المرادي، حدثنا عبد الله بن وهب، عن يحيى بن عبد الله، وسعيد بن عبد الرحمن، عن هشام، بهذا الإسناد مثله ‏.‏

হিশাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

উল্লিখিত সানাদ পরম্পরায় হিশাম থেকে (উপরের হাদীসের) অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই. ফা. ৭৩০, ই. সে. ৭৪৫)


সহিহ মুসলিম > অমুসলিম রাষ্ট্রের (বা এলাকার) কোন জনপদে আযানের শব্দ শুনা গেলে সেখানে আক্রমণ করা নিষেধ

সহিহ মুসলিম ৭৩৩

وحدثني زهير بن حرب، حدثنا يحيى، - يعني ابن سعيد - عن حماد بن سلمة، حدثنا ثابت، عن أنس بن مالك، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يغير إذا طلع الفجر وكان يستمع الأذان فإن سمع أذانا أمسك وإلا أغار فسمع رجلا يقول الله أكبر الله أكبر ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ على الفطرة ‏"‏ ‏.‏ ثم قال أشهد أن لا إله إلا الله أشهد أن لا إله إلا الله ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ خرجت من النار ‏"‏ ‏.‏ فنظروا فإذا هو راعي معزى ‏.‏

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রভাতে শত্রুর উপর আক্রমণ করতেন। তিনি আযানের শব্দ শুনার জন্যে কান পেতে অপেক্ষায় থাকতেন। তিনি আযান শুনতে পেলে আক্রমণ থেকে বিরত থাকতেন, অন্যথায় আক্রমণ করতেন। তিনি এক ব্যক্তিকে “আল্ল-হু আকবার, আল্ল-হু আকবার” বলতে শুনেছেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এ ব্যক্তি মুসলিম। সে পুনরায় বলল, “আশহাদু আল লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ, আশহাদু আল লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ”। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি জাহান্নাম থেকে মুক্তি পেলে। অতঃপর লোকটির দিকে দৃষ্টি নিক্ষেপ করে দেখলেন, সে মেষপালের রাখাল। (ই. ফা. ৭৩১, ই. সে. ৭৪৬)


🔄 লোড হচ্ছে...
ফন্ট সাইজ
15px
17px