সহিহ বুখারী > উঁচু স্থানে আরোহণের সময় তাকবীর পাঠ করা।
সহিহ বুখারী ২৯৯৪
حدثنا محمد بن بشار حدثنا ابن أبي عدي عن شعبة عن حصين عن سالم عن جابر قال كنا إذا صعدنا كبرنا وإذا تصوبنا سبحنا
জাবির ইব্নু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন আমরা যখন কোন উঁচুস্থানে আরোহণ করতাম, তখন তাকবীর ধ্বনি উচ্চারণ করতাম আর যখন নিম্ন ভূখণ্ডে অবতরণ করতাম, সে সময়ে সুবহানাল্লাহ্ বলতাম।
সহিহ বুখারী ২৯৯৫
حدثنا عبد الله قال حدثني عبد العزيز بن أبي سلمة عن صالح بن كيسان عن سالم بن عبد الله عن عبد الله بن عمر رضي الله عنهما قال كان النبي صلى الله عليه وسلم إذا قفل من الحج أو العمرة ولا أعلمه إلا قال الغزو يقول كلما أوفى على ثنية أو فدفد كبر ثلاثا ثم قال لا إله إلا الله وحده لا شريك له له الملك وله الحمد وهو على كل شيء قدير آيبون تائبون عابدون ساجدون لربنا حامدون صدق الله وعده ونصر عبده وهزم الأحزاب وحده قال صالح فقلت له ألم يقل عبد الله إن شاء الله قال لا
‘আবদুল্লাহ্ ইব্নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন হজ্জ কিংবা ‘উমরা থেকে ফিরতেন, বর্ণনাকারী বলেন, আমি জানি না, নাকি এরূপ বলেছেন যে, যখন জিহাদ থেকে ফিরতেন, তখন তিনি ঘাঁটি অথবা প্রস্তরময় ভূমিতে পৌঁছে তিনবার আল্লাহু আকবর বলতেন। অতঃপর এ দু‘আ পাঠ করতেন , “আল্লাহ্ ছাড়া কোন ইলাহ নেই; তিনি এক, তাঁর কোন শরীক নেই, কর্তৃত্ব তাঁরই এবং প্রশংসা তাঁরই; তিনি সকল বিষয়ে ক্ষমতাবান। আমরা সফর থেক প্রত্যাবর্তনকারী, গুনাহ থেকে তওবাকারী, ‘ইবাদতকারী, সিজদাকারী, আমাদের প্রতিপালকের প্রসংশাকারী। আল্লাহ্ তা’আলা তাঁর প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছেন, তাঁর বান্দাহকে সাহায্য করেছেন, কাফির সৈন্যদলকে তিনি একাই পরাস্ত করেছেন।” সালেহ (রহঃ) বলেন, আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম, ‘আবদুল্লাহ্ কি ইন শা আল্লাহ্ বলেননি? তিনি বললেন, না।
সহিহ বুখারী > মুসাফিরের জন্য তা-ই লিখিত হবে, যা স্বীয় আবাসে ‘আমল করত।
সহিহ বুখারী ২৯৯৬
حدثنا مطر بن الفضل حدثنا يزيد بن هارون حدثنا العوام حدثنا إبراهيم أبو إسماعيل السكسكي قال سمعت أبا بردة واصطحب هو ويزيد بن أبي كبشة في سفر فكان يزيد يصوم في السفر فقال له أبو بردة سمعت أبا موسى مرارا يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا مرض العبد أو سافر كتب له مثل ما كان يعمل مقيما صحيحا
আবু ইসমাঈল আসসাক্সাকী থেকে বর্নিতঃ
আবূ বুরদাহ্-কে বলতে শুনেছি, তিনি এবং ইয়াযিদ ইব্নু আবূ কাবশা (রাঃ) সফরে ছিলেন। আর ইয়াযিদ (রাঃ) মুসাফির অবস্থায় রোযা রাখতেন। আবূ বুরদাহ (রাঃ) তাঁকে বললেন, আমি আবূ মুসা (আশ’আরী) (রাঃ)- কে একাধিকবার বলতে শুনেছি,তিনি বলেন, আল্লহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যখন বান্দা পীড়িত হয় কিংবা সফরে থাকে, তখন তাঁর জন্য তা-ই লেখা হয়, যা সে সুস্থ অবস্থায় ‘আমল করত।