বাংলা আরবি

وَالْأَرْضِ ذَاتِ الصَّدْعِ ﴿١٢﴾

এবং গাছপালার চারা গজানোর সময় বক্ষ দীর্ণকারী যমীনের শপথ, (বৃষ্টিপাতের মাধ্যমে বৃক্ষলতার উৎপাদন যেমন অকাট্য সত্য, তেমনি কুরআন যা ঘোষণা করে তাও অকাট্য সত্য) ( সুরাঃ আত-তারিক আয়াতঃ 12 )

১১-১৭ নং আয়াতের তাফসীর (আরবি) শব্দের অর্থ হলো বৃষ্টি ধারা, বৃষ্টি রয়েছে যেই মেঘে সেই মেঘ। এই বাদলের মাধ্যমে প্রতিবছর বান্দাদের রিযকের ব্যবস্থা হয়ে থাকে। যেই রিক ছাড়া ওরা এবং ওদের পশুগুলো মৃত্যুমুখে পতিত হতো। সূর্য, চন্দ্র এবং নক্ষত্রসমূহের এদিক ওদিক প্রত্যাবর্তন অর্থেও এ শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে। জমীন ফেটে যায়। শস্য দানা, ঘাস, তৃণ বের হয়। এরপর ঘঘাষিত হচ্ছেঃ নিশ্চয় আল-কুরআন মীমাংসাকারী বাণী। ন্যায় বিচারের কথা এতে লিপিবদ্ধ রয়েছে। নিরর্থক ও বাজে কথা সম্বলিত কোন কিস্সা-কাহিনী এটা নয়। কাফিররা এই কুরআনকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করে, আল্লাহ্র পথ থেকে লোকদেরকে ফিরিয়ে রাখে। নানারকম ধোকা, প্রতারণা এবং ফেরেকবাযীর মাধ্যমে লোকদেরকে কুরআনের বিরুদ্ধাচরণে উদ্বুদ্ধ করে। আল্লাহ্ তা'আলা স্বীয় নবী (সঃ)-কে সম্বোধন করে বলছেনঃ হে নবী (সঃ)! তুমি এই কাফিরদেরকে কিছুটা অবকাশ দাও। তারপর দেখবে যে, অচিরেই তারা নিকৃষ্টতম আযাবের শিকার হবে। যেমন অন্যত্র রয়েছেঃ (আরবি) অর্থাৎ “আমি তাদেরকে সামান্য সুখ ভোগ করাবো, অতঃপর তাদেরকে কঠোর শাস্তির দিকে আসতে বাধ্য করবো।” (৩১:২৪)

وَالْأَرْضِ ذَاتِ الصَّدْعِ ﴿١٢﴾

( سورة: আত-তারিক آية: 12 )

তাফসিরে ইবন কাসির এর আরবি মূল পাঠ এখানে থাকবে।

তাফসিরে তাবারি লোড হচ্ছে...

তাফসিরে কুরতুবি লোড হচ্ছে...

তাফসিরে বাগাবি লোড হচ্ছে...

তাফসিরে সা'দি লোড হচ্ছে...

তাফসিরে জাকারিয়া লোড হচ্ছে...

আহসানুল বায়ান লোড হচ্ছে...

ফাতহুল মাজীদ লোড হচ্ছে...