وَيَا قَوْمِ اعْمَلُوا عَلَى مَكَانَتِكُمْ إِنِّي عَامِلٌ سَوْفَ تَعْلَمُونَ مَنْ يَأْتِيهِ عَذَابٌ يُخْزِيهِ وَمَنْ هُوَ كَاذِبٌ وَارْتَقِبُوا إِنِّي مَعَكُمْ رَقِيبٌ ﴿٩٣﴾
হে আমার সম্প্রদায়! ‘তোমরা নিজ নিজ অবস্থানে থেকে কাজ করতে থাক, আমিও আমার কাজ করতে থাকি, তোমরা অচিরেই জানতে পারবে কার উপর আসবে লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তি আর কে মিথ্যেবাদী। কাজেই তোমরা অপেক্ষায় থাক, আমিও তোমাদের সাথে অপেক্ষায় থাকলাম।’ ( সুরাঃ হূদ আয়াতঃ 93 )
৯৩-৯৫ নং আয়াতের তাফসীর আল্লাহর নবী হযরত শুআ’ইব (আঃ) যখন তাঁর কওমের ঈমান আনয়নের ব্যাপারে নিরাশ হয়ে যান তখন তিনি তাদেরকে বলেনঃ “ঠিক আছে, তোমরা নিজেদের নীতির উপর থাকো, আমিও আমার নীতির উপর থাকলাম। তোমরা সত্বরই জানতে পারবে যে, লাঞ্ছিত ও অপমাণিতকারী শাস্তি কার উপর অবতীর্ণ হচ্ছে এবং আল্লাহর কাছে মিথ্যাবাদী কে? তোমরা এর জন্যে অপেক্ষা করতে থাকো, আমিও অপেক্ষায় রইলাম। শেষ পর্যন্ত তাদের উপর আল্লাহর শাস্তি এসেই গেল। ঐ সময় আল্লাহর নবী হযরত শুআ’ইব কে (আঃ) এবং তাঁর সঙ্গীয় মু'মিনদেরকে বাঁচিয়ে নেয়া হলো। তাঁদের উপর মহান আল্লাহর করুণা বর্ষিত হলো এবং ঐ অত্যাচারীদেরকে তছনছ করে দেয়া হলো। তারা এমন ভাবে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেল যে, যেন তারা তাদের বাসভূমিতে কখনো বসবাস করেই নাই। তাদের পূর্বে সামুদ সম্প্রদায় যেমনভাবে আল্লাহর অভিশাপের শিকার হয়েছিল, তেমনিভাবে হযরত শুআ’ইবের (আঃ) কওমও অভিশপ্ত হয়েছিল। সামূদ সম্প্রদায় ছিল তাদের প্রতিবেশী এবং কুফরী ও বিশ্বাসঘাতকতায় তাদের মতই ছিল। তাছাড়া এই উভয় কওমই ছিল আরবীয়।
তাফসিরে তাবারি লোড হচ্ছে...
তাফসিরে কুরতুবি লোড হচ্ছে...
তাফসিরে বাগাবি লোড হচ্ছে...
তাফসিরে সা'দি লোড হচ্ছে...
তাফসিরে জাকারিয়া লোড হচ্ছে...
আহসানুল বায়ান লোড হচ্ছে...
ফাতহুল মাজীদ লোড হচ্ছে...