বিষয়ভিত্তিক কুরআন > জান্নাত সত্য

জান্নাত দেয়ার জন্য আল্লাহ ওয়াদা দিয়েছেন:

আত-তাওবা, ৯:৭২
وَعَدَ اللَّهُ الْمُؤْمِنِينَ وَالْمُؤْمِنَاتِ جَنَّاتٍ تَجْرِي مِنْ تَحْتِهَا الْأَنْهَارُ خَالِدِينَ فِيهَا وَمَسَاكِنَ طَيِّبَةً فِي جَنَّاتِ عَدْنٍ وَرِضْوَانٌ مِنَ اللَّهِ أَكْبَرُ ذَلِكَ هُوَ الْفَوْزُ الْعَظِيمُ ﴿٧٢﴾
মু’মিন পুরুষ আর মু’মিন নারীর জন্য আল্লাহ অঙ্গীকার করেছেন জান্নাতের যার নিম্নদেশ দিয়ে ঝর্ণাধারা প্রবাহিত, তাতে তারা চিরদিন থাকবে, আর জান্নাতে চিরস্থায়ী উত্তম বাসগৃহের; আর সবচেয়ে বড় (যা তারা লাভ করবে তা) হল আল্লাহর সন্তুষ্টি। এটাই হল বিরাট সাফল্য। [তাইসিরুল কুরআন]

আদম ও হাওয়া (আঃ) জান্নাতে অবস্থান করেছিলেন:

আল-আ'রাফ, ৭:১৯
وَيَا آدَمُ اسْكُنْ أَنْتَ وَزَوْجُكَ الْجَنَّةَ فَكُلَا مِنْ حَيْثُ شِئْتُمَا وَلَا تَقْرَبَا هَذِهِ الشَّجَرَةَ فَتَكُونَا مِنَ الظَّالِمِينَ ﴿١٩﴾
‘আর, হে আদাম! তুমি ও তোমার স্ত্রী জান্নাতে বাস করতে থাক, দু’জনে যা পছন্দ হয় খাও আর এই গাছের কাছে যেও না, তাহলে যালিমদের দলে শামিল হয়ে যাবে।’ [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ জান্নাতের বিনিময়ে মুমিনদের জান ও মাল ক্রয় করে নিয়েছেন:

আত-তাওবা, ৯:১১১
إِنَّ اللَّهَ اشْتَرَى مِنَ الْمُؤْمِنِينَ أَنْفُسَهُمْ وَأَمْوَالَهُمْ بِأَنَّ لَهُمُ الْجَنَّةَ يُقَاتِلُونَ فِي سَبِيلِ اللَّهِ فَيَقْتُلُونَ وَيُقْتَلُونَ وَعْدًا عَلَيْهِ حَقًّا فِي التَّوْرَاةِ وَالْإِنْجِيلِ وَالْقُرْآنِ وَمَنْ أَوْفَى بِعَهْدِهِ مِنَ اللَّهِ فَاسْتَبْشِرُوا بِبَيْعِكُمُ الَّذِي بَايَعْتُمْ بِهِ وَذَلِكَ هُوَ الْفَوْزُ الْعَظِيمُ (﴿١١١﴾
নিশ্চয় আল্লাহ মু’মিনদের কাছ থেকে তাদের জান আর মাল কিনে নিয়েছেন কারণ তাদের জন্য (বিনিময়ে) আছে জান্নাত। তারা আল্লাহর পথে যুদ্ধ করে। অতঃপর (দুশমনদের) হত্যা করে এবং (নিজেরা) নিহত হয়। এ ওয়া‘দা তাঁর উপর অবশ্যই পালনীয় যা আছে তাওরাত, ইঞ্জিল ও কুরআনে। আল্লাহর চেয়ে আর কে বেশী নিজ ওয়া‘দা পালনকারী? কাজেই তোমরা যে ক্রয় বিক্রয় সম্পন্ন করেছ তার জন্য আনন্দিত হও, আর এটাই হল মহান সফলতা। [তাইসিরুল কুরআন]

একদল জান্নাতী হবেই:

আশ-শূরা, ৪২:৭
وَكَذَلِكَ أَوْحَيْنَا إِلَيْكَ قُرْآنًا عَرَبِيًّا لِتُنْذِرَ أُمَّ الْقُرَى وَمَنْ حَوْلَهَا وَتُنْذِرَ يَوْمَ الْجَمْعِ لَا رَيْبَ فِيهِ فَرِيقٌ فِي الْجَنَّةِ وَفَرِيقٌ فِي السَّعِيرِ ﴿٧﴾
এভাবে আমি তোমার প্রতি কুরআন আরবী ভাষায় নাযিল করেছি যাতে তুমি উম্মুল কুরা (মক্কা শহর) ও তার চার পাশে যারা আছে তাদেরকে সতর্ক করতে পার, আর সতর্ক কর একত্রিত হওয়ার দিন সম্পর্কে যে বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই। (একত্রিত হওয়ার পর) এক দল যাবে জান্নাতে, আরেক দল যাবে জাহান্নামে। [তাইসিরুল কুরআন]

জান্নাতবাসীরাই সফলকাম হবে:

আল-হাশর, ৫৯:২০
لَا يَسْتَوِي أَصْحَابُ النَّارِ وَأَصْحَابُ الْجَنَّةِ أَصْحَابُ الْجَنَّةِ هُمُ الْفَائِزُونَ ﴿٢٠﴾
জাহান্নামের অধিবাসী আর জান্নাতের অধিবাসী সমান হতে পারে না, জান্নাতের অধিবাসীরাই সফল। [তাইসিরুল কুরআন]
আলে-ইমরান, ৩:১৮৫
كُلُّ نَفْسٍ ذَائِقَةُ الْمَوْتِ وَإِنَّمَا تُوَفَّوْنَ أُجُورَكُمْ يَوْمَ الْقِيَامَةِ فَمَنْ زُحْزِحَ عَنِ النَّارِ وَأُدْخِلَ الْجَنَّةَ فَقَدْ فَازَ وَمَا الْحَيَاةُ الدُّنْيَا إِلَّا مَتَاعُ الْغُرُورِ ﴿١٨٥﴾
প্রতিটি জীবন মৃত্যুর আস্বাদ গ্রহণ করবে এবং ক্বিয়ামাতের দিন তোমাদেরকে পূর্ণমাত্রায় বিনিময় দেয়া হবে। যে ব্যক্তিকে জাহান্নামের আগুন হতে রক্ষা করা হল এবং জান্নাতে দাখিল করা হল, অবশ্যই সে ব্যক্তি সফলকাম হল, কেননা পার্থিব জীবন ছলনার বস্তু ছাড়া আর কিছুই নয়। [তাইসিরুল কুরআন]

জান্নাত উত্তম বাসস্থান:

আল-ফুরকান, ২৫:৭৫
أُولَئِكَ يُجْزَوْنَ الْغُرْفَةَ بِمَا صَبَرُوا وَيُلَقَّوْنَ فِيهَا تَحِيَّةً وَسَلَامًا ﴿٧٥﴾
এদেরকেই তাদের ধৈর্যধারণের কারণে জান্নাতের সুউচ্চ স্থান দান ক’রে পুরস্কৃত করা হবে। সেখানে তাদেরকে অভ্যর্থনা জানানো হবে সংবর্ধনা ও সালাম জানিয়ে। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-ফুরকান, ২৫:৭৬
خَالِدِينَ فِيهَا حَسُنَتْ مُسْتَقَرًّا وَمُقَامًا ﴿٧٦﴾
সেখানে তারা চিরকাল থাকবে, আবাসস্থল ও অবস্থানস্থল হিসেবে তা কতই না উৎকৃষ্ট! [তাইসিরুল কুরআন]

জান্নাতের বিশালতা:

আল-হাদীদ, ৫৭:২১
سَابِقُوا إِلَى مَغْفِرَةٍ مِنْ رَبِّكُمْ وَجَنَّةٍ عَرْضُهَا كَعَرْضِ السَّمَاءِ وَالْأَرْضِ أُعِدَّتْ لِلَّذِينَ آمَنُوا بِاللَّهِ وَرُسُلِهِ ذَلِكَ فَضْلُ اللَّهِ يُؤْتِيهِ مَنْ يَشَاءُ وَاللَّهُ ذُو الْفَضْلِ الْعَظِيمِ ﴿٢١﴾
তোমরা এগিয়ে যাও তোমাদের প্রতিপালকের ক্ষমা ও জান্নাত লাভের জন্য, যার প্রশস্ততা আসমান ও যমীনের প্রশস্ততার মত। তা প্রস্তুত রাখা হয়েছে তাদের জন্য যারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলদের প্রতি ঈমান এনেছে। এটা আল্লাহর অনুগ্রহ, তিনি তা দেন যাকে ইচ্ছে করেন, আল্লাহ বড়ই অনুগ্রহশীল। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহকে প্রতিপালক হিসেবে স্বীকারকারী ও অবিচল ব্যক্তিরাই হলেন জান্নাতের অধিবাসী।

আল-আহকাফ, ৪৬:১৪
أُولَئِكَ أَصْحَابُ الْجَنَّةِ خَالِدِينَ فِيهَا جَزَاءً بِمَا كَانُوا يَعْمَلُونَ ﴿١٤﴾
তারাই জান্নাতের অধিবাসী, তাতে তারা চিরকাল থাকবে, তারা যে কাজ করত তার পুরস্কার স্বরূপ। [তাইসিরুল কুরআন]

তাদের প্রতিদান হলো এমন উদ্যানসমূহ, যার তলদেশ দিয়ে নহর প্রবাহিত।

আলে-ইমরান, ৩:১৩৬
أُولَئِكَ جَزَاؤُهُمْ مَغْفِرَةٌ مِنْ رَبِّهِمْ وَجَنَّاتٌ تَجْرِي مِنْ تَحْتِهَا الْأَنْهَارُ خَالِدِينَ فِيهَا وَنِعْمَ أَجْرُ الْعَامِلِينَ ﴿١٣٦﴾
এরাই তারা যাদের জন্য রয়েছে তাদের প্রতিপালকের পক্ষ হতে ক্ষমা এবং এমন এক জান্নাত যার নিম্নে ঝর্ণাধারা প্রবাহিত, তারা তার স্থায়ী অধিবাসী এবং সৎকর্মশীলদের পুরস্কার কতই না উত্তম! [তাইসিরুল কুরআন]

সৎকর্মশীলদের পুরস্কার কতই না উত্তম!

আলে-ইমরান, ৩:১৩৬
أُولَئِكَ جَزَاؤُهُمْ مَغْفِرَةٌ مِنْ رَبِّهِمْ وَجَنَّاتٌ تَجْرِي مِنْ تَحْتِهَا الْأَنْهَارُ خَالِدِينَ فِيهَا وَنِعْمَ أَجْرُ الْعَامِلِينَ ﴿١٣٦﴾
এরাই তারা যাদের জন্য রয়েছে তাদের প্রতিপালকের পক্ষ হতে ক্ষমা এবং এমন এক জান্নাত যার নিম্নে ঝর্ণাধারা প্রবাহিত, তারা তার স্থায়ী অধিবাসী এবং সৎকর্মশীলদের পুরস্কার কতই না উত্তম! [তাইসিরুল কুরআন]

জান্নাতের এই প্রতিদান হবে আল্লাহর পক্ষ থেকে এক বিশেষ আপ্যায়ন।

আলে-ইমরান, ৩:১৯৮
لَكِنِ الَّذِينَ اتَّقَوْا رَبَّهُمْ لَهُمْ جَنَّاتٌ تَجْرِي مِنْ تَحْتِهَا الْأَنْهَارُ خَالِدِينَ فِيهَا نُزُلًا مِنْ عِنْدِ اللَّهِ وَمَا عِنْدَ اللَّهِ خَيْرٌ لِلْأَبْرَارِ ﴿١٩٨﴾
কিন্তু যারা তাদের প্রতিপালককে ভয় করে, তাদের জন্য আছে জান্নাত যার পাদদেশে ঝর্ণাধারা প্রবাহিত, তারা তাতে চিরকাল থাকবে, এ হল আল্লাহর নিকট হতে আতিথ্য আর আল্লাহর নিকট যা আছে, তা সৎকর্মপরায়ণদের জন্য অতি উত্তম। [তাইসিরুল কুরআন]

সৎকর্মশীলদের জন্য তাদের প্রতিপালকের নিকট শান্তির আবাস (জান্নাত) রয়েছে।

আল-আন'আম, ৬:১২৭
لَهُمْ دَارُ السَّلَامِ عِنْدَ رَبِّهِمْ وَهُوَ وَلِيُّهُمْ بِمَا كَانُوا يَعْمَلُونَ ﴿١٢٧﴾
তাদের জন্য তাদের প্রতিপালকের কাছে আছে শান্তিধাম, তিনিই তাদের পৃষ্ঠপোষক এজন্য যে তারা (সঠিক) ‘আমাল করেছিল। [তাইসিরুল কুরআন]

যারা ঈমান এনেছে ও সৎকর্ম করেছে, তারাই জান্নাতের অধিবাসী।

আল-আ'রাফ, ৭:৪২
وَالَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ لَا نُكَلِّفُ نَفْسًا إِلَّا وُسْعَهَا أُولَئِكَ أَصْحَابُ الْجَنَّةِ هُمْ فِيهَا خَالِدُونَ ﴿٤٢﴾
আর যারা ঈমান আনে আর সৎকাজ করে- আমি কারো উপর সাধ্যের অতিরিক্ত দায়িত্ব চাপিয়ে দেইনা- তারা হবে জান্নাতের অধিবাসী, সেখানে তারা হবে স্থায়ী। [তাইসিরুল কুরআন]

জান্নাতে প্রবেশকারী মুমিনদের কোনো ভয় থাকবে না।

আল-আ'রাফ, ৭:৪৯
أَهَؤُلَاءِ الَّذِينَ أَقْسَمْتُمْ لَا يَنَالُهُمُ اللَّهُ بِرَحْمَةٍ ادْخُلُوا الْجَنَّةَ لَا خَوْفٌ عَلَيْكُمْ وَلَا أَنْتُمْ تَحْزَنُونَ ﴿٤٩﴾
এরাই (অর্থাৎ জান্নাতবাসীরা) কি ঐ সব লোক যাদের ব্যাপারে তোমরা শপথ করে বলতে যে আল্লাহ তাদের প্রতি কোন দয়া দেখাবেন না। (আজ এদেরকেই বলা হল) তোমরা জান্নাতে প্রবেশ কর, তোমাদের কোন ভয় নেই, তোমরা দুঃখিতও হবে না। [তাইসিরুল কুরআন]

এবং জান্নাতে প্রবেশকারী মুমিনগণ দুঃখিতও হবে না।

আল-আ'রাফ, ৭:৪৯
أَهَؤُلَاءِ الَّذِينَ أَقْسَمْتُمْ لَا يَنَالُهُمُ اللَّهُ بِرَحْمَةٍ ادْخُلُوا الْجَنَّةَ لَا خَوْفٌ عَلَيْكُمْ وَلَا أَنْتُمْ تَحْزَنُونَ ﴿٤٩﴾
এরাই (অর্থাৎ জান্নাতবাসীরা) কি ঐ সব লোক যাদের ব্যাপারে তোমরা শপথ করে বলতে যে আল্লাহ তাদের প্রতি কোন দয়া দেখাবেন না। (আজ এদেরকেই বলা হল) তোমরা জান্নাতে প্রবেশ কর, তোমাদের কোন ভয় নেই, তোমরা দুঃখিতও হবে না। [তাইসিরুল কুরআন]

ঈমানদার ও সৎকর্মশীলদের জন্য রয়েছে উত্তম প্রত্যাবর্তনস্থল।

আর-রাদ, ১৩:২৯
الَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ طُوبَى لَهُمْ وَحُسْنُ مَآبٍ ﴿٢٩﴾
যারা ঈমান আনে ও সৎকাজ করে, সৌভাগ্য তাদেরই, উত্তম পরিণাম তাদের জন্যই। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহ তাঁর অনুগত মু'মিনদেরকে এমন জান্নাতের সুসংবাদ দেন, যেখানে তাদের জন্য চিরস্থায়ী নেয়ামত রয়েছে।

আত-তাওবা, ৯:২১
يُبَشِّرُهُمْ رَبُّهُمْ بِرَحْمَةٍ مِنْهُ وَرِضْوَانٍ وَجَنَّاتٍ لَهُمْ فِيهَا نَعِيمٌ مُقِيمٌ ﴿٢١﴾
তাদের প্রতিপালক তাদেরকে সুসংবাদ দিচ্ছেন তাঁর দয়া ও সন্তুষ্টির, আর জান্নাতের যেখানে তাদের জন্য আছে স্থায়ী সুখ-সামগ্রী। [তাইসিরুল কুরআন]

নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকট মহা পুরস্কার রয়েছে।

আত-তাওবা, ৯:২২
خَالِدِينَ فِيهَا أَبَدًا إِنَّ اللَّهَ عِنْدَهُ أَجْرٌ عَظِيمٌ ﴿٢٢﴾
যেখানে তারা চিরদিন থাকবে। আল্লাহর কাছেই তো রয়েছে মহাপুরস্কার। [তাইসিরুল কুরআন]

জান্নাতবাসীরা সম্পূর্ণ নিরাপদ অবস্থায় জান্নাতে প্রবেশ করবে।

আল-হিজর, ১৫:৪৬
ادْخُلُوهَا بِسَلَامٍ آمِنِينَ ﴿٤٦﴾
তাদেরকে বলা হবে, ‘পূর্ণ শান্তি ও নিরাপত্তার সাথে তোমরা এতে প্রবেশ কর।’ [তাইসিরুল কুরআন]

মুত্তাকীদের জন্য জান্নাতকে নিকটবর্তী করা হবে।

আশ-শুআ'রা, ২৬:৯০
وَأُزْلِفَتِ الْجَنَّةُ لِلْمُتَّقِينَ ﴿٩٠﴾
আর জান্নাতকে মুত্তাকীদের নিকটবর্তী করা হবে। [তাইসিরুল কুরআন]

জান্নাতবাসীরা জান্নাতে 'সালাম' (শান্তি) ছাড়া কোনো অনর্থক কথা শুনবে না।

মারইয়াম, ১৯:৬২
لَا يَسْمَعُونَ فِيهَا لَغْوًا إِلَّا سَلَامًا وَلَهُمْ رِزْقُهُمْ فِيهَا بُكْرَةً وَعَشِيًّا ﴿٦٢﴾
সেখানে তারা শান্তির সম্ভাষণ ছাড়া কোন অপবাক্য শুনবে না। আর সকাল-সন্ধ্যা সেখানে তাদের জন্য থাকবে জীবন ধারণের উপকরণ। [তাইসিরুল কুরআন]

জান্নাতবাসীদের জন্য জান্নাতে সকাল ও সন্ধ্যায় তাদের জীবিকার ব্যবস্থা থাকবে।

মারইয়াম, ১৯:৬২
لَا يَسْمَعُونَ فِيهَا لَغْوًا إِلَّا سَلَامًا وَلَهُمْ رِزْقُهُمْ فِيهَا بُكْرَةً وَعَشِيًّا ﴿٦٢﴾
সেখানে তারা শান্তির সম্ভাষণ ছাড়া কোন অপবাক্য শুনবে না। আর সকাল-সন্ধ্যা সেখানে তাদের জন্য থাকবে জীবন ধারণের উপকরণ। [তাইসিরুল কুরআন]

নিশ্চয়ই ইবরাহিম (আঃ) আখিরাতে সৎকর্মশীলদের অন্তর্ভুক্ত হবেন।

আল-আনকাবূত, ২৯:২৭
وَوَهَبْنَا لَهُ إِسْحَاقَ وَيَعْقُوبَ وَجَعَلْنَا فِي ذُرِّيَّتِهِ النُّبُوَّةَ وَالْكِتَابَ وَآتَيْنَاهُ أَجْرَهُ فِي الدُّنْيَا وَإِنَّهُ فِي الْآخِرَةِ لَمِنَ الصَّالِحِينَ ﴿٢٧﴾
আমি তাকে দান করেছিলাম ইসহাক্ব ও ইয়া‘কুব, তার বংশধরদের জন্য স্থির করেছিলাম নবূওয়াত ও কিতাব, আর তাকে প্রতিদান দিয়েছিলাম দুনিয়াতে, এবং আখিরাতেও অবশ্যই সে সৎকর্মশীলদের অন্তর্ভুক্ত। [তাইসিরুল কুরআন]

যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকর্ম করেছে, তারা নেয়ামতপূর্ণ জান্নাতে অবস্থান করবে।

আল-হজ্জ, ২২:৫৬
الْمُلْكُ يَوْمَئِذٍ لِلَّهِ يَحْكُمُ بَيْنَهُمْ فَالَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ فِي جَنَّاتِ النَّعِيمِ ﴿٥٦﴾
ক্ষমতা-আধিপত্য সেদিন হবে আল্লাহরই, তিনি তাদের মাঝে বিচার-ফয়সালা করবেন। অতঃপর যারা ঈমান আনে ও সৎ কাজ করে তারা থাকবে নি‘মাতরাজিতে পরিপূর্ণ জান্নাতে। [তাইসিরুল কুরআন]

যারা ঈমান এনেছে ও সৎকর্ম করেছে, তারা জান্নাতের একটি মনোরম উদ্যানে পরম আনন্দিত থাকবে।

আর-রুম, ৩০:১৫
فَأَمَّا الَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ فَهُمْ فِي رَوْضَةٍ يُحْبَرُونَ ﴿١٥﴾
অতঃপর যারা ঈমান এনেছে ও সৎ কাজ করেছে তাদেরকে জান্নাত দিয়ে পরিতুষ্ট করা হবে। [তাইসিরুল কুরআন]

নিশ্চয়ই যারা ঈমান আনে এবং সৎকর্ম সম্পাদন করে, তাদের জন্য রয়েছে নেয়ামতপূর্ণ জান্নাতসমূহ।

লুকমান, ৩১:৮
إِنَّ الَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ لَهُمْ جَنَّاتُ النَّعِيمِ ﴿٨﴾
যারা ঈমান আনে আর সৎকাজ করে তাদের জন্য আছে নি‘য়ামাতে ভরা জান্নাত। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহর মনোনীত বান্দাগণ নেয়ামতপূর্ণ জান্নাতসমূহে অবস্থান করবেন।

আস-সাফফাত, ৩৭:৪৩
فِي جَنَّاتِ النَّعِيمِ ﴿٤٣﴾
(তারা থাকবে) নি‘য়ামাতের ভরা জান্নাতে [তাইসিরুল কুরআন]

জান্নাতবাসীরা সেখানে সম্পূর্ণ নিরাপদ ও নিশ্চিন্ত অবস্থায় থাকবে।

আদ-দুখান, ৪৪:৫৫
يَدْعُونَ فِيهَا بِكُلِ فَاكِهَةٍ آمِنِينَ ﴿٥٥﴾
সেখানে তারা পূর্ণ শান্তি ও নিরাপত্তার সাথে নানান ফলমূল আনতে বলবে। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহর পক্ষ থেকে এই অনুগ্রহ লাভ করাই হলো প্রকৃত মহাসাফল্য।

আদ-দুখান, ৪৪:৫৭
فَضْلًا مِنْ رَبِّكَ ذَلِكَ هُوَ الْفَوْزُ الْعَظِيمُ ﴿٥٧﴾
তোমার প্রতিপালকের অনুগ্রহ স্বরূপ, এটাই হল মহা সাফল্য। [তাইসিরুল কুরআন]

এবং মুত্তাকিরা দুঃখিতও হবে না।

আয-যুমার, ৩৯:৬১
وَيُنَجِّي اللَّهُ الَّذِينَ اتَّقَوْا بِمَفَازَتِهِمْ لَا يَمَسُّهُمُ السُّوءُ وَلَا هُمْ يَحْزَنُونَ ﴿٦١﴾
আর আল্লাহ মুত্তাক্বীদেরকে রক্ষা করবেন তাদের সফলতার কারণে। কোন খারাবী তাদেরকে স্পর্শ করবে না, আর তারা দুঃখিতও হবে না। [তাইসিরুল কুরআন]

জান্নাতের সেই উদ্যান দুটি বহু শাখা-প্রশাখায় পরিপূর্ণ।

আর-রাহমান, ৫৫:৪৮
ذَوَاتَا أَفْنَانٍ ﴿٤٨﴾
দু’টোই শাখা পল্লবে ভরপুর। [তাইসিরুল কুরআন]

ঐ দুটি জান্নাত গাঢ় সবুজ বর্ণের।

আর-রাহমান, ৫৫:৬৪
مُدْهَامَّتَانِ ﴿٦٤﴾
ঘন সবুজ এ বাগান দু’টো। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহর নৈকট্যপ্রাপ্তগণ নেয়ামতপূর্ণ জান্নাতসমূহে অবস্থান করবেন।

আল-ওয়াকিয়া, ৫৬:১২
فِي جَنَّاتِ النَّعِيمِ ﴿١٢﴾
(তারা থাকবে) নি‘মাতে পরিপূর্ণ জান্নাতে। [তাইসিরুল কুরআন]

জান্নাতবাসীরা বিস্তৃত ও স্থায়ী ছায়ায় অবস্থান করবে।

আল-ওয়াকিয়া, ৫৬:৩০
وَظِلٍّ مَمْدُودٍ ﴿٣٠﴾
বিস্তীর্ণ অঞ্চল-জুড়া ছায়ায়, [তাইসিরুল কুরআন]

নিশ্চয়ই পুণ্যবানগণ পরম স্বাচ্ছন্দ্য ও অফুরন্ত নিয়ামতের মধ্যে থাকবেন।

আল-ইনফিতার, ৮২:১৩
إِنَّ الْأَبْرَارَ لَفِي نَعِيمٍ ﴿١٣﴾
নেককারগণ থাকবে নানান নি‘মাতের মাঝে [তাইসিরুল কুরআন]

তবে যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকর্ম করেছে, তাদের জন্য রয়েছে নিরবচ্ছিন্ন পুরস্কার।

আল-ইনশিকাক, ৮৪:২৫
إِلَّا الَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ لَهُمْ أَجْرٌ غَيْرُ مَمْنُونٍ ﴿٢٥﴾
কিন্তু যারা ঈমান আনে আর সৎকাজ করে তারা বাদে; তাদের জন্য আছে অফুরন্ত প্রতিদান। [তাইসিরুল কুরআন]

নিশ্চয়ই যারা ঈমান এনেছে ও সৎকর্ম করেছে, তাদের জন্য রয়েছে এমন উদ্যানসমূহ যার তলদেশ দিয়ে নদী প্রবাহিত হয়।

আল-বুরুজ, ৮৫:১১
إِنَّ الَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ لَهُمْ جَنَّاتٌ تَجْرِي مِنْ تَحْتِهَا الْأَنْهَارُ ذَلِكَ الْفَوْزُ الْكَبِيرُ ﴿١١﴾
যারা ঈমান আনে আর সৎকাজ করে তাদের জন্য আছে জান্নাত, যার পাদদেশ দিয়ে বয়ে চলেছে নির্ঝরিণী, এটা বিরাট সাফল্য। [তাইসিরুল কুরআন]

জান্নাতের যেখানেই দৃষ্টিপাত করা হোক, সেখানেই অফুরন্ত নিয়ামত দেখা যাবে।

আল-ইনসান, ৭৬:২০
وَإِذَا رَأَيْتَ ثَمَّ رَأَيْتَ نَعِيمًا وَمُلْكًا كَبِيرًا ﴿٢٠﴾
তুমি যখন দেখবে তখন দেখতে পাবে ভোগ বিলাসের নানান সামগ্রী আর এক বিশাল রাজ্য। [তাইসিরুল কুরআন]

জান্নাতের যেখানেই দৃষ্টিপাত করা হোক, সেখানেই এক বিশাল রাজ্য দেখা যাবে।

আল-ইনসান, ৭৬:২০
وَإِذَا رَأَيْتَ ثَمَّ رَأَيْتَ نَعِيمًا وَمُلْكًا كَبِيرًا ﴿٢٠﴾
তুমি যখন দেখবে তখন দেখতে পাবে ভোগ বিলাসের নানান সামগ্রী আর এক বিশাল রাজ্য। [তাইসিরুল কুরআন]

জান্নাতের এই সকল নেয়ামত পুণ্যবানদের জন্য পুরস্কারস্বরূপ প্রদান করা হয়েছে।

আল-ইনসান, ৭৬:২২
إِنَّ هَذَا كَانَ لَكُمْ جَزَاءً وَكَانَ سَعْيُكُمْ مَشْكُورًا ﴿٢٢﴾
‘এটাই তোমাদের প্রতিদান, তোমাদের চেষ্টা-সাধনা সাদরে গৃহীত হয়েছে।’ [তাইসিরুল কুরআন]

জান্নাতের প্রতিদান আপনার রবের পক্ষ থেকে একটি পুরস্কার।

আন-নাবা, ৭৮:৩৬
جَزَاءً مِنْ رَبِّكَ عَطَاءً حِسَابًا ﴿٣٦﴾
এটা তোমার প্রতিপালকের পক্ষ থেকে প্রতিফল, যথোচিত দান। [তাইসিরুল কুরআন]

আল্লাহর পক্ষ থেকে এই পুরস্কারটি একটি যথাযোগ্য ও পর্যাপ্ত দান।

আন-নাবা, ৭৮:৩৬
جَزَاءً مِنْ رَبِّكَ عَطَاءً حِسَابًا ﴿٣٦﴾
এটা তোমার প্রতিপালকের পক্ষ থেকে প্রতিফল, যথোচিত দান। [তাইসিরুল কুরআন]
ফন্ট সাইজ
15px
17px