বিষয়ভিত্তিক কুরআন > জাহান্নামের আগুনের বৈশিষ্ট্য
জাহান্নামের আগুনের শক্তি অনেক বেশি:
আত-তাওবা, ৯:৮১ ⋮
فَرِحَ الْمُخَلَّفُونَ بِمَقْعَدِهِمْ خِلَافَ رَسُولِ اللَّهِ وَكَرِهُوا أَنْ يُجَاهِدُوا بِأَمْوَالِهِمْ وَأَنْفُسِهِمْ فِي سَبِيلِ اللَّهِ وَقَالُوا لَا تَنْفِرُوا فِي الْحَرِّ قُلْ نَارُ جَهَنَّمَ أَشَدُّ حَرًّا لَوْ كَانُوا يَفْقَهُونَ ﴿٨١﴾
(তাবুক অভিযানে) যারা পিছনে থেকে গিয়েছিল তারা রসূলের বিরোধিতায় বসে থাকাতেই আনন্দ প্রকাশ করেছিল আর তাদের ধন-সম্পদ ও জান দিয়ে আল্লাহর পথে জিহাদ করতে তারা অপছন্দ করেছিল। তারা বলেছিল, ‘গরমের মধ্যে অভিযানে বেরিও না’। বল, ‘জাহান্নামের আগুনই তাপে প্রচন্ডতম’। তারা যদি বুঝত! [তাইসিরুল কুরআন]
সেই আগুন শিখাবিশিষ্ট:
আয-যুমার, ৩৯:১৬ ⋮
لَهُمْ مِنْ فَوْقِهِمْ ظُلَلٌ مِنَ النَّارِ وَمِنْ تَحْتِهِمْ ظُلَلٌ ذَلِكَ يُخَوِّفُ اللَّهُ بِهِ عِبَادَهُ يَاعِبَادِ فَاتَّقُونِ ﴿١٦﴾
তাদের উপরেও থাকবে আগুনের স্তর, আর নীচেও থাকবে (আগুনের) স্তর। এ রকম পরিণতির ব্যাপারে আল্লাহ তাঁর বান্দাহদেরকে সাবধান করছেন। কাজেই হে আমার বান্দাহরা! আমাকে ভয় কর। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-মাসাদ, ১১১:৩ ⋮
سَيَصْلَى نَارًا ذَاتَ لَهَبٍ ﴿٣﴾
অচিরে সে প্রবেশ করবে লেলিহান শিখাযুক্ত আগুনে, [তাইসিরুল কুরআন]
সে আগুন জ্বলন্ত:
আল-লাইল, ৯২:১৪ ⋮
فَأَنْذَرْتُكُمْ نَارًا تَلَظَّى ﴿١٤﴾
কাজেই আমি তোমাদেরকে দাউ দাউ ক’রে জ্বলা আগুন সম্পর্কে সতর্ক করে দিচ্ছি। [তাইসিরুল কুরআন]
সে আগুন ভয়াবহ:
আল-আ'লা, ৮৭:১২ ⋮
الَّذِي يَصْلَى النَّارَ الْكُبْرَى ﴿١٢﴾
যে ভয়াবহ আগুনে প্রবেশ করবে। [তাইসিরুল কুরআন]
সে আগুন উত্তপ্ত:
আল-গাশিয়া, ৮৮:৪ ⋮
تَصْلَى نَارًا حَامِيَةً ﴿٤﴾
তারা জ্বলন্ত আগুনে প্রবেশ করবে। [তাইসিরুল কুরআন]
সে আগুন বেষ্টনীতে আবদ্ধ:
আল-বালাদ, ৯০:২০ ⋮
عَلَيْهِمْ نَارٌ مُؤْصَدَةٌ ﴿٢٠﴾
তাদেরকে আচ্ছন্ন করবে অবরুদ্ধকারী আগুন। [তাইসিরুল কুরআন]
জাহান্নামীদের সে আগুন দেহের সকল অঙ্গে পৌঁছবে:
আল-মুমিনুন, ২৩:১০৪ ⋮
تَلْفَحُ وُجُوهَهُمُ النَّارُ وَهُمْ فِيهَا كَالِحُونَ ﴿١٠٤﴾
আগুন তাদের মুখমন্ডল দগ্ধ করবে আর তারা বীভৎস চেহারা নিয়ে তার ভিতরে দাঁত কটমট করতে থাকবে। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-হুমাযা, ১০৪:৭ ⋮
الَّتِي تَطَّلِعُ عَلَى الْأَفْئِدَةِ ﴿٧﴾
যা হৃদয় পর্যন্ত পৌঁছে যাবে। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-হুমাযা, ১০৪:৮ ⋮
إِنَّهَا عَلَيْهِمْ مُؤْصَدَةٌ ﴿٨﴾
তা তাদেরকে চতুর্দিক থেকে পরিবেষ্টন করে রাখবে, [তাইসিরুল কুরআন]
আল-হুমাযা, ১০৪:৯ ⋮
فِي عَمَدٍ مُمَدَّدَةٍ ﴿٩﴾
(লেলিহান অগ্নিশিখার) উঁচু উঁচু স্তম্ভে। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-মা'আরিজ, ৭০:১৬ ⋮
نَزَّاعَةً لِلشَّوَى ﴿١٦﴾
যা চামড়া তুলে দিবে, [তাইসিরুল কুরআন]
সেই আগুন কেউ সরাতে পারবে না:
আল-আম্বিয়া, ২১:৩৯ ⋮
لَوْ يَعْلَمُ الَّذِينَ كَفَرُوا حِينَ لَا يَكُفُّونَ عَنْ وُجُوهِهِمُ النَّارَ وَلَا عَنْ ظُهُورِهِمْ وَلَا هُمْ يُنْصَرُونَ ﴿٣٩﴾
অবিশ্বাসীরা যদি (সে সময়ের কথা) জানত যখন তারা তাদের মুখ হতে অগ্নি প্রতিরোধ করতে পারবে না, আর তাদের পিঠ থেকেও না, আর তারা সাহায্যপ্রাপ্তও হবে না। [তাইসিরুল কুরআন]
যতবার চামড়া জ্বলবে ততবার নতুন করে তৈরি করা হবে:
আন-নিসা, ৪:৫৬ ⋮
إِنَّ الَّذِينَ كَفَرُوا بِآيَاتِنَا سَوْفَ نُصْلِيهِمْ نَارًا كُلَّمَا نَضِجَتْ جُلُودُهُمْ بَدَّلْنَاهُمْ جُلُودًا غَيْرَهَا لِيَذُوقُوا الْعَذَابَ إِنَّ اللَّهَ كَانَ عَزِيزًا حَكِيمًا ﴿٥٦﴾
যারা আমার আয়াতসমূহকে প্রত্যাখ্যান করে নিশ্চয়ই আমি তাদেরকে আগুনে দগ্ধ করব, যখন তাদের গায়ের চামড়া দগ্ধ হবে, আমি সেই চামড়াকে নতুন চামড়া দ্বারা বদলে দেব যেন তারা (শাস্তির পর) শাস্তি ভোগ করে। আল্লাহ নিশ্চয়ই পরাক্রমশালী ও বিজ্ঞানময়। [তাইসিরুল কুরআন]
যতবার অগ্নিশিখা স্থিমিত হবে ততবারই আরো বাড়িয়ে দেয়া হবে:
আল-ইসরা, ১৭:৯৭ ⋮
وَمَنْ يَهْدِ اللَّهُ فَهُوَ الْمُهْتَدِ وَمَنْ يُضْلِلْ فَلَنْ تَجِدَ لَهُمْ أَوْلِيَاءَ مِنْ دُونِهِ وَنَحْشُرُهُمْ يَوْمَ الْقِيَامَةِ عَلَى وُجُوهِهِمْ عُمْيًا وَبُكْمًا وَصُمًّا مَأْوَاهُمْ جَهَنَّمُ كُلَّمَا خَبَتْ زِدْنَاهُمْ سَعِيرًا ﴿٩٧﴾
আল্লাহ যাকে সঠিক পথে পরিচালিত করেন সে পথপ্রাপ্ত আর যাদেরকে তিনি পথভ্রষ্ট করেন, তুমি কক্ষনো তাদের জন্য তাঁকে ছাড়া অন্য কাউকে অভিভাবক পাবে না। ক্বিয়ামাতের দিন আমি তাদেরকে একত্রিত করব তাদের মুখের ভরে অন্ধ, বোবা ও বধির অবস্থায়। তাদের আবাস হচ্ছে জাহান্নাম। যখনই তার আগুন নিস্তেজ হয়ে আসবে, আমি তাদের জন্য অগ্নির দহন শক্তি বৃদ্ধি করে দেব। [তাইসিরুল কুরআন]
সত্যপ্রত্যাখ্যানকারীদেরকে জাহান্নামের আগুনে পুড়িয়ে শাস্তি দেওয়া হবে।
আয-যারিয়াত, ৫১:১৩ ⋮
يَوْمَ هُمْ عَلَى النَّارِ يُفْتَنُونَ ﴿١٣﴾
(তা হবে সেদিন) যেদিন তাদেরকে আগুনে শাস্তি দেয়া হবে। [তাইসিরুল কুরআন]
জ্বলন্ত আগুন হিসেবে জাহান্নামই যথেষ্ট।
আন-নিসা, ৪:৫৫ ⋮
فَمِنْهُمْ مَنْ آمَنَ بِهِ وَمِنْهُمْ مَنْ صَدَّ عَنْهُ وَكَفَى بِجَهَنَّمَ سَعِيرًا ﴿٥٥﴾
অতঃপর তাদের মধ্যে কেউ কেউ তার উপর ঈমান আনল এবং তাদের মধ্যে কেউ কেউ তার থেকে মুখ ফিরিয়ে রাখল, (দগ্ধ করার জন্য) প্রজ্জ্বলিত জাহান্নামই যথেষ্ট। [তাইসিরুল কুরআন]
এবং যখন জাহান্নামকে প্রচণ্ডভাবে প্রজ্বলিত করা হবে।
আত-তাকবীর, ৮১:১২ ⋮
وَإِذَا الْجَحِيمُ سُعِّرَتْ ﴿١٢﴾
যখন জাহান্নামকে উসকে দেয়া হবে, [তাইসিরুল কুরআন]
নিশ্চয়ই জাহান্নাম অট্টালিকা সদৃশ বিশাল স্ফুলিঙ্গ নিক্ষেপ করবে।
আল-মুরসালাত, ৭৭:৩২ ⋮
إِنَّهَا تَرْمِي بِشَرَرٍ كَالْقَصْرِ ﴿٣٢﴾
সে আগুন প্রাসাদের ন্যায় (বিশাল) স্ফুলিঙ্গ উৎক্ষেপ করবে, [তাইসিরুল কুরআন]
জাহান্নামের আগুনের স্ফুলিঙ্গগুলো যেন হলুদ বর্ণের উটের সারি।
আল-মুরসালাত, ৭৭:৩৩ ⋮
كَأَنَّهُ جِمَالَةٌ صُفْرٌ ﴿٣٣﴾
যেন হলুদ রঙ্গের উটের সারি, [তাইসিরুল কুরআন]