🕋

الشعراء
(২৬) আশ-শু'আরা

২২৭

﴾২৬:১﴿
﴾ ২৬:১ ﴿
طسم ﴿١﴾
ত্বা-সীম, মীম। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:২﴿
﴾ ২৬:২ ﴿
تِلْكَ آيَاتُ الْكِتَابِ الْمُبِينِ ﴿٢﴾
এগুলো হচ্ছে সুস্পষ্ট গ্রন্থের (কতিপয়) আয়াত । [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৩﴿
﴾ ২৬:৩ ﴿
لَعَلَّكَ بَاخِعٌ نَفْسَكَ أَلَّا يَكُونُوا مُؤْمِنِينَ ﴿٣﴾
(হে নবী, ) কেন তারা ঈমান আনছে না (সে দুঃখে) মনে হচ্ছে তুমি তোমার জীবনটাই ধ্বংস করে দেবে। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৪﴿
﴾ ২৬:৪ ﴿
إِنْ نَشَأْ نُنَزِّلْ عَلَيْهِمْ مِنَ السَّمَاءِ آيَةً فَظَلَّتْ أَعْنَاقُهُمْ لَهَا خَاضِعِينَ ﴿٤﴾
(অথচ) আমি চাইলে এদের উপর আসমান থেকে (এমন) একটি নিদর্শন নাযিল করতে পারি, (যা দেখে) তাদের গর্দান তার দিকে ঝুঁকে পড়বে। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৫﴿
﴾ ২৬:৫ ﴿
وَمَا يَأْتِيهِمْ مِنْ ذِكْرٍ مِنَ الرَّحْمَنِ مُحْدَثٍ إِلَّا كَانُوا عَنْهُ مُعْرِضِينَ ﴿٥﴾
যখনি দয়াময় আল্লাহ তায়ালার কাছ থেকে এদের কাছে কোনো (নতুন) উপদেশ আসে তখনি তারা তা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৬﴿
﴾ ২৬:৬ ﴿
فَقَدْ كَذَّبُوا فَسَيَأْتِيهِمْ أَنْبَاءُ مَا كَانُوا بِهِ يَسْتَهْزِئُونَ ﴿٦﴾
এরা যেহেতু (আল্লাহর আযাব) অস্বীকার করেছে, (তাই) অচিরেই তাদের কাছে সে (আযাবের) প্রত্যক্ষ বিবরণ এসে হাযির হবে, যা নিয়ে তারা ঠাট্টা বিদ্রুপ করতো! [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৭﴿
﴾ ২৬:৭ ﴿
أَوَلَمْ يَرَوْا إِلَى الْأَرْضِ كَمْ أَنْبَتْنَا فِيهَا مِنْ كُلِّ زَوْجٍ كَرِيمٍ ﴿٧﴾
এরা কি যমীনের দিকে নযর করে দেখে না! আমি কতো কতো ধরনের উৎকৃষ্ট জিনিসপত্র তাতে উৎপাদন করাই। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৮﴿
﴾ ২৬:৮ ﴿
إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآيَةً وَمَا كَانَ أَكْثَرُهُمْ مُؤْمِنِينَ ﴿٨﴾
নিশ্চয়ই এর মাঝে (ছড়িয়ে) আছে (আমার সৃষ্টি কৌশলের নানা) নিদর্শন; কিন্তু তাদের অধিকাংশ মানুষ তা বিশ্বাসই করে না। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৯﴿
﴾ ২৬:৯ ﴿
وَإِنَّ رَبَّكَ لَهُوَ الْعَزِيزُ الرَّحِيمُ ﴿٩﴾
তোমার মালিক অবশ্যই পরাক্রমশালী ও পরম দয়ালু। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১০﴿
﴾ ২৬:১০ ﴿
وَإِذْ نَادَى رَبُّكَ مُوسَى أَنِ ائْتِ الْقَوْمَ الظَّالِمِينَ ﴿١٠﴾
(হে নবী, তুমি তাদের সে সময়কার কাহিনী শোনাও, ) যখন তোমার মালিক মুসাকে ডাকলেন (ইসলামের দাওয়াত নিয়ে) সে যেন যালেম জাতির কাছে যায় [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১১﴿
﴾ ২৬:১১ ﴿
قَوْمَ فِرْعَوْنَ أَلَا يَتَّقُونَ ﴿١١﴾
ফেরাউনের জাতির কাছে; তারা কি (আমার ক্রোধকে) ভয় করে না? [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১২﴿
﴾ ২৬:১২ ﴿
قَالَ رَبِّ إِنِّي أَخَافُ أَنْ يُكَذِّبُونِ ﴿١٢﴾
সে বললো, হে আমার মালিক, আমি আশংকা করছি তারা আমাকে মিথ্যা সাব্যস্ত করবে; [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৩﴿
﴾ ২৬:১৩ ﴿
وَيَضِيقُ صَدْرِي وَلَا يَنْطَلِقُ لِسَانِي فَأَرْسِلْ إِلَى هَارُونَ ﴿١٣﴾
(তা ছাড়া) আমার হৃদয়ও সংকীর্ণ হয়ে আসছে, আমার জিহবাও (ভালো করে) কথা বলতে পারে না, এমতাবস্থায় (আমার সাহায্যের জন্যে) তুমি হারূনের কাছেও নবুওত পাঠাও। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৪﴿
﴾ ২৬:১৪ ﴿
وَلَهُمْ عَلَيَّ ذَنْبٌ فَأَخَافُ أَنْ يَقْتُلُونِ ﴿١٤﴾
(তা ছাড়া) আমার উপর তাদের (আগে থেকেই একটা) অপরাধ (জনিত অভিযোগ) আছে, তাই আমি ভয় করছি, এখন তারা (সে অভিযোগে) আমাকে মেরেই ফেলবে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৫﴿
﴾ ২৬:১৫ ﴿
قَالَ كَلَّا فَاذْهَبَا بِآيَاتِنَا إِنَّا مَعَكُمْ مُسْتَمِعُونَ ﴿١٥﴾
আল্লাহ তায়ালা বললেন, না, (তা) কখনো হবে না, আমার আয়াত নিয়ে তোমরা উভয়েই (তার কাছে যাও, আমি তো তোমাদের সাথেই আছি, আমি সবকিছুই শুনতে পাই। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৬﴿
﴾ ২৬:১৬ ﴿
فَأْتِيَا فِرْعَوْنَ فَقُولَا إِنَّا رَسُولُ رَبِّ الْعَالَمِينَ ﴿١٦﴾
তোমরা দু'জন যাও ফেরাউনের কাছে, অতপর তোমরা তাকে বলো, আমরা সৃষ্টিকুলের মালিক আল্লাহ তায়ালার প্রেরিত রসুল, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৭﴿
﴾ ২৬:১৭ ﴿
أَنْ أَرْسِلْ مَعَنَا بَنِي إِسْرَائِيلَ ﴿١٧﴾
তুমি বনী ইসরাঈলদের আমাদের সাথে যেতে দাও! [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৮﴿
﴾ ২৬:১৮ ﴿
قَالَ أَلَمْ نُرَبِّكَ فِينَا وَلِيدًا وَلَبِثْتَ فِينَا مِنْ عُمُرِكَ سِنِينَ ﴿١٨﴾
(ফেরাউন এসব শুনে) বললো, হে মুসা, আমরা কি তোমাকে আমাদের তত্ত্বাবধানে রেখে লালন পালন করিনি? তুমি কি তোমার জীবনের বেশ কয়টি বছর আমাদের মধ্যে অতিবাহিত করোনি? [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৯﴿
﴾ ২৬:১৯ ﴿
وَفَعَلْتَ فَعْلَتَكَ الَّتِي فَعَلْتَ وَأَنْتَ مِنَ الْكَافِرِينَ ﴿١٩﴾
(তখন) তোমার যা কিছু করার ছিলো তা তুমি (ঠিকমতোই) করেছো, তুমি তো (দেখছি ভারী) অকৃতজ্ঞ মানুষ! [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:২০﴿
﴾ ২৬:২০ ﴿
قَالَ فَعَلْتُهَا إِذًا وَأَنَا مِنَ الضَّالِّينَ ﴿٢٠﴾
সে বললো (হ্যাঁ) , আমি তখন সে কাজটি একান্ত না জানা অবস্থায় করে ফেলেছি; [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:২১﴿
﴾ ২৬:২১ ﴿
فَفَرَرْتُ مِنْكُمْ لَمَّا خِفْتُكُمْ فَوَهَبَ لِي رَبِّي حُكْمًا وَجَعَلَنِي مِنَ الْمُرْسَلِينَ ﴿٢١﴾
অতপর যখন আমি তোমাদের কাছ থেকে (প্রতিশোধের ব্যাপারে) ভয় পেয়ে গেলাম তখন আমি তোমাদের এখান থেকে পালিয়ে গেলাম, তারপর আমার মালিক আমাকে (বিশেষ) জ্ঞান দান করলেন এবং আমাকে রসুলদের দলে শামিল করলেন। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:২২﴿
﴾ ২৬:২২ ﴿
وَتِلْكَ نِعْمَةٌ تَمُنُّهَا عَلَيَّ أَنْ عَبَّدْتَ بَنِي إِسْرَائِيلَ ﴿٢٢﴾
আর তুমি তোমার (রাজপরিবারের) সে অনুগ্রহ, যা তুমি (আজ) আমার উপর রাখার প্রয়াস পেলে, (তার মুল কারণ এটাই ছিলো) যে, তুমি বনী ইসরাঈলদের নিজের গোলাম বানিয়ে রেখেছিলে; [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:২৩﴿
﴾ ২৬:২৩ ﴿
قَالَ فِرْعَوْنُ وَمَا رَبُّ الْعَالَمِينَ ﴿٢٣﴾
ফেরাউন বললো, সৃষ্টিকুলের মালিক (আবার) কে? [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:২৪﴿
﴾ ২৬:২৪ ﴿
قَالَ رَبُّ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَمَا بَيْنَهُمَا إِنْ كُنْتُمْ مُوقِنِينَ ﴿٢٤﴾
সে বললো, তিনি হচ্ছেন আসমানসমুহ ও যমীনের এবং এ উভয়ের মধ্যবর্তী স্থানে যা কিছু আছে তার সব কিছুর মালিক; (কতো ভালো হতো) যদি তোমরা (এ কথাটা) বিশ্বাস করতে! [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:২৫﴿
﴾ ২৬:২৫ ﴿
قَالَ لِمَنْ حَوْلَهُ أَلَا تَسْتَمِعُونَ ﴿٢٥﴾
ফেরাউন তার আশেপাশে যারা (বসা) ছিলো তাদের বললো, তোমরা কি শোনছো (মুসা কি বলছে) ? [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:২৬﴿
﴾ ২৬:২৬ ﴿
قَالَ رَبُّكُمْ وَرَبُّ آبَائِكُمُ الْأَوَّلِينَ ﴿٢٦﴾
সে বললো, তিনি তোমাদের মালিক এবং তোমাদের পূর্বপুরুষদেরও মালিক। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:২৭﴿
﴾ ২৬:২৭ ﴿
قَالَ إِنَّ رَسُولَكُمُ الَّذِي أُرْسِلَ إِلَيْكُمْ لَمَجْنُونٌ ﴿٢٧﴾
ফেরাউন (তার দলবলকে) বললো, তোমাদের কাছে পাঠানো তোমাদের এ রসুল হচ্ছে (আসলেই) এক বদ্ধ পাগল। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:২৮﴿
﴾ ২৬:২৮ ﴿
قَالَ رَبُّ الْمَشْرِقِ وَالْمَغْرِبِ وَمَا بَيْنَهُمَا إِنْ كُنْتُمْ تَعْقِلُونَ ﴿٢٨﴾
সে বললো, তিনি পূর্ব পশ্চিম উভয় দিকের মালিক, আরো (মালিক) এদের উভয়ের মাঝখানে যা কিছু আছে সেসব কিছুরও; (কতো ভালো হতো) যদি তোমরা (তা) অনুধাবন করতে! [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:২৯﴿
﴾ ২৬:২৯ ﴿
قَالَ لَئِنِ اتَّخَذْتَ إِلَهًا غَيْرِي لَأَجْعَلَنَّكَ مِنَ الْمَسْجُونِينَ ﴿٢٩﴾
সে বললো (হে মুসা) , যদি তুমি আমাকে বাদ দিয়ে অন্য কাউকে মাবুদ হিসেবে গ্রহণ করো, তাহলে আমি অবশ্যই তোমাকে জেলে ভরবো । [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৩০﴿
﴾ ২৬:৩০ ﴿
قَالَ أَوَلَوْ جِئْتُكَ بِشَيْءٍ مُبِينٍ ﴿٣٠﴾
সে বললো, আমি যদি তোমার সামনে (নবুওতের) সুস্পষ্ট কোনো দলীল প্রমাণ হাযির করি তবুও কি (তুমি এমনটি করবে) ? [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৩১﴿
﴾ ২৬:৩১ ﴿
قَالَ فَأْتِ بِهِ إِنْ كُنْتَ مِنَ الصَّادِقِينَ ﴿٣١﴾
সে বললো, (যাও) নিয়ে এসো সে দলীল প্রমাণ, যদি তুমি (তোমার দাবীতে) সত্যবাদী হও! [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৩২﴿
﴾ ২৬:৩২ ﴿
فَأَلْقَى عَصَاهُ فَإِذَا هِيَ ثُعْبَانٌ مُبِينٌ ﴿٣٢﴾
অতপর সে তার লাঠি (যমীনে) নিক্ষেপ করলো, তৎক্ষণাৎ তা একটি দৃশ্যমান অজগর হয়ে গেলো । [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৩৩﴿
﴾ ২৬:৩৩ ﴿
وَنَزَعَ يَدَهُ فَإِذَا هِيَ بَيْضَاءُ لِلنَّاظِرِينَ ﴿٣٣﴾
(দ্বিতীয় নিদর্শন হিসেবে) সে (বগল থেকে) তার হাত বের করলো, (সাথে সাথেই) তা দর্শকদের সামনে চমকাতে লাগলো । [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৩৪﴿
﴾ ২৬:৩৪ ﴿
قَالَ لِلْمَلَأِ حَوْلَهُ إِنَّ هَذَا لَسَاحِرٌ عَلِيمٌ ﴿٣٤﴾
ফেরাউন তার আশেপাশে উপবষ্টি দরবারের বড়ো আমলাদের বললো, এ তো (দেখছি) আসলেই একজন সুদক্ষ যাদুকর! [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৩৫﴿
﴾ ২৬:৩৫ ﴿
يُرِيدُ أَنْ يُخْرِجَكُمْ مِنْ أَرْضِكُمْ بِسِحْرِهِ فَمَاذَا تَأْمُرُونَ ﴿٣٥﴾
সে তার যাদু (-র শক্তি দিয়ে তোমাদের দেশ থেকে তোমাদেরই বের করে দিতে চায়, বলো, এখন তোমরা আমাকে (এ ব্যাপারে) কি পরামর্শ দেবে? [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৩৬﴿
﴾ ২৬:৩৬ ﴿
قَالُوا أَرْجِهْ وَأَخَاهُ وَابْعَثْ فِي الْمَدَائِنِ حَاشِرِينَ ﴿٣٦﴾
তারা বললো, (আমাদের মতে) তুমি তাকে ও তার ভাইকে (কিছু দিনের) অবকাশ দাও এবং (এ সুযোগে) তুমি শহরে বন্দরে (যাদুকরদের নিয়ে আসার ফরমান দিয়ে) সংগ্রাহকদের পাঠিয়ে দাও । [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৩৭﴿
﴾ ২৬:৩৭ ﴿
يَأْتُوكَ بِكُلِّ سَحَّارٍ عَلِيمٍ ﴿٣٧﴾
(তাদের বলে দাও, তারা) যেন প্রতিটি সুদক্ষ যাদুকরকে তোমার সামনে এনে হাযির করে । [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৩৮﴿
﴾ ২৬:৩৮ ﴿
فَجُمِعَ السَّحَرَةُ لِمِيقَاتِ يَوْمٍ مَعْلُومٍ ﴿٣٨﴾
অতপর একটি নির্দিষ্ট দিনে একটি নির্দিষ্ট সময়ে (সত্যি সত্যিই দেশের) সব যাদুকরদের একত্রিত করা হলো, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৩৯﴿
﴾ ২৬:৩৯ ﴿
وَقِيلَ لِلنَّاسِ هَلْ أَنْتُمْ مُجْتَمِعُونَ ﴿٣٩﴾
সাধারণ মানুষদের জন্যেও বলা হলো, তারাও যেন (সেখানে তখন) একত্রিত হয়, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৪০﴿
﴾ ২৬:৪০ ﴿
لَعَلَّنَا نَتَّبِعُ السَّحَرَةَ إِنْ كَانُوا هُمُ الْغَالِبِينَ ﴿٤٠﴾
এ আশা (নিয়েই সবাই আসবে) যে, যদি যাদুকররা (আজ) বিজয়ী হয় তাহলে আমরা (মুসাকে বাদ দিয়ে) তাদের অনুসরণ করতে পারবো । [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৪১﴿
﴾ ২৬:৪১ ﴿
فَلَمَّا جَاءَ السَّحَرَةُ قَالُوا لِفِرْعَوْنَ أَئِنَّ لَنَا لَأَجْرًا إِنْ كُنَّا نَحْنُ الْغَالِبِينَ ﴿٤١﴾
তারা ফেরাউনের সামনে (এসে) বললো, আমরা যদি (আজ) জয় লাভ করি তাহলে আমাদের জন্যে (পর্যাপ্ত) পুরস্কার থাকবে তো? [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৪২﴿
﴾ ২৬:৪২ ﴿
قَالَ نَعَمْ وَإِنَّكُمْ إِذًا لَمِنَ الْمُقَرَّبِينَ ﴿٤٢﴾
সে বললো, হাঁ (তা তো অবশ্যই) , তেমন অবস্থায় তোমরাই তো (হবে) আমার ঘনিষ্ঠ জন! [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৪৩﴿
﴾ ২৬:৪৩ ﴿
قَالَ لَهُمْ مُوسَى أَلْقُوا مَا أَنْتُمْ مُلْقُونَ ﴿٤٣﴾
(মোকাবেলা শুরু হয়ে গেলে) মুসা তাদের বললো (হাঁ) , তোমরাই (আগে) নিক্ষেপ করো যা কিছু তোমাদের (কাছে) নিক্ষেপ করার আছে! [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৪৪﴿
﴾ ২৬:৪৪ ﴿
فَأَلْقَوْا حِبَالَهُمْ وَعِصِيَّهُمْ وَقَالُوا بِعِزَّةِ فِرْعَوْنَ إِنَّا لَنَحْنُ الْغَالِبُونَ ﴿٤٤﴾
অতপর তারা তাদের রশি ও লাঠি (মাটিতে) ফেললো এবং তারা বললো, ফেরাউনের ইযযতের কসম, আজ অবশ্যই আমরা বিজয়ী হবো। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৪৫﴿
﴾ ২৬:৪৫ ﴿
فَأَلْقَى مُوسَى عَصَاهُ فَإِذَا هِيَ تَلْقَفُ مَا يَأْفِكُونَ ﴿٤٥﴾
তারপর মুসা তার (হাতের) লাঠি (যমীনে) নিক্ষেপ করলো, সহসা তা (এক বিশাল অজগর হয়ে) তাদের (যাদুর) অলীক সৃষ্টিগুলো গ্রাস করতে লাগলো, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৪৬﴿
﴾ ২৬:৪৬ ﴿
فَأُلْقِيَ السَّحَرَةُ سَاجِدِينَ ﴿٤٦﴾
অতপর (ঘটনার আকস্মিকতা) যাদুকরদের সাজদাবনত করে দিলো, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৪৭﴿
﴾ ২৬:৪৭ ﴿
قَالُوا آمَنَّا بِرَبِّ الْعَالَمِينَ ﴿٤٧﴾
তারা বললো, আমরা সৃষ্টিকুলের মালিকের উপর ঈমান আনলাম, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৪৮﴿
﴾ ২৬:৪৮ ﴿
رَبِّ مُوسَى وَهَارُونَ ﴿٤٨﴾
(ঈমান আনলাম) মুসা ও হারূনের মালিকের উপর । [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৪৯﴿
﴾ ২৬:৪৯ ﴿
قَالَ آمَنْتُمْ لَهُ قَبْلَ أَنْ آذَنَ لَكُمْ إِنَّهُ لَكَبِيرُكُمُ الَّذِي عَلَّمَكُمُ السِّحْرَ فَلَسَوْفَ تَعْلَمُونَ لَأُقَطِّعَنَّ أَيْدِيَكُمْ وَأَرْجُلَكُمْ مِنْ خِلَافٍ وَلَأُصَلِّبَنَّكُمْ أَجْمَعِينَ ﴿٤٩﴾
(এতে ক্রোধান্বিত হয়ে) সে (ফেরাউন) বললো, (একি!) আমি তোমাদের কোনো রকম) অনুমতি দেয়ার আগেই তোমরা তার (মালিকের) উপর ঈমান এনে ফেললে! (আমি বুঝতে পারছি, আসলে) এই হচ্ছে তোমাদের সবচাইতে বড়ো (গুরু) , এ-ই তোমাদের সবাইকে যাদু শিক্ষা দিয়েছে, অতিসত্বর তোমরা তোমাদের অবস্থা) জানতে পারবে; আমি তোমাদের হাত ও পা-বিপরীত দিক থেকে কেটে দেবো, অতপর আমি তোমাদের সবাইকে (একে একে) শূলে চড়াবো, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৫০﴿
﴾ ২৬:৫০ ﴿
قَالُوا لَا ضَيْرَ إِنَّا إِلَى رَبِّنَا مُنْقَلِبُونَ ﴿٥٠﴾
তারা বললো, (এতে) আমাদের কোনোই ক্ষতি নেই, (তুমি যাই করো) আমরা তো একদিন আমাদের মালিকের কাছেই ফিরে যাবো, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৫১﴿
﴾ ২৬:৫১ ﴿
إِنَّا نَطْمَعُ أَنْ يَغْفِرَ لَنَا رَبُّنَا خَطَايَانَا أَنْ كُنَّا أَوَّلَ الْمُؤْمِنِينَ ﴿٥١﴾
আমরা আশা করবো (সেদিন) আমাদের মালিক আমাদের (যাদু সংক্রান্ত) সব গুনাহ খাতা মাফ করে দেবেন, কেননা আমরাই (এ দলের মাঝে) সবার আগে ঈমান এনেছি। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৫২﴿
﴾ ২৬:৫২ ﴿
وَأَوْحَيْنَا إِلَى مُوسَى أَنْ أَسْرِ بِعِبَادِي إِنَّكُمْ مُتَّبَعُونَ ﴿٥٢﴾
অতপর আমি মুসার কাছে ওহী পাঠিয়ে বললাম, রাত থাকতে থাকতেই তুমি আমার বান্দাদের নিয়ে (এ জনপদ থেকে) বেরিয়ে যাও, (সাবধান থেকো, ফেরাউনের পক্ষ থেকে) তোমাদের অবশ্যই অনুসরণ করা হবে। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৫৩﴿
﴾ ২৬:৫৩ ﴿
فَأَرْسَلَ فِرْعَوْنُ فِي الْمَدَائِنِ حَاشِرِينَ ﴿٥٣﴾
ইতিমধ্যে ফেরাউন (সৈন্য জড়ো করার জন্যে) শহরে বন্দরে সংগ্রাহক পাঠিয়ে দিলো, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৫৪﴿
﴾ ২৬:৫৪ ﴿
إِنَّ هَؤُلَاءِ لَشِرْذِمَةٌ قَلِيلُونَ ﴿٥٤﴾
(সে বললো, ) এরা তো হচ্ছে একটি ক্ষুদ্র দল মাত্র, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৫৫﴿
﴾ ২৬:৫৫ ﴿
وَإِنَّهُمْ لَنَا لَغَائِظُونَ ﴿٥٥﴾
এরা আমাদের (অনেক) ক্রোধের উদ্রেক ঘটিয়েছে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৫৬﴿
﴾ ২৬:৫৬ ﴿
وَإِنَّا لَجَمِيعٌ حَاذِرُونَ ﴿٥٦﴾
(এদের মোকাবেলায়) আমরা হচ্ছি একটি সম্মিলিত সেনাবাহিনী; [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৫৭﴿
﴾ ২৬:৫৭ ﴿
فَأَخْرَجْنَاهُمْ مِنْ جَنَّاتٍ وَعُيُونٍ ﴿٥٧﴾
আমি (ধীরে ধীরে এবার) তাদের উদ্যানমালা ও ঝর্ণাধারাসমুহ থেকে বের করে আনলাম, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৫৮﴿
﴾ ২৬:৫৮ ﴿
وَكُنُوزٍ وَمَقَامٍ كَرِيمٍ ﴿٥٨﴾
(বের করে আনলাম) তাদের (সঞ্চিত) ধনভান্ডারসমুহ ও সুরম্য প্রাসাদ থেকে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৫৯﴿
﴾ ২৬:৫৯ ﴿
كَذَلِكَ وَأَوْرَثْنَاهَا بَنِي إِسْرَائِيلَ ﴿٥٩﴾
এভাবেই আমি বনী ইসরাঈলদের (ফেরাউন ও তাদের) লোকজনদের (ফেলে আসা) সে সবের মালিক বানিয়ে দিলাম; [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৬০﴿
﴾ ২৬:৬০ ﴿
فَأَتْبَعُوهُمْ مُشْرِقِينَ ﴿٦٠﴾
তারা সুর্যোদয়ের প্রাক্কালেই তাদের পশ্চাদ্ধাবন করলো। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৬১﴿
﴾ ২৬:৬১ ﴿
فَلَمَّا تَرَاءَى الْجَمْعَانِ قَالَ أَصْحَابُ مُوسَى إِنَّا لَمُدْرَكُونَ ﴿٦١﴾
(এক পর্যায়ে) যখন একদল আরেক দলকে দেখে ফেললো, তখন মুসার সাথীরা বলে ওঠলো, আমরা (বুঝি এখনি) ধরা পড়ে যাবো, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৬২﴿
﴾ ২৬:৬২ ﴿
قَالَ كَلَّا إِنَّ مَعِيَ رَبِّي سَيَهْدِينِ ﴿٦٢﴾
সে বললো, না কিছুতেই নয়, আমার সাথে অবশ্যই আমার মালিক রয়েছেন, তিনি অবশ্যই আমাকে (এ সংকট থেকে বেরিয়ে যাবার একটা) পথ বাতলে দেবেন। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৬৩﴿
﴾ ২৬:৬৩ ﴿
فَأَوْحَيْنَا إِلَى مُوسَى أَنِ اضْرِبْ بِعَصَاكَ الْبَحْرَ فَانْفَلَقَ فَكَانَ كُلُّ فِرْقٍ كَالطَّوْدِ الْعَظِيمِ ﴿٦٣﴾
অতপর আমি (এই বলে) মুসার কাছে ওহী পাঠালাম, তুমি তোমার লাঠি দ্বারা সমুদ্রে আঘাত হানো, (আঘাতের পর) তা ফেটে (দু'ভাগ হয়ে) গেলো এবং এর প্রতিটি ভাগ (এতো বড়ো) ছিলো, যেমন উঁচু উঁচু (একটা) পাহাড়, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৬৪﴿
﴾ ২৬:৬৪ ﴿
وَأَزْلَفْنَا ثَمَّ الْآخَرِينَ ﴿٦٤﴾
(এবার) আমি অপর দলটিকে (এ জায়গার) কাছে নিয়ে এলাম, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৬৫﴿
﴾ ২৬:৬৫ ﴿
وَأَنْجَيْنَا مُوسَى وَمَنْ مَعَهُ أَجْمَعِينَ ﴿٦٥﴾
(ঘটনার সমাপ্তি এভাবে হলো, ) আমি মুসা ও তার সকল সাথীকে (ফেরাউন থেকে) উদ্ধার করলাম, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৬৬﴿
﴾ ২৬:৬৬ ﴿
ثُمَّ أَغْرَقْنَا الْآخَرِينَ ﴿٦٦﴾
অতপর আমি অপর দলটিকে (সাগরে) ডুবিয়ে দিলাম; [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৬৭﴿
﴾ ২৬:৬৭ ﴿
إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآيَةً وَمَا كَانَ أَكْثَرُهُمْ مُؤْمِنِينَ ﴿٦٧﴾
অবশ্যই এ ঘটনার মাঝে (শিক্ষার) নিদর্শন আছে; কিন্তু তাদের অধিকাংশ মানুষ তো আল্লাহ তায়ালার উপর ঈমানই আনে না। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৬৮﴿
﴾ ২৬:৬৮ ﴿
وَإِنَّ رَبَّكَ لَهُوَ الْعَزِيزُ الرَّحِيمُ ﴿٦٨﴾
তোমার মালিক অবশ্যই পরাক্রমশালী ও পরম দয়ালু। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৬৯﴿
﴾ ২৬:৬৯ ﴿
وَاتْلُ عَلَيْهِمْ نَبَأَ إِبْرَاهِيمَ ﴿٦٩﴾
(হে নবী, ) তুমি ওদের কাছে ইবরাহীমের ঘটনাও বর্ণনা করো। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৭০﴿
﴾ ২৬:৭০ ﴿
إِذْ قَالَ لِأَبِيهِ وَقَوْمِهِ مَا تَعْبُدُونَ ﴿٧٠﴾
যখন সে তার পিতা ও তার জাতির লোকদের (এ মর্মে) জিজ্ঞেস করেছিলো, তোমরা সবাই কার ইবাদাত করো? [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৭১﴿
﴾ ২৬:৭১ ﴿
قَالُوا نَعْبُدُ أَصْنَامًا فَنَظَلُّ لَهَا عَاكِفِينَ ﴿٧١﴾
তারা বললো, (হাঁ) , আমরা মুর্তির ইবাদাত করি, নিষ্ঠার সাথেই আমরা তাদের ইবাদাতে মগ্ন থাকি। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৭২﴿
﴾ ২৬:৭২ ﴿
قَالَ هَلْ يَسْمَعُونَكُمْ إِذْ تَدْعُونَ ﴿٧٢﴾
সে বললো (বলো তো) , তোমরা যখন তাদের ডাকো তারা কি তোমাদের কোনো কথা শুনতে পায়, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৭৩﴿
﴾ ২৬:৭৩ ﴿
أَوْ يَنْفَعُونَكُمْ أَوْ يَضُرُّونَ ﴿٧٣﴾
অথবা তারা কি তোমাদের কোনো উপকার করতে পারে; কিংবা (পারে কি) তোমাদের কোনো ক্ষতি করতে? [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৭৪﴿
﴾ ২৬:৭৪ ﴿
قَالُوا بَلْ وَجَدْنَا آبَاءَنَا كَذَلِكَ يَفْعَلُونَ ﴿٧٤﴾
তারা বললো, (না তা পারে না, তবে) আমরা আমাদের বাপদাদাদের এরূপে এদের ইবাদাত করতে দেখেছি, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৭৫﴿
﴾ ২৬:৭৫ ﴿
قَالَ أَفَرَأَيْتُمْ مَا كُنْتُمْ تَعْبُدُونَ ﴿٧٥﴾
সে বললো, তোমরা কি কখনো তাদের ব্যাপারটা (একটু) চিন্তা ভাবনা করে দেখেছো যাদের তোমরা ইবাদাত করো, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৭৬﴿
﴾ ২৬:৭৬ ﴿
أَنْتُمْ وَآبَاؤُكُمُ الْأَقْدَمُونَ ﴿٧٦﴾
তোমরা নিজেরা (যেমনি করছো) তোমাদের আগের লোকেরাও (তেমনি করেছে) , [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৭৭﴿
﴾ ২৬:৭৭ ﴿
فَإِنَّهُمْ عَدُوٌّ لِي إِلَّا رَبَّ الْعَالَمِينَ ﴿٧٧﴾
(এভাবে যাদের ইবাদাত করা হচ্ছে, তারা সবাই হচ্ছে আমার দুশমন । একমাত্র সৃষ্টিকুলের মালিক ছাড়া (তিনিই আমার বন্ধু) , [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৭৮﴿
﴾ ২৬:৭৮ ﴿
الَّذِي خَلَقَنِي فَهُوَ يَهْدِينِ ﴿٧٨﴾
তিনি আমাকে পয়দা করেছেন, অতপর তিনিই আমাকে (অন্ধকারে) চলার পথ দেখিয়েছেন, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৭৯﴿
﴾ ২৬:৭৯ ﴿
وَالَّذِي هُوَ يُطْعِمُنِي وَيَسْقِينِ ﴿٧٩﴾
তিনিই আমাকে আহার্য দেন, তিনিই (আমার) পানীয় যোগান, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৮০﴿
﴾ ২৬:৮০ ﴿
وَإِذَا مَرِضْتُ فَهُوَ يَشْفِينِ ﴿٨٠﴾
আর আমি যখন রোগাক্রান্ত হই তখন তিনিই আমাকে রোগমুক্ত করেন, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৮১﴿
﴾ ২৬:৮১ ﴿
وَالَّذِي يُمِيتُنِي ثُمَّ يُحْيِينِ ﴿٨١﴾
তিনিই আমার মৃত্যু ঘটাবেন, তিনিই আমাকে আবার (নতুন) জীবন দেবেন, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৮২﴿
﴾ ২৬:৮২ ﴿
وَالَّذِي أَطْمَعُ أَنْ يَغْفِرَ لِي خَطِيئَتِي يَوْمَ الدِّينِ ﴿٨٢﴾
শেষ বিচারের দিন তাঁর কাছ থেকে আমি এ আশা করবো, তিনি আমার গুনাহসমুহ মাফ করে দেবেন; [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৮৩﴿
﴾ ২৬:৮৩ ﴿
رَبِّ هَبْ لِي حُكْمًا وَأَلْحِقْنِي بِالصَّالِحِينَ ﴿٨٣﴾
(অতপর ইবরাহীম দোয়া করলো, ) হে আমার মালিক, তুমি আমাকে জ্ঞান দান করো এবং আমাকে নেককার মানুষদের সাথে মিলিয়ে রেখো । [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৮৪﴿
﴾ ২৬:৮৪ ﴿
وَاجْعَلْ لِي لِسَانَ صِدْقٍ فِي الْآخِرِينَ ﴿٨٤﴾
এবং পরবর্তীদের মাঝে তুমি আমার স্মরণ অব্যাহত রেখো, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৮৫﴿
﴾ ২৬:৮৫ ﴿
وَاجْعَلْنِي مِنْ وَرَثَةِ جَنَّةِ النَّعِيمِ ﴿٨٥﴾
আমাকে তুমি (তোমার) নেয়ামতে ভরা জান্নাতের অধিকারীদের মধ্যে শামিল করে নিয়ো, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৮৬﴿
﴾ ২৬:৮৬ ﴿
وَاغْفِرْ لِأَبِي إِنَّهُ كَانَ مِنَ الضَّالِّينَ ﴿٨٦﴾
আমার পিতাকে (হেদায়াতের তাওফীক দিয়ে) তুমি মাফ করে দাও, কেননা সে গোমরাহদের একজন, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৮৭﴿
﴾ ২৬:৮৭ ﴿
وَلَا تُخْزِنِي يَوْمَ يُبْعَثُونَ ﴿٨٧﴾
আমাকে তুমি সেদিন অপমানিত করো না (যেদিন সব মানুষদের) পুনরায় জীবন দেয়া হবে। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৮৮﴿
﴾ ২৬:৮৮ ﴿
يَوْمَ لَا يَنْفَعُ مَالٌ وَلَا بَنُونَ ﴿٨٨﴾
সেদিন তো (কারো) ধন সম্পদ কাজে লাগবে না না সন্তান সন্ততি (কারো কাজে আসবে) , [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৮৯﴿
﴾ ২৬:৮৯ ﴿
إِلَّا مَنْ أَتَى اللَّهَ بِقَلْبٍ سَلِيمٍ ﴿٨٩﴾
অবশ্য যে আল্লাহর কাছে একটি বিশুদ্ধ অন্তর নিয়ে হাযির হবে (তার কথা আলাদা) ; [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৯০﴿
﴾ ২৬:৯০ ﴿
وَأُزْلِفَتِ الْجَنَّةُ لِلْمُتَّقِينَ ﴿٩٠﴾
(সেদিন) জান্নাতকে পরহেযগার লোকদের একান্ত কাছে নিয়ে আসা হবে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৯১﴿
﴾ ২৬:৯১ ﴿
وَبُرِّزَتِ الْجَحِيمُ لِلْغَاوِينَ ﴿٩١﴾
এবং জাহান্নামকে গুনাহগারদের জন্যে উন্মােচিত করে দেয়া হবে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৯২﴿
﴾ ২৬:৯২ ﴿
وَقِيلَ لَهُمْ أَيْنَ مَا كُنْتُمْ تَعْبُدُونَ ﴿٩٢﴾
(তখন) তাদের বলা হবে, (বলো) এখন কোথায় তারা, (দুনিয়ার জীবনে) যাদের তোমরা ইবাদাত করতে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৯৩﴿
﴾ ২৬:৯৩ ﴿
مِنْ دُونِ اللَّهِ هَلْ يَنْصُرُونَكُمْ أَوْ يَنْتَصِرُونَ ﴿٩٣﴾
যাদের তোমরা আল্লাহ তায়ালাকে বাদ দিয়ে (ইবাদাতের জন্যে) ডাকতে, আজ তারা তোমাদের কোনো রকম সাহায্য করতে পারবে কি? না তারা নিজেদের (আল্লাহর আযাব থেকে) বাঁচাতে পারবে? [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৯৪﴿
﴾ ২৬:৯৪ ﴿
فَكُبْكِبُوا فِيهَا هُمْ وَالْغَاوُونَ ﴿٩٤﴾
অতপর (যাদের তারা মাবুদ বানাতো) তারা এবং গোমরাহ মানুষ (যারা তাদের ইবাদাত করতো) , সবাইকে। সেখানে অধােমুখী করে নিক্ষেপ করা হবে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৯৫﴿
﴾ ২৬:৯৫ ﴿
وَجُنُودُ إِبْلِيسَ أَجْمَعُونَ ﴿٩٥﴾
(নিক্ষেপ করা হবে) ইবলীসের সমুদয় বাহিনীকেও; [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৯৬﴿
﴾ ২৬:৯৬ ﴿
قَالُوا وَهُمْ فِيهَا يَخْتَصِمُونَ ﴿٩٦﴾
সেখানে গিয়ে) তারা নিজেরা এক (মহা) বিতর্কে লপ্তি হবে এবং (প্রত্যেকেই নিজ নিজ মাবুদদের) বলবে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৯৭﴿
﴾ ২৬:৯৭ ﴿
تَاللَّهِ إِنْ كُنَّا لَفِي ضَلَالٍ مُبِينٍ ﴿٩٧﴾
আল্লাহ তায়ালার কসম, আমরা (দুনিয়াতে) সুস্পষ্ট গোমরাহীতে নিমজ্জিত ছিলাম, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৯৮﴿
﴾ ২৬:৯৮ ﴿
إِذْ نُسَوِّيكُمْ بِرَبِّ الْعَالَمِينَ ﴿٩٨﴾
(বিশেষ করে) যখন আমরা সৃষ্টিকুলের মালিক আল্লাহ তায়ালার সাথে তোমাদেরও (তাঁর) সমকক্ষ মনে করতাম। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:৯৯﴿
﴾ ২৬:৯৯ ﴿
وَمَا أَضَلَّنَا إِلَّا الْمُجْرِمُونَ (﴿٩٩﴾
(আসলে) এ সব বড়ো বড়ো গুনাহগার ব্যক্তিরাই আমাদের পথভ্রষ্ট করে দিয়েছে৷ [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১০০﴿
﴾ ২৬:১০০ ﴿
فَمَا لَنَا مِنْ شَافِعِينَ ﴿١٠٠﴾
(হায়! আজ) আমাদের (পক্ষে কথা বলার) জন্যে কেউই রইলো না, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১০১﴿
﴾ ২৬:১০১ ﴿
وَلَا صَدِيقٍ حَمِيمٍ ﴿١٠١﴾
না আছে (এমন) কোনো সুহৃদ বন্ধু (যে আল্লাহ তায়ালার কাছে সুপারিশ পেশ করতে পারে?) [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১০২﴿
﴾ ২৬:১০২ ﴿
فَلَوْ أَنَّ لَنَا كَرَّةً فَنَكُونَ مِنَ الْمُؤْمِنِينَ ﴿١٠٢﴾
কতো ভালো হতো যদি আমাদের আরেকবার দুনিয়ায় পাঠিয়ে দেয়া হতো, তাহলে অবশ্যই আমরা ঈমানদার হয়ে যেতাম! [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১০৩﴿
﴾ ২৬:১০৩ ﴿
إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآيَةً وَمَا كَانَ أَكْثَرُهُمْ مُؤْمِنِينَ ﴿١٠٣﴾
নিসন্দেহে এ (ঘটনার) মাঝেও (শিক্ষার) নিদর্শন রয়েছে; কিন্তু তাদের অধিকাংশ লোক তো ঈমানই আনে [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১০৪﴿
﴾ ২৬:১০৪ ﴿
وَإِنَّ رَبَّكَ لَهُوَ الْعَزِيزُ الرَّحِيمُ ﴿١٠٤﴾
নিশ্চয়ই তোমার মালিক পরাক্রমশালী ও পরম দয়ালু। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১০৫﴿
﴾ ২৬:১০৫ ﴿
كَذَّبَتْ قَوْمُ نُوحٍ الْمُرْسَلِينَ ﴿١٠٥﴾
নুহের জাতির লোকেরাও (আমার) রসুলদের মিথ্যা সাব্যস্ত করেছিলো, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১০৬﴿
﴾ ২৬:১০৬ ﴿
إِذْ قَالَ لَهُمْ أَخُوهُمْ نُوحٌ أَلَا تَتَّقُونَ ﴿١٠٦﴾
যখন তাদেরই ভাই নুহ (এসে) তাদের বললো (হে আমার জাতি) , তোমরা কি (আল্লাহ তায়ালাকে) ভয় করো না? [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১০৭﴿
﴾ ২৬:১০৭ ﴿
إِنِّي لَكُمْ رَسُولٌ أَمِينٌ ﴿١٠٧﴾
নিসন্দেহে আমি তোমাদের জন্যে একজন বিশ্বস্ত রসুল, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১০৮﴿
﴾ ২৬:১০৮ ﴿
فَاتَّقُوا اللَّهَ وَأَطِيعُونِ ﴿١٠٨﴾
অতএব, তোমরা একমাত্র আল্লাহ তায়ালাকেই ভয় করো এবং আমার আনুগত্য করো। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১০৯﴿
﴾ ২৬:১০৯ ﴿
وَمَا أَسْأَلُكُمْ عَلَيْهِ مِنْ أَجْرٍ إِنْ أَجْرِيَ إِلَّا عَلَى رَبِّ الْعَالَمِينَ ﴿١٠٩﴾
আমি এ (দাওয়াত পৌঁছানোর) জন্যে তোমাদের কাছে কোনো পারিশ্রমিক দাবী করি না, আমার যা পারিশ্রমিক তা তো রাম্বুল আলামীনের কাছেই (মজুদ) রয়েছে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১১০﴿
﴾ ২৬:১১০ ﴿
فَاتَّقُوا اللَّهَ وَأَطِيعُونِ ﴿١١٠﴾
সুতরাং তোমরা আল্লাহ তায়ালাকে ভয় করো এবং আমার আনুগত্য করো; [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১১১﴿
﴾ ২৬:১১১ ﴿
قَالُوا أَنُؤْمِنُ لَكَ وَاتَّبَعَكَ الْأَرْذَلُونَ ﴿١١١﴾
তারা বললো, আমরা কিভাবে তোমার উপর ঈমান আনবো যখন আমরা দেখতে পাচ্ছি কতিপয় নীচু লোক তোমার আনুগত্য স্বীকার করে নিয়েছে; [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১১২﴿
﴾ ২৬:১১২ ﴿
قَالَ وَمَا عِلْمِي بِمَا كَانُوا يَعْمَلُونَ ﴿١١٢﴾
সে বললো, ওরা (কে) কি কাজ করে তা আমার জানার (বিষয়) নয়। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১১৩﴿
﴾ ২৬:১১৩ ﴿
إِنْ حِسَابُهُمْ إِلَّا عَلَى رَبِّي لَوْ تَشْعُرُونَ ﴿١١٣﴾
তাদের (কাজের) হিসাব গ্রহণ করা (আমার দায়িত্ব নয়, এটা) তো সম্পূর্ণ আমার মালিকের ব্যাপার, (কতো ভালো হতো এ কথাটা) যদি তোমরাও বুঝতে পারতে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১১৪﴿
﴾ ২৬:১১৪ ﴿
وَمَا أَنَا بِطَارِدِ الْمُؤْمِنِينَ ﴿١١٤﴾
এটা আমার কাজ নয় যে, যারা ঈমান আনবে (নম্নিমানের মানুষ হওয়ার কারণে) আমি তাদের আমার কাছ থেকে তাড়িয়ে দেবো, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১১৫﴿
﴾ ২৬:১১৫ ﴿
إِنْ أَنَا إِلَّا نَذِيرٌ مُبِينٌ ﴿١١٥﴾
আমি তো একজন সতর্ককারী ছাড়া আর কিছুই নই; [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১১৬﴿
﴾ ২৬:১১৬ ﴿
قَالُوا لَئِنْ لَمْ تَنْتَهِ يَا نُوحُ لَتَكُونَنَّ مِنَ الْمَرْجُومِينَ ﴿١١٦﴾
তারা বললো, হে নুহ, যদি তুমি (এ কাজ থেকে) ফিরে না আসো, তাহলে তোমাকে পাথর মেরে হত্যা করা হবে । [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১১৭﴿
﴾ ২৬:১১৭ ﴿
قَالَ رَبِّ إِنَّ قَوْمِي كَذَّبُونِ ﴿١١٧﴾
সে বললো, হে আমার মালিক, (তুমি দেখতে পাচ্ছো কিভাবে) আমার জাতি আমাকে মিথ্যাবাদী সাব্যস্ত করলো! [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১১৮﴿
﴾ ২৬:১১৮ ﴿
فَافْتَحْ بَيْنِي وَبَيْنَهُمْ فَتْحًا وَنَجِّنِي وَمَنْ مَعِيَ مِنَ الْمُؤْمِنِينَ ﴿١١٨﴾
তুমি আমার এবং তাদের মাঝে একটা ফয়সালা করে দাও, তুমি আমাকে এবং আমার সাথে যেসব ঈমানদার মানুষরা আছে তাদের (সবাইকে) এদের (ফেতনা) থেকে উদ্ধার করো। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১১৯﴿
﴾ ২৬:১১৯ ﴿
فَأَنْجَيْنَاهُ وَمَنْ مَعَهُ فِي الْفُلْكِ الْمَشْحُونِ ﴿١١٩﴾
(আমি তার এ দোয়া কবুল করলাম, ) তাকে এবং তার সংগী সাথী যারা ভরা নৌকায় (তার সাথে) আরোহী ছিলো, তাদের (মহাপ্লাবন থেকে বাঁচিয়ে দিলাম, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১২০﴿
﴾ ২৬:১২০ ﴿
ثُمَّ أَغْرَقْنَا بَعْدُ الْبَاقِينَ ﴿١٢٠﴾
অতপর অবশষ্টি লোকদের আমি ডুবিয়ে দিলাম; [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১২১﴿
﴾ ২৬:১২১ ﴿
إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآيَةً وَمَا كَانَ أَكْثَرُهُمْ مُؤْمِنِينَ ﴿١٢١﴾
এ ঘটনার মাঝেও (শিক্ষণীয়) নিদর্শন আছে; কিন্তু এদের মধ্যে অধিকাংশ লোক তো ঈমানই আনে না । [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১২২﴿
﴾ ২৬:১২২ ﴿
وَإِنَّ رَبَّكَ لَهُوَ الْعَزِيزُ الرَّحِيمُ ﴿١٢٢﴾
অবশ্যই তোমার মালিক, মহাপরাক্রমশালী এবং পরম দয়ালু। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১২৩﴿
﴾ ২৬:১২৩ ﴿
كَذَّبَتْ عَادٌ الْمُرْسَلِينَ ﴿١٢٣﴾
আ'দ সম্প্রদায়ের লোকেরাও (তাদের) রসুলদের মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছিলো । [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১২৪﴿
﴾ ২৬:১২৪ ﴿
إِذْ قَالَ لَهُمْ أَخُوهُمْ هُودٌ أَلَا تَتَّقُونَ ﴿١٢٤﴾
যখন তাদেরই এক (-জন শুভাকাংখী) ভাই (এসে) তাদের বললো (হে আমার জাতির লোকেরা) , এ কি হলো তোমাদের, তোমরা কি (আল্লাহ তায়ালাকে) ভয় করবে না? [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১২৫﴿
﴾ ২৬:১২৫ ﴿
إِنِّي لَكُمْ رَسُولٌ أَمِينٌ ﴿١٢٥﴾
আমি হচ্ছি তোমাদের জন্যে একজন বিশ্বস্ত রসুল, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১২৬﴿
﴾ ২৬:১২৬ ﴿
فَاتَّقُوا اللَّهَ وَأَطِيعُونِ ﴿١٢٦﴾
অতএব তোমরা আল্লাহ তায়ালাকে ভয় করো এবং আমার আনুগত্য করো, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১২৭﴿
﴾ ২৬:১২৭ ﴿
وَمَا أَسْأَلُكُمْ عَلَيْهِ مِنْ أَجْرٍ إِنْ أَجْرِيَ إِلَّا عَلَى رَبِّ الْعَالَمِينَ ﴿١٢٧﴾
আমি তো এ (কাজের) জন্যে তোমাদের কাছে কোনো প্রতিদান চাই না, আমার প্রতিদান তো রব্দুল আলামীন আল্লাহ তায়ালার কাছেই (মজুদ) রয়েছে; [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১২৮﴿
﴾ ২৬:১২৮ ﴿
أَتَبْنُونَ بِكُلِّ رِيعٍ آيَةً تَعْبَثُونَ ﴿١٢٨﴾
তোমরা প্রতিটি উঁচুস্থানে স্মৃতি (-সৌধ হিসেবে বড়ো বড়ো ঘর) বানিয়ে নিচ্ছো, যা তোমরা (একান্ত) অপচয় (হিসেবেই) করছো, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১২৯﴿
﴾ ২৬:১২৯ ﴿
وَتَتَّخِذُونَ مَصَانِعَ لَعَلَّكُمْ تَخْلُدُونَ ﴿١٢٩﴾
এমন (নিপুণ শিল্পকর্ম দিয়ে) প্রাসাদ বানাচ্ছো, (যা দেখে) মনে হয় তোমরা বুঝি এ পৃথিবীতে চিরদিন থাকবে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৩০﴿
﴾ ২৬:১৩০ ﴿
وَإِذَا بَطَشْتُمْ بَطَشْتُمْ جَبَّارِينَ ﴿١٣٠﴾
(অপরদিকে) তোমরা যখন কারও উপর আঘাত হানো, সে আঘাত হানো অত্যন্ত নিষ্ঠুর স্বেচ্ছাচারী হিসেবে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৩১﴿
﴾ ২৬:১৩১ ﴿
فَاتَّقُوا اللَّهَ وَأَطِيعُونِ ﴿١٣١﴾
অতএব তোমরা আল্লাহ তায়ালাকে ভয় করো এবং আমার আনুগত্য করো, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৩২﴿
﴾ ২৬:১৩২ ﴿
وَاتَّقُوا الَّذِي أَمَدَّكُمْ بِمَا تَعْلَمُونَ ﴿١٣٢﴾
তোমরা ভয় করো তাঁকে যিনি তোমাদের এমন সবকিছু দিয়ে সাহায্য করেছেন যা তোমরা ভালো করেই জানো, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৩৩﴿
﴾ ২৬:১৩৩ ﴿
أَمَدَّكُمْ بِأَنْعَامٍ وَبَنِينَ ﴿١٣٣﴾
তিনি চতুষ্পদ জন্তু জানোয়ার, সন্তান সন্ততি দিয়ে তোমাদের সাহায্য করেছেন, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৩৪﴿
﴾ ২৬:১৩৪ ﴿
وَجَنَّاتٍ وَعُيُونٍ ﴿١٣٤﴾
(সাহায্য করেছেন সুরম্য) উদ্যানমালা ও ঝর্ণাধারা দিয়ে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৩৫﴿
﴾ ২৬:১৩৫ ﴿
إِنِّي أَخَافُ عَلَيْكُمْ عَذَابَ يَوْمٍ عَظِيمٍ ﴿١٣٥﴾
সত্যিই আমি (এসব অকৃতজ্ঞ আচরণের কারণে) তোমাদের জন্যে একটি কঠিন দিনের শাস্তির ভয় করছি, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৩৬﴿
﴾ ২৬:১৩৬ ﴿
قَالُوا سَوَاءٌ عَلَيْنَا أَوَعَظْتَ أَمْ لَمْ تَكُنْ مِنَ الْوَاعِظِينَ ﴿١٣٦﴾
তারা বললো (হে নবী) , তুমি আমাদের কোনো উপদেশ দাও কিংবা না দাও; উভয়টাই আমাদের জন্যে সমান, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৩৭﴿
﴾ ২৬:১৩৭ ﴿
إِنْ هَذَا إِلَّا خُلُقُ الْأَوَّلِينَ ﴿١٣٧﴾
(তোমার) এ সব কথা আগের লোকদের নিয়ম নীতি ছাড়া আর কিছুই নয়, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৩৮﴿
﴾ ২৬:১৩৮ ﴿
وَمَا نَحْنُ بِمُعَذَّبِينَ ﴿١٣٨﴾
(আসলে) আমরা কখনো আযাব প্রাপ্ত হবো না, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৩৯﴿
﴾ ২৬:১৩৯ ﴿
فَكَذَّبُوهُ فَأَهْلَكْنَاهُمْ إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآيَةً وَمَا كَانَ أَكْثَرُهُمْ مُؤْمِنِينَ ﴿١٣٩﴾
অতপর তারা তাকে মিথ্যা সাব্যস্ত করলো, আমিও তাদের সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দিলাম, (মুলত) এ (ঘটনা) -র মাঝেও রয়েছে (শিক্ষণীয়) নির্দশন, (তা সত্ত্বেও) তাদের অধিকাংশ মানুষ ঈমান আনে না। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৪০﴿
﴾ ২৬:১৪০ ﴿
وَإِنَّ رَبَّكَ لَهُوَ الْعَزِيزُ الرَّحِيمُ ﴿١٤٠﴾
নিশ্চয় তোমার মালিক পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৪১﴿
﴾ ২৬:১৪১ ﴿
كَذَّبَتْ ثَمُودُ الْمُرْسَلِينَ ﴿١٤١﴾
(এভাবে) সামুদ জাতিও (তাদের) রসুলদের মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছিলো, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৪২﴿
﴾ ২৬:১৪২ ﴿
إِذْ قَالَ لَهُمْ أَخُوهُمْ صَالِحٌ أَلَا تَتَّقُونَ ﴿١٤٢﴾
যখন তাদেরই (এক) ভাই সালেহ তাদের বলেছিলো (তোমাদের এ কি হলো) , তোমরা কি (আল্লাহ তায়ালাকে) ভয় করবে না? [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৪৩﴿
﴾ ২৬:১৪৩ ﴿
إِنِّي لَكُمْ رَسُولٌ أَمِينٌ ﴿١٤٣﴾
নিসন্দেহে আমি তোমাদের জন্যে একজন বিশ্বস্ত রসুল, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৪৪﴿
﴾ ২৬:১৪৪ ﴿
فَاتَّقُوا اللَّهَ وَأَطِيعُونِ ﴿١٤٤﴾
অতএব তোমরা আল্লাহ তায়ালাকে ভয় করো এবং আমার আনুগত্য করো । [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৪৫﴿
﴾ ২৬:১৪৫ ﴿
وَمَا أَسْأَلُكُمْ عَلَيْهِ مِنْ أَجْرٍ إِنْ أَجْرِيَ إِلَّا عَلَى رَبِّ الْعَالَمِينَ ﴿١٤٥﴾
আমি তো তোমাদের কাছে (এ কাজের জন্যে) কোনো রকম পারিশ্রমিক দাবী করছি না, আমার (যা কিছু) পারিশ্রমিক তা তো সৃষ্টিকুলের মালিক আল্লাহর কাছেই (মজুদ) রয়েছে; [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৪৬﴿
﴾ ২৬:১৪৬ ﴿
أَتُتْرَكُونَ فِي مَا هَاهُنَا آمِنِينَ ﴿١٤٦﴾
তোমরা কি (ধরেই নিয়েছো, ) এ (দুনিয়া) -র মাঝে যা কিছু রয়েছে, তার মধ্যে নিরাপদে (বাস করার জন্যে) তোমাদের এমনিই ছেড়ে দেয়া হবে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৪৭﴿
﴾ ২৬:১৪৭ ﴿
فِي جَنَّاتٍ وَعُيُونٍ ﴿١٤٧﴾
নিরাপদ থাকবে (তোমরা) এ উদ্যনামালা ও এ ঝর্ণাধারার মধ্যে? [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৪৮﴿
﴾ ২৬:১৪৮ ﴿
وَزُرُوعٍ وَنَخْلٍ طَلْعُهَا هَضِيمٌ ﴿١٤٨﴾
শস্যক্ষেত্র, (এ) নাযুক ও ঘন গোছাবিশষ্টি খেজুর বাগিচার মধ্যেও (কি তোমরা নিরাপদ থাকতে পারবে) , [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৪৯﴿
﴾ ২৬:১৪৯ ﴿
وَتَنْحِتُونَ مِنَ الْجِبَالِ بُيُوتًا فَارِهِينَ ﴿١٤٩﴾
তোমরা যে নিপুণ শিল্প দ্বারা পাহাড় কেটে রংচং করে বাড়ী বানাও (তাতে কি তোমরা চিরদিন থাকতে পারবে?) [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৫০﴿
﴾ ২৬:১৫০ ﴿
فَاتَّقُوا اللَّهَ وَأَطِيعُونِ ﴿١٥٠﴾
(ওর কোনোটাতেই যখন তোমরা নিরাপদ নও তখন) তোমরা আল্লাহ তায়ালাকেই ভয় করো এবং আমার আনুগত্য করো, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৫১﴿
﴾ ২৬:১৫১ ﴿
وَلَا تُطِيعُوا أَمْرَ الْمُسْرِفِينَ ﴿١٥١﴾
(সে সব) সীমালংঘনকারী মানুষদের কথা শুনো না, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৫২﴿
﴾ ২৬:১৫২ ﴿
الَّذِينَ يُفْسِدُونَ فِي الْأَرْضِ وَلَا يُصْلِحُونَ ﴿١٥٢﴾
যারা (আল্লাহর) যমীনে শুধু বিপর্যয়ই সৃষ্টি করে এবং কখনো (সমাজের) সংশোধন করে না। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৫৩﴿
﴾ ২৬:১৫৩ ﴿
قَالُوا إِنَّمَا أَنْتَ مِنَ الْمُسَحَّرِينَ ﴿١٥٣﴾
(এসব শুনে) তারা বললো (হে সালেহ) , আসলেই তুমি হচ্ছো একজন যাদুগ্রস্ত ব্যক্তি, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৫৪﴿
﴾ ২৬:১৫৪ ﴿
مَا أَنْتَ إِلَّا بَشَرٌ مِثْلُنَا فَأْتِ بِآيَةٍ إِنْ كُنْتَ مِنَ الصَّادِقِينَ ﴿١٥٤﴾
তুমি তো আমাদেরই মতো একজন মানুষ, যদি তুমি (তোমার দাবীতে) সত্যবাদী হও তাহলে (ভিন্ন কোনো) প্রমাণ নিয়ে এসো! [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৫৫﴿
﴾ ২৬:১৫৫ ﴿
قَالَ هَذِهِ نَاقَةٌ لَهَا شِرْبٌ وَلَكُمْ شِرْبُ يَوْمٍ مَعْلُومٍ ﴿١٥٥﴾
সে বললো এ উষ্ট্ৰী (হচ্ছে আমার নবুওতের প্রমাণ) , এর জন্যে (কুয়ার) পানি পান করার (একটি নির্দিষ্ট) পালা থাকবে, আর একটি নির্দিষ্ট দিনের পালা থাকবে তোমাদের (পশুদের পানি) পান করার জন্যে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৫৬﴿
﴾ ২৬:১৫৬ ﴿
وَلَا تَمَسُّوهَا بِسُوءٍ فَيَأْخُذَكُمْ عَذَابُ يَوْمٍ عَظِيمٍ ﴿١٥٦﴾
কখনো একে কোনো রকম দুঃখ ক্লেশ দেয়ার উদ্দেশে স্পর্শও করো না, নতুবা বড়ো (কঠিন) দিনের আযাব তোমাদের পাকড়াও করবে। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৫৭﴿
﴾ ২৬:১৫৭ ﴿
فَعَقَرُوهَا فَأَصْبَحُوا نَادِمِينَ ﴿١٥٧﴾
অতপর (পায়ের নলি কেটে) তারা সেটিকে হত্যা করলো, তখন (কঠিন শাস্তি দেখে) তারা ভীষণভাবে অনুতপ্ত হলো, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৫৮﴿
﴾ ২৬:১৫৮ ﴿
فَأَخَذَهُمُ الْعَذَابُ إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآيَةً وَمَا كَانَ أَكْثَرُهُمْ مُؤْمِنِينَ ﴿١٥٨﴾
অতপর (আল্লাহ তায়ালার) শাস্তি এসে তাদের গ্রাস করলো, এ (ঘটনা) -র মাঝেও রয়েছে (আল্লাহ তায়ালার বিশেষ) নিদর্শন; কিন্তু তাদের অধিকাংশ মানুষ তো ঈমানই আনে না । [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৫৯﴿
﴾ ২৬:১৫৯ ﴿
وَإِنَّ رَبَّكَ لَهُوَ الْعَزِيزُ الرَّحِيمُ ﴿١٥٩﴾
নিসন্দেহে তোমার মালিক মহাপরাক্রমশালী, পরম দয়ালু। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৬০﴿
﴾ ২৬:১৬০ ﴿
كَذَّبَتْ قَوْمُ لُوطٍ الْمُرْسَلِينَ ﴿١٦٠﴾
(একইভাবে) লুতের জাতিও (আল্লাহর) রসুলদের অস্বীকার করেছে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৬১﴿
﴾ ২৬:১৬১ ﴿
إِذْ قَالَ لَهُمْ أَخُوهُمْ لُوطٌ أَلَا تَتَّقُونَ ﴿١٦١﴾
যখন তাদের ভাই লুত এসে তাদের বললো (এ কি হলো তোমাদের) , তোমরা কি (আল্লাহর আযাবকে) ভয় করবে না? [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৬২﴿
﴾ ২৬:১৬২ ﴿
إِنِّي لَكُمْ رَسُولٌ أَمِينٌ ﴿١٦٢﴾
নিসন্দেহে আমি হচ্ছি তোমাদের জন্যে একজন বিশ্বস্ত রসুল, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৬৩﴿
﴾ ২৬:১৬৩ ﴿
فَاتَّقُوا اللَّهَ وَأَطِيعُونِ ﴿١٦٣﴾
অতএব তোমরা আল্লাহ তায়ালাকে ভয় করো এবং আমার আনুগত্য করো, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৬৪﴿
﴾ ২৬:১৬৪ ﴿
وَمَا أَسْأَلُكُمْ عَلَيْهِ مِنْ أَجْرٍ إِنْ أَجْرِيَ إِلَّا عَلَى رَبِّ الْعَالَمِينَ ﴿١٦٤﴾
আমি তো এ (কাজের) জন্যে তোমাদের কাছে কোনো বিনিময় চাচ্ছি না, আমার বিনিময় তো সৃষ্টিকুলের মালিক আল্লাহর দরবারেই (মজুদ) রয়েছে; [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৬৫﴿
﴾ ২৬:১৬৫ ﴿
أَتَأْتُونَ الذُّكْرَانَ مِنَ الْعَالَمِينَ ﴿١٦٥﴾
(এ কি হলো তোমাদের! জৈবিক প্রয়োজন পূরণের জন্যে) তোমরা দুনিয়ার পুরুষগুলোর কাছেই যাও, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৬৬﴿
﴾ ২৬:১৬৬ ﴿
وَتَذَرُونَ مَا خَلَقَ لَكُمْ رَبُّكُمْ مِنْ أَزْوَاجِكُمْ بَلْ أَنْتُمْ قَوْمٌ عَادُونَ ﴿١٦٦﴾
অথচ তোমাদের মালিক তোমাদের (এ প্রয়োজনের) জন্যে তোমাদের স্ত্রী সাথীদের পয়দা করে রেখেছেন, তাদের তোমরা পরিহার করে (এ নোংরা কাজে লপ্তি) থাকো; তোমরা (আসলেই) এক মারাত্মক সীমালংঘনকারী জাতি। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৬৭﴿
﴾ ২৬:১৬৭ ﴿
قَالُوا لَئِنْ لَمْ تَنْتَهِ يَا لُوطُ لَتَكُونَنَّ مِنَ الْمُخْرَجِينَ ﴿١٦٧﴾
তারা বললো, হে লুত, যদি তুমি তোমার এসব (ওয়ায নসীহত) থেকে নিবৃত্ত না হও, তাহলে তুমি হবে বহিষ্কৃতদের একজন। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৬৮﴿
﴾ ২৬:১৬৮ ﴿
قَالَ إِنِّي لِعَمَلِكُمْ مِنَ الْقَالِينَ ﴿١٦٨﴾
সে বললো (দেখো) , আমি তোমাদের এ নোংরা কাজকে অত্যন্ত ঘৃণা করি; [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৬৯﴿
﴾ ২৬:১৬৯ ﴿
رَبِّ نَجِّنِي وَأَهْلِي مِمَّا يَعْمَلُونَ ﴿١٦٩﴾
(এবার লুত আল্লাহ তায়ালাকে বললো, ) হে আমার মালিক, তারা যা কিছু করে তুমি আমাকে এবং আমার পরিবার পরিজনকে সে সব (ঘৃণিত কাজ) থেকে বাঁচাও। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৭০﴿
﴾ ২৬:১৭০ ﴿
فَنَجَّيْنَاهُ وَأَهْلَهُ أَجْمَعِينَ ﴿١٧٠﴾
অতপর আমি লুত ও তার পরিবার পরিজনদের সকলকে উদ্ধার করলাম। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৭১﴿
﴾ ২৬:১৭১ ﴿
إِلَّا عَجُوزًا فِي الْغَابِرِينَ ﴿١٧١﴾
(তার পরিবারের) এক (পাপী) বৃদ্ধাকে বাদ দিয়ে, সে (উদ্ধারের সময়) পেছনেই থেকে গেলো (এবং আযাবে নিমজ্জিত হয়ে গেলো) , [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৭২﴿
﴾ ২৬:১৭২ ﴿
ثُمَّ دَمَّرْنَا الْآخَرِينَ ﴿١٧٢﴾
অতপর অবশষ্টি সবাইকেই আমি সমপুর্ণ ধ্বংস করে দিলাম, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৭৩﴿
﴾ ২৬:১৭৩ ﴿
وَأَمْطَرْنَا عَلَيْهِمْ مَطَرًا فَسَاءَ مَطَرُ الْمُنْذَرِينَ ﴿١٧٣﴾
তাদের উপর আমি (আযাবের) বৃষ্টি বর্ষণ করলাম, (যাদের ভীতি প্রদর্শন করা হয়েছিলো) তাদের জন্যে কতো নিকৃষ্ট ছিলো সেই (আযাবের) বৃষ্টি! [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৭৪﴿
﴾ ২৬:১৭৪ ﴿
إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآيَةً وَمَا كَانَ أَكْثَرُهُمْ مُؤْمِنِينَ ﴿١٧٤﴾
এ (ঘটনা) -র মাঝেও (রয়েছে শিক্ষণীয়) নিদর্শন, কিন্তু তাদের অধিকাংশই ঈমান আনে না । [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৭৫﴿
﴾ ২৬:১৭৫ ﴿
وَإِنَّ رَبَّكَ لَهُوَ الْعَزِيزُ الرَّحِيمُ (﴿١٧٥﴾
নিসন্দেহে তোমার মালিক মহাপরাক্রমশালী, পরম দয়ালু। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৭৬﴿
﴾ ২৬:১৭৬ ﴿
كَذَّبَ أَصْحَابُ الْأَيْكَةِ الْمُرْسَلِينَ ﴿١٧٦﴾
আইকা'র অধিবাসীরাও রসুলদের অস্বীকার করেছিলো, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৭৭﴿
﴾ ২৬:১৭৭ ﴿
إِذْ قَالَ لَهُمْ شُعَيْبٌ أَلَا تَتَّقُونَ ﴿١٧٧﴾
যখন শোয়ায়ব তাদের বলেছিলো (হে আমার জাতি) , তোমরা কি (আল্লাহ তায়ালাকে) ভয় করবে না? [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৭৮﴿
﴾ ২৬:১৭৮ ﴿
إِنِّي لَكُمْ رَسُولٌ أَمِينٌ ﴿١٧٨﴾
নিসন্দেহে আমি হচ্ছি তোমাদের জন্যে একজন বিশ্বস্ত রসুল, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৭৯﴿
﴾ ২৬:১৭৯ ﴿
فَاتَّقُوا اللَّهَ وَأَطِيعُونِ ﴿١٧٩﴾
১৭৯, সুতরাং তোমরা আল্লাহ তায়ালাকে ভয় করো এবং আমার আনুগত্য করো, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৮০﴿
﴾ ২৬:১৮০ ﴿
وَمَا أَسْأَلُكُمْ عَلَيْهِ مِنْ أَجْرٍ إِنْ أَجْرِيَ إِلَّا عَلَى رَبِّ الْعَالَمِينَ ﴿١٨٠﴾
(আমি যে তোমাদের ডাকছি) এ জন্যে আমি তোমাদের কাছ থেকে কোনো পারিশ্রমিক দাবী করছি না, (কারণ) আমার পারিশ্রমিক যা, তা তো সৃষ্টিকুলের মালিক আল্লাহ তায়ালার কাছেই মজুদ রয়েছে; [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৮১﴿
﴾ ২৬:১৮১ ﴿
أَوْفُوا الْكَيْلَ وَلَا تَكُونُوا مِنَ الْمُخْسِرِينَ ﴿١٨١﴾
(হে মানুষ, মাপের সময়) তোমরা পুরোপুরি মেপে দেবে, (মাপে কম দিয়ে) তোমরা ক্ষতিগ্রস্ত লোকদের দলভুক্ত হয়ো না । [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৮২﴿
﴾ ২৬:১৮২ ﴿
وَزِنُوا بِالْقِسْطَاسِ الْمُسْتَقِيمِ ﴿١٨٢﴾
(ওযন করার সময়) পাল্লা ঠিক রেখে ওযন করবে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৮৩﴿
﴾ ২৬:১৮৩ ﴿
وَلَا تَبْخَسُوا النَّاسَ أَشْيَاءَهُمْ وَلَا تَعْثَوْا فِي الْأَرْضِ مُفْسِدِينَ ﴿١٨٣﴾
মানুষদের পাওনা কখনো কম দেবে না এবং দুনিয়ায় (খামাখা) ফেতনা ফাসাদ সৃষ্টি করো না, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৮৪﴿
﴾ ২৬:১৮৪ ﴿
وَاتَّقُوا الَّذِي خَلَقَكُمْ وَالْجِبِلَّةَ الْأَوَّلِينَ ﴿١٨٤﴾
ভয় করবে তাঁকে যিনি তোমাদের এবং তোমাদের আগে যারা গত হয়ে গেছে তাদের সবাইকে সৃষ্টি করেছেন; [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৮৫﴿
﴾ ২৬:১৮৫ ﴿
قَالُوا إِنَّمَا أَنْتَ مِنَ الْمُسَحَّرِينَ ﴿١٨٥﴾
তারা বললো (হে শোয়ায়ব) , তুমি (তো) দেখছি যাদুগ্রস্ত ব্যক্তিদেরই অন্তর্ভুক্ত, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৮৬﴿
﴾ ২৬:১৮৬ ﴿
وَمَا أَنْتَ إِلَّا بَشَرٌ مِثْلُنَا وَإِنْ نَظُنُّكَ لَمِنَ الْكَاذِبِينَ ﴿١٨٦﴾
(তুমি কিভাবে নবী হলে?) তুমি তো আমাদেরই মতো মানুষ, আমরা মনে করি তুমি মিথ্যাবাদীদেরই অন্তর্ভুক্ত, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৮৭﴿
﴾ ২৬:১৮৭ ﴿
فَأَسْقِطْ عَلَيْنَا كِسَفًا مِنَ السَّمَاءِ إِنْ كُنْتَ مِنَ الصَّادِقِينَ ﴿١٨٧﴾
(হ্যাঁ, ) তুমি যদি সত্যবাদী হও তাহলে যাও, আসমান (ভেংগে) এর একটি টুকরো আমাদের উপর ফেলে দাও । [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৮৮﴿
﴾ ২৬:১৮৮ ﴿
قَالَ رَبِّي أَعْلَمُ بِمَا تَعْمَلُونَ ﴿١٨٨﴾
সে বললো, যা কিছু (উদ্ভট দাবী) তোমরা করছো আমার মালিক তা ভালো করেই জানেন, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৮৯﴿
﴾ ২৬:১৮৯ ﴿
فَكَذَّبُوهُ فَأَخَذَهُمْ عَذَابُ يَوْمِ الظُّلَّةِ إِنَّهُ كَانَ عَذَابَ يَوْمٍ عَظِيمٍ ﴿١٨٩﴾
১৮৯, অতপর তারা তাকে মিথ্যা সাব্যস্ত করলো, পরিণামে মেঘাচ্ছন্ন দিনের এক ভীষণ আযাব তাদের পাকড়াও করলো, এ ছিলো সত্যিই এক কঠিন দিনের আযাব। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৯০﴿
﴾ ২৬:১৯০ ﴿
إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآيَةً وَمَا كَانَ أَكْثَرُهُمْ مُؤْمِنِينَ ﴿١٩٠﴾
এ (ঘটনা) -র মাঝেও (শিক্ষার) নিদর্শন আছে; (কিন্তু) তাদের অনেকেই (এর উপর) ঈমান আনে না। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৯১﴿
﴾ ২৬:১৯১ ﴿
وَإِنَّ رَبَّكَ لَهُوَ الْعَزِيزُ الرَّحِيمُ ﴿١٩١﴾
নিসন্দেহে তোমার মালিক মহাপরাক্রমশালী ও পরম দয়ালু। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৯২﴿
﴾ ২৬:১৯২ ﴿
وَإِنَّهُ لَتَنْزِيلُ رَبِّ الْعَالَمِينَ ﴿١٩٢﴾
(হে নবী, ) অবশ্যই এ (কোরআন) -টি রব্বল আলামীনের নাযিল করা (একটি গ্রন্থ) ; [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৯৩﴿
﴾ ২৬:১৯৩ ﴿
نَزَلَ بِهِ الرُّوحُ الْأَمِينُ ﴿١٩٣﴾
একজন বিশ্বস্ত ফেরেশতা (আমারই আদেশে) এটা নাযিল করেছে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৯৪﴿
﴾ ২৬:১৯৪ ﴿
عَلَى قَلْبِكَ لِتَكُونَ مِنَ الْمُنْذِرِينَ ﴿١٩٤﴾
(নাযিল করেছে) তোমারই মনের উপর যাতে করে তুমিও সতর্ককারী (নবী) -দের একজন হতে পারো, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৯৫﴿
﴾ ২৬:১৯৫ ﴿
بِلِسَانٍ عَرَبِيٍّ مُبِينٍ ﴿١٩٥﴾
(একে নাযিল করা হয়েছে) সুস্পষ্ট আরবী ভাষায়; [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৯৬﴿
﴾ ২৬:১৯৬ ﴿
وَإِنَّهُ لَفِي زُبُرِ الْأَوَّلِينَ ﴿١٩٦﴾
আগের (উম্মতদের কাছে) নাযিল করা কিতাবসমুহে অবশ্যই এটি (উল্লিখিত) আছে। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৯৭﴿
﴾ ২৬:১৯৭ ﴿
أَوَلَمْ يَكُنْ لَهُمْ آيَةً أَنْ يَعْلَمَهُ عُلَمَاءُ بَنِي إِسْرَائِيلَ ﴿١٩٧﴾
এটা কি এদের জন্যে দলিল নয় যে, বনী ইসরাঈলের আলেমরাও এর সম্পর্কে পুর্ণ অবগত আছে; [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৯৮﴿
﴾ ২৬:১৯৮ ﴿
وَلَوْ نَزَّلْنَاهُ عَلَى بَعْضِ الْأَعْجَمِينَ ﴿١٩٨﴾
যদি আমি এ (কোরআন) কে (আরবীর বদলে অন্য) কোনো অনারবের উপর (তার ভাষায়) নাযিল করতাম, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:১৯৯﴿
﴾ ২৬:১৯৯ ﴿
فَقَرَأَهُ عَلَيْهِمْ مَا كَانُوا بِهِ مُؤْمِنِينَ ﴿١٩٩﴾
তারপর সে (অনারব) ব্যক্তি তাদের কাছে এসে এটা (কিতাব) পাঠ করতো, অতপর (ভাষার অজুহাত তুলে) এর উপর তারা (মোটেই) ঈমান আনতো না; [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:২০০﴿
﴾ ২৬:২০০ ﴿
كَذَلِكَ سَلَكْنَاهُ فِي قُلُوبِ الْمُجْرِمِينَ ﴿٢٠٠﴾
এভাবেই আমি এ বিষয়টি নাফরমান অপরাধীদের অন্তরে প্রবেশ করিয়ে দিয়েছি; [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:২০১﴿
﴾ ২৬:২০১ ﴿
لَا يُؤْمِنُونَ بِهِ حَتَّى يَرَوُا الْعَذَابَ الْأَلِيمَ ﴿٢٠١﴾
তারা (আসলে) কখনো এর উপর ঈমান আনবে না, যতোক্ষণ না তারা কোনো কঠিন আযাব (নিজেদের চোখে) দেখতে পাবে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:২০২﴿
﴾ ২৬:২০২ ﴿
فَيَأْتِيَهُمْ بَغْتَةً وَهُمْ لَا يَشْعُرُونَ ﴿٢٠٢﴾
আর সে (আযাব কিন্তু তাদের কাছে আসবে একান্ত আকস্মিকভাবেই, তারা কিছুই টের পাবে না, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:২০৩﴿
﴾ ২৬:২০৩ ﴿
فَيَقُولُوا هَلْ نَحْنُ مُنْظَرُونَ ﴿٢٠٣﴾
তখন তারা বলবে, আমাদের কি (কিছু সময়ের জন্যেও) অবকাশ দেয়া হবে না? [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:২০৪﴿
﴾ ২৬:২০৪ ﴿
أَفَبِعَذَابِنَا يَسْتَعْجِلُونَ ﴿٢٠٤﴾
(অথচ) সে লোকগুলোই (এক সময়) আযাবকে ত্বরান্বিত করতে চেয়েছিলো! [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:২০৫﴿
﴾ ২৬:২০৫ ﴿
أَفَرَأَيْتَ إِنْ مَتَّعْنَاهُمْ سِنِينَ ﴿٢٠٥﴾
তুমি (এ বিষয়টা) চিন্তা করে দেখেছো কি, যদি আমি তাদের অনেক দিন ধরে (পার্থিব) ভোগবিলাস ভোগ করতেও দিই, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:২০৬﴿
﴾ ২৬:২০৬ ﴿
ثُمَّ جَاءَهُمْ مَا كَانُوا يُوعَدُونَ ﴿٢٠٦﴾
তারপর যে (আযাব) সম্পর্কে তাদের ওয়াদা করা হয়েছিলো তা যদি (সত্যিই) তাদের কাছে এসে পড়ে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:২০৭﴿
﴾ ২৬:২০৭ ﴿
مَا أَغْنَى عَنْهُمْ مَا كَانُوا يُمَتَّعُونَ ﴿٢٠٧﴾
তাহলে (এই) যে বৈষয়িক বিলাস তারা ভোগ করছিলো, তা সব কি কোনো কাজে লাগবে? [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:২০৮﴿
﴾ ২৬:২০৮ ﴿
وَمَا أَهْلَكْنَا مِنْ قَرْيَةٍ إِلَّا لَهَا مُنْذِرُونَ ﴿٢٠٨﴾
আমি (কাফেরদের) কোনো জনপদই ধ্বংস করিনি যার জন্যে (কোনো) সতর্ককারী (নবী) ছিলোনা, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:২০৯﴿
﴾ ২৬:২০৯ ﴿
ذِكْرَى وَمَا كُنَّا ظَالِمِينَ ﴿٢٠٩﴾
(এ হচ্ছে মুলত সুস্পষ্ট) উপদেশ, আর আমি তো যালেম নই (যে, সতর্ক না করেই তাদের ধ্বংস করে দেবো) । [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:২১০﴿
﴾ ২৬:২১০ ﴿
وَمَا تَنَزَّلَتْ بِهِ الشَّيَاطِينُ ﴿٢١٠﴾
এ (কোরআন) টি কোনো শয়তান নাযিল করেনি। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:২১১﴿
﴾ ২৬:২১১ ﴿
وَمَا يَنْبَغِي لَهُمْ وَمَا يَسْتَطِيعُونَ ﴿٢١١﴾
ওরা এ কাজের যোগ্যও নয়, না তারা তেমন কোনো ক্ষমতা রাখে; [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:২১২﴿
﴾ ২৬:২১২ ﴿
إِنَّهُمْ عَنِ السَّمْعِ لَمَعْزُولُونَ ﴿٢١٢﴾
তাদের তো (ওহী) শোনা থেকেও বঞ্চিত রাখা হয়েছে; [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:২১৩﴿
﴾ ২৬:২১৩ ﴿
فَلَا تَدْعُ مَعَ اللَّهِ إِلَهًا آخَرَ فَتَكُونَ مِنَ الْمُعَذَّبِينَ ﴿٢١٣﴾
অতএব তুমি কখনো আল্লাহ তায়ালার সাথে অন্য কোনো মাবুদকে ডেকো না, নতুবা তুমিও শাস্তিযোগ্য লোকদের দুলভুক্ত হয়ে যাবে। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:২১৪﴿
﴾ ২৬:২১৪ ﴿
وَأَنْذِرْ عَشِيرَتَكَ الْأَقْرَبِينَ ﴿٢١٤﴾
(হে নবী, ) তুমি তোমার নিকটতম আত্মীয় স্বজনদের (আল্লাহ তায়ালার আযাব থেকে) ভয় দেখাও, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:২১৫﴿
﴾ ২৬:২১৫ ﴿
وَاخْفِضْ جَنَاحَكَ لِمَنِ اتَّبَعَكَ مِنَ الْمُؤْمِنِينَ ﴿٢١٥﴾
যে ব্যক্তি ঈমান নিয়ে তোমার অনুবর্তন করবে তুমি তার প্রতি স্নেহের আচরণ করো, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:২১৬﴿
﴾ ২৬:২১৬ ﴿
فَإِنْ عَصَوْكَ فَقُلْ إِنِّي بَرِيءٌ مِمَّا تَعْمَلُونَ ﴿٢١٦﴾
যদি কেউ তোমার সাথে নাফরমানী করে তাহলে তুমি তাকে বলে দাও, তোমরা (আল্লাহ তায়ালার সাথে) যে আচরণ করছো তার (পরিণামের) জন্যে আমি কিন্তু মোটেই) দায়ী নই, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:২১৭﴿
﴾ ২৬:২১৭ ﴿
وَتَوَكَّلْ عَلَى الْعَزِيزِ الرَّحِيمِ ﴿٢١٧﴾
(তাদের অবাধ্য আচরণে তুমি মনোক্ষুন্ন হয়ো না, তুমি বরং) সর্বোচ্চ পরাক্রমশালী ও দয়ালু আল্লাহ তায়ালার উপরই ভরসা করো, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:২১৮﴿
﴾ ২৬:২১৮ ﴿
الَّذِي يَرَاكَ حِينَ تَقُومُ ﴿٢١٨﴾
যিনি তোমাকে দেখতে থাকেন, যখন তুমি (নামাযে) দাঁড়াও, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:২১৯﴿
﴾ ২৬:২১৯ ﴿
وَتَقَلُّبَكَ فِي السَّاجِدِينَ ﴿٢١٩﴾
এবং সাজদাকারীদের মাঝে তোমার ওঠা বসাও (তিনি প্রত্যক্ষ করেন) । [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:২২০﴿
﴾ ২৬:২২০ ﴿
إِنَّهُ هُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ ﴿٢٢٠﴾
অবশ্যই তিনি (সব কিছু) শোনেন, (সব কিছুই) জানেন। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:২২১﴿
﴾ ২৬:২২১ ﴿
هَلْ أُنَبِّئُكُمْ عَلَى مَنْ تَنَزَّلُ الشَّيَاطِينُ ﴿٢٢١﴾
(হে নবী, ) আমি কি তোমাকে বলে দেবো, শয়তান কার উপর (বেশী) সওয়ার হয়? [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:২২২﴿
﴾ ২৬:২২২ ﴿
تَنَزَّلُ عَلَى كُلِّ أَفَّاكٍ أَثِيمٍ ﴿٢٢٢﴾
(শয়তান সওয়ার হয়) প্রতিটি ঘোর মিথ্যাবাদী ও পাপী মানুষের উপর, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:২২৩﴿
﴾ ২৬:২২৩ ﴿
يُلْقُونَ السَّمْعَ وَأَكْثَرُهُمْ كَاذِبُونَ ﴿٢٢٣﴾
ওরা (শয়তানের কথা) শোনার জন্যে কান পেতে থাকে, আর তাদের অধিকাংশই হচ্ছে (নিরেট) মিথ্যাবাদী; [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:২২৪﴿
﴾ ২৬:২২৪ ﴿
وَالشُّعَرَاءُ يَتَّبِعُهُمُ الْغَاوُونَ ﴿٢٢٤﴾
(আর কবিদের কথা!) কবিরা (তো অধিকাংশই হয় পথভ্রষ্ট, ) তাদের অনুসরণ করে (আরো) কতিপয় গোমরাহ ব্যক্তি; [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:২২৫﴿
﴾ ২৬:২২৫ ﴿
أَلَمْ تَرَ أَنَّهُمْ فِي كُلِّ وَادٍ يَهِيمُونَ ﴿٢٢٥﴾
তুমি কি দেখতে পাও না, ওরা (কল্পনার হাওয়ায় চড়ে) প্রতিটি ময়দানে উদ্রান্তের মতো ঘুরে বেড়ায়, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:২২৬﴿
﴾ ২৬:২২৬ ﴿
وَأَنَّهُمْ يَقُولُونَ مَا لَا يَفْعَلُونَ ﴿٢٢٦﴾
এরা এমন কথা (অন্যদের) বলে যা তারা নিজেরা করে না, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾২৬:২২৭﴿
﴾ ২৬:২২৭ ﴿
إِلَّا الَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ وَذَكَرُوا اللَّهَ كَثِيرًا وَانْتَصَرُوا مِنْ بَعْدِ مَا ظُلِمُوا وَسَيَعْلَمُ الَّذِينَ ظَلَمُوا أَيَّ مُنْقَلَبٍ يَنْقَلِبُونَ ﴿٢٢٧﴾
তবে যারা আল্লাহর উপর ঈমান আনে ও (সে অনুযায়ী) নেক কাজ করে এবং বেশী করে আল্লাহ তায়ালাকে স্মরণ করে, তাদের কথা আলাদা । তাদের উপর যুলুম করার পরই কেবল তারা (আত্মরক্ষামুলক) প্রতিশোধ গ্রহণ করে; আর যুলুম যারা করে তারা অচিরেই জানতে পারবে তাদের (একদিন) কোথায় ফিরে যেতে হবে । [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]