🕋

السجدة
(৩২) আস-সাজদাহ

৩০

الم ﴿١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । আলিফ-লাম-মীম,
تَنْزِيلُ الْكِتَابِ لَا رَيْبَ فِيهِ مِنْ رَبِّ الْعَالَمِينَ ﴿٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । সৃষ্টিকুলের মালিক আল্লাহ তায়ালার কাছ থেকেই (এ) কিতাবের অবতরণ, এতে বিন্দুমাত্র সন্দেহ নেই;
أَمْ يَقُولُونَ افْتَرَاهُ بَلْ هُوَ الْحَقُّ مِنْ رَبِّكَ لِتُنْذِرَ قَوْمًا مَا أَتَاهُمْ مِنْ نَذِيرٍ مِنْ قَبْلِكَ لَعَلَّهُمْ يَهْتَدُونَ ﴿٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তারা কি একথা বলতে চায় যে, এ (কিতাব) -টা সে (ব্যক্তি) রচনা করে নিয়েছে? (না) বরং এ হচ্ছে তোমার মালিকের কাছ থেকে (নাযিল করা) একটি সত্য (কিতাব, আমি এটা এজন্যে নাযিল করেছি) , যাতে করে এর দ্বারা তুমি এমন এক জাতিকে (জাহান্নাম থেকে) সাবধান করে দিতে পারো, যাদের কাছে (নিকট অতীতে) তোমার আগে কোনো সতর্ককারী আসেনি, সম্ভবত তারা হেদায়াত লাভ করতে পারে ।
اللَّهُ الَّذِي خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ وَمَا بَيْنَهُمَا فِي سِتَّةِ أَيَّامٍ ثُمَّ اسْتَوَى عَلَى الْعَرْشِ مَا لَكُمْ مِنْ دُونِهِ مِنْ وَلِيٍّ وَلَا شَفِيعٍ أَفَلَا تَتَذَكَّرُونَ ﴿٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । আল্লাহ তায়ালা; যিনি আকাশমালা, যমীন ও উভয়ের মাঝে অবস্থিত (সবকিছু) ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর তিনি আরশে সমাসীন হন; (তিনি ছাড়া) তোমাদের কোনো অভিভাবক কিংবা সুপারিশকারী নেই; এর পরও কি তোমরা বুঝতে পাচ্ছো না!
يُدَبِّرُ الْأَمْرَ مِنَ السَّمَاءِ إِلَى الْأَرْضِ ثُمَّ يَعْرُجُ إِلَيْهِ فِي يَوْمٍ كَانَ مِقْدَارُهُ أَلْفَ سَنَةٍ مِمَّا تَعُدُّونَ ﴿٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । আসমান থেকে যমীন পর্যন্ত সবকিছু তিনিই পরিচালনা করেন, তারপর (সবকিছুকে) তিনি উপরের দিকে নিয়ে যাবেন (এমন) এক দিনে, যার পরিমাণ তোমাদের গণনায় হাজার বছর।
ذَلِكَ عَالِمُ الْغَيْبِ وَالشَّهَادَةِ الْعَزِيزُ الرَّحِيمُ ﴿٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তিনিই দৃশ্যমান ও অদৃশ্যের পরিজ্ঞাতা, পরাক্রমশালী ও পরম দয়ালু,
الَّذِي أَحْسَنَ كُلَّ شَيْءٍ خَلَقَهُ وَبَدَأَ خَلْقَ الْإِنْسَانِ مِنْ طِينٍ ﴿٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । যিনি যা কিছু সৃষ্টি করেছেন সুন্দর (ও নিখুঁত) করেই সৃষ্টি করেছেন এবং তিনি মানুষ সৃষ্টির সুচনা করেছেন মাটি থেকে,
ثُمَّ جَعَلَ نَسْلَهُ مِنْ سُلَالَةٍ مِنْ مَاءٍ مَهِينٍ ﴿٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অতঃপর তিনি তার বংশধরদের তুচ্ছ তরল একটি পদার্থের নির্যাস থেকে বানিয়েছেন,
ثُمَّ سَوَّاهُ وَنَفَخَ فِيهِ مِنْ رُوحِهِ وَجَعَلَ لَكُمُ السَّمْعَ وَالْأَبْصَارَ وَالْأَفْئِدَةَ قَلِيلًا مَا تَشْكُرُونَ ﴿٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । পরে তিনি তাকে ঠিকঠাক করলেন এবং তার মধ্যে তিনি তাঁর নিজের কাছ থেকে ‘রূহ ফুঁকে দিলেন এবং তোমাদের জন্যে (তাতে) কান, চোখ ও অন্তকরণ দান করলেন; তোমাদের খুব কম লোকই (এ জন্যে আল্লাহ তায়ালার) শোকর কৃতজ্ঞতা আদায় করে।
১০
وَقَالُوا أَئِذَا ضَلَلْنَا فِي الْأَرْضِ أَئِنَّا لَفِي خَلْقٍ جَدِيدٍ بَلْ هُمْ بِلِقَاءِ رَبِّهِمْ كَافِرُونَ ﴿١٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (আল্লাহ তায়ালাকে যারা অস্বীকার করে) তারা বলে, আমরা (মৃত্যুর পর) যখন মাটিতে মিশে যাবো তারপরও আমাদের আবার নতুন করে পয়দা করা হবে? (মুলত) এরা তাদের মালিকের সাথে সাক্ষাৎকারের বিষয়টিকেই অস্বীকার করে ।
১১
قُلْ يَتَوَفَّاكُمْ مَلَكُ الْمَوْتِ الَّذِي وُكِّلَ بِكُمْ ثُمَّ إِلَى رَبِّكُمْ تُرْجَعُونَ ﴿١١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (হে নবী, ) তুমি (এদের) বলো, জীবন হরণের ফেরেশতা, যাকে তোমাদের (মৃত্যুর) ব্যাপারে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে, (অচিরেই) তোমাদের জান কবয করে নেবে, অতঃপর তোমাদের সবাইকেই মালিকের দরবারে ফিরিয়ে নেয়া হবে।
১২
وَلَوْ تَرَى إِذِ الْمُجْرِمُونَ نَاكِسُو رُءُوسِهِمْ عِنْدَ رَبِّهِمْ رَبَّنَا أَبْصَرْنَا وَسَمِعْنَا فَارْجِعْنَا نَعْمَلْ صَالِحًا إِنَّا مُوقِنُونَ ﴿١٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (হে নবী, ) যদি তুমি (সে দৃশ্য) দেখতে, যখন অপরাধীরা নিজেদের মালিকের সামনে মাথা নীচু করে দাঁড়িয়ে থাকবে (এবং বলতে থাকবে) , হে আমাদের মালিক, আমরা (তো আজ সবকিছুই) দেখলাম এবং (তোমার সিদ্ধান্তের কথাও) শোনলাম, অতএব তুমি আমাদের আরেকবার (দুনিয়ায়) পাঠিয়ে দাও, আমরা ভালো কাজ করবো, নিশ্চয়ই আমরা (এখন) পুর্ণ বিশ্বাসী।
১৩
وَلَوْ شِئْنَا لَآتَيْنَا كُلَّ نَفْسٍ هُدَاهَا وَلَكِنْ حَقَّ الْقَوْلُ مِنِّي لَأَمْلَأَنَّ جَهَنَّمَ مِنَ الْجِنَّةِ وَالنَّاسِ أَجْمَعِينَ ﴿١٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (আল্লাহ তায়ালা বলবেন, ) আমি চাইলে প্রত্যেক ব্যক্তিকে হেদায়াত দিয়ে দিতাম, কিন্তু আমার পক্ষ থেকে সে ঘোষণা আজ সত্য প্রমাণিত হলো যে, আমি মানুষ ও জ্বিনদের মধ্য থেকে (এদের) সবাইকে দিয়ে জাহান্নাম পুর্ণ করবো।
১৪
فَذُوقُوا بِمَا نَسِيتُمْ لِقَاءَ يَوْمِكُمْ هَذَا إِنَّا نَسِينَاكُمْ وَذُوقُوا عَذَابَ الْخُلْدِ بِمَا كُنْتُمْ تَعْمَلُونَ ﴿١٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অতঃপর (ওদের বলা হবে, ) যাও, তোমরা জাহান্নামের শাস্তি আস্বাদন করো, যেভাবে তোমরা আজকের এ সাক্ষাৎকারের কথা ভুলে গিয়েছিলে, আমিও (তেমনি আজ) তোমাদের ভুলে গেলাম, যাও, তোমরা নিজেদের কৃতকর্মের প্রতিফল হিসেবে (জাহান্নামের) চিরস্থায়ী শাস্তি ভোগ করো।
১৫
إِنَّمَا يُؤْمِنُ بِآيَاتِنَا الَّذِينَ إِذَا ذُكِّرُوا بِهَا خَرُّوا سُجَّدًا وَسَبَّحُوا بِحَمْدِ رَبِّهِمْ وَهُمْ لَا يَسْتَكْبِرُونَ ﴿١٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । আমার আয়াতসমুহের উপর তারাই ঈমান আনে, যখন তাদের (আয়াত দ্বারা) উপদেশ দেয়া হয় তখন তারা সাথে সাথেই সাজদাবনত হয়ে পড়ে, উপরন্তু তারা তাদের মালিকের সপ্রশংস পবিত্রতা ঘোষণা করে এবং নিজেরা অহংকার করে না।
১৬
تَتَجَافَى جُنُوبُهُمْ عَنِ الْمَضَاجِعِ يَدْعُونَ رَبَّهُمْ خَوْفًا وَطَمَعًا وَمِمَّا رَزَقْنَاهُمْ يُنْفِقُونَ ﴿١٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তাদের পার্শ্বদেশ (রাতের বেলায়) বিছানা থেকে আলাদা থাকে, তারা (নিশুতি রাতে আযাবের) ভয়ে এবং (জান্নাতের) আশায় তাদের মালিককে ডাকে, তদুপরি আমি তাদের যা কিছু দান করেছি তারা তা থেকে (আমার পথে) ব্যয় করে ।
১৭
فَلَا تَعْلَمُ نَفْسٌ مَا أُخْفِيَ لَهُمْ مِنْ قُرَّةِ أَعْيُنٍ جَزَاءً بِمَا كَانُوا يَعْمَلُونَ ﴿١٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । কোনো মানুষই জানে না, কি ধরনের নয়ন প্রীতিকর (বিনিময়) তাদের জন্যে লুকিয়ে রাখা হয়েছে, (মুলত) তা হবে তাদের কাজের (যথার্থ) পুরস্কার।
১৮
أَفَمَنْ كَانَ مُؤْمِنًا كَمَنْ كَانَ فَاسِقًا لَا يَسْتَوُونَ ﴿١٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । যে ব্যক্তি মু’মিন, সে নাফরমান ব্যক্তির মতো হয়ে যাবে? (না, ) এরা কখনো এক সমান হতে পারে না।
১৯
أَمَّا الَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ فَلَهُمْ جَنَّاتُ الْمَأْوَى نُزُلًا بِمَا كَانُوا يَعْمَلُونَ ﴿١٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অতএব, যারা ঈমান এনেছে এবং নেক আমল করেছে, তাদের জন্যে (সুরম্য) জান্নাতে বাসস্থান হবে, এ মেহমানদারী হবে তাদের (নেক) কাজের পুরস্কার, যা তারা করে এসেছে।
২০
وَأَمَّا الَّذِينَ فَسَقُوا فَمَأْوَاهُمُ النَّارُ كُلَّمَا أَرَادُوا أَنْ يَخْرُجُوا مِنْهَا أُعِيدُوا فِيهَا وَقِيلَ لَهُمْ ذُوقُوا عَذَابَ النَّارِ الَّذِي كُنْتُمْ بِهِ تُكَذِّبُونَ ﴿٢٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । যারা আল্লাহ তায়ালার নাফরমানী করবে তাদের বাসস্থান হবে (জাহান্নামের) আগুন; যখনি তারা সেখান থেকে বেরিয়ে আসতে চষ্টো করবে, তখনি তাদের (ধাক্কা দিয়ে) তার ভেতরে ঠেলে দেয়া হবে এবং তাদের বলা হবে, যাও, আগুনের সে আযাব ভোগ করে নাও, যাকে তোমরা মিথ্যা প্রতিপন্ন করতে!
২১
وَلَنُذِيقَنَّهُمْ مِنَ الْعَذَابِ الْأَدْنَى دُونَ الْعَذَابِ الْأَكْبَرِ لَعَلَّهُمْ يَرْجِعُونَ ﴿٢١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (জাহান্নামের) বড়ো আযাবের আগে আমি অবশ্যই তাদের (দুনিয়ার) ছোটোখাটো আযাবও আস্বাদন করাবো (এ আশায়) , হয়তো বা এতে করে তারা আমার দিকে ফিরে আসবে ।
২২
وَمَنْ أَظْلَمُ مِمَّنْ ذُكِّرَ بِآيَاتِ رَبِّهِ ثُمَّ أَعْرَضَ عَنْهَا إِنَّا مِنَ الْمُجْرِمِينَ مُنْتَقِمُونَ ﴿٢٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তার চাইতে বড়ো যালেম আর কে হতে পারে যে ব্যক্তিকে তার মালিকের আয়াতসমুহ দ্বারা নসীহত করা হয়, অতঃপর সে তা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়; অবশ্যই আমি নাফরমানদের কাছ থেকে প্রতিশোধ নেবো।
২৩
وَلَقَدْ آتَيْنَا مُوسَى الْكِتَابَ فَلَا تَكُنْ فِي مِرْيَةٍ مِنْ لِقَائِهِ وَجَعَلْنَاهُ هُدًى لِبَنِي إِسْرَائِيلَ ﴿٢٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (হে নবী, তোমার আগে) আমি মুসাকেও কিতাব দিয়েছিলাম, অতএব তুমি তার (আল্লাহর) সাথে সাক্ষাতের বিষয়টিতে কোনোরকম সন্দেহ করো না, (আমি যে কিতাব তাকে দিয়েছি) তা আমি বনী ইসরাঈলদের জন্যে পথপ্রদর্শক বানিয়ে দিয়েছিলাম,
২৪
وَجَعَلْنَا مِنْهُمْ أَئِمَّةً يَهْدُونَ بِأَمْرِنَا لَمَّا صَبَرُوا وَكَانُوا بِآيَاتِنَا يُوقِنُونَ ﴿٢٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । আমি তাদের মধ্য থেকে কিছু লোককে নেতা বানিয়েছিলাম, তারা আমারই আদেশে মানুষদের হেদায়াত করতো, যখন তারা (অত্যাচারের সামনে কঠোর) ধৈর্য ধারণ করেছে, (সর্বোপরি) তারা ছিলো আমার আয়াতের উপর একান্ত বিশ্বাসী।
২৫
إِنَّ رَبَّكَ هُوَ يَفْصِلُ بَيْنَهُمْ يَوْمَ الْقِيَامَةِ فِيمَا كَانُوا فِيهِ يَخْتَلِفُونَ ﴿٢٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অবশ্যই (হে নবী) , তোমার মালিক কেয়ামতের দিন সেসব কিছুর ফয়সালা করে দেবেন যে সব বিষয়ে তারা দুনিয়ায় মতবিরোধ করে বেড়াতো ।
২৬
أَوَلَمْ يَهْدِ لَهُمْ كَمْ أَهْلَكْنَا مِنْ قَبْلِهِمْ مِنَ الْقُرُونِ يَمْشُونَ فِي مَسَاكِنِهِمْ إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآيَاتٍ أَفَلَا يَسْمَعُونَ ﴿٢٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (হে নবী, ) তোমার জাতির লোকদের কি এ থেকেও হেদায়াত আসেনি যে, আমি তাদের আগে কতো জাতিকে ধ্বংস করে দিয়েছি, যাদের বাসস্থানসমুহের মাঝ দিয়েই তারা (সব সময়) চলাফেরা করে; অবশ্যই এতে তাদের (আল্লাহ তায়ালাকে জানা ও চেনার) জন্যে অনেকগুলো নিদর্শন রয়েছে; এরপরও কি এরা শোনবে না!
২৭
أَوَلَمْ يَرَوْا أَنَّا نَسُوقُ الْمَاءَ إِلَى الْأَرْضِ الْجُرُزِ فَنُخْرِجُ بِهِ زَرْعًا تَأْكُلُ مِنْهُ أَنْعَامُهُمْ وَأَنْفُسُهُمْ أَفَلَا يُبْصِرُونَ ﴿٢٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । ওরা কি লক্ষ্য করে দেখে না, আমি (কিভাবে) উর্বর ভূমির উপর পানি প্রবাহিত করি এবং (পরে) তারই সাহায্যে আমি সে ভূমি থেকে ফসল বের করে আনি, যা থেকে তাদের গৃহপালিত জন্তুগুলো যেমনি খাবার গ্রহণ করে, তেমনি খায় তারা নিজেরাও, এ সত্ত্বেও কি এরা (আল্লাহ তায়ালার অসীম কুদরতের চিহ্ন) দেখতে পায় না?
২৮
وَيَقُولُونَ مَتَى هَذَا الْفَتْحُ إِنْ كُنْتُمْ صَادِقِينَ ﴿٢٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তারা বলে, যদি তোমরা (তোমাদের দাবীতে) সত্যবাদী হও তাহলে সে বিজয়ের ক্ষণটি কখন আসবে (যার কথা বলে তোমরা আমাদের ভয় দেখাচ্ছো) ।
২৯
قُلْ يَوْمَ الْفَتْحِ لَا يَنْفَعُ الَّذِينَ كَفَرُوا إِيمَانُهُمْ وَلَا هُمْ يُنْظَرُونَ ﴿٢٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (হে নবী, ) তুমি বলো, যারা কুফরী করেছে, বিচারের দিন তাদের ঈমান কোনোই কাজে আসবে না, না তাদের কোনো রকম অবকাশ দেয়া হবে!
৩০
فَأَعْرِضْ عَنْهُمْ وَانْتَظِرْ إِنَّهُمْ مُنْتَظِرُونَ ﴿٣٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অতএব (হে নবী, ) তুমি এদের (এসব কথাবার্তা) থেকে বিমুখ থাকো এবং তুমি (শেষ দিনের) অপেক্ষা করো, নিঃসন্দেহে তারাও (সেদিনের) অপেক্ষা করছে।



ফন্ট সাইজ
15px
17px