🕋

الطور
(৫২) আত-তূর

৪৯

﴾৫২:১﴿
﴾ ৫২:১ ﴿
وَالطُّورِ ﴿١﴾
শপথ তূর (পাহাড়) -এর, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫২:২﴿
﴾ ৫২:২ ﴿
وَكِتَابٍ مَسْطُورٍ ﴿٢﴾
শপথ (পাহাড়ী উপত্যকায় অবতীর্ণ) লিখিত গ্রন্থের, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫২:৩﴿
﴾ ৫২:৩ ﴿
فِي رَقٍّ مَنْشُورٍ ﴿٣﴾
(যা রক্ষিত আছে) উন্মুক্ত পত্রে। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫২:৪﴿
﴾ ৫২:৪ ﴿
وَالْبَيْتِ الْمَعْمُورِ ﴿٤﴾
শপথ বায়তুল মামুর'-এর, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫২:৫﴿
﴾ ৫২:৫ ﴿
وَالسَّقْفِ الْمَرْفُوعِ ﴿٥﴾
শপথ সমুন্নত ছাদ (আকাশ) -এর, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫২:৬﴿
﴾ ৫২:৬ ﴿
وَالْبَحْرِ الْمَسْجُورِ ﴿٦﴾
(আরো) শপথ উদ্বেলিত সমুদ্রের, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫২:৭﴿
﴾ ৫২:৭ ﴿
إِنَّ عَذَابَ رَبِّكَ لَوَاقِعٌ ﴿٧﴾
তোমার মালিকের আযাব অবশ্যই সংঘটিত হবে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫২:৮﴿
﴾ ৫২:৮ ﴿
مَا لَهُ مِنْ دَافِعٍ ﴿٨﴾
তা প্রতিরোধ করার কেউই থাকবে না, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫২:৯﴿
﴾ ৫২:৯ ﴿
يَوْمَ تَمُورُ السَّمَاءُ مَوْرًا ﴿٩﴾
যেদিন আসমান ভীষণভাবে আন্দোলিত হতে থাকবে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫২:১০﴿
﴾ ৫২:১০ ﴿
وَتَسِيرُ الْجِبَالُ سَيْرًا ﴿١٠﴾
পাহাড়সমূহ দ্রুত গতিতে চলতে থাকবে; [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫২:১১﴿
﴾ ৫২:১১ ﴿
فَوَيْلٌ يَوْمَئِذٍ لِلْمُكَذِّبِينَ ﴿١١﴾
(সেদিন) দুর্ভোগ হবে (একে) মিথ্যা প্রতিপন্নকারীদের, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫২:১২﴿
﴾ ৫২:১২ ﴿
الَّذِينَ هُمْ فِي خَوْضٍ يَلْعَبُونَ ﴿١٢﴾
যারা তামাসাচ্ছলে অর্থহীন খেলাধূলা করছিলো। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫২:১৩﴿
﴾ ৫২:১৩ ﴿
يَوْمَ يُدَعُّونَ إِلَى نَارِ جَهَنَّمَ دَعًّا ﴿١٣﴾
যেদিন তাদের ধাক্কা মারতে মারতে জাহান্নামের আগুনের দিকে নিয়ে যাওয়া হবে; [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫২:১৪﴿
﴾ ৫২:১৪ ﴿
هَذِهِ النَّارُ الَّتِي كُنْتُمْ بِهَا تُكَذِّبُونَ ﴿١٤﴾
(তাদের বলা হবে, ) এ হচ্ছে সেই (দোযখের) আগুন, যাকে তোমরা অস্বীকার করতে! [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫২:১৫﴿
﴾ ৫২:১৫ ﴿
أَفَسِحْرٌ هَذَا أَمْ أَنْتُمْ لَا تُبْصِرُونَ ﴿١٥﴾
এটাকে কি (তোমাদের চোখে) যাদু (মনে হয়) ? না তোমরা আজ দেখতে পাচ্ছো না? [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫২:১৬﴿
﴾ ৫২:১৬ ﴿
اصْلَوْهَا فَاصْبِرُوا أَوْ لَا تَصْبِرُوا سَوَاءٌ عَلَيْكُمْ إِنَّمَا تُجْزَوْنَ مَا كُنْتُمْ تَعْمَلُونَ ﴿١٦﴾
(যাও, তোমরা এতে জ্বলতে থাকো, ) অতঃপর (এখানে বসে) তোমরা ধৈর্য ধারণ করো কিংবা না করো, কার্যত তা তোমাদের জন্যে সমান কথা; তোমাদের (ঠিক) সে (ধরনের) বিনিময়ই আজ প্রদান করা হবে, যে (ধরনের) কাজ তোমরা করতে । [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫২:১৭﴿
﴾ ৫২:১৭ ﴿
إِنَّ الْمُتَّقِينَ فِي جَنَّاتٍ وَنَعِيمٍ ﴿١٧﴾
(অপরদিকে) যারা আল্লাহকে ভয় করেছে, তারা অবশ্যই (আজ) জান্নাতের (সুরম্য) উদ্যানে ও (অফুরন্ত) নেয়ামতে অবস্থান করবে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫২:১৮﴿
﴾ ৫২:১৮ ﴿
فَاكِهِينَ بِمَا آتَاهُمْ رَبُّهُمْ وَوَقَاهُمْ رَبُّهُمْ عَذَابَ الْجَحِيمِ ﴿١٨﴾
তাদের মালিক তাদের যা দেবেন তাতেই তারা সন্তুষ্ট হবে, তাদের মালিক তাদের জাহান্নামের কঠোর আযাব থেকে বাঁচিয়ে দেবেন। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫২:১৯﴿
﴾ ৫২:১৯ ﴿
كُلُوا وَاشْرَبُوا هَنِيئًا بِمَا كُنْتُمْ تَعْمَلُونَ ﴿١٩﴾
(তাদের আরো বলা হবে, দুনিয়ায়) তোমরা যেমন আমল করতে তার বিনিময়ে (পরিতৃপ্তির সাথে আজ এখানে) পানাহার করতে থাকো, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫২:২০﴿
﴾ ৫২:২০ ﴿
مُتَّكِئِينَ عَلَى سُرُرٍ مَصْفُوفَةٍ وَزَوَّجْنَاهُمْ بِحُورٍ عِينٍ ﴿٢٠﴾
তারা সারিবদ্ধভাবে পাতা আসনে হেলান দেয়া অবস্থায় সমাসীন হবে, আর আমি সুন্দর সুন্দর চোখবিশিষ্ট সুন্দর হুরের সাথে তাদের মিলন ঘটিয়ে দেবো। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫২:২১﴿
﴾ ৫২:২১ ﴿
وَالَّذِينَ آمَنُوا وَاتَّبَعَتْهُمْ ذُرِّيَّتُهُمْ بِإِيمَانٍ أَلْحَقْنَا بِهِمْ ذُرِّيَّتَهُمْ وَمَا أَلَتْنَاهُمْ مِنْ عَمَلِهِمْ مِنْ شَيْءٍ كُلُّ امْرِئٍ بِمَا كَسَبَ رَهِينٌ ﴿٢١﴾
যে সব মানুষ নিজেরা আল্লাহর উপর ঈমান এনেছে এবং তাদের সন্তানরাও এ ঈমানের ব্যাপারে তাদের অনুবর্তন করেছে, আমি (সেদিন জান্নাতে) তাদের সন্তান সন্ততিদের তাদের (নিজ নিজ পিতা মাতার) সাথে মিলিয়ে দেবো, আর এ জন্যে আমি তাদের (পিতা মাতার) পাওনার কিছুই হ্রাস করবো না, (বস্তুত) প্রত্যেক ব্যক্তিই নিজ নিজ কর্মফলের হাতে বন্দী হয়ে আছে। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫২:২২﴿
﴾ ৫২:২২ ﴿
وَأَمْدَدْنَاهُمْ بِفَاكِهَةٍ وَلَحْمٍ مِمَّا يَشْتَهُونَ ﴿٢٢﴾
(জান্নাতে) আমি তাদের এমন (সব ধরনের) ফলমূল ও গোশত (দিয়ে আহার্য) পরিবেশন করবো যা তারা পেতে চাইবে। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫২:২৩﴿
﴾ ৫২:২৩ ﴿
يَتَنَازَعُونَ فِيهَا كَأْسًا لَا لَغْوٌ فِيهَا وَلَا تَأْثِيمٌ ﴿٢٣﴾
সেখানে তারা একে অপরের কাছ থেকে পেয়ালা ভরে ভরে পানীয় নিতে থাকবে, সেখানে কোনো অর্থহীন কথা (ও কাজকর্ম) থাকবে না এবং কোনো রকম অপরাধও থাকবে না। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫২:২৪﴿
﴾ ৫২:২৪ ﴿
وَيَطُوفُ عَلَيْهِمْ غِلْمَانٌ لَهُمْ كَأَنَّهُمْ لُؤْلُؤٌ مَكْنُونٌ ﴿٢٤﴾
তাদের চারপাশে তাদের (সেবার) জন্যে নিয়োজিত থাকবে কিশোর দল, যারা এক একজন হবে যেন লুকিয়ে রাখা মুক্তা । [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫২:২৫﴿
﴾ ৫২:২৫ ﴿
وَأَقْبَلَ بَعْضُهُمْ عَلَى بَعْضٍ يَتَسَاءَلُونَ ﴿٢٥﴾
তারা একজন আরেকজনের দিকে চেয়ে (তাদের দুনিয়ার জীবনের) কথাবার্তা জিজ্ঞেস করতে থাকবে । [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫২:২৬﴿
﴾ ৫২:২৬ ﴿
قَالُوا إِنَّا كُنَّا قَبْلُ فِي أَهْلِنَا مُشْفِقِينَ ﴿٢٦﴾
তারা (তখন) বলবে হ্যাঁ, আমরা তো আগে আমাদের পরিবারের মাঝে (সব সময় জাহান্নামের) ভয়ে জীবন কাটাতাম। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫২:২৭﴿
﴾ ৫২:২৭ ﴿
فَمَنَّ اللَّهُ عَلَيْنَا وَوَقَانَا عَذَابَ السَّمُومِ ﴿٢٧﴾
(আর এ কারণেই আজ) আল্লাহ তায়ালা আমাদের উপর (এ সব নেয়ামত দিয়ে) অনুগ্রহ করেছেন, (সর্বোপরি) তিনি আমাদের (জাহান্নামের) গরম আগুনের শাস্তি থেকেও রক্ষা করেছেন। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫২:২৮﴿
﴾ ৫২:২৮ ﴿
إِنَّا كُنَّا مِنْ قَبْلُ نَدْعُوهُ إِنَّهُ هُوَ الْبَرُّ الرَّحِيمُ ﴿٢٨﴾
আমরা আগেও আল্লাহ তায়ালাকে ডাকতাম, (আমরা জানতাম) তিনি অনুগ্রহশীল ও দয়ালু। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫২:২৯﴿
﴾ ৫২:২৯ ﴿
فَذَكِّرْ فَمَا أَنْتَ بِنِعْمَةِ رَبِّكَ بِكَاهِنٍ وَلَا مَجْنُونٍ ﴿٢٩﴾
অতএব (হে নবী, মানুষদের) তুমি (এ দিনের কথা) স্মরণ করাতে থাকো, আল্লাহ তায়ালার অনুগ্রহে তুমি কোনো গণক নও, আবার তুমি কোনো পাগলও নও (তুমি হচ্ছো তাঁর বাণী বহনকারী একজন রাসূল) ; [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫২:৩০﴿
﴾ ৫২:৩০ ﴿
أَمْ يَقُولُونَ شَاعِرٌ نَتَرَبَّصُ بِهِ رَيْبَ الْمَنُونِ ﴿٣٠﴾
তারা কি বলতে চায়, এ ব্যক্তি একজন কবি এবং সে কোনো দৈব দুর্ঘটনায় পতিত হোক আমরা সে অপেক্ষাই করছি।' [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫২:৩১﴿
﴾ ৫২:৩১ ﴿
قُلْ تَرَبَّصُوا فَإِنِّي مَعَكُمْ مِنَ الْمُتَرَبِّصِينَ ﴿٣١﴾
তুমি (তাদের) বলো, হ্যাঁ, তোমরাও অপেক্ষা করো, আমিও তোমাদের সাথে অপেক্ষা করবো; [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫২:৩২﴿
﴾ ৫২:৩২ ﴿
أَمْ تَأْمُرُهُمْ أَحْلَامُهُمْ بِهَذَا أَمْ هُمْ قَوْمٌ طَاغُونَ ﴿٣٢﴾
ওদের জ্ঞান বুদ্ধিই কি ওদের এসব বলতে বলে, না (আসলে) ওরা (একটি) সীমালংঘনকারী সম্প্রদায়! [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫২:৩৩﴿
﴾ ৫২:৩৩ ﴿
أَمْ يَقُولُونَ تَقَوَّلَهُ بَلْ لَا يُؤْمِنُونَ ﴿٣٣﴾
(অথবা) এরা কি বলতে চায়, সে (রাসূল) নিজেই (কোরআনের) এ কথাগুলো রচনা করে নিয়েছে, (সত্য কথা হচ্ছে) এরা ঈমান আনে না, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫২:৩৪﴿
﴾ ৫২:৩৪ ﴿
فَلْيَأْتُوا بِحَدِيثٍ مِثْلِهِ إِنْ كَانُوا صَادِقِينَ ﴿٣٤﴾
তারা (নিজেদের কথায়) যদি সত্যবাদী হয় তবে তারাও এ (কোরআনে) -র মতো কিছু একটা (রচনা করে) নিয়ে আসুক না! [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫২:৩৫﴿
﴾ ৫২:৩৫ ﴿
أَمْ خُلِقُوا مِنْ غَيْرِ شَيْءٍ أَمْ هُمُ الْخَالِقُونَ ﴿٣٥﴾
তারা কি কোনো স্রষ্টা ছাড়া এমনি এমনিই সৃষ্টি হয়ে গেছে, না তারা (বলে যে, তারা) নিজেরাই (নিজেদের) স্রষ্টা; [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫২:৩৬﴿
﴾ ৫২:৩৬ ﴿
أَمْ خَلَقُوا السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ بَلْ لَا يُوقِنُونَ ﴿٣٦﴾
না তারা নিজেরা এ আকাশমন্ডল ও ভূমন্ডল সৃষ্টি করেছে?(আসল কথা হচ্ছে, এরা (আল্লাহ তায়ালার এ সৃষ্টি কৌশলে) বিশ্বাসই করে না; [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫২:৩৭﴿
﴾ ৫২:৩৭ ﴿
أَمْ عِنْدَهُمْ خَزَائِنُ رَبِّكَ أَمْ هُمُ الْمُسَيْطِرُونَ ﴿٣٧﴾
তাদের কাছে কি তোমার মালিকের (সম্পদের) ভান্ডার পড়ে আছে, না তারা নিজেরা (সে সম্পদের) পাহারাদার (সেজে বসেছে) ; [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫২:৩৮﴿
﴾ ৫২:৩৮ ﴿
أَمْ لَهُمْ سُلَّمٌ يَسْتَمِعُونَ فِيهِ فَلْيَأْتِ مُسْتَمِعُهُمْ بِسُلْطَانٍ مُبِينٍ ﴿٣٨﴾
অথবা তাদের কাছে (আসমানে উঠার মতো) কোনো সিঁড়ি আছে, যাতে আরোহণ করে তারা (আসমানের অধিবাসীদের) কথা শুনে আসে? তাহলে তারা (আসমান থেকে) শোনা বিষয়ের উপর সুস্পষ্ট কোনো প্রমাণ এনে হাযির করুক; [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫২:৩৯﴿
﴾ ৫২:৩৯ ﴿
أَمْ لَهُ الْبَنَاتُ وَلَكُمُ الْبْنُونَ ﴿٣٩﴾
অথবা (তোমরা কি আসলেই মনে করো যে, ) সব কন্যা সন্তানগুলো আল্লাহ তায়ালার জন্যে আর তোমাদের ভাগে থাকবে শুধু ছেলেগুলো! [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫২:৪০﴿
﴾ ৫২:৪০ ﴿
أَمْ تَسْأَلُهُمْ أَجْرًا فَهُمْ مِنْ مَغْرَمٍ مُثْقَلُونَ ﴿٤٠﴾
কিংবা তুমি কি (আল্লাহর বিধানসমূহ পৌঁছানোর বিনিময়ে) তাদের কাছ থেকে কোনো পারিশ্রমিক দাবী করছো, যা তাদের কাছে (দুর্বিসহ) জরিমানা বলে মনে হচ্ছে; [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫২:৪১﴿
﴾ ৫২:৪১ ﴿
أَمْ عِنْدَهُمُ الْغَيْبُ فَهُمْ يَكْتُبُونَ ﴿٤١﴾
অথবা তাদের কাছে রয়েছে অদৃশ্য (জ্ঞানের এমন) কিছু যা তারা লিখে রাখছে; [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫২:৪২﴿
﴾ ৫২:৪২ ﴿
أَمْ يُرِيدُونَ كَيْدًا فَالَّذِينَ كَفَرُوا هُمُ الْمَكِيدُونَ ﴿٤٢﴾
না (এর কোনোটাই নয়) , এরা (আসলে) তোমার বিরুদ্ধে কোনো ষড়যন্ত্র করার ফন্দি আঁটতে চায়; (অথচ) যারা আল্লাহ তায়ালাকে অস্বীকার করে তারাই (পরিণামে) ষড়যন্ত্রের শিকারে পরিণত হয়; [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫২:৪৩﴿
﴾ ৫২:৪৩ ﴿
أَمْ لَهُمْ إِلَهٌ غَيْرُ اللَّهِ سُبْحَانَ اللَّهِ عَمَّا يُشْرِكُونَ ﴿٤٣﴾
আল্লাহ তায়ালার বদলে এদের কি অন্য কোনো মাবুদ আছে? আল্লাহ তায়ালা তো এদের (যাবতীয়) শেরেকী কর্মকান্ড থেকে পবিত্র [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫২:৪৪﴿
﴾ ৫২:৪৪ ﴿
وَإِنْ يَرَوْا كِسْفًا مِنَ السَّمَاءِ سَاقِطًا يَقُولُوا سَحَابٌ مَرْكُومٌ ﴿٤٤﴾
যদি (কখনো) এরা দেখতে পায়, আসমান থেকে (মেঘের) একটি টুকরো ভেংগে পড়ছে, তাহলে (তাকে এরা আল্লাহর কোনো নিদর্শন মনে না করে) বলবে, এ তো হচ্ছে পুঞ্জীভূত এক খন্ড মেঘ মাত্র! [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫২:৪৫﴿
﴾ ৫২:৪৫ ﴿
فَذَرْهُمْ حَتَّى يُلَاقُوا يَوْمَهُمُ الَّذِي فِيهِ يُصْعَقُونَ ﴿٤٥﴾
(হে নবী, ) তুমি এদের ছেড়ে দাও এমন সময় পর্যন্ত যখন তারা সে দিনটি স্বচক্ষে দেখে নেবে যেদিন তারা হুশ জ্ঞান শূন্য হয়ে পড়বে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫২:৪৬﴿
﴾ ৫২:৪৬ ﴿
يَوْمَ لَا يُغْنِي عَنْهُمْ كَيْدُهُمْ شَيْئًا وَلَا هُمْ يُنْصَرُونَ ﴿٤٦﴾
সেই (সর্বনাশা) দিনে তাদের কোনো ষড়যন্ত্র (ও ফন্দি) -ই কোনো কাজে লাগবে না এবং সেদিন তাদের কোনো রকম সাহায্যও করা হবে না; [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫২:৪৭﴿
﴾ ৫২:৪৭ ﴿
وَإِنَّ لِلَّذِينَ ظَلَمُوا عَذَابًا دُونَ ذَلِكَ وَلَكِنَّ أَكْثَرَهُمْ لَا يَعْلَمُونَ ﴿٤٧﴾
যারা যুলুম করেছে তাদের জন্যে এ ছাড়াও (পার্থিব জীবনে) এক ধরনের আযাব রয়েছে, কিন্তু তাদের অধিকাংশই জানে না। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫২:৪৮﴿
﴾ ৫২:৪৮ ﴿
وَاصْبِرْ لِحُكْمِ رَبِّكَ فَإِنَّكَ بِأَعْيُنِنَا وَسَبِّحْ بِحَمْدِ رَبِّكَ حِينَ تَقُومُ ﴿٤٨﴾
(হে নবী, ) তুমি তোমার মালিকের সিদ্ধান্ত আসা পর্যন্ত ধৈৰ্য্য ধারণ করো, তুমি (অবশ্যই) আমার চোখের সামনে আছো, তুমি যখন (শয্যা ত্যাগ করে) উঠো তখন তুমি প্রশংসার সাথে তোমার মালিকের মাহাত্ম ঘোষণা করো, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫২:৪৯﴿
﴾ ৫২:৪৯ ﴿
وَمِنَ اللَّيْلِ فَسَبِّحْهُ وَإِدْبَارَ النُّجُومِ ﴿٤٩﴾
রাতের একাংশেও তুমি তাঁর তাসবীহ পাঠ করো, আবার (রাতের শেষে) তারাগুলো অস্তমিত হবার পরও (তাঁর মাহাত্ম ঘোষণা করো) । [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]