🕌
الممتحنة
(৬০) আল-মুমতাহিনাহ
১৩
﴾৬০:১﴿
﴾ ৬০:১ ﴿
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَتَّخِذُوا عَدُوِّي وَعَدُوَّكُمْ أَوْلِيَاءَ تُلْقُونَ إِلَيْهِمْ بِالْمَوَدَّةِ وَقَدْ كَفَرُوا بِمَا جَاءَكُمْ مِنَ الْحَقِّ يُخْرِجُونَ الرَّسُولَ وَإِيَّاكُمْ أَنْ تُؤْمِنُوا بِاللَّهِ رَبِّكُمْ إِنْ كُنْتُمْ خَرَجْتُمْ جِهَادًا فِي سَبِيلِي وَابْتِغَاءَ مَرْضَاتِي تُسِرُّونَ إِلَيْهِمْ بِالْمَوَدَّةِ وَأَنَا أَعْلَمُ بِمَا أَخْفَيْتُمْ وَمَا أَعْلَنْتُمْ وَمَنْ يَفْعَلْهُ مِنْكُمْ فَقَدْ ضَلَّ سَوَاءَ السَّبِيلِ ﴿١﴾
হে ঈমানদার ব্যক্তিরা, তোমরা (কখনো) আমার ও তোমাদের দুশমনদের নিজেদের বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করো না। (এটা কেমন কথা যে) তোমরা তাদের প্রতি বন্ধুত্ব দেখাচ্ছো, (অথচ) তোমাদের কাছে যে সত্য (দ্বীন) এসেছে তারা তা অস্বীকার করছে, তারা আল্লাহর রসূল এবং তোমাদের (তোমাদের জন্মভূমি থেকে) বের করে দিচ্ছে শুধু এ কারণে, তোমরা তোমাদের মালিক আল্লাহর উপর ঈমান এনেছে; যদি তোমরা (সত্যিই) আমার পথে জেহাদ ও আমার সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে (ঘরবাড়ি থেকে) বেরিয়ে থাকো, তাহলে কিভাবে তোমরা চুপে চুপে তাদের সাথে (আবার) বন্ধুত্ব পাতাতে পারো! তোমরা যে কাজ গোপনে করো আর যে কাজ প্রকাশ্যে করো আমি তা সম্যক অবগত আছি; তোমাদের মধ্যে যদি কেউ (দুশমনদের সাথে গোপনে বন্ধুত্ব গড়ার) এ কাজটি করে, তাহলে (বুঝতে হবে) সে (দ্বীনের) সরল পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে গেছে।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৬০:২﴿
﴾ ৬০:২ ﴿
إِنْ يَثْقَفُوكُمْ يَكُونُوا لَكُمْ أَعْدَاءً وَيَبْسُطُوا إِلَيْكُمْ أَيْدِيَهُمْ وَأَلْسِنَتَهُمْ بِالسُّوءِ وَوَدُّوا لَوْ تَكْفُرُونَ ﴿٢﴾
অথচ এরা যদি তোমাদের কাবু করতে পারে, তাহলে এরা তোমাদের শত্রুতে পরিণত হবে (শুধু তাই নয়) , এরা নিজেদের হাত ও কথা দিয়ে তোমাদের অনিষ্ট সাধন করবে, (আসলে) এরা তো এটাই চায় যে, তোমরাও তাদের মতো কাফের হয়ে যাও;
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৬০:৩﴿
﴾ ৬০:৩ ﴿
لَنْ تَنْفَعَكُمْ أَرْحَامُكُمْ وَلَا أَوْلَادُكُمْ يَوْمَ الْقِيَامَةِ يَفْصِلُ بَيْنَكُمْ وَاللَّهُ بِمَا تَعْمَلُونَ بَصِيرٌ ﴿٣﴾
কেয়ামতের দিন তোমাদের আত্মীয় স্বজন ও সন্তান সন্ততি তোমাদের কোনোই উপকারে আসবে , সেদিন আল্লাহ তাআলা তোমাদের মাঝে বিচার ফয়সালা করে দেবেন; তোমরা যা করো আল্লাহ তা'আলা তার সব কিছুই দেখেন।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৬০:৪﴿
﴾ ৬০:৪ ﴿
قَدْ كَانَتْ لَكُمْ أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ فِي إِبْرَاهِيمَ وَالَّذِينَ مَعَهُ إِذْ قَالُوا لِقَوْمِهِمْ إِنَّا بُرَآءُ مِنْكُمْ وَمِمَّا تَعْبُدُونَ مِنْ دُونِ اللَّهِ كَفَرْنَا بِكُمْ وَبَدَا بَيْنَنَا وَبَيْنَكُمُ الْعَدَاوَةُ وَالْبَغْضَاءُ أَبَدًا حَتَّى تُؤْمِنُوا بِاللَّهِ وَحْدَهُ إِلَّا قَوْلَ إِبْرَاهِيمَ لِأَبِيهِ لَأَسْتَغْفِرَنَّ لَكَ وَمَا أَمْلِكُ لَكَ مِنَ اللَّهِ مِنْ شَيْءٍ رَبَّنَا عَلَيْكَ تَوَكَّلْنَا وَإِلَيْكَ أَنَبْنَا وَإِلَيْكَ الْمَصِيرُ ﴿٤﴾
তোমাদের জন্যে ইবরাহীম ও তার অনুসারীদের (ঘটনার) মাঝে রয়েছে (অনুকরণযোগ্য) আদর্শ, যখন তারা তাদের জাতিকে বলেছিলো, তোমাদের সাথে এবং তোমরা যাদের আল্লাহর বদলে উপাসনা করো তাদের সাথে আমাদের কোনোই সম্পর্ক নেই, আমরা তোমাদের এ সব দেবতাদের অস্বীকার করি। (একারণে) আমাদের ও তোমাদের মাঝে চিরদিনের জন্যে এক শত্রতা ও বিদ্বেষ শুরু হয়ে গেলো যতোদিন তোমরা একমাত্র আল্লাহ তাআলা কে মাবুদ (বলে) স্বীকার না করবে, কিন্তু (এ ব্যাপারে) ইবরাহীমের পিতার উদ্দেশে বলা এ কথাটি (ব্যতিক্রম, যখন সে বলেছিলো) , আমি তোমার জন্যে (আল্লাহর দরবারে) অবশ্যই ক্ষমা প্রার্থনা করবো, অবশ্য আল্লাহর কাছে থেকে (ক্ষমা আদায় করার) আমার কোনোই এখতিয়ার নেই; (ইবরাহীম ও তার অনুসারীরা বললো, হে আমাদের মালিক, আমরা তো কেবল তোমার উপর ভরসা করেছি এবং আমরা তোমার দিকেই ফিরে এসেছি এবং (আমাদের) তো তোমার দিকেই ফিরে যেতে হবে ।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৬০:৫﴿
﴾ ৬০:৫ ﴿
رَبَّنَا لَا تَجْعَلْنَا فِتْنَةً لِلَّذِينَ كَفَرُوا وَاغْفِرْ لَنَا رَبَّنَا إِنَّكَ أَنْتَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ ﴿٥﴾
হে আমাদের মালিক, তুমি আমাদের (জীবনকে) কাফেরদের নিপীড়নের নিশানা বানিয়ো না, হে আমাদের মালিক, তুমি আমাদের গুনাহ খাতা ক্ষমা করে দাও, অবশ্যই তুমি পরাক্রমশালী ও পরম কুশলী।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৬০:৬﴿
﴾ ৬০:৬ ﴿
لَقَدْ كَانَ لَكُمْ فِيهِمْ أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ لِمَنْ كَانَ يَرْجُو اللَّهَ وَالْيَوْمَ الْآخِرَ وَمَنْ يَتَوَلَّ فَإِنَّ اللَّهَ هُوَ الْغَنِيُّ الْحَمِيدُ ﴿٦﴾
তাদের (জীবন চরিত্রের) মাঝে অবশ্যই তোমাদের জন্যে এবং সে লোকের জন্যে (অনুকরণযোগ্য) আদর্শ রয়েছে, যে ব্যক্তি আল্লাহ তাআলা এবং শেষ বিচারের দিনে কিছু পাবার আশা করে; আর যদি কেউ আল্লাহ তা'আলা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয় (সে যেন জেনে রাখে) , আল্লাহ তা'আলা কারো মুখাপেক্ষী নন এবং তিনি সকল প্রশংসার মালিক।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৬০:৭﴿
﴾ ৬০:৭ ﴿
عَسَى اللَّهُ أَنْ يَجْعَلَ بَيْنَكُمْ وَبَيْنَ الَّذِينَ عَادَيْتُمْ مِنْهُمْ مَوَدَّةً وَاللَّهُ قَدِيرٌ وَاللَّهُ غَفُورٌ رَحِيمٌ ﴿٧﴾
এটা অসম্ভব কিছু নয়, আল্লাহ তাআলা তোমাদের এবং যাদের সাথে আজ তোমাদের শত্রতা সৃষ্টি হয়েছে তাদের মাঝে (একদিন) বন্ধুত্ব সৃষ্টি করে দেবেন; আল্লাহ তাআলা তো (সবই) করতে পারেন; আল্লাহ তাআলা ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৬০:৮﴿
﴾ ৬০:৮ ﴿
لَا يَنْهَاكُمُ اللَّهُ عَنِ الَّذِينَ لَمْ يُقَاتِلُوكُمْ فِي الدِّينِ وَلَمْ يُخْرِجُوكُمْ مِنْ دِيَارِكُمْ أَنْ تَبَرُّوهُمْ وَتُقْسِطُوا إِلَيْهِمْ إِنَّ اللَّهَ يُحِبُّ الْمُقْسِطِينَ ﴿٨﴾
যারা দ্বীনের ব্যাপারে তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেনি এবং কখনো তোমাদের নিজেদের বাড়িঘর থেকেও বের করে দেয়নি, তাদের প্রতি দয়া দেখাতে ও তাদের সাথে ন্যায় আচরণ করতে আল্লাহ তাআলা কখনো নিষেধ করেন না; অবশ্যই আল্লাহ তাআলা ন্যায়পরায়ণদের ভালোবাসেন।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৬০:৯﴿
﴾ ৬০:৯ ﴿
إِنَّمَا يَنْهَاكُمُ اللَّهُ عَنِ الَّذِينَ قَاتَلُوكُمْ فِي الدِّينِ وَأَخْرَجُوكُمْ مِنْ دِيَارِكُمْ وَظَاهَرُوا عَلَى إِخْرَاجِكُمْ أَنْ تَوَلَّوْهُمْ وَمَنْ يَتَوَلَّهُمْ فَأُولَئِكَ هُمُ الظَّالِمُونَ ﴿٩﴾
আল্লাহ তাআলা কেবল তাদের সাথেই বন্ধুত্ব করতে নিষেধ করেন যারা দ্বীনের ব্যাপারে তোমাদের সাথে যুদ্ধ করেছে এবং (একই কারণে) তোমাদের তারা ভিটেমাটি থেকে উচ্ছেদ করে দিয়েছে এবং তোমাদের উচ্ছেদ করার ব্যাপারে একে অন্যকে সাহায্য-সহযোগিতা করেছে, (এর পরও) যারা তাদের সাথে বন্ধুত্ব করবে তারা অবশ্যই যালেম ।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৬০:১০﴿
﴾ ৬০:১০ ﴿
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا إِذَا جَاءَكُمُ الْمُؤْمِنَاتُ مُهَاجِرَاتٍ فَامْتَحِنُوهُنَّ اللَّهُ أَعْلَمُ بِإِيمَانِهِنَّ فَإِنْ عَلِمْتُمُوهُنَّ مُؤْمِنَاتٍ فَلَا تَرْجِعُوهُنَّ إِلَى الْكُفَّارِ لَا هُنَّ حِلٌّ لَهُمْ وَلَا هُمْ يَحِلُّونَ لَهُنَّ وَآتُوهُمْ مَا أَنْفَقُوا وَلَا جُنَاحَ عَلَيْكُمْ أَنْ تَنْكِحُوهُنَّ إِذَا آتَيْتُمُوهُنَّ أُجُورَهُنَّ وَلَا تُمْسِكُوا بِعِصَمِ الْكَوَافِرِ وَاسْأَلُوا مَا أَنْفَقْتُمْ وَلْيَسْأَلُوا مَا أَنْفَقُوا ذَلِكُمْ حُكْمُ اللَّهِ يَحْكُمُ بَيْنَكُمْ وَاللَّهُ عَلِيمٌ حَكِيمٌ ﴿١٠﴾
হে ঈমানদার ব্যক্তিরা, যখন কোনো ঈমানদার নারী হিজরত করে তোমাদের কাছে আসে, তখন তোমরা তাদের (ঈমানের ব্যাপারটা ভালো করে) পরখ করে নিয়ো; (যদিও) তাদের ঈমানের বিষয়টা আল্লাহ তাআলা ই ভালো জানেন, অতঃপর একবার যদি তোমরা জানতে পারো তারা (আসলেই) ঈমানদার, তাহলে কোনো অবস্থায়ই তাদের তোমরা কাফেরদের কাছে ফেরত পাঠাবে ; কারণ (যারা ঈমানদার নারী) তারা তাদের (কাফের স্বামীদের) জন্যে (আর কোনো অবস্থায়ই) হালাল' নয় এবং (যারা কাফের) তারাও তাদের (ঈমানদার স্ত্রীদের) জন্যে হালাল নয়; (তবে এমন হলে) তোমরা তাদের (আগের স্বামীদের দেয়া) মোহরানার অংশ ফেরত দিয়ে দিয়ো; অতঃপর তোমরা (কেউ) যদি তাদের বিয়ে করো, তাহলে এতে তোমাদের কোনো গুনাহ হবে না, অবশ্য তোমাদের (এ জন্যে) তাদের মোহর আদায় করে দিতে হবে; (একইভাবে) তোমরাও কাফের নারীদের সাথে (দাম্পত্য) সম্পর্ক বজায় রেখো না, (এ ক্ষেত্রে) তোমরা তাদের যে মোহর দিয়েছো তা তাদের থেকে চেয়ে নাও, একই নিয়মে (যারা কাফের স্বামী) তারা তাদের (মুসলমান স্ত্রীদের) যে মোহর দিয়েছে তাও ফেরত চেয়ে নেবে; এটাই হচ্ছে আল্লাহর বিধান; এভাবেই তিনি তোমাদের মাঝে (এ বিষয়টির) ফয়সালা করে দিয়েছেন; আর আল্লাহ তাআলা মহাজ্ঞানী ও পরম কুশলী।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৬০:১১﴿
﴾ ৬০:১১ ﴿
وَإِنْ فَاتَكُمْ شَيْءٌ مِنْ أَزْوَاجِكُمْ إِلَى الْكُفَّارِ فَعَاقَبْتُمْ فَآتُوا الَّذِينَ ذَهَبَتْ أَزْوَاجُهُمْ مِثْلَ مَا أَنْفَقُوا وَاتَّقُوا اللَّهَ الَّذِي أَنْتُمْ بِهِ مُؤْمِنُونَ ﴿١١﴾
তোমাদের স্ত্রীদের মধ্যে কেউ যদি তোমাদের হাতছাড়া হয়ে কাফেরদের কাছে চলে যায় (পরে যখন সুযোগ আসবে) , তখন যারা তাদের হাতছাড়া হয়ে গেছে তাদের তারা যে পরিমাণ মোহর দিয়েছে তোমরাও তার সমপরিমাণ মোহর আদায় করে দেবে; তোমরা সে আল্লাহ তাআলা কে ভয় করো, যাঁর উপর তোমরা ঈমান এনেছো।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৬০:১২﴿
﴾ ৬০:১২ ﴿
يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ إِذَا جَاءَكَ الْمُؤْمِنَاتُ يُبَايِعْنَكَ عَلَى أَنْ لَا يُشْرِكْنَ بِاللَّهِ شَيْئًا وَلَا يَسْرِقْنَ وَلَا يَزْنِينَ وَلَا يَقْتُلْنَ أَوْلَادَهُنَّ وَلَا يَأْتِينَ بِبُهْتَانٍ يَفْتَرِينَهُ بَيْنَ أَيْدِيهِنَّ وَأَرْجُلِهِنَّ وَلَا يَعْصِينَكَ فِي مَعْرُوفٍ فَبَايِعْهُنَّ وَاسْتَغْفِرْ لَهُنَّ اللَّهَ إِنَّ اللَّهَ غَفُورٌ رَحِيمٌ ﴿١٢﴾
হে নবী, যখন কোনো ঈমানদার নারী তোমার কাছে আসবে এবং এই বলে তোমার কাছে আনুগত্যের শপথ করবে, তারা আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করবে না, চুরি করবে না, ব্যভিচার করবে না, নিজেদের সন্তানদের হত্যা করবে না, নিজ হাত ও নিজ পায়ের মাঝখান সংক্রান্ত (বিষয় তথা অন্যের ঔরসজাত সন্তানকে নিজের স্বামীর বলে দাবী করার) মারাত্মক অভিযোগে অভিযুক্ত হয়ে আসবে না এবং কোনো সত্ত্বাজে তোমার নাফরমানী করবে না, তাহলে তুমি তাদের আনুগত্য গ্রহণ করো এবং তাদের (আগের কার্যকলাপের) জন্যে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো; আল্লাহ তা'আলা অবশ্যই ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু ।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৬০:১৩﴿
﴾ ৬০:১৩ ﴿
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَتَوَلَّوْا قَوْمًا غَضِبَ اللَّهُ عَلَيْهِمْ قَدْ يَئِسُوا مِنَ الْآخِرَةِ كَمَا يَئِسَ الْكُفَّارُ مِنْ أَصْحَابِ الْقُبُورِ ﴿١٣﴾
হে ঈমানদার ব্যক্তিরা, আল্লাহ তাআলা যে জাতির উপর গযব দিয়েছেন তাদের সাথে বন্ধুত্ব করো না, তারা তো শেষ বিচারের দিন সম্পর্কে সেভাবেই নিরাশ হয়ে পড়েছে, যেমনিভাবে কাফেররা (তাদের) কবরের সাথীদের ব্যাপারে হতাশ হয়ে গেছে।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]