🕌

الجمعة
(৬২) আল-জুমু'আহ

১১

﴾৬২:১﴿
﴾ ৬২:১ ﴿
يُسَبِّحُ لِلَّهِ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ الْمَلِكِ الْقُدُّوسِ الْعَزِيزِ الْحَكِيمِ ﴿١﴾
আসমানসমুহ ও যমীনে যা কিছু আছে তা সবই আল্লাহ তাআলার মাহাত্ম ঘোষণা করছে, তিনি রাজাধিরাজ, তিনি পূত পবিত্র, তিনি মহাপরাক্রমশালী, তিনি প্রবল প্রজ্ঞাময়। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৬২:২﴿
﴾ ৬২:২ ﴿
هُوَ الَّذِي بَعَثَ فِي الْأُمِّيِّينَ رَسُولًا مِنْهُمْ يَتْلُو عَلَيْهِمْ آيَاتِهِ وَيُزَكِّيهِمْ وَيُعَلِّمُهُمُ الْكِتَابَ وَالْحِكْمَةَ وَإِنْ كَانُوا مِنْ قَبْلُ لَفِي ضَلَالٍ مُبِينٍ ﴿٢﴾
তিনিই সেই মহান সত্তা, যিনি (একটি) সাধারণ জনগোষ্ঠীর (নিরক্ষর লোকদের) মাঝে থেকে তাদেরই একজনকে রসূল করে পাঠিয়েছেন, যে তাদের আল্লাহর আয়াতসমুহ পড়ে শোনাবে, তাদের জীবনকে পবিত্র করবে, তাদের (আসমানী) কিতাবের (কথা ও সে অনুযায়ী দুনিয়ায় চলার) কৌশল শিক্ষা দেবে, অথচ এ লোকগুলোই (রসূল আসার) আগে (পর্যন্ত) এক সুস্পষ্ট গোমরাহীতে নিমজ্জিত ছিলো, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৬২:৩﴿
﴾ ৬২:৩ ﴿
وَآخَرِينَ مِنْهُمْ لَمَّا يَلْحَقُوا بِهِمْ وَهُوَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ ﴿٣﴾
তাদের মধ্যকার সেসব ব্যক্তিও (গোমরাহীতে নিমজ্জিত) , যারা এখনো (এসে) এদের সাথে মিলিত হয়নি; তিনি মহাপরাক্রমশালী ও পরম কুশলী। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৬২:৪﴿
﴾ ৬২:৪ ﴿
ذَلِكَ فَضْلُ اللَّهِ يُؤْتِيهِ مَنْ يَشَاءُ وَاللَّهُ ذُو الْفَضْلِ الْعَظِيمِ ﴿٤﴾
(রসূল পাঠানো) এটা (মানুষদের উপর) আল্লাহ তা'আলার বিরাট অনুগ্রহ, যাকে ইচ্ছা তাকে তিনি এটা দান করেন; আল্লাহ তাআলা মহা অনুগ্রহশীল। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৬২:৫﴿
﴾ ৬২:৫ ﴿
مَثَلُ الَّذِينَ حُمِّلُوا التَّوْرَاةَ ثُمَّ لَمْ يَحْمِلُوهَا كَمَثَلِ الْحِمَارِ يَحْمِلُ أَسْفَارًا بِئْسَ مَثَلُ الْقَوْمِ الَّذِينَ كَذَّبُوا بِآيَاتِ اللَّهِ وَاللَّهُ لَا يَهْدِي الْقَوْمَ الظَّالِمِينَ ﴿٥﴾
যাদের (আল্লাহর কিতাব) তাওরাত বহন করার দায়িত্ব দেয়া হয়েছিলো, কিন্তু তারা কখনো এটা বহন করেনি, তাদের উদাহরণ হচ্ছে সেই গাধার মতো, যে (কিতাবের) বোঝাই শুধু বহন করলো (এর কিছুই বুঝতে পারলো ) ; তার চাইতেও নিকৃষ্ট উদাহরণ সে জাতির, যারা আল্লাহর আয়াতকে অস্বীকার করলো; আল্লাহ তা'আলা (এ ধরনের) যালেম জাতিকে হেদায়াত করেন না। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৬২:৬﴿
﴾ ৬২:৬ ﴿
قُلْ يَاأَيُّهَا الَّذِينَ هَادُوا إِنْ زَعَمْتُمْ أَنَّكُمْ أَوْلِيَاءُ لِلَّهِ مِنْ دُونِ النَّاسِ فَتَمَنَّوُا الْمَوْتَ إِنْ كُنْتُمْ صَادِقِينَ ﴿٦﴾
(হে রসূল, ) তুমি বলো, হে ইহুদীরা, যদি তোমরা মনে করে থাকো, অন্য সব লোক বাদে কেবল তোমরাই হচ্ছে আল্লাহর বন্ধু, তাহলে (আল্লাহর পুরস্কার পাওয়ার জন্যে) তোমরা মৃত্যু কামনা করো যদি তোমরা সত্যবাদী হও! [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৬২:৭﴿
﴾ ৬২:৭ ﴿
وَلَا يَتَمَنَّوْنَهُ أَبَدًا بِمَا قَدَّمَتْ أَيْدِيهِمْ وَاللَّهُ عَلِيمٌ بِالظَّالِمِينَ ﴿٧﴾
কিন্তু (সারা জীবন) এরা নিজেদের হাত দিয়ে যা করেছে (তার পরিণাম চিন্তা করে) এরা কখনো মৃত্যু কামনা করবে না; আল্লাহ তা'আলা এ যালেমদের কার্যকলাপ সম্পর্কে সম্যক অবগত। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৬২:৮﴿
﴾ ৬২:৮ ﴿
قُلْ إِنَّ الْمَوْتَ الَّذِي تَفِرُّونَ مِنْهُ فَإِنَّهُ مُلَاقِيكُمْ ثُمَّ تُرَدُّونَ إِلَى عَالِمِ الْغَيْبِ وَالشَّهَادَةِ فَيُنَبِّئُكُمْ بِمَا كُنْتُمْ تَعْمَلُونَ ﴿٨﴾
(হে নবী, ) তুমি এদের বলো, যে মৃত্যুর কাছ থেকে তোমরা আজ পালিয়ে বেড়াচ্ছো, একদিন কিন্তু তোমাদের সে মৃত্যুর সামনা সামনি হতেই হবে, তারপর তোমাদের সে মহান আল্লাহর দরবারে হাযির করা হবে, যিনি মানুষের দেখা অদেখা যাবতীয় কিছু সম্পর্কেই জ্ঞান রাখেন, অতঃপর তিনি সেদিন তোমাদের সবাইকে বলে দেবেন তোমরা দুনিয়ার জীবনে কি করে এসেছে। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৬২:৯﴿
﴾ ৬২:৯ ﴿
يَاأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا إِذَا نُودِيَ لِلصَّلَاةِ مِنْ يَوْمِ الْجُمُعَةِ فَاسْعَوْا إِلَى ذِكْرِ اللَّهِ وَذَرُوا الْبَيْعَ ذَلِكُمْ خَيْرٌ لَكُمْ إِنْ كُنْتُمْ تَعْلَمُونَ ﴿٩﴾
হে ঈমানদার ব্যক্তিরা, জুমুয়ার দিনে যখন তোমাদের নামাযের জন্যে ডাক দেয়া হবে তখন তোমরা (নামাযের মাধ্যমে) আল্লাহর স্মরণের দিকে দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাও এবং (সে সময়ের জন্যে) কেনাবেচা ছেড়ে দাও, এটাই। তোমাদের জন্যে উত্তম, যদি তোমরা তা উপলব্ধি করো! [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৬২:১০﴿
﴾ ৬২:১০ ﴿
فَإِذَا قُضِيَتِ الصَّلَاةُ فَانْتَشِرُوا فِي الْأَرْضِ وَابْتَغُوا مِنْ فَضْلِ اللَّهِ وَاذْكُرُوا اللَّهَ كَثِيرًا لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُونَ ﴿١٠﴾
অতঃপর যখন (জুমুয়ার) নামায শেষ হয়ে যাবে তখন তোমরা (কাজেকর্মে) পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ো এবং আল্লাহর অনুগ্রহ তালাশ করো, আর আল্লাহকে বেশী বেশী স্মরণ করো, আশা করা যায় তোমরা সাফল্য লাভ করতে পারবে। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৬২:১১﴿
﴾ ৬২:১১ ﴿
وَإِذَا رَأَوْا تِجَارَةً أَوْ لَهْوًا انْفَضُّوا إِلَيْهَا وَتَرَكُوكَ قَائِمًا قُلْ مَا عِنْدَ اللَّهِ خَيْرٌ مِنَ اللَّهْوِ وَمِنَ التِّجَارَةِ وَاللَّهُ خَيْرُ الرَّازِقِينَ ﴿١١﴾
(আল্লাহ তা'আলা র এসব নির্দেশ সত্ত্বেও) এরা যখন কোনো ব্যবসায়িক কাজকর্ম কিংবা ক্রীড়াকৌতুক দেখতে পায়, তখন সেদিকে দ্রুত গতিতে দৌঁড়ায় এবং তোমাকে (নামাযে) একা দাঁড়ানো অবস্থায় ফেলে যায়; তুমি বলো, আল্লাহ তাআলার কাছে যা কিছু রয়েছে তা অবশ্যই খেলাধুলা ও বেচাকেনার চাইতে (বহুগুণে) উৎকৃষ্ট, (মূলত) আল্লাহ তাআলা ই হচ্ছেন (তাঁর সৃষ্টির) সর্বোত্তম রিযিকদাতা। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]