🕋
القلم
(৬৮) আল-ক্বালাম
৫২
﴾৬৮:১﴿
﴾ ৬৮:১ ﴿
ن وَالْقَلَمِ وَمَا يَسْطُرُونَ ﴿١﴾
নূ-ন-, শপথ (লেখার মাধ্যম) কলমের, (আরো শপথ এ কলম দিয়ে) তারা যা লিখে রাখছে তার,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৬৮:২﴿
﴾ ৬৮:২ ﴿
مَا أَنْتَ بِنِعْمَةِ رَبِّكَ بِمَجْنُونٍ ﴿٢﴾
তোমার মালিকের (অসীম) দয়ায় তুমি পাগল নও,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৬৮:৩﴿
﴾ ৬৮:৩ ﴿
وَإِنَّ لَكَ لَأَجْرًا غَيْرَ مَمْنُونٍ ﴿٣﴾
তোমার জন্যে অবশ্যই এমন এক পুরস্কার রয়েছে যা কোনোদিনই নিশেষ হবে না,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৬৮:৪﴿
﴾ ৬৮:৪ ﴿
وَإِنَّكَ لَعَلى خُلُقٍ عَظِيمٍ ﴿٤﴾
নিঃসন্দেহে তুমি মহান চরিত্রের উপর (প্রতিষ্ঠিত) রয়েছে।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৬৮:৫﴿
﴾ ৬৮:৫ ﴿
فَسَتُبْصِرُ وَيُبْصِرُونَ ﴿٥﴾
(সেদিন খুব দূরে নয় যখন) তুমি ও (তোমাকে যারা পাগল বলে) তারা সবাই দেখতে পাবে যে,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৬৮:৬﴿
﴾ ৬৮:৬ ﴿
بِأَيِّيكُمُ الْمَفْتُونُ ﴿٦﴾
তোমাদের মধ্যে (আসলে) কে বিকারগ্রস্ত (পাগল) ছিলো!
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৬৮:৭﴿
﴾ ৬৮:৭ ﴿
إِنَّ رَبَّكَ هُوَ أَعْلَمُ بِمَنْ ضَلَّ عَنْ سَبِيلِهِ وَهُوَ أَعْلَمُ بِالْمُهْتَدِينَ ﴿٧﴾
তোমার মালিক ভালো করেই জানেন (তোমাদের মধ্যে) কোন ব্যক্তি পথভ্রষ্ট হয়ে গেছে, (আবার) যারা সঠিক পথের উপর রয়েছে আল্লাহ তাআলা তাদের সম্পর্কে সম্যক ওয়াকেফহাল রয়েছেন।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৬৮:৮﴿
﴾ ৬৮:৮ ﴿
فَلَا تُطِعِ الْمُكَذِّبِينَ ﴿٨﴾
অতএব তুমি এ মিথ্যা প্রতিপন্নকারীদের অনুসরণ করো না।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৬৮:৯﴿
﴾ ৬৮:৯ ﴿
وَدُّوا لَوْ تُدْهِنُ فَيُدْهِنُونَ ﴿٩﴾
তারা (তো তোমার এ নমনীয়তাটুকুই) চায় যে, তুমি (তাদের কিছু) গ্রহণ করো! অতঃপর তারাও (তোমার কিছু) গ্রহণ করবে ।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৬৮:১০﴿
﴾ ৬৮:১০ ﴿
وَلَا تُطِعْ كُلَّ حَلَّافٍ مَهِينٍ ﴿١٠﴾
যারা বেশী বেশী কসম করে (পদে পদে) লাঞ্ছিত হয়, এমন লোকদের তুমি কখনো অনুসরণ করো না,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৬৮:১১﴿
﴾ ৬৮:১১ ﴿
هَمَّازٍ مَشَّاءٍ بِنَمِيمٍ ﴿١١﴾
যে (বেহুদা) গালমন্দ করে, (খামাখা মানুষদের) অভিশাপ দেয় এবং চোগলখোরী করে বেড়ায়,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৬৮:১২﴿
﴾ ৬৮:১২ ﴿
مَنَّاعٍ لِلْخَيْرِ مُعْتَدٍ أَثِيمٍ ﴿١٢﴾
যে ভালো কাজে বাধা সৃষ্টি করে, (অন্যায়ভাবে) সীমালংঘন করে, (সর্বোপরি) যে পাপিষ্ঠ,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৬৮:১৩﴿
﴾ ৬৮:১৩ ﴿
عُتُلٍّ بَعْدَ ذَلِكَ زَنِيمٍ ﴿١٣﴾
যে কঠোর স্বভাবের অধিকারী, এরপর যে (জন্ম পরিচয়ের দিক থেকেও) জারজ,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৬৮:১৪﴿
﴾ ৬৮:১৪ ﴿
أَنْ كَانَ ذَا مَالٍ وَبَنِينَ ﴿١٤﴾
যেহেতু সে (বিপুল) ধনরাশি ও (অনেকগুলো) সন্তান সন্ততির অধিকারী;
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৬৮:১৫﴿
﴾ ৬৮:১৫ ﴿
إِذَا تُتْلَى عَلَيْهِ آيَاتُنَا قَالَ أَسَاطِيرُ الْأَوَّلِينَ ﴿١٥﴾
এ লোককে যখন আমার আয়াতসমূহ' পড়ে শোনানো হয় তখন সে বলে, এগুলো তো হচ্ছে আগের দিনের গল্প কাহিনী মাত্র!
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৬৮:১৬﴿
﴾ ৬৮:১৬ ﴿
سَنَسِمُهُ عَلَى الْخُرْطُومِ ﴿١٦﴾
(এ অহংকারী ব্যক্তিটিকে তুমি জানিয়ে রাখো, ) অচিরেই আমি তার শুড়ে দাগ দিয়ে (তাকে চিহ্নিত করে) দেবো।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৬৮:১৭﴿
﴾ ৬৮:১৭ ﴿
إِنَّا بَلَوْنَاهُمْ كَمَا بَلَوْنَا أَصْحَابَ الْجَنَّةِ إِذْ أَقْسَمُوا لَيَصْرِمُنَّهَا مُصْبِحِينَ ﴿١٧﴾
অবশ্যই আমি এ (জনপদের) মানুষদের পরীক্ষা করেছি, যেমনি (অতীতে) আমি একটি ফলের বাগানের কতিপয় মালিককে পরীক্ষা করেছিলাম, (সে পরীক্ষাটা ছিলো, এমন যে, একদিন) তারা সবাই (একযোগে) শপথ করে বলেছিলো, অবশ্যই তারা সকাল বেলায় গিয়ে (বাগানের) ফল পাড়বে,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৬৮:১৮﴿
﴾ ৬৮:১৮ ﴿
وَلَا يَسْتَثْنُونَ ﴿١٨﴾
(এ সময়) তারা (আল্লাহ তা'আলার ইচ্ছা ও অভিপ্রায় সম্বলিত) কিছুই (এর সাথে) যোগ করেনি।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৬৮:১৯﴿
﴾ ৬৮:১৯ ﴿
فَطَافَ عَلَيْهَا طَائِفٌ مِنْ رَبِّكَ وَهُمْ نَائِمُونَ ﴿١٩﴾
তখন (ভোর হতে না হতেই) তোমার মালিকের পক্ষ থেকে তার উপর এক বিপর্যয় এসে পড়লো, (তখনো) তারা ছিলো গভীর ঘুমে (বিভোর) ।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৬৮:২০﴿
﴾ ৬৮:২০ ﴿
فَأَصْبَحَتْ كَالصَّرِيمِ ﴿٢٠﴾
অতঃপর সকাল বেলায় তা মধ্যরাতের কৃষ্ণ বর্ণের মতো কালো হয়ে গেলো।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৬৮:২১﴿
﴾ ৬৮:২১ ﴿
فَتَنَادَوْا مُصْبِحِينَ ﴿٢١﴾
(এদিকে) সকাল হতেই তারা (এই বলে) একে অপরকে ডাকাডাকি করতে লাগলো,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৬৮:২২﴿
﴾ ৬৮:২২ ﴿
أَنِ اغْدُوا عَلَى حَرْثِكُمْ إِنْ كُنْتُمْ صَارِمِينَ ﴿٢٢﴾
তোমরা যদি (সত্যিই) ফল আহরণ করতে চাও তাহলে সকাল সকাল নিজেদের বাগানের দিকে চলো।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৬৮:২৩﴿
﴾ ৬৮:২৩ ﴿
فَانْطَلَقُوا وَهُمْ يَتَخَافَتُونَ ﴿٢٣﴾
(অতঃপর) তারা সেদিকে রওনা দিলো, (পথের মধ্যে) ফিসফিস করে নিজেদের মধ্যে বলাবলি করতে লাগলো,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৬৮:২৪﴿
﴾ ৬৮:২৪ ﴿
أَنْ لَا يَدْخُلَنَّهَا الْيَوْمَ عَلَيْكُمْ مِسْكِينٌ ﴿٢٤﴾
কোনো অবস্থায়ই যেন আজ কোনো (দুস্থ ও) মিসকীন ব্যক্তি তোমাদের উপর (টেক্কা) দিয়ে বাগানে এসে প্রবেশ করতে না পারে,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৬৮:২৫﴿
﴾ ৬৮:২৫ ﴿
وَغَدَوْا عَلَى حَرْدٍ قَادِرِينَ ﴿٢٥﴾
তারা সকাল বেলায় সংকল্পবদ্ধ হয়ে এসে হাযির হলো, (যেন) তারা নিজেরাই (আজ সব ফসল তুলতে) সক্ষম হয়।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৬৮:২৬﴿
﴾ ৬৮:২৬ ﴿
فَلَمَّا رَأَوْهَا قَالُوا إِنَّا لَضَالُّونَ ﴿٢٦﴾
অতঃপর যখন তারা সে (বাগানের) দিকে তাকিয়ে দেখলো, তখন (হতভম্ব হয়ে) বলতে লাগলো (একি! এটা তো আমাদের বাগান নয়) , আমরা নিশ্চয়ই পথভ্রষ্ট (হয়ে পড়েছি) ,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৬৮:২৭﴿
﴾ ৬৮:২৭ ﴿
بَلْ نَحْنُ مَحْرُومُونَ ﴿٢٧﴾
(না, আসলেই) আমরা (আজ) মাহরূম হয়ে গেছি!
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৬৮:২৮﴿
﴾ ৬৮:২৮ ﴿
قَالَ أَوْسَطُهُمْ أَلَمْ أَقُلْ لَكُمْ لَوْلَا تُسَبِّحُونَ ﴿٢٨﴾
(এ মুহূর্তে তাদের মধ্যকার একজন ভালো মানুষ (তাদের) বললো, আমি কি তোমাদের বলিনি (সব কাজের ব্যাপারে আল্লাহর উপরই ভরসা করবে) , কতো ভালো হতো যদি তোমরা (আগেই আল্লাহ তাআলার মহান নামের) তাসবীহ' পড়ে নিতে!
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৬৮:২৯﴿
﴾ ৬৮:২৯ ﴿
قَالُوا سُبْحَانَ رَبِّنَا إِنَّا كُنَّا ظَالِمِينَ ﴿٢٩﴾
(এবার নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে) তারা বললো, (সত্যিই) আমাদের মালিক আল্লাহ তাআলা অনেক মহান, অনেক পবিত্র, (তাঁর নাম না নিয়ে) আমরা(আসলেই) যালেম হয়ে পড়েছিলাম।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৬৮:৩০﴿
﴾ ৬৮:৩০ ﴿
فَأَقْبَلَ بَعْضُهُمْ عَلَى بَعْضٍ يَتَلَاوَمُونَ ﴿٣٠﴾
(এভাবে) তারা পরস্পর পরস্পরকে তিরস্কার করে একে অপরের উপর দোষারোপ করতে লাগলো ।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৬৮:৩১﴿
﴾ ৬৮:৩১ ﴿
قَالُوا يَاوَيْلَنَا إِنَّا كُنَّا طَاغِينَ ﴿٣١﴾
তারা (আরো) বললো, দুর্ভাগ্য আমাদের, (মূলত) আমরা তো সীমালংঘনকারী (হয়ে পড়েছি) ।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৬৮:৩২﴿
﴾ ৬৮:৩২ ﴿
عَسَى رَبُّنَا أَنْ يُبْدِلَنَا خَيْرًا مِنْهَا إِنَّا إِلَى رَبِّنَا رَاغِبُونَ ﴿٣٢﴾
আশা করা যায় আমাদের মালিক (পার্থিব জিনিসের) বদলে (আখেরাতে) এর চাইতে উৎকৃষ্ট (কিছু আমাদের) দান করবেন, আমরা আমাদের মালিকের দিকেই ফিরে যাচ্ছি।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৬৮:৩৩﴿
﴾ ৬৮:৩৩ ﴿
كَذَلِكَ الْعَذَابُ وَلَعَذَابُ الْآخِرَةِ أَكْبَرُ لَوْ كَانُوا يَعْلَمُونَ ﴿٣٣﴾
আযাব এভাবেই (নাযিল) হয়, আর পরকালের আযাব, তা তো অনেক গুরুতর । কতো ভালো হতো যদি তারা তা জানতে পেতো!
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৬৮:৩৪﴿
﴾ ৬৮:৩৪ ﴿
إِنَّ لِلْمُتَّقِينَ عِنْدَ رَبِّهِمْ جَنَّاتِ النَّعِيمِ ﴿٣٤﴾
(অপরদিকে) যারা আল্লাহ তা'আলা কে ভয় করে চলে তাদের জন্যে অবশ্যই তাদের মালিকের কাছে (অফুরন্ত) নেয়ামতে ভরপুর জান্নাত রয়েছে।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৬৮:৩৫﴿
﴾ ৬৮:৩৫ ﴿
أَفَنَجْعَلُ الْمُسْلِمِينَ كَالْمُجْرِمِينَ ﴿٣٥﴾
যারা আমার আনুগত্য করে তাদের সাথে আমি কি অপরাধীদের মতো (একই ধরনের) আচরণ করবো?
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৬৮:৩৬﴿
﴾ ৬৮:৩৬ ﴿
مَا لَكُمْ كَيْفَ تَحْكُمُونَ ﴿٣٦﴾
এ কি হলো তোমাদের । (আমার ইনসাফ সম্পর্কে) এ কি সিদ্ধান্ত তোমরা করছো?
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৬৮:৩৭﴿
﴾ ৬৮:৩৭ ﴿
أَمْ لَكُمْ كِتَابٌ فِيهِ تَدْرُسُونَ ﴿٣٧﴾
তোমাদের কাছে কি এমন কোনো আসমানী কিতাব আছে যাতে তোমরা (এ কথাটা) পড়েছে যে,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৬৮:৩৮﴿
﴾ ৬৮:৩৮ ﴿
إِنَّ لَكُمْ فِيهِ لَمَا تَخَيَّرُونَ ﴿٣٨﴾
সেখানে তোমাদের জন্যে সে ধরনের সব কিছুই সরবরাহ করা হবে, যা তোমরা তোমাদের জন্যে পছন্দ করবে,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৬৮:৩৯﴿
﴾ ৬৮:৩৯ ﴿
أَمْ لَكُمْ أَيْمَانٌ عَلَيْنَا بَالِغَةٌ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ إِنَّ لَكُمْ لَمَا تَحْكُمُونَ ﴿٣٩﴾
না আমি তোমাদের সাথে কোনো চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছি এমন চুক্তি, যা কেয়ামত পর্যন্ত মানা বাধ্যতামূলক হবে, এর মাধ্যমে তোমরা যা কিছু দাবী করো তাই তোমরা পাবে,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৬৮:৪০﴿
﴾ ৬৮:৪০ ﴿
سَلْهُمْ أَيُّهُمْ بِذَلِكَ زَعِيمٌ ﴿٤٠﴾
তুমি এদের জিজ্ঞেস করো, তোমাদের মধ্যে কে এ দায়িত্ব নিতে পারে,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৬৮:৪১﴿
﴾ ৬৮:৪১ ﴿
أَمْ لَهُمْ شُرَكَاءُ فَلْيَأْتُوا بِشُرَكَائِهِمْ إِنْ كَانُوا صَادِقِينَ ﴿٤١﴾
(নিজেরা না পারলে) তাদের কি (অন্য কোনো) অংশীদার আছে? যদি তারা সত্যবাদী হয় তাহলে তারা তাদের অংশীদারদের সবাইকে নিয়ে আসুক।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৬৮:৪২﴿
﴾ ৬৮:৪২ ﴿
يَوْمَ يُكْشَفُ عَنْ سَاقٍ وَيُدْعَوْنَ إِلَى السُّجُودِ فَلَا يَسْتَطِيعُونَ ﴿٤٢﴾
(স্মরণ করো, ) যেদিন (যাবতীয়) রহস্য উদঘাঁটিত হয়ে পড়বে, তখন তাদের সাজদাবনত হওয়ার আহ্বান জানানো হবে, এসব (হতভাগ্য) ব্যক্তি (কিন্তু সেদিন সাজদা করতে) সক্ষম হবে না,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৬৮:৪৩﴿
﴾ ৬৮:৪৩ ﴿
خَاشِعَةً أَبْصَارُهُمْ تَرْهَقُهُمْ ذِلَّةٌ وَقَدْ كَانُوا يُدْعَوْنَ إِلَى السُّجُودِ وَهُمْ سَالِمُونَ ﴿٤٣﴾
দৃষ্টি তাদের নিম্নগামী হবে, অপমান তাদের ভারাক্রান্ত করে রাখবে; (দুনিয়ায় এমনি করে) যখন তাদের আল্লাহর সম্মুখে সাজদা করতে ডাকা হয়েছিলো, (তখন) তারা সুস্থ (ও সক্ষম) ছিলো।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৬৮:৪৪﴿
﴾ ৬৮:৪৪ ﴿
فَذَرْنِي وَمَنْ يُكَذِّبُ بِهَذَا الْحَدِيثِ سَنَسْتَدْرِجُهُمْ مِنْ حَيْثُ لَا يَعْلَمُونَ ﴿٤٤﴾
(হে নবী, ) অতঃপর তুমি আমাকে ছেড়ে দাও, যে আমার এ কিতাব অস্বীকার করে (তার থেকে আমি প্রতিশোধ নেবো) , আমি ধীরে ধীরে এদের (এমন ধ্বংসের) দিকে ঠেলে নিয়ে যাবো যে, এরা তার কিছুই টের পাবে না,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৬৮:৪৫﴿
﴾ ৬৮:৪৫ ﴿
وَأُمْلِي لَهُمْ إِنَّ كَيْدِي مَتِينٌ ﴿٤٥﴾
আমি এদের অবকাশ দিয়ে রাখি, (অপরাধীদের ধরার) আমার এ কৌশল অত্যন্ত কার্যকর।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৬৮:৪৬﴿
﴾ ৬৮:৪৬ ﴿
أَمْ تَسْأَلُهُمْ أَجْرًا فَهُمْ مِنْ مَغْرَمٍ مُثْقَلُونَ ﴿٤٦﴾
তুমি কি এদের কাছে কোনো পারিশ্রমিক দাবী করছো যে, এরা তার দন্ডভারে একেবারে অচল হয়ে পড়েছে?
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৬৮:৪৭﴿
﴾ ৬৮:৪৭ ﴿
أَمْ عِنْدَهُمُ الْغَيْبُ فَهُمْ يَكْتُبُونَ ﴿٤٧﴾
না তাদের কাছে অজানা জগতের কোনো খবর রয়েছে যা তারা লিখে রাখে।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৬৮:৪৮﴿
﴾ ৬৮:৪৮ ﴿
فَاصْبِرْ لِحُكْمِ رَبِّكَ وَلَا تَكُنْ كَصَاحِبِ الْحُوتِ إِذْ نَادَى وَهُوَ مَكْظُومٌ ﴿٤٨﴾
(হে নবী, ) তুমি (বরং) তোমার মালিকের কাছ থেকে সিদ্ধান্ত আসার জন্যে ধৈর্য ধারণ করো এবং (এ ব্যাপারে) মাছের ঘটনার সাথী (নবী ইউনুস) -এর মতো হয়ো না। যখন সে দুঃখে ভারাক্রান্ত হয়ে আল্লাহ তা'আলাকে ডেকেছিলো;
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৬৮:৪৯﴿
﴾ ৬৮:৪৯ ﴿
لَوْلَا أَنْ تَدَارَكَهُ نِعْمَةٌ مِنْ رَبِّهِ لَنُبِذَ بِالْعَرَاءِ وَهُوَ مَذْمُومٌ ﴿٤٩﴾
তখন যদি তার মালিকের অনুগ্রহ তার উপর না থাকতো, তাহলে সে উন্মুক্ত সাগরের তীরে পড়ে থাকতো এবং (এজন্যে) সে নিজেই দায়ী হতো।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৬৮:৫০﴿
﴾ ৬৮:৫০ ﴿
فَاجْتَبَاهُ رَبُّهُ فَجَعَلَهُ مِنَ الصَّالِحِينَ ﴿٥٠﴾
অতঃপর তার মালিক তাকে বাছাই করলেন এবং তিনি তাকে (তাঁর ) নেক বান্দাদের (কাতারে) শামিল করে নিলেন।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৬৮:৫১﴿
﴾ ৬৮:৫১ ﴿
وَإِنْ يَكَادُ الَّذِينَ كَفَرُوا لَيُزْلِقُونَكَ بِأَبْصَارِهِمْ لَمَّا سَمِعُوا الذِّكْرَ وَيَقُولُونَ إِنَّهُ لَمَجْنُونٌ ﴿٥١﴾
কাফেররা যখন আল্লাহর কিতাব শোনে তখন এমনভাবে তাকায় যে, এক্ষুণি বুঝি এরা নিজেদের দৃষ্টি দিয়ে তোমাকে আছড়ে ঘায়েল করে দেবে, তারা একথাও বলে, সে (কিতাবের বাহক) একজন পাগল।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৬৮:৫২﴿
﴾ ৬৮:৫২ ﴿
وَمَا هُوَ إِلَّا ذِكْرٌ لِلْعَالَمِينَ﴿٥٢﴾
অথচ (এরা জানে না, ) এ কিতাব তো মানবমন্ডলীর জন্যে একটি উপদেশ বৈ কিছুই নয়!
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]