🕋

المدثر
(৭৪) আল-মুদ্দাস্‌সির

৫৬

يَا أَيُّهَا الْمُدَّثِّرُ ﴿١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । হে কম্বল আবৃত (মোহাম্মদ) ,
قُمْ فَأَنْذِرْ ﴿٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (কম্বল ছেড়ে) ওঠো এবং মানুষদের (পরকালের আযাব সম্পর্কে) সাবধান করো,
وَرَبَّكَ فَكَبِّرْ ﴿٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তোমার মালিকের শ্রেষ্ঠত্ব ঘোষণা করো,
وَثِيَابَكَ فَطَهِّرْ ﴿٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । আর তোমার পোশাক আশাক পবিত্র করো,
وَالرُّجْزَ فَاهْجُرْ ﴿٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । এবং (যাবতীয়) মলিনতা ও অপবিত্রতা পরিহার করো,
وَلَا تَمْنُنْ تَسْتَكْثِرُ ﴿٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । কখনো বেশী পাওয়ার লোভে কাউকে কিছু দান করো না,
وَلِرَبِّكَ فَاصْبِرْ ﴿٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তোমার মালিকের (খুশীর) উদ্দেশে ধৈর্য ধারণ করো;
فَإِذَا نُقِرَ فِي النَّاقُورِ ﴿٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । যেদিন (সবকিছু ধ্বংস করে দেয়ার জন্যে) শিঙ্গায় ফুঁ দেয়া হবে,
فَذَلِكَ يَوْمَئِذٍ يَوْمٌ عَسِيرٌ ﴿٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । সেদিনটি (হবে) সত্যিই বড়ো সাংঘাতিক,
১০
عَلَى الْكَافِرِينَ غَيْرُ يَسِيرٍ ﴿١٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । ১০(বিশেষ করে এ দিনকে) যারা অস্বীকার করেছে তাদের জন্যে এ (দিন) -টি মোটেই সহজ (বিষয়) হবে না।
১১
ذَرْنِي وَمَنْ خَلَقْتُ وَحِيدًا ﴿١١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । র(তার সাথে বুঝাপড়া করার জন্যে) তুমি আমাকেই ছেড়ে দাও, যাকে আমি অনন্য ধরনের (করে) পয়দা করেছি,
১২
وَجَعَلْتُ لَهُ مَالًا مَمْدُودًا ﴿١٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তাকে আমি বিপুল পরিমাণ ধনসম্পদ দান করেছি,
১৩
وَبَنِينَ شُهُودًا ﴿١٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (তাকে দান করেছি) সদা সংগী (এক দল) পুত্র সন্তান,
১৪
وَمَهَّدْتُ لَهُ تَمْهِيدًا ﴿١٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । আমি তার জন্যে (যাবতীয় সচ্ছলতার উপকরণ) সুগম করে দিয়েছি,
১৫
ثُمَّ يَطْمَعُ أَنْ أَزِيدَ ﴿١٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (তারপরও) যে লোভ করে, তাকে আমি আরো অধিক দিতে থাকবো,
১৬
كَلَّا إِنَّهُ كَانَ لِآيَاتِنَا عَنِيدًا ﴿١٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । না, তা কখনো হবে না; কেননা সে আমার আয়াতসমূহের বিরুদ্ধাচরণে বদ্ধপরিকর;
১৭
سَأُرْهِقُهُ صَعُودًا ﴿١٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অচিরেই আমি তাকে (শাস্তির) চুড়ায় আরোহণ করাবো;
১৮
إِنَّهُ فَكَّرَ وَقَدَّرَ ﴿١٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । সে তো (সত্য গ্রহণের ব্যাপারে কিছুটা) চিন্তা-ভাবনাও করেছিলো, তারপর (আবার নিজের গোঁড়ামিতে নিমজ্জিত থাকার) একটা সিদ্ধান্ত করলো,
১৯
فَقُتِلَ كَيْفَ قَدَّرَ ﴿١٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তার উপর অভিশাপ, (সত্য চেনার পরও) কেমন করে সে (পুনরায় বিরোধিতার) সিদ্ধান্ত করলো!
২০
ثُمَّ قُتِلَ كَيْفَ قَدَّرَ ﴿٢٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । আবারও তার উপর অভিশাপ (নাযিল হোক) , কিভাবে সে এমন সিদ্ধান্ত করতে পারলো,
২১
ثُمَّ نَظَرَ ﴿٢١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । সে একবার (উপস্থিত লোকদের প্রতি) চেয়ে দেখলো,
২২
ثُمَّ عَبَسَ وَبَسَرَ ﴿٢٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (অহংকার ও দম্ভভরে) সে তার ভ্রুকুঞ্চিত করলো, (অবজ্ঞাভরে নিজের) মুখটা বিকৃত করে ফেললো,
২৩
ثُمَّ أَدْبَرَ وَاسْتَكْبَرَ ﴿٢٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অতঃপর সে (একটু) পিছিয়ে গেলো এবং সে অহংকার করলো,
২৪
فَقَالَ إِنْ هَذَا إِلَّا سِحْرٌ يُؤْثَرُ ﴿٢٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । সে (আরো) বললো, এ তো (আসলে) আগের লোকদের থেকে প্রাপ্ত যাদু (-বিদ্যার খেল) ছাড়া আর কিছুই নয়,
২৫
إِنْ هَذَا إِلَّا قَوْلُ الْبَشَرِ ﴿٢٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । এ তো মানুষের কথা ছাড়া আর কিছুই নয়;
২৬
سَأُصْلِيهِ سَقَرَ ﴿٢٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অচিরেই আমি তাকে জাহান্নামে প্রবেশ করাবো ।
২৭
وَمَا أَدْرَاكَ مَا سَقَرُ ﴿٢٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তুমি কি জানো জাহান্নাম (এর আগুন) কি ধরনের?
২৮
لَا تُبْقِي وَلَا تَذَرُ ﴿٢٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (এটা এমন ভয়াবহ আযাব) যা (এর অধিবাসীদের জ্বালিয়ে অক্ষত অবস্থায়ও) ফেলে রাখবে না, আবার (শাস্তি থেকে) রেহাইও দেবে না,
২৯
لَوَّاحَةٌ لِلْبَشَرِ ﴿٢٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । বরং তা মানুষদের গায়ের চামড়া জ্বালিয়ে দেবে,
৩০
عَلَيْهَا تِسْعَةَ عَشَرَ ﴿٣٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তার উপর (আছে) উনিশ; কথায় দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস স্থাপন করে সর্বোপরি) এর ফলে আহব্যাধি রয়েছে এর
৩১
وَمَا جَعَلْنَا أَصْحَابَ النَّارِ إِلَّا مَلَائِكَةً وَمَا جَعَلْنَا عِدَّتَهُمْ إِلَّا فِتْنَةً لِلَّذِينَ كَفَرُوا لِيَسْتَيْقِنَ الَّذِينَ أُوتُوا الْكِتَابَ وَيَزْدَادَ الَّذِينَ آمَنُوا إِيمَانًا وَلَا يَرْتَابَ الَّذِينَ أُوتُوا الْكِتَابَ وَالْمُؤْمِنُونَ وَلِيَقُولَ الَّذِينَ فِي قُلُوبِهِمْ مَرَضٌ وَالْكَافِرُونَ مَاذَا أَرَادَ اللَّهُ بِهَذَا مَثَلًا كَذَلِكَ يُضِلُّ اللَّهُ مَنْ يَشَاءُ وَيَهْدِي مَنْ يَشَاءُ وَمَا يَعْلَمُ جُنُودَ رَبِّكَ إِلَّا هُوَ وَمَا هِيَ إِلَّا ذِكْرَى لِلْبَشَرِ ﴿٣١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । আমি ফেরেশতাদের ছাড়া দোযখের প্রহরী হিসেবে (অন্য কাউকেই) নিযুক্ত করিনি এবং তাদের সংখ্যাকে আমি অবিশ্বাসীদের জন্যে একটি পরীক্ষার মাধ্যম বানিয়ে দিয়েছি, যেন এর মাধ্যমে যাদের উপর আমার কিতাব নাযিল হয়েছে তারা (আমার কথায়) দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস স্থাপন করতে পারে এবং যারা (আগে থেকেই আমার উপর) ঈমান এনেছে তাদের ঈমানও এতে করে বৃদ্ধি পেতে পারে, (সর্বোপরি) এর ফলে আহলে কিতাব এবং মু’মিনরাও যেন কোনোরকম সন্দেহে নিমজ্জিত না হতে পারে, (অবশ্য) যাদের মনে সন্দেহের ব্যাধি রয়েছে এর ফলে তারা এবং সত্য প্রত্যাখ্যানকারী ব্যক্তিরা বলবে, এ (অভিনব) উক্তি দ্বারা আল্লাহ তাআলা কী বুঝাতে চান? (মূলত) এভাবেই আল্লাহ তা'আলা যাকে চান তাকে গোমরাহ করেন, (আবার একইভাবে) তিনি যাকে চান তাকে সঠিক পথে পরিচালিত করেন; তোমার মালিকের (বিশাল) বাহিনী সম্পর্কে তিনি ছাড়া আর কেউই জানে না, (আর দোযখের বর্ণনা) এ তো শুধু মানুষদের উপদেশের জন্যেই।
৩২
كَلَّا وَالْقَمَرِ ﴿٣٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । না, তা কখনো নয়, (আমি) চাঁদের শপথ (করে বলছি) ,
৩৩
وَاللَّيْلِ إِذْ أَدْبَرَ ﴿٣٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (আরো) শপথ (করছি) রাতের, যখন তা অবসান হতে থাকে,
৩৪
وَالصُّبْحِ إِذَا أَسْفَرَ ﴿٣٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । শপথ (করছি) প্রভাতকালের যখন তা (দিনের) আলোয় উদ্ভাসিত হয়,
৩৫
إِنَّهَا لَإِحْدَى الْكُبَرِ ﴿٣٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । নিঃসন্দেহে তা হবে (মানুষের জন্যে) কঠিনতম বিপদসমূহের মধ্যে একটি (বিপদ) ,
৩৬
نَذِيرًا لِلْبَشَرِ ﴿٣٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । মানুষের জন্যে (তা হবে) ভয় প্রদর্শনকারী,
৩৭
لِمَنْ شَاءَ مِنْكُمْ أَنْ يَتَقَدَّمَ أَوْ يَتَأَخَّرَ ﴿٣٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তোমাদের মধ্যকার সে ব্যক্তির জন্যে, যে (কল্যাণের পথে) অগ্রসর হতে চায় এবং (অকল্যাণের পথ থেকে) পিছু হটতে মনস্থ করে;
৩৮
كُلُ نَفْسٍ بِمَا كَسَبَتْ رَهِينَةٌ ﴿٣٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (এখানে) প্রত্যেক মানুষই নিজের কর্মফলের হাতে বন্দী হয়ে আছে,
৩৯
إِلَّا أَصْحَابَ الْيَمِينِ ﴿٣٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অবশ্য ডান দিকে অবস্থানকারী (নেক) লোকগুলো ছাড়া;
৪০
فِي جَنَّاتٍ يَتَسَاءَلُونَ ﴿٤٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তারা অবস্থান করবে (চিরস্থায়ী) জান্নাতো (সেদিন) তারা পরস্পরকে জিজ্ঞেস করবে,
৪১
عَنِ الْمُجْرِمِينَ ﴿٤١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত) পাপিষ্ঠদের সম্পর্কে,
৪২
مَا سَلَكَكُمْ فِي سَقَرَ ﴿٤٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (তারা বলবে, হে জাহান্নামের অধিবাসীরা, ) তোমাদের আজ কিসে এ ভয়াবহ আযাবে উপনীত করেছে?
৪৩
قَالُوا لَمْ نَكُ مِنَ الْمُصَلِّينَ ﴿٤٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তারা বলবে, আমরা নামাযীদের দলে শামিল ছিলাম না,
৪৪
وَلَمْ نَكُ نُطْعِمُ الْمِسْكِينَ ﴿٤٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (ক্ষুধার্ত ও) অভাবী ব্যক্তিদের আমরা খাবার দিতাম না,
৪৫
وَكُنَّا نَخُوضُ مَعَ الْخَائِضِينَ ﴿٤٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (সত্যের বিরুদ্ধে) যারা অন্যায় অমূলক আলোচনায় উদ্যত হতো আমরা তাদের সাথে যোগ দিতাম,
৪৬
وَكُنَّا نُكَذِّبُ بِيَوْمِ الدِّينِ ﴿٤٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (সর্বোপরি) আমরা আখেরাতকেও মিথ্যা প্রতিপন্ন করতাম,
৪৭
حَتَّى أَتَانَا الْيَقِينُ ﴿٤٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । এমনকি চূড়ান্ত সত্য মৃত্যু (একদিন) আমাদের কাছে হাযির হয়ে গেলো।
৪৮
فَمَا تَنْفَعُهُمْ شَفَاعَةُ الشَّافِعِينَ ﴿٤٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তাই (আজ) কোনো সুপারিশকারীর সুপারিশই তাদের কোনো উপকারে আসবে না;
৪৯
فَمَا لَهُمْ عَنِ التَّذْكِرَةِ مُعْرِضِينَ ﴿٤٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (বলতে পারো) এদের কি হয়েছে, এরা এ (সত্য) বাণী থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে কেন?
৫০
كَأَنَّهُمْ حُمُرٌ مُسْتَنْفِرَةٌ ﴿٥٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (অবস্থাদৃষ্টে মনে হয়) এরা যেন বনের কতিপয় পলায়নপর (ভীত সন্ত্রস্ত) গাধা,
৫১
فَرَّتْ مِنْ قَسْوَرَةٍ ﴿٥١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । যা গর্জনকারী বাঘের আক্রমণ থেকে পালাতেই ব্যস্ত;
৫২
بَلْ يُرِيدُ كُلُ امْرِئٍ مِنْهُمْ أَنْ يُؤْتَى صُحُفًا مُنَشَّرَةً ﴿٥٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । কিন্তু তাদের প্রতিটি ব্যক্তিই চায়, (স্বতন্ত্রভাবে) উন্মুক্ত গ্রন্থ তাকে দেয়া হোক,
৫৩
كَلَّا بَلْ لَا يَخَافُونَ الْآخِرَةَ ﴿٥٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । এটা কখনো সম্ভব নয়, (আসলে) এ লোকেরা শেষ বিচারের দিনক্ষণকে মোটেই ভয় করে না;
৫৪
كَلَّا إِنَّهُ تَذْكِرَةٌ ﴿٥٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । না, কখনো তা (অবজ্ঞার বিষয়) নয়, এটি একটি নসীহত মাত্র,
৫৫
فَمَنْ شَاءَ ذَكَرَهُ ﴿٥٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অতএব (এক্ষণে) যার ইচ্ছা সে যেন (এ থেকে) শিক্ষা গ্রহণ করে;
৫৬
وَمَا يَذْكُرُونَ إِلَّا أَنْ يَشَاءَ اللَّهُ هُوَ أَهْلُ التَّقْوَى وَأَهْلُ الْمَغْفِرَةِ ﴿٥٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (সত্যি কথা হচ্ছে, ) আল্লাহ তা'আলার ইচ্ছা ব্যতিরেকে তারা কখনো (এ থেকে) শিক্ষা গ্রহণ করবে না; একমাত্র তিনিই ভয় করার যোগ্য এবং একমাত্র তিনিই হচ্ছেন ক্ষমার মালিক।



ফন্ট সাইজ
15px
17px