🕋
القيامة
(৭৫) আল-ক্বিয়ামাহ
৪০
১
⋮
لَا أُقْسِمُ بِيَوْمِ الْقِيَامَةِ ﴿١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
আমি শপথ করছি রোজ কেয়ামতের,
২
⋮
وَلَا أُقْسِمُ بِالنَّفْسِ اللَّوَّامَةِ ﴿٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
আরও আমি শপথ করছি সে নফসের, যে (ক্রটি বিচ্যুতির জন্যে) নিজেকে ধিক্কার দেয়;
৩
⋮
أَيَحْسَبُ الْإِنْسَانُ أَلَّنْ نَجْمَعَ عِظَامَهُ ﴿٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
মানুষ কি ধরে নিয়েছে, (সে মরে গেলে) আমি তার অস্থিমজ্জাগুলো আর কখনো একত্রিত করতে পারবো না;
৪
⋮
بَلَى قَادِرِينَ عَلَى أَنْ نُسَوِّيَ بَنَانَهُ ﴿٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
অবশ্যই (আমি তা পারবো) , আমি তো বরং তার আংগুলের গিরাগুলোকেও পুনর্বিন্যস্ত করে দিতে পারবো।
৫
⋮
بَلْ يُرِيدُ الْإِنْسَانُ لِيَفْجُرَ أَمَامَهُ ﴿٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
এ সত্ত্বেও মানুষ তার সম্মুখের দিনগুলোতে পাপাচারে লিপ্ত হতে চায়,
৬
⋮
يَسْأَلُ أَيْانَ يَوْمُ الْقِيَامَةِ ﴿٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
সে জিজ্ঞেস করে, (তোমার প্রতিশ্রুত) কেয়ামত কবে আসবে?
৭
⋮
فَإِذَا بَرِقَ الْبَصَرُ ﴿٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(তুমি বলো, ) যেদিন (সবার) দৃষ্টি ধাঁধাযুক্ত হয়ে যাবে,
৮
⋮
وَخَسَفَ الْقَمَرُ ﴿٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(যেদিন) চাঁদ নিষ্প্রভ হয়ে যাবে,
৯
⋮
وَجُمِعَ الشَّمْسُ وَالْقَمَرُ ﴿٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
৯(যেদিন) চাঁদ ও সুরুজ একাকার হয়ে যাবে,
১০
⋮
يَقُولُ الْإِنْسَانُ يَوْمَئِذٍ أَيْنَ الْمَفَرُّ ﴿١٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(সেদিন) মানুষগুলো সব বলে উঠবে (সত্যিই তো! কেয়ামত এসে গেলো) , কোথায় আজ পালানোর জায়গা (আমাদের) ?
১১
⋮
كَلَّا لَا وَزَرَ ﴿١١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(ঘোষণা আসবে) না, (আজ পালাবার জায়গা নেই, ) কোনো আশ্রয়স্থল নেই;
১২
⋮
إِلَى رَبِّكَ يَوْمَئِذٍ الْمُسْتَقَرُّ ﴿١٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(আজ) আশ্রয়স্থল ও ঠাঁই আছে (একটাই এবং তা) শুধু) তোমার মালিকের কাছে,
১৩
⋮
يُنَبَّأُ الْإِنْسَانُ يَوْمَئِذٍ بِمَا قَدَّمَ وَأَخَّرَ ﴿١٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
সেদিন প্রতিটি মানুষকে (খুলে খুলে) জানিয়ে দেয়া হবে, কি (কাজ) নিয়ে সে আজ হাযির হয়েছে, আর কি (কি কাজ) সে পেছনে রেখে এসেছে;
১৪
⋮
بَلِ الْإِنْسَانُ عَلَى نَفْسِهِ بَصِيرَةٌ ﴿١٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
মানুষরা (মূলত) নিজেদের কাজকর্মের ব্যাপারে নিজেরাই সম্যক অবগত,
১৫
⋮
وَلَوْ أَلْقَى مَعَاذِيرَهُ ﴿١٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
যদিও সে নিজের (সপক্ষে) বিভিন্ন অজুহাত পেশ করতে চাইবে;
১৬
⋮
لَا تُحَرِّكْ بِهِ لِسَانَكَ لِتَعْجَلَ بِهِ ﴿١٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(ওহীর ব্যাপারে হে নবী) তুমি তাতে তাড়াহুড়ো করার উদ্দেশ্যে তার সাথে তোমার জিহ্বা নাড়িয়ো না;
১৭
⋮
إِنَّ عَلَيْنَا جَمْعَهُ وَقُرْآنَهُ ﴿١٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
এর একত্র করা ও (ঠিকমতো তোমাকে) পড়িয়ে দেয়ার দায়িত্ব আমার উপর,
১৮
⋮
فَإِذَا قَرَأْنَاهُ فَاتَّبِعْ قُرْآنَهُ ﴿١٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
অতএব আমি (জিবরাঈলের মাধ্যমে তোমার কাছে) যখন কোরআন পড়তে থাকি, তখন তুমি সে পড়ার (দিকে মনোযোগ দাও এবং এর) অনুসরণ করার চেষ্টা করো,
১৯
⋮
ثُمَّ إِنَّ عَلَيْنَا بَيَانَهُ ﴿١٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
অতঃপর (তোমাকে) এর ব্যাখ্যা বলে দেয়ার দায়িত্বও আমার উপর;
২০
⋮
كَلَّا بَلْ تُحِبُّونَ الْعَاجِلَةَ ﴿٢٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
কক্ষনো না, তোমরা পর্থিব জগতকেই বেশী ভালোবাসো
২১
⋮
وَتَذَرُونَ الْآخِرَةَ ﴿٢١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
এবং পরকালীন জীবনকে তোমরা উপেক্ষা করো!
২২
⋮
وُجُوهٌ يَوْمَئِذٍ نَاضِرَةٌ ﴿٢٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
সেদিন কিছু সংখ্যক (মানুষের) চেহারা উজ্জ্বল আলোয় ভরে উঠবে,
২৩
⋮
إِلَى رَبِّهَا نَاظِرَةٌ ﴿٢٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
এ (ভাগ্যবান) ব্যক্তিরা তাদের মালিকের দিকে তাকিয়ে থাকবে,
২৪
⋮
وَوُجُوهٌ يَوْمَئِذٍ بَاسِرَةٌ ﴿٢٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
আবার এদিন কিছু (মানুষের) চেহারা হয়ে যাবে (উদাস ও) বিবর্ণ,
২৫
⋮
تَظُنُّ أَنْ يُفْعَلَ بِهَا فَاقِرَةٌ ﴿٢٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
তারা ভাবতে থাকবে, (এক্ষুণি বুঝি) তাদের সাথে কোমর বিচূর্ণকারী (আযাবের) আচরণ (শুরু) করা হবে;
২৬
⋮
كَلَّا إِذَا بَلَغَتِ التَّرَاقِيَ ﴿٢٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
কখনো নয়, মানুষের প্রাণ (যখন) তার কণ্ঠনালী পর্যন্ত এসে যাবে,
২৭
⋮
وَقِيلَ مَنْ رَاقٍ ﴿٢٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
তাকে বলা হবে, এ (বিপদের) সময় (যাদুটোনা ও) ঝাড় ফুঁক দেয়ার মতো কেউ কি আছে?
২৮
⋮
وَظَنَّ أَنَّهُ الْفِرَاقُ ﴿٢٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
সে (তখন ঠিকমতোই) বুঝে নেবে, (পৃথিবী থেকে এখন) তার বিদায় (নেয়ার পালা) ,
২৯
⋮
وَالْتَفَّتِ السَّاقُ بِالسَّاقِ ﴿٢٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(আর এভাবেই) তার (এ জীবনের শেষ) পা' (পরের জীবনের প্রথম) পা'র সাথে জড়িয়ে যাবে,
৩০
⋮
إِلَى رَبِّكَ يَوْمَئِذٍ الْمَسَاقُ ﴿٣٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
আর সে দিনটিই হবে তোমার মালিকের দিকে (তার অনন্ত) যাত্রার (প্রথম) সময়!
৩১
⋮
فَلَا صَدَّقَ وَلَا صَلَّى ﴿٣١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(আসলে) এ (জাহান্নামী) ব্যক্তিটি সত্য স্বীকার করেনি এবং (সত্যের দাবী মোতাবেক) সে নামায প্রতিষ্ঠা করেনি,
৩২
⋮
وَلَكِنْ كَذَّبَ وَتَوَلَّى ﴿٣٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
বরং (তার বদলে) সে (সত্যকে) মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছে এবং (সত্য থেকে) সে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে,
৩৩
⋮
ثُمَّ ذَهَبَ إِلَى أَهْلِهِ يَتَمَطَّى ﴿٣٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
সে অত্যন্ত দম্ভ ও অহমিকাভরে নিজের পরিবার পরিজনের কাছে ফিরে গেলো,
৩৪
⋮
أَوْلَى لَكَ فَأَوْلَى ﴿٣٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(আল্লাহ তাআলা বলবেন, ) হ্যাঁ, (এ পরিণাম ঠিক) তোমাকেই মানায় এবং এটা তোমারই প্রাপ্য।
৩৫
⋮
ثُمَّ أَوْلَى لَكَ فَأَوْلَى ﴿٣٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
অতঃপর এ আচরণ তোমারই সাজে, (এটা) তোমার জন্যেই মানায়;
৩৬
⋮
أَيَحْسَبُ الْإِنْسَانُ أَنْ يُتْرَكَ سُدًى ﴿٣٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
মানুষ কি ধরে নিয়েছে যে তাকে এমনি (লাগামহীন অবস্থায়) ছেড়ে দিয়ে রাখা হবে;
৩৭
⋮
أَلَمْ يَكُ نُطْفَةً مِنْ مَنِيٍّ يُمْنَى ﴿٣٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
সে কি (এক সময়) এক ফোঁটা স্খলিত শুক্রবিন্দুর অংশ ছিলো না,
৩৮
⋮
ثُمَّ كَانَ عَلَقَةً فَخَلَقَ فَسَوَّى ﴿٣٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
তারপর (এক পর্যায়ে) তা হলো রক্তপিন্ড, অতঃপর আল্লাহ তা'আলা (তাকে দেহ সৃষ্টি করে) সুবিন্যস্ত করলেন,
৩৯
⋮
فَجَعَلَ مِنْهُ الزَّوْجَيْنِ الذَّكَرَ وَالْأُنْثَى ﴿٣٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
এরপর আল্লাহ তাআলা সে থেকে নারী পুরুষের জোড়া পয়দা করেছেন।
৪০
⋮
أَلَيْسَ ذَلِكَ بِقَادِرٍ عَلَى أَنْ يُحْيِيَ الْمَوْتَى ﴿٤٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
এরপরও তোমরা কি মনে করো, আল্লাহ তাআলা রমৃতদের পুনরুজ্জীবিত করতে সক্ষম হবেন না?