🕋

النبإ
(৭৮) আন-নাবা

৪০

﴾৭৮:১﴿
﴾ ৭৮:১ ﴿
عَمَّ يَتَسَاءَلُونَ ﴿١﴾
কোন বিষয় সম্পর্কে তারা একে অপরকে জিজ্ঞেস করছে? [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৭৮:২﴿
﴾ ৭৮:২ ﴿
عَنِ النَّبَإِ الْعَظِيمِ ﴿٢﴾
(তারা কি) সেই (গুরুত্বপুর্ণ) মহাসংবাদের ব্যাপারেই (একে অপরকে জিজ্ঞেস করছে) , [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৭৮:৩﴿
﴾ ৭৮:৩ ﴿
الَّذِي هُمْ فِيهِ مُخْتَلِفُونَ ﴿٣﴾
যে ব্যাপারে তারা নিজেরাও বিভিন্ন মত পোষণ করে; [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৭৮:৪﴿
﴾ ৭৮:৪ ﴿
كَلَّا سَيَعْلَمُونَ ﴿٤﴾
না, (তা আদৌ ঠিক নয়, সঠিক ঘটনা) এরা তো অচিরেই জানতে পারবে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৭৮:৫﴿
﴾ ৭৮:৫ ﴿
ثُمَّ كَلَّا سَيَعْلَمُونَ ﴿٥﴾
আবারও (তোমরা শুনে রাখো, কেয়ামত আসবেই এবং) অতি সত্বরই তারা (এ সম্পর্কে) জানতে পারবে। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৭৮:৬﴿
﴾ ৭৮:৬ ﴿
أَلَمْ نَجْعَلِ الْأَرْضَ مِهَادًا ﴿٦﴾
(তোমরা কি আমার সৃষ্টি কৌশল সম্পর্কে ভেবে দেখোনি?) আমি কি এ ভূমিকে বিছানার মতো করে তৈরী করে রাখিনি? [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৭৮:৭﴿
﴾ ৭৮:৭ ﴿
وَالْجِبَالَ أَوْتَادًا ﴿٧﴾
(ভূমিকে স্থির রাখার জন্যে) আমি কি পাহাড়সমূহকে (এর গায়ে) পেরেকের মতো গেড়ে রাখিনি? [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৭৮:৮﴿
﴾ ৭৮:৮ ﴿
وَخَلَقْنَاكُمْ أَزْوَاجًا ﴿٨﴾
(সৃষ্টির ধারা অব্যাহত রাখার জন্যে) আমি তোমাদের জোড়ায় জোড়ায় পয়দা করেছি, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৭৮:৯﴿
﴾ ৭৮:৯ ﴿
وَجَعَلْنَا نَوْمَكُمْ سُبَاتًا ﴿٩﴾
তোমাদের ঘুমকে আমি শান্তির উপকরণ বানিয়েছি, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৭৮:১০﴿
﴾ ৭৮:১০ ﴿
وَجَعَلْنَا اللَّيْلَ لِبَاسًا ﴿١٠﴾
আমি রাতকে (তোমাদের জন্যে) আবরণ করে দিয়েছি, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৭৮:১১﴿
﴾ ৭৮:১১ ﴿
وَجَعَلْنَا النَّهَارَ مَعَاشًا ﴿١١﴾
তার পাশাপাশি) দিনগুলোকে জীবিকা অর্জনের জন্যে (আলোকোজ্জ্বল করে) রেখেছি, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৭৮:১২﴿
﴾ ৭৮:১২ ﴿
وَبَنَيْنَا فَوْقَكُمْ سَبْعًا شِدَادًا ﴿١٢﴾
আমি তোমাদের উপর সাতটি মযবুত আসমান বানিয়েছি, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৭৮:১৩﴿
﴾ ৭৮:১৩ ﴿
وَجَعَلْنَا سِرَاجًا وَهَّاجًا ﴿١٣﴾
(এতে স্থাপন করেছি একটি প্রাজ্জ্বল বাতি, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৭৮:১৪﴿
﴾ ৭৮:১৪ ﴿
وَأَنْزَلْنَا مِنَ الْمُعْصِرَاتِ مَاءً ثَجَّاجًا ﴿١٤﴾
মেঘমালা থেকে আমি বর্ষণ করেছি অবিরাম বৃষ্টিধারা, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৭৮:১৫﴿
﴾ ৭৮:১৫ ﴿
لِنُخْرِجَ بِهِ حَبًّا وَنَبَاتًا ﴿١٥﴾
যেন তা দিয়ে আমি (শ্যামল ভূমিতে) উৎপাদন করতে পারি (নানা রকমের) শস্যদানা ও তরিতরকারি, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৭৮:১৬﴿
﴾ ৭৮:১৬ ﴿
وَجَنَّاتٍ أَلْفَافًا ﴿١٦﴾
এবং সুনিবিড় বাগবাগিচা; [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৭৮:১৭﴿
﴾ ৭৮:১৭ ﴿
إِنَّ يَوْمَ الْفَصْلِ كَانَ مِيقَاتًا ﴿١٧﴾
(সব কিছুর শেষে) এর (সিদ্ধান্তদানকারী একটি) দিনও সুনির্দিষ্ট (করে রাখা) হয়েছে৷ [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৭৮:১৮﴿
﴾ ৭৮:১৮ ﴿
يَوْمَ يُنْفَخُ فِي الصُّورِ فَتَأْتُونَ أَفْوَاجًا ﴿١٨﴾
যেদিন শিংগায় ফুঁ দেয়া হবে, (প্রলয়ংকরী ফুর সাথে সাথে) তোমরা দলে দলে আসবে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৭৮:১৯﴿
﴾ ৭৮:১৯ ﴿
وَفُتِحَتِ السَّمَاءُ فَكَانَتْ أَبْوَابًا ﴿١٩﴾
(যখন) আসমান খুলে দেয়া হবে এবং তা অনেকগুলো খোলা দরজায় পরিণত হয়ে যাবে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৭৮:২০﴿
﴾ ৭৮:২০ ﴿
وَسُيِّرَتِ الْجِبَالُ فَكَانَتْ سَرَابًا ﴿٢٠﴾
পর্বতমালাকে সরিয়ে দেয়া হবে অতঃপর তা মরীচিকার মতো হয়ে যাবে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৭৮:২১﴿
﴾ ৭৮:২১ ﴿
إِنَّ جَهَنَّمَ كَانَتْ مِرْصَادًا ﴿٢١﴾
নিশ্চয়ই জাহান্নাম (পাপীদের জন্যে) এক (গোপন) ফাঁদ, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৭৮:২২﴿
﴾ ৭৮:২২ ﴿
لِلطَّاغِينَ مَآبًا ﴿٢٢﴾
বিদ্রোহীদের জন্যে তা হবে (নিকৃষ্টতম) আবাসস্থল, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৭৮:২৩﴿
﴾ ৭৮:২৩ ﴿
لَابِثِينَ فِيهَا أَحْقَابًا ﴿٢٣﴾
সেখানে তারা কালের পর কাল ধরে পড়ে থাকবে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৭৮:২৪﴿
﴾ ৭৮:২৪ ﴿
لَا يَذُوقُونَ فِيهَا بَرْدًا وَلَا شَرَابًا ﴿٢٤﴾
সেখানে তারা কোনো ঠান্ডা ও পানীয় (জাতের) কিছুর স্বাদ ভোগ করবে না, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৭৮:২৫﴿
﴾ ৭৮:২৫ ﴿
إِلَّا حَمِيمًا وَغَسَّاقًا ﴿٢٥﴾
(সেখানে) ফুটন্ত পানি, পুঁজ, দুর্গন্ধময় রক্ত, ক্ষত ছাড়া (ভিন্ন) কিছুই থাকবে না, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৭৮:২৬﴿
﴾ ৭৮:২৬ ﴿
جَزَاءً وِفَاقًا ﴿٢٦﴾
(এই হচ্ছে তাদের) যথাযথ প্রতিফল; [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৭৮:২৭﴿
﴾ ৭৮:২৭ ﴿
إِنَّهُمْ كَانُوا لَا يَرْجُونَ حِسَابًا ﴿٢٧﴾
(কারণ) এরা হিসাব-নিকাশের (দিন থেকে কিছুই) আশা করেনি, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৭৮:২৮﴿
﴾ ৭৮:২৮ ﴿
وَكَذَّبُوا بِآيَاتِنَا كِذَّابًا ﴿٢٨﴾
(বরং) তারা আমার নিদর্শনসমূহকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছে; [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৭৮:২৯﴿
﴾ ৭৮:২৯ ﴿
وَكُلَّ شَيْءٍ أَحْصَيْنَاهُ كِتَابًا ﴿٢٩﴾
আমি তো (তাদের) যাবতীয় কর্মকান্ডের রেকর্ড সংরক্ষণ করে রেখেছি, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৭৮:৩০﴿
﴾ ৭৮:৩০ ﴿
فَذُوقُوا فَلَنْ نَزِيدَكُمْ إِلَّا عَذَابًا ﴿٣٠﴾
অতএব তোমরা আযাব উপভোগ করতে থাকো, (আজ) আমি তোমাদের জন্যে শাস্তির মাত্রা ছাড়া আর কিছুই বৃদ্ধি করবো না । [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৭৮:৩১﴿
﴾ ৭৮:৩১ ﴿
إِنَّ لِلْمُتَّقِينَ مَفَازًا ﴿٣١﴾
(অপরদিকে) পরহেযগার লোকদের জন্যে রয়েছে (পরম) সাফল্য, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৭৮:৩২﴿
﴾ ৭৮:৩২ ﴿
حَدَائِقَ وَأَعْنَابًا ﴿٣٢﴾
(তা হচ্ছে সুসজ্জিত) বাগবাগিচা, আংগুর (ফলের সমারোহ) , [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৭৮:৩৩﴿
﴾ ৭৮:৩৩ ﴿
وَكَوَاعِبَ أَتْرَابًا ﴿٣٣﴾
(আরো রয়েছে) পুর্ণ যৌবনা সমবয়সী সুন্দরী তরুণী, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৭৮:৩৪﴿
﴾ ৭৮:৩৪ ﴿
وَكَأْسًا دِهَاقًا ﴿٣٤﴾
এবং উপচে পড়া পানপাত্র; [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৭৮:৩৫﴿
﴾ ৭৮:৩৫ ﴿
لَا يَسْمَعُونَ فِيهَا لَغْوًا وَلَا كِذَّابًا ﴿٣٥﴾
এখানে তারা কোনো বাজে কথা ও মিথ্যা শুনতে পাবে না, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৭৮:৩৬﴿
﴾ ৭৮:৩৬ ﴿
جَزَاءً مِنْ رَبِّكَ عَطَاءً حِسَابًا ﴿٣٦﴾
তোমার মালিকের তরফ থেকে (এটা হচ্ছে) তাদের জন্যে যথাযথ পুরস্কার, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৭৮:৩৭﴿
﴾ ৭৮:৩৭ ﴿
رَبِّ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَمَا بَيْنَهُمَا الرَّحْمَنِ لَا يَمْلِكُونَ مِنْهُ خِطَابًا ﴿٣٧﴾
(এ পুরস্কার তাঁর) যিনি আসমানসমুহ, যমীন ও এদের উভয়ের মাঝখানে যা কিছু আছে তার মালিক দয়াময় আল্লাহ তা'আলা তাঁর সাথে কেউই বিতর্ক করার ক্ষমতা রাখে না, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৭৮:৩৮﴿
﴾ ৭৮:৩৮ ﴿
يَوْمَ يَقُومُ الرُّوحُ وَالْمَلَائِكَةُ صَفًّا لَا يَتَكَلَّمُونَ إِلَّا مَنْ أَذِنَ لَهُ الرَّحْمَنُ وَقَالَ صَوَابًا ﴿٣٨﴾
সেদিন (পরাক্রমশালী মালিকের সামনে) রূহ (জিবরাঈল) ও অন্যান্য ফেরেশতারা সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে থাকবে, করুণাময় আল্লাহ তা'আলা যাদের অনুমতি দেবেন তারা ছাড়া (সেদিন) অন্য কেউই কথা বলতে পারবে এবং সে (অনুমতিপ্রাপ্ত ব্যক্তিও যখন বলবে তখন) সঠিক কথাই বলবে । [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৭৮:৩৯﴿
﴾ ৭৮:৩৯ ﴿
ذَلِكَ الْيَوْمُ الْحَقُّ فَمَنْ شَاءَ اتَّخَذَ إِلَى رَبِّهِ مَآبًا ﴿٣٩﴾
এ দিনটি সত্য, (তাই) কেউ ইচ্ছা করলে (এখনো) নিজের মালিকের কাছে নিজের জন্যে একটা আশ্রয় খুঁজে নিতে পারে । [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৭৮:৪০﴿
﴾ ৭৮:৪০ ﴿
إِنَّا أَنْذَرْنَاكُمْ عَذَابًا قَرِيبًا يَوْمَ يَنْظُرُ الْمَرْءُ مَا قَدَّمَتْ يَدَاهُ وَيَقُولُ الْكَافِرُ يَا لَيْتَنِي كُنْتُ تُرَابًا ﴿٤٠﴾
আমি আসন্ন আযাব সম্পর্কে তোমাদের সতর্ক করে দিলাম, সেদিন মানুষ দেখতে পাবে তার হাত দুটি এ দিনের জন্যে কী কী জিনিস পাঠিয়েছে, (এ দিনকে) অস্বীকারকারী ব্যক্তি তখন বলে উঠবে (ধিক এমনি এক জীবনের জন্যে) , হায়, কতো ভালো হতো যদি মানুষ (না হয়ে) আমি (আজ) মাটি হতাম! [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]