🕋

النازعات
(৭৯) আন-নাযি'আত

৪৬

وَالنَّازِعَاتِ غَرْقًا ﴿١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । শপথ (সেই ফেরেশতাদের) , যারা নির্মমভাবে (পাপীদের আত্মা) ছিনিয়ে আনে,
وَالنَّاشِطَاتِ نَشْطًا ﴿٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । শপথ (সেই ফেরেশতাদের) যারা সহজভাবে (নেককারদের রূহ) খুলে দেয়,
وَالسَّابِحَاتِ سَبْحًا ﴿٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । শপথ (সেই ফেরেশতাদের) , যারা (আমার হুকুম তামিল করার জন্যে) সাঁতরে বেড়ায়,
فَالسَّابِقَاتِ سَبْقًا ﴿٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । শপথ (সেই ফেরেশতাদের) , যারা (হুকুম পালনে) দ্রুত এগিয়ে চলে,
فَالْمُدَبِّرَاتِ أَمْرًا ﴿٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । শপথ (সেই ফেরেশতাদের) , যারা (সব ক'টি) কাজ সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করে ।
يَوْمَ تَرْجُفُ الرَّاجِفَةُ ﴿٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (কেয়ামত অবশ্যই আসবে) , সেদিন ভূকম্পনের এক প্রচন্ড ঝাঁকুনি হবে,
تَتْبَعُهَا الرَّادِفَةُ ﴿٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (কবর থেকে সবাইকে ওঠানোর জন্যে) সাথে সাথে আরেকটি ধাক্কা হবে;
قُلُوبٌ يَوْمَئِذٍ وَاجِفَةٌ ﴿٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (এ অবস্থা দেখে) সেদিন মানুষের অন্তরসমুহ ভয়ে কম্পমান হবে,
أَبْصَارُهَا خَاشِعَةٌ ﴿٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তাদের সবার দৃষ্টি হবে সেদিন নিম্নগামী (ও ভীত-সন্ত্রস্ত) ।
১০
يَقُولُونَ أَئِنَّا لَمَرْدُودُونَ فِي الْحَافِرَةِ ﴿١٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । কাফেররা বলে, সত্যিই কি আমাদের আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নেয়া হবে?
১১
أَئِذَا كُنَّا عِظَامًا نَخِرَةً ﴿١١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । আমরা পচে-গলে হাড়িতে পরিণত হয়ে যাওয়ার পরও ?
১২
قَالُوا تِلْكَ إِذًا كَرَّةٌ خَاسِرَةٌ ﴿١٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তারা (এও) বলেছে, যদি আমাদের আগের জীবনে ফিরিয়ে নেয়া হয়, তাহলে সেটা তো হবে খুবই লোকসানের বিষয়।
১৩
فَإِنَّمَا هِيَ زَجْرَةٌ وَاحِدَةٌ ﴿١٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অবশ্যই তা হবে বড়ো ধরনের একটি গর্জন;
১৪
فَإِذَا هُمْ بِالسَّاهِرَةِ ﴿١٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (এ গর্জন শেষ না হতেই দেখা যাবে, ) তারা (কবর থেকে উঠে যমীনের উপর) সমবেত হয়ে গেছে;
১৫
هَلْ أَتَاكَ حَدِيثُ مُوسَى ﴿١٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (হে নবী, ) তোমার কাছে কি মুসার কাহিনী পৌঁছেছে?
১৬
إِذْ نَادَاهُ رَبُّهُ بِالْوَادِي الْمُقَدَّسِ طُوًى ﴿١٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তাকে যখন তার মালিক পবিত্র তুয়া' উপত্যকায় ডেকে বলেছিলেন,
১৭
اذْهَبْ إِلَى فِرْعَوْنَ إِنَّهُ طَغَى ﴿١٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । যাও ফেরাউনের কাছে, কারণ সে (তার মালিকের) বিদ্রোহ করেছে,
১৮
فَقُلْ هَلْ لَكَ إِلَى أَنْ تَزَكَّى ﴿١٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তাকে জিজ্ঞেস করো, তুমি কি (ঈমান এনে) পবিত্র হতে চাও?
১৯
وَأَهْدِيَكَ إِلَى رَبِّكَ فَتَخْشَى ﴿١٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (তাকে এও বলো, আমি তোমাকে তোমার মালিকের (কাছে পৌঁছার একটা) পথ দেখাতে পারি, এতে তুমি হয়তো তাঁকে ভয় করবে,
২০
فَأَرَاهُ الْآيَةَ الْكُبْرَى ﴿٢٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অতঃপর সে তাকে (আমার পক্ষ থেকে) নবুওতের বড়ো একটি নিদর্শন দেখালো,
২১
فَكَذَّبَ وَعَصَى ﴿٢١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । কিন্তু সে (আমার নবীকে) মিথ্যা সাব্যস্ত করলো এবং সে (তার) বিরুদ্ধাচরণ করলো,
২২
ثُمَّ أَدْبَرَ يَسْعَى ﴿٢٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অতঃপর (ষড়যন্ত্র করার মানসে) সে পেছনে ফিরে গেলো,
২৩
فَحَشَرَ فَنَادَى ﴿٢٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । সে লোকজন জড়ো করলো এবং তাদের ডাক দিলো,
২৪
فَقَالَ أَنَا رَبُّكُمُ الْأَعْلَى ﴿٢٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তারপর বললো, আমিই হচ্ছি তোমাদের সবচেয়ে বড়ো রব',
২৫
فَأَخَذَهُ اللَّهُ نَكَالَ الْآخِرَةِ وَالْأُولَى ﴿٢٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অবশেষে আল্লাহ তা'আলা তাকে আখেরাত ও দুনিয়ার আযাবে পাকড়াও করলেন;
২৬
إِنَّ فِي ذَلِكَ لَعِبْرَةً لِمَنْ يَخْشَى ﴿٢٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অবশ্যই এমন সব লোকের জন্যে এতে শিক্ষার নিদর্শন রয়েছে যারা (আল্লাহ তাআলাকে) ভয় করে,
২৭
أَأَنْتُمْ أَشَدُّ خَلْقًا أَمِ السَّمَاءُ بَنَاهَا ﴿٢٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (তোমরা বলো, ) তোমাদের (দ্বিতীয় বার) সৃষ্টি করা কি বেশী কঠিন, না আকাশ সৃষ্টি করা বেশী কঠিন? আল্লাহ তা'আলা তা বানিয়েছেন।
২৮
رَفَعَ سَمْكَهَا فَسَوَّاهَا ﴿٢٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । আল্লাহ তা'আলা (শূন্যের মাঝে) তা উঁচু করে রেখেছেন, অতঃপর তাকে সুবিন্যস্ত করেছেন,
২৯
وَأَغْطَشَ لَيْلَهَا وَأَخْرَجَ ضُحَاهَا ﴿٢٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তিনি রাতকে (অন্ধকারের চাদর দিয়ে) ঢেকে রেখেছেন, আবার তা থেকে (আলো দিয়ে) দিনকে বের করে এনেছেন,
৩০
وَالْأَرْضَ بَعْدَ ذَلِكَ دَحَاهَا ﴿٣٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । এরপর যমীনকে তিনি (বিছানার মতো করে) বিছিয়ে দিয়েছেন;
৩১
أَخْرَجَ مِنْهَا مَاءَهَا وَمَرْعَاهَا ﴿٣١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তা থেকে তিনি তার পানি ও তার উদ্ভিদরাজি বের করেছেন ,
৩২
وَالْجِبَالَ أَرْسَاهَا ﴿٣٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তিনি পাহাড়সমূহ (যমীনের গায়ে পেরেকের মতো) গেড়ে দিয়েছেন,
৩৩
مَتَاعًا لَكُمْ وَلِأَنْعَامِكُمْ ﴿٣٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তোমাদের জন্যে এবং তোমাদের জন্তু জানোয়ারদের উপকারের জন্যে;
৩৪
فَإِذَا جَاءَتِ الطَّامَّةُ الْكُبْرَى ﴿٣٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তারপর যখন বড়ো বিপর্যয় (তোমাদের সামনে) হাযির হবে,
৩৫
يَوْمَ يَتَذَكَّرُ الْإِنْسَانُ مَا سَعَى ﴿٣٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । সেদিন মানুষ একে একে সব কিছুই স্মরণ করবে যা (সে দুনিয়ায়) করে এসেছে,
৩৬
وَبُرِّزَتِ الْجَحِيمُ لِمَنْ يَرَى ﴿٣٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । সেদিন সে ব্যক্তি দেখতে পাবে, যার জন্যে জাহান্নাম খুলে ধরা হবে ।
৩৭
فَأَمَّا مَنْ طَغَى ﴿٣٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অতঃপর যে ব্যক্তি সীমালংঘন করেছে,
৩৮
وَآثَرَ الْحَيَاةَ الدُّنْيَا ﴿٣٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । এবং (পরকালের তুলনায়) দুনিয়ার জীবনকেই অগ্রাধিকার দিয়েছে,
৩৯
فَإِنَّ الْجَحِيمَ هِيَ الْمَأْوَى ﴿٣٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অবশ্যই এই জাহান্নাম হবে তার (একমাত্র) আবাসস্থল;
৪০
وَأَمَّا مَنْ خَافَ مَقَامَ رَبِّهِ وَنَهَى النَّفْسَ عَنِ الْهَوَى ﴿٤٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (আবার) যে ব্যক্তি তার মালিকের সামনে দাঁড়ানো (-র এ দিন) -কে ভয় করেছে এবং (এ ভয়ে) নিজের নফসকে কামনা বাসনা থেকে বিরত রেখেছে,
৪১
فَإِنَّ الْجَنَّةَ هِيَ الْمَأْوَى ﴿٤١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অবশ্যই জান্নাত হবে তার ঠিকানা;
৪২
يَسْأَلُونَكَ عَنِ السَّاعَةِ أَيْانَ مُرْسَاهَا ﴿٤٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তারা তোমার কাছে জানতে চায় কেয়ামত কখন সংঘটিত হবে?
৪৩
فِيمَ أَنْتَ مِنْ ذِكْرَاهَا ﴿٤٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (তুমি তাদের বলে দাও, সে সময়ের কথা বর্ণনা করার সাথে তোমার কি সম্পর্ক (তা তুমি জানবে কি করে?
৪৪
إِلَى رَبِّكَ مُنْتَهَاهَا ﴿٤٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তার (আগমনের) চুড়ান্ত (জ্ঞান একমাত্র) তোমার মালিকের কাছেই রয়েছে;
৪৫
إِنَّمَا أَنْتَ مُنْذِرُ مَنْ يَخْشَاهَا ﴿٤٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তুমি হচ্ছো সে ব্যক্তির জন্যে সাবধানকারী, যে একে ভয় করে;
৪৬
كَأَنَّهُمْ يَوْمَ يَرَوْنَهَا لَمْ يَلْبَثُوا إِلَّا عَشِيَّةً أَوْ ضُحَاهَا ﴿٤٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । যেদিন এরা কেয়ামত দেখতে পাবে, সেদিন (এদের মনে হবে) তারা এক বিকাল অথবা এক সকাল পরিমাণ সময় (দুনিয়ায়) অতিবাহিত করে এসেছে।



ফন্ট সাইজ
15px
17px