🕋

عبس
(৮০) আবাসা

৪২

﴾৮০:১﴿
﴾ ৮০:১ ﴿
عَبَسَ وَتَوَلَّى ﴿١﴾
সে (নবী) কুঞ্চিত করলো এবং (বিরক্ত হয়ে) মুখ ফিরিয়ে নিলো, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮০:২﴿
﴾ ৮০:২ ﴿
أَنْ جَاءَهُ الْأَعْمَى ﴿٢﴾
কারণ, তার সামনে একজন অন্ধ ব্যক্তি এসেছে; [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮০:৩﴿
﴾ ৮০:৩ ﴿
وَمَا يُدْرِيكَ لَعَلَّهُ يَزَّكَّى ﴿٣﴾
তুমি কি জানতে হয়তো সে (অন্ধ) -ই নিজেকে পরিশুদ্ধ করে নিতো, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮০:৪﴿
﴾ ৮০:৪ ﴿
أَوْ يَذَّكَّرُ فَتَنْفَعَهُ الذِّكْرَى ﴿٤﴾
(কিংবা) সে উপদেশ গ্রহণ করতো, তা তার জন্যে হয়তো উপকারীও (প্রমাণিত) হতো; [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮০:৫﴿
﴾ ৮০:৫ ﴿
أَمَّا مَنِ اسْتَغْنَى ﴿٥﴾
(অপরদিকে) যে (হেদায়াতের প্রতি) বেপরোয়াভাব দেখালো [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮০:৬﴿
﴾ ৮০:৬ ﴿
فَأَنْتَ لَهُ تَصَدَّى ﴿٦﴾
তুমি তার প্রতিই (বেশী) মনোযোগ প্রদান করলে; [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮০:৭﴿
﴾ ৮০:৭ ﴿
وَمَا عَلَيْكَ أَلَّا يَزَّكَّى ﴿٧﴾
(অথচ) সে ব্যক্তি যে পরিশুদ্ধ হবে এটা তোমার দায়িত্ব নয়; [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮০:৮﴿
﴾ ৮০:৮ ﴿
وَأَمَّا مَنْ جَاءَكَ يَسْعَى ﴿٨﴾
(অপর দিকে) যে ব্যক্তি (পরিশুদ্ধির জন্যে) তোমার কাছে দৌড়ে আসে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮০:৯﴿
﴾ ৮০:৯ ﴿
وَهُوَ يَخْشَى ﴿٩﴾
এবং সে (আল্লাহকে) ভয় করে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮০:১০﴿
﴾ ৮০:১০ ﴿
فَأَنْتَ عَنْهُ تَلَهَّى ﴿١٠﴾
তুমি তার থেকেই বিরক্ত হলে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮০:১১﴿
﴾ ৮০:১১ ﴿
كَلَّا إِنَّهَا تَذْكِرَةٌ ﴿١١﴾
কখনোই (এমনটি উচিত) নয়, এ (কোরআন) হচ্ছে একটি উপদেশ, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮০:১২﴿
﴾ ৮০:১২ ﴿
فَمَنْ شَاءَ ذَكَرَهُ ﴿١٢﴾
যে চাইবে সে তা স্মরণ করবে। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮০:১৩﴿
﴾ ৮০:১৩ ﴿
فِي صُحُفٍ مُكَرَّمَةٍ ﴿١٣﴾
যা সম্মানিত স্থান (লওহে মাহফুয) -এ (সংরক্ষিত) আছে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮০:১৪﴿
﴾ ৮০:১৪ ﴿
مَرْفُوعَةٍ مُطَهَّرَةٍ ﴿١٤﴾
উঁচু মর্যাদাসম্পন্ন ও সমধিক পবিত্র, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮০:১৫﴿
﴾ ৮০:১৫ ﴿
بِأَيْدِي سَفَرَةٍ ﴿١٥﴾
এটি সংরক্ষিত থাকে মর্যাদাবান লেখকদের হাতে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮০:১৬﴿
﴾ ৮০:১৬ ﴿
كِرَامٍ بَرَرَةٍ ﴿١٦﴾
(তারা) মহান ও পুত চরিত্রসম্পন্ন; [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮০:১৭﴿
﴾ ৮০:১৭ ﴿
قُتِلَ الْإِنْسَانُ مَا أَكْفَرَهُ ﴿١٧﴾
মানুষের প্রতি অভিসম্পাত! কোন জিনিস তাকে অস্বীকার করালো; [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮০:১৮﴿
﴾ ৮০:১৮ ﴿
مِنْ أَيِّ شَيْءٍ خَلَقَهُ ﴿١٨﴾
আল্লাহ তাআলা কোন বস্তু থেকে তাকে পয়দা করেছেন; (সে কি দেখলো না?) । [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮০:১৯﴿
﴾ ৮০:১৯ ﴿
مِنْ نُطْفَةٍ خَلَقَهُ فَقَدَّرَهُ ﴿١٩﴾
তিনি তাকে এক বিন্দু শুক্র থেকে পয়দা করেছেন, অতঃপর তিনি তার (দেহে সব কিছুর) পরিমাণ নির্ধারণ করেছেন, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮০:২০﴿
﴾ ৮০:২০ ﴿
ثُمَّ السَّبِيلَ يَسَّرَهُ ﴿٢٠﴾
অতঃপর তিনি তার চলার পথ আসান করে দিয়েছেন, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮০:২১﴿
﴾ ৮০:২১ ﴿
ثُمَّ أَمَاتَهُ فَأَقْبَرَهُ ﴿٢١﴾
এরপর তিনি তাকে মৃত্যু দিয়েছেন, অতঃপর তাকে কবরে রেখেছেন, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮০:২২﴿
﴾ ৮০:২২ ﴿
ثُمَّ إِذَا شَاءَ أَنْشَرَهُ ﴿٢٢﴾
অতঃপর তিনি যখন চাইবেন তাকে পুনরায় জীবিত করবেন; [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮০:২৩﴿
﴾ ৮০:২৩ ﴿
كَلَّا لَمَّا يَقْضِ مَا أَمَرَهُ ﴿٢٣﴾
কোনো সন্দেহ নেই, তাকে যা আদেশ করা হয়েছে তা সে পালন করেনি; [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮০:২৪﴿
﴾ ৮০:২৪ ﴿
فَلْيَنْظُرِ الْإِنْسَانُ إِلَى طَعَامِهِ ﴿٢٤﴾
মানুষ তার আহারের দিকেও একবার তাকিয়ে দেখুক (কতোগুলো স্তর অতিক্রম করে এই খাবার তার সামনে এসেছে) , [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮০:২৫﴿
﴾ ৮০:২৫ ﴿
أَنَّا صَبَبْنَا الْمَاءَ صَبًّا ﴿٢٥﴾
আমি (শুকনো ভূমিতে) প্রচুর পরিমাণ পানি ঢেলেছি, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮০:২৬﴿
﴾ ৮০:২৬ ﴿
ثُمَّ شَقَقْنَا الْأَرْضَ شَقًّا ﴿٢٦﴾
এর পর যমীনকে বিদীর্ণ করেছি, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮০:২৭﴿
﴾ ৮০:২৭ ﴿
فَأَنْبَتْنَا فِيهَا حَبًّا ﴿٢٧﴾
(অতঃপর) তাতে উৎপন্ন করেছি শস্যদানা, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮০:২৮﴿
﴾ ৮০:২৮ ﴿
وَعِنَبًا وَقَضْبًا ﴿٢٨﴾
আংগুরের থােকা ও রকমারি শাকসবজি, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮০:২৯﴿
﴾ ৮০:২৯ ﴿
وَزَيْتُونًا وَنَخْلًا ﴿٢٩﴾
(আরো উৎপন্ন করেছি) যয়তুন ও খেজুর(-সহ বিভিন্ন ধরনের ফলমুল) , [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮০:৩০﴿
﴾ ৮০:৩০ ﴿
وَحَدَائِقَ غُلْبًا ﴿٣٠﴾
(আরো রয়েছে) শ্যামল ঘন বাগান, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮০:৩১﴿
﴾ ৮০:৩১ ﴿
وَفَاكِهَةً وَأَبًّا ﴿٣١﴾
(তাতে) উৎপন্ন করেছি ফলমুল ও ঘাস, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮০:৩২﴿
﴾ ৮০:৩২ ﴿
مَتَاعًا لَكُمْ وَلِأَنْعَامِكُمْ ﴿٣٢﴾
(এ সবই) তোমাদের এবং তোমাদের গৃহপালিত জন্তু-জানোয়ারের উপকার ও উপভোগের জন্যে; [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮০:৩৩﴿
﴾ ৮০:৩৩ ﴿
فَإِذَا جَاءَتِ الصَّاخَّةُ ﴿٣٣﴾
অতঃপর যখন বিকট একটি আওয়ায আসবে (তখন এসব আয়োজন শেষ হয়ে যাবে) , [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮০:৩৪﴿
﴾ ৮০:৩৪ ﴿
يَوْمَ يَفِرُّ الْمَرْءُ مِنْ أَخِيهِ ﴿٣٤﴾
সেদিন মানুষ তার নিজ ভাইয়ের কাছ থেকে পালাতে থাকবে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮০:৩৫﴿
﴾ ৮০:৩৫ ﴿
وَأُمِّهِ وَأَبِيهِ ﴿٣٥﴾
(পালাতে থাকবে) তার নিজের মা থেকে, নিজের বাপ থেকে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮০:৩৬﴿
﴾ ৮০:৩৬ ﴿
وَصَاحِبَتِهِ وَبَنِيهِ ﴿٣٦﴾
সহধর্মিনী থেকে, (এমন কি) তার ছেলেমেয়েদের থেকেও; [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮০:৩৭﴿
﴾ ৮০:৩৭ ﴿
لِكُلِّ امْرِئٍ مِنْهُمْ يَوْمَئِذٍ شَأْنٌ يُغْنِيهِ ﴿٣٧﴾
সেদিন তাদের প্রত্যেকের জন্যেই পরিস্থিতি এমন (ভয়াবহ) হবে যে, তাই তার (ব্যস্ততার) জন্য যথেষ্ট হবে; [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮০:৩৮﴿
﴾ ৮০:৩৮ ﴿
وُجُوهٌ يَوْمَئِذٍ مُسْفِرَةٌ ﴿٣٨﴾
কিছু সংখ্যক (মানুষের) চেহারা সেদিন উজ্জ্বল হবে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮০:৩৯﴿
﴾ ৮০:৩৯ ﴿
ضَاحِكَةٌ مُسْتَبْشِرَةٌ ﴿٣٩﴾
তারা সহাস্য ও প্রফুল্ল থাকবে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮০:৪০﴿
﴾ ৮০:৪০ ﴿
وَوُجُوهٌ يَوْمَئِذٍ عَلَيْهَا غَبَرَةٌ ﴿٤٠﴾
(অপর দিকে) সেদিন কিছু সংখ্যক চেহারা (কুসিত) হবে, তার উপর (যেন) ধুলাবালি পড়ে থাকবে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮০:৪১﴿
﴾ ৮০:৪১ ﴿
تَرْهَقُهَا قَتَرَةٌ ﴿٤١﴾
মলিনতায় তা (সমপুর্ণ) ছেয়ে যাবে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮০:৪২﴿
﴾ ৮০:৪২ ﴿
أُولَئِكَ هُمُ الْكَفَرَةُ الْفَجَرَةُ ﴿٤٢﴾
এ লোকগুলোই হচ্ছে (কিতাব) অস্বীকারকারী এবং এরাই হচ্ছে পাপিষ্ঠ। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]