🕋
التكوير
(৮১) আত-তাকভীর
২৯
১ ⋮
إِذَا الشَّمْسُ كُوِّرَتْ ﴿١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । যখন সূর্যকে গুটিয়ে ফেলা হবে,
২ ⋮
وَإِذَا النُّجُومُ انْكَدَرَتْ ﴿٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । যখন তারাগুলো সব খসে পড়বে,
৩ ⋮
وَإِذَا الْجِبَالُ سُيِّرَتْ ﴿٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । যখন পর্বতমালাকে (আপন স্থান থেকে) সরিয়ে দেয়া হবে,
৪ ⋮
وَإِذَا الْعِشَارُ عُطِّلَتْ ﴿٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । যখন দশ মাসের গর্ভবতী উটনীকে (নিজের অবস্থার উপর) ছেড়ে দেয়া হবে,
৫ ⋮
وَإِذَا الْوُحُوشُ حُشِرَتْ ﴿٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । যখন হিংস্র জন্তুগুলোকে এক জায়গায় জড়ো করা হবে,
৬ ⋮
وَإِذَا الْبِحَارُ سُجِّرَتْ ﴿٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । যখন সাগরসমুহকে (আগুন দ্বারা) প্রজ্বলিত করা হবে,
৭ ⋮
وَإِذَا النُّفُوسُ زُوِّجَتْ ﴿٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । যখন (কবর থেকে উখিত) প্রাণসমুহকে (তাদের নিজ নিজ) দেহের সাথে জুড়ে দেয়া হবে,
৮ ⋮
وَإِذَا الْمَوْءُودَةُ سُئِلَتْ ﴿٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । যখন সদ্যপ্রসুত মেয়েটি জিজ্ঞাসিত হবে।
৯ ⋮
بِأَيِّ ذَنْبٍ قُتِلَتْ ﴿٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । কোন অপরাধে তাকে হত্যা করা হয়েছিলো,
১০ ⋮
وَإِذَا الصُّحُفُ نُشِرَتْ ﴿١٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । যখন আমলের নথিপত্র খোলা হবে,
১১ ⋮
وَإِذَا السَّمَاءُ كُشِطَتْ ﴿١١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । যখন আসমান খুলে দেয়া হবে,
১২ ⋮
وَإِذَا الْجَحِيمُ سُعِّرَتْ ﴿١٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । যখন জাহান্নাম প্রজ্বলিত করা হবে,
১৩ ⋮
وَإِذَا الْجَنَّةُ أُزْلِفَتْ ﴿١٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । যখন জান্নাতকে (মানুষের) কাছে নিয়ে আসা হবে,
১৪ ⋮
عَلِمَتْ نَفْسٌ مَا أَحْضَرَتْ ﴿١٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । প্রত্যেক ব্যক্তিই (তখন) জানতে পারবে সে কি নিয়ে (আল্লাহ তা'আলার কাছে) হাযির হয়েছে;
১৫ ⋮
فَلَا أُقْسِمُ بِالْخُنَّسِ ﴿١٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । শপথ সেসব তারকাপুঞ্জের যা (চলতে চলতে) গা ঢাকা দেয়,
১৬ ⋮
الْجَوَارِ الْكُنَّسِ ﴿١٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (আবার) যা (মাঝে মাঝে) অদৃশ্য হয়ে যায়,
১৭ ⋮
وَاللَّيْلِ إِذَا عَسْعَسَ ﴿١٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । শপথ রাতের যখন তা নিশেষ হয়ে যায়,
১৮ ⋮
وَالصُّبْحِ إِذَا تَنَفَّسَ ﴿١٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (শপথ) সকাল বেলার যখন তা (দিনের আলোয়) নিশ্বাস নেয়,
১৯ ⋮
إِنَّهُ لَقَوْلُ رَسُولٍ كَرِيمٍ ﴿١٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । এ কোরআন হচ্ছে একজন সম্মানিত (ও মর্যাদাসম্পন্ন) বাহকের (মাধ্যমে পৌঁছানো) বাণী,
২০ ⋮
ذِي قُوَّةٍ عِنْدَ ذِي الْعَرْشِ مَكِينٍ ﴿٢٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । ২০ সে বড়ো শক্তিশালী, আরশের মালিক আল্লাহ তা'আলার কাছে তার অবস্থান (অনেক মর্যাদাপূর্ণ) ,
২১ ⋮
مُطَاعٍ ثَمَّ أَمِينٍ ﴿٢١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । যেখানে তাকে মান্য করা হয়, (অতঃপর) সে সেখানে গভীর আস্থাভাজনও;
২২ ⋮
وَمَا صَاحِبُكُمْ بِمَجْنُونٍ ﴿٢٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তোমাদের সাথী (কিন্তু) পাগল নয়,
২৩ ⋮
وَلَقَدْ رَآهُ بِالْأُفُقِ الْمُبِينِ ﴿٢٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । সে তাকে স্বচ্ছ দিগন্তে দেখেছে,
২৪ ⋮
وَمَا هُوَ عَلَى الْغَيْبِ بِضَنِينٍ ﴿٢٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অদৃশ্য জগতের ব্যাপারে তিনি কখনো কার্পণ্য করেন না,
২৫ ⋮
وَمَا هُوَ بِقَوْلِ شَيْطَانٍ رَجِيمٍ ﴿٢٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । এটা কোনো অভিশপ্ত শয়তানের কথাও নয়,
২৬ ⋮
فَأَيْنَ تَذْهَبُونَ ﴿٢٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অতএব তোমরা (কোরআন থেকে মুখ ফিরিয়ে) কোন দিকে যাচ্ছো?
২৭ ⋮
إِنْ هُوَ إِلَّا ذِكْرٌ لِلْعَالَمِينَ ﴿٢٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । এটা সৃষ্টিকুলের জন্যে এক উপদেশ বৈ কিছুই নয়,
২৮ ⋮
لِمَنْ شَاءَ مِنْكُمْ أَنْ يَسْتَقِيمَ ﴿٢٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । যে সঠিক পথ ধরে চলতে চায় (এটি শুধু) তার জন্যেই (উপদেশ) ;
২৯ ⋮
وَمَا تَشَاءُونَ إِلَّا أَنْ يَشَاءَ اللَّهُ رَبُّ الْعَالَمِينَ ﴿٢٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (আসলে) তোমরা তো কিছুই চাইতে পারো না, হ্যাঁ চাইতে পারেন একমাত্র আল্লাহ তাআলা, যিনি সৃষ্টিকুলের মালিক।