🕋
الغاشية
(৮৮) আল-গাশিয়াহ
২৬
﴾৮৮:১﴿
﴾ ৮৮:১ ﴿
هَلْ أَتَاكَ حَدِيثُ الْغَاشِيَةِ ﴿١﴾
তোমার কাছে কি (অপ্রতিরোধ্য ও চতুর্দিক) আচ্ছন্নকারী (বিপদের) কথা পৌঁছেছে?
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮৮:২﴿
﴾ ৮৮:২ ﴿
وُجُوهٌ يَوْمَئِذٍ خَاشِعَةٌ ﴿٢﴾
(সে বিপদে) কিছু লোকের চেহারা হবে নিম্নগামী,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮৮:৩﴿
﴾ ৮৮:৩ ﴿
عَامِلَةٌ نَاصِبَةٌ ﴿٣﴾
(হবে) ক্লান্ত ও পরিশ্রান্ত,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮৮:৪﴿
﴾ ৮৮:৪ ﴿
تَصْلَى نَارًا حَامِيَةً ﴿٤﴾
তারা (সেদিন) ঝলসে যাওয়া আগুনে প্রবেশ করবে,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮৮:৫﴿
﴾ ৮৮:৫ ﴿
تُسْقَى مِنْ عَيْنٍ آنِيَةٍ ﴿٥﴾
ফুটন্ত পানির (কুয়া) থেকে এদের পানি পান করানো হবে;
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮৮:৬﴿
﴾ ৮৮:৬ ﴿
لَيْسَ لَهُمْ طَعَامٌ إِلَّا مِنْ ضَرِيعٍ ﴿٦﴾
খাবার হিসেবে কাঁটাবিশষ্টি গাছ ছাড়া কিছুই তাদের জন্যে থাকবে না,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮৮:৭﴿
﴾ ৮৮:৭ ﴿
لَا يُسْمِنُ وَلَا يُغْنِي مِنْ جُوعٍ ﴿٧﴾
এ (খাবার) -টি (যেমন) তাদের পুষ্ট করবে না, তেমনি (তা দ্বারা) তাদের ক্ষুধাও মিটবে না;
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮৮:৮﴿
﴾ ৮৮:৮ ﴿
وُجُوهٌ يَوْمَئِذٍ نَاعِمَةٌ ﴿٨﴾
(এর পাশাপাশি আবার) কিছু চেহারা থাকবে আনন্দোজ্জ্বল,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮৮:৯﴿
﴾ ৮৮:৯ ﴿
لِسَعْيِهَا رَاضِيَةٌ ﴿٩﴾
সে (সেদিন) তার চেষ্টা সাধনার জন্যে ভীষণ খুশী হবে,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮৮:১০﴿
﴾ ৮৮:১০ ﴿
فِي جَنَّةٍ عَالِيَةٍ ﴿١٠﴾
(সে থাকবে) আলীশান জান্নাতে,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮৮:১১﴿
﴾ ৮৮:১১ ﴿
لَا تَسْمَعُ فِيهَا لَاغِيَةً ﴿١١﴾
সেখানে সে কোনো বাজে কথা শোনবে না;
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮৮:১২﴿
﴾ ৮৮:১২ ﴿
فِيهَا عَيْنٌ جَارِيَةٌ ﴿١٢﴾
তাতে থাকবে প্রবাহমান ঝর্ণাধারা ।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮৮:১৩﴿
﴾ ৮৮:১৩ ﴿
فِيهَا سُرُرٌ مَرْفُوعَةٌ ﴿١٣﴾
তাতে থাকবে (সুসজ্জিত) উঁচু উঁচু আসন,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮৮:১৪﴿
﴾ ৮৮:১৪ ﴿
وَأَكْوَابٌ مَوْضُوعَةٌ ﴿١٤﴾
১৪(সাজানো থাকবে) নানান ধরনের পানপাত্র,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮৮:১৫﴿
﴾ ৮৮:১৫ ﴿
وَنَمَارِقُ مَصْفُوفَةٌ ﴿١٥﴾
(আরাম-আয়েশের জন্যে থাকবে) সারি সারি গালিচা ও রেশমের বালিশ,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮৮:১৬﴿
﴾ ৮৮:১৬ ﴿
وَزَرَابِيُّ مَبْثُوثَةٌ ﴿١٦﴾
(আরো থাকবে) উৎকৃষ্ট কার্পেটের বিছানা;
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮৮:১৭﴿
﴾ ৮৮:১৭ ﴿
أَفَلَا يَنْظُرُونَ إِلَى الْإِبِلِ كَيْفَ خُلِقَتْ ﴿١٧﴾
এরা কি উটনীটির দিকে তাকিয়ে দেখে না কিভাবে তাকে সৃষ্টি করা হয়েছে।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮৮:১৮﴿
﴾ ৮৮:১৮ ﴿
وَإِلَى السَّمَاءِ كَيْفَ رُفِعَتْ ﴿١٨﴾
আকাশের দিকে (দেখে না) , কিভাবে তাকে উঁচু করে রাখা হয়েছে!
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮৮:১৯﴿
﴾ ৮৮:১৯ ﴿
وَإِلَى الْجِبَالِ كَيْفَ نُصِبَتْ ﴿١٩﴾
পাহাড়গুলোর দিকে (দেখে না) , কিভাবে (যমীনের বুকে) তাদের দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে!
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮৮:২০﴿
﴾ ৮৮:২০ ﴿
وَإِلَى الْأَرْضِ كَيْفَ سُطِحَتْ ﴿٢٠﴾
যমীনের দিকে (দেখে না) , কিভাবে তাকে সমতল করে পেতে রাখা হয়েছে!
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮৮:২১﴿
﴾ ৮৮:২১ ﴿
فَذَكِّرْ إِنَّمَا أَنْتَ مُذَكِّرٌ ﴿٢١﴾
তুমি তাদের (এ কথাগুলো) স্মরণ করাতে থাকো তুমি তো শুধু একজন উপদেশদানকারী মাত্র;
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮৮:২২﴿
﴾ ৮৮:২২ ﴿
لَسْتَ عَلَيْهِمْ بِمُسَيْطِرٍ ﴿٢٢﴾
তুমি তো তাদের উপর বল প্রয়োগকারী (দারোগা) নও,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮৮:২৩﴿
﴾ ৮৮:২৩ ﴿
إِلَّا مَنْ تَوَلَّى وَكَفَرَ ﴿٢٣﴾
সে ব্যক্তির কথা আলাদা যে (এ হেদায়াত থেকে) মুখ ফিরিয়ে নেবে এবং (যে আল্লাহকে) অস্বীকার করবে,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮৮:২৪﴿
﴾ ৮৮:২৪ ﴿
فَيُعَذِّبُهُ اللَّهُ الْعَذَابَ الْأَكْبَرَ ﴿٢٤﴾
আল্লাহ তাআলা তাকে অবশ্যই বড়ো রকমের শাস্তি দেবেন;
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮৮:২৫﴿
﴾ ৮৮:২৫ ﴿
إِنَّ إِلَيْنَا إِيَابَهُمْ ﴿٢٥﴾
অবশ্যই তাদের প্রত্যাবর্তন হবে আমার দিকে,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮৮:২৬﴿
﴾ ৮৮:২৬ ﴿
ثُمَّ إِنَّ عَلَيْنَا حِسَابَهُمْ ﴿٢٦﴾
অতঃপর তাদের হিসাব নেয়া(-র দায়িত্ব থাকবে সম্পূর্ণ) আমার উপর।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]