🕋

الفجر
(৮৯) আল-ফাজ্‌র

৩০

﴾৮৯:১﴿
﴾ ৮৯:১ ﴿
وَالْفَجْرِ ﴿١﴾
ভোরের শপথ, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮৯:২﴿
﴾ ৮৯:২ ﴿
وَلَيَالٍ عَشْرٍ ﴿٢﴾
শপথ দশটি (বিশেষ) রাতের, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮৯:৩﴿
﴾ ৮৯:৩ ﴿
وَالشَّفْعِ وَالْوَتْرِ ﴿٣﴾
শপথ জোড় (সৃষ্টি) -এর ও বিজোড় (স্রষ্টা) -এর, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮৯:৪﴿
﴾ ৮৯:৪ ﴿
وَاللَّيْلِ إِذَا يَسْرِ ﴿٤﴾
শপথ রাতের যখন তা সহজে বিদায় নিতে থাকে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮৯:৫﴿
﴾ ৮৯:৫ ﴿
هَلْ فِي ذَلِكَ قَسَمٌ لِذِي حِجْرٍ ﴿٥﴾
এর মধ্যে কি বিবেকবান লোকদের জন্যে কোনো শপথ রাখা হয়েছে? [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮৯:৬﴿
﴾ ৮৯:৬ ﴿
أَلَمْ تَرَ كَيْفَ فَعَلَ رَبُّكَ بِعَادٍ ﴿٦﴾
তুমি কি দেখোনি, তোমার মালিক আ'দ (জাতি) -এর লোকদের সাথে কেমন ব্যবহার করেছেন? [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮৯:৭﴿
﴾ ৮৯:৭ ﴿
إِرَمَ ذَاتِ الْعِمَادِ ﴿٧﴾
এরাম গোত্র (ছিলো) উঁচু স্তম্ভবিশষ্টি প্রাসাদের অধিকারী, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮৯:৮﴿
﴾ ৮৯:৮ ﴿
الَّتِي لَمْ يُخْلَقْ مِثْلُهَا فِي الْبِلَادِ ﴿٨﴾
(জ্ঞান ও ঐশ্বর্যের দিক থেকে) জনপদে তাদের মতো কাউকেই (এর আগে) সৃষ্টি করা হয়নি, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮৯:৯﴿
﴾ ৮৯:৯ ﴿
وَثَمُودَ الَّذِينَ جَابُوا الصَّخْرَ بِالْوَادِ ﴿٩﴾
(উন্নত) ছিলো সামূদ, তারা (পাহাড়ের উপত্যকায়) পাথর কেটে (সুরম্য) অট্টালিকা বানাতো, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮৯:১০﴿
﴾ ৮৯:১০ ﴿
وَفِرْعَوْنَ ذِي الْأَوْتَادِ ﴿١٠﴾
(অত্যাচারী) ফেরাউন যে কীলক গেঁথে (শাস্তি) প্রদানকারী (যালেম) ছিলো, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮৯:১১﴿
﴾ ৮৯:১১ ﴿
الَّذِينَ طَغَوْا فِي الْبِلَادِ ﴿١١﴾
যারা দেশে দেশে (আল্লাহর সাথে) বিদ্রোহ করেছে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮৯:১২﴿
﴾ ৮৯:১২ ﴿
فَأَكْثَرُوا فِيهَا الْفَسَادَ ﴿١٢﴾
তারা তাতে বেশী মাত্রায় (বিপর্যয় ও) অশান্তি সৃষ্টি করেছে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮৯:১৩﴿
﴾ ৮৯:১৩ ﴿
فَصَبَّ عَلَيْهِمْ رَبُّكَ سَوْطَ عَذَابٍ ﴿١٣﴾
অবশেষে তোমার প্রতিপালক তাদের উপর আযাবের কোড়ার কষাঘাত হানলেন, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮৯:১৪﴿
﴾ ৮৯:১৪ ﴿
إِنَّ رَبَّكَ لَبِالْمِرْصَادِ ﴿١٤﴾
অবশ্যই তোমার মালিক (এদের ধরার জন্যে) ওঁত্ পেতে রয়েছেন; [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮৯:১৫﴿
﴾ ৮৯:১৫ ﴿
فَأَمَّا الْإِنْسَانُ إِذَا مَا ابْتَلَاهُ رَبُّهُ فَأَكْرَمَهُ وَنَعَّمَهُ فَيَقُولُ رَبِّي أَكْرَمَنِ ﴿١٥﴾
মানুষরা এমন যে, যখন তার মালিক তাকে নেয়ামত (অর্থ সম্পদ) ও সম্মান দিয়ে পরীক্ষা করেন তখন সে বলে, হ্যাঁ, আমার মালিক আমাকে সম্মানিত করেছেন; । [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮৯:১৬﴿
﴾ ৮৯:১৬ ﴿
وَأَمَّا إِذَا مَا ابْتَلَاهُ فَقَدَرَ عَلَيْهِ رِزْقَهُ فَيَقُولُ رَبِّي أَهَانَنِ ﴿١٦﴾
আবার যখন তিনি (ভিন্নভাবে) তাকে পরীক্ষা করেন (এবং এক পর্যায়ে) তার রিযিক সংকুচিত করে দেন, তখন সে (নাখোশ হয়ে) বলে, আমার মালিক আমাকে অপমান করেছেন, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮৯:১৭﴿
﴾ ৮৯:১৭ ﴿
كَلَّا بَلْ لَا تُكْرِمُونَ الْيَتِيمَ ﴿١٧﴾
কখনো নয় (সত্যি কথা হচ্ছে) , তোমরা এতীমদের সম্মান করো না, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮৯:১৮﴿
﴾ ৮৯:১৮ ﴿
وَلَا تَحَاضُّونَ عَلَى طَعَامِ الْمِسْكِينِ ﴿١٨﴾
মিসকীনদের খাওয়ানোর জন্যে তোমরা একে অপরকে উৎসাহ দাও না, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮৯:১৯﴿
﴾ ৮৯:১৯ ﴿
وَتَأْكُلُونَ التُّرَاثَ أَكْلًا لَمًّا ﴿١٩﴾
তোমরা মৃত ব্যক্তির (রেখে যাওয়া) ধন-সম্পদ নিজেরাই সব কুক্ষিগত করো, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮৯:২০﴿
﴾ ৮৯:২০ ﴿
وَتُحِبُّونَ الْمَالَ حُبًّا جَمًّا ﴿٢٠﴾
বৈষয়িক ধন-সম্পদকে তোমরা গভীরভাবে ভালোবাসো; [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮৯:২১﴿
﴾ ৮৯:২১ ﴿
كَلَّا إِذَا دُكَّتِ الْأَرْضُ دَكًّا دَكًّا ﴿٢١﴾
কখনো নয়, তেমনটি কখনোই উচিত নয় (স্মরণ করো) , যেদিন এ (সাজানো) পৃথিবীটাকে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দেয়া হবে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮৯:২২﴿
﴾ ৮৯:২২ ﴿
وَجَاءَ رَبُّكَ وَالْمَلَكُ صَفًّا صَفًّا ﴿٢٢﴾
(সেদিন) তোমার মালিক স্বয়ং আবির্ভূত হবেন, আর ফেরেশতারা সব সারিবদ্ধাবে দাঁড়িয়ে থাকবে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮৯:২৩﴿
﴾ ৮৯:২৩ ﴿
وَجِيءَ يَوْمَئِذٍ بِجَهَنَّمَ يَوْمَئِذٍ يَتَذَكَّرُ الْإِنْسَانُ وَأَنَّى لَهُ الذِّكْرَى ﴿٢٣﴾
সেদিন জাহান্নামকে (সামনে) নিয়ে আসা হবে, যেদিন প্রতিটি মানুষই (তার পরিণাম) বুঝতে পারবে, কিন্তু (তখন) এ বোধােদয় তার কী কাজে লাগবে? [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮৯:২৪﴿
﴾ ৮৯:২৪ ﴿
يَقُولُ يَا لَيْتَنِي قَدَّمْتُ لِحَيَاتِي ﴿٢٤﴾
সেদিন এ (হতভাগ্য) ব্যক্তি বলবে, কতো ভালো হতো যদি (আজকের) এ জীবনের জন্যে (কিছুটা ভালো কাজ) আমি আগে ভাগেই পাঠিয়ে দিতাম, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮৯:২৫﴿
﴾ ৮৯:২৫ ﴿
فَيَوْمَئِذٍ لَا يُعَذِّبُ عَذَابَهُ أَحَدٌ ﴿٢٥﴾
সেদিন আল্লাহ তাআলা (এ বিদ্রোহীদের) এমন শাস্তি দেবেন যা অন্য কেউ দিতে পারবে না, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮৯:২৬﴿
﴾ ৮৯:২৬ ﴿
وَلَا يُوثِقُ وَثَاقَهُ أَحَدٌ ﴿٢٦﴾
এবং তাঁর বাঁধনের মতো বাঁধনেও কেউ (পাপীদের) বাঁধতে পারবে না; [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮৯:২৭﴿
﴾ ৮৯:২৭ ﴿
يَا أَيَّتُهَا النَّفْسُ الْمُطْمَئِنَّةُ ﴿٢٧﴾
(নেককার বান্দাদের বলা হবে, ) হে প্রশান্ত আত্মা, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮৯:২৮﴿
﴾ ৮৯:২৮ ﴿
ارْجِعِي إِلَى رَبِّكِ رَاضِيَةً مَرْضِيَّةً ﴿٢٨﴾
তুমি তোমার মালিকের কাছে ফিরে যাও সন্তুষ্টচিত্তে ও তাঁর প্রিয়ভাজন হয়ে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮৯:২৯﴿
﴾ ৮৯:২৯ ﴿
فَادْخُلِي فِي عِبَادِي ﴿٢٩﴾
অতঃপর তুমি আমার প্রিয় বান্দাদের দলে শামিল হয়ে যাও, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৮৯:৩০﴿
﴾ ৮৯:৩০ ﴿
وَادْخُلِي جَنَّتِي ﴿٣٠﴾
(আর) প্রবেশ করো আমার (অনন্ত) জান্নাতে । [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]