🕋

العلق
(৯৬) আল-আলাক্ব

১৯

﴾৯৬:১﴿
﴾ ৯৬:১ ﴿
اقْرَأْ بِاسْمِ رَبِّكَ الَّذِي خَلَقَ ﴿١﴾
(হে মোহাম্মদ) , তুমি পড়ো, (পড়ো) তোমার মালিকের নামে, যিনি সৃষ্টি করেছেন, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৯৬:২﴿
﴾ ৯৬:২ ﴿
خَلَقَ الْإِنْسَانَ مِنْ عَلَقٍ ﴿٢﴾
যিনি মানুষকে সৃষ্টি করেছেন জমাটবাঁধা রক্ত থেকে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৯৬:৩﴿
﴾ ৯৬:৩ ﴿
اقْرَأْ وَرَبُّكَ الْأَكْرَمُ ﴿٣﴾
তুমি পড়ো এবং (জেনে রাখো) তোমার মালিক বড়োই মেহেরবান, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৯৬:৪﴿
﴾ ৯৬:৪ ﴿
الَّذِي عَلَّمَ بِالْقَلَمِ ﴿٤﴾
তিনি (মানুষকে) কলম দ্বারাই (জ্ঞান-বিজ্ঞান) শিখিয়েছেন, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৯৬:৫﴿
﴾ ৯৬:৫ ﴿
عَلَّمَ الْإِنْسَانَ مَا لَمْ يَعْلَمْ ﴿٥﴾
তিনি মানুষকে (এমন সবকিছু) শিখিয়েছেন যা (তিনি না শেখালে) সে কখনো জানতে পারতো না; [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৯৬:৬﴿
﴾ ৯৬:৬ ﴿
كَلَّا إِنَّ الْإِنْسَانَ لَيَطْغَى ﴿٦﴾
(আর) হ্যাঁ, এ মানুষটিই (বড়ো হয়ে) বিদ্রোহে মেতে ওঠে; [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৯৬:৭﴿
﴾ ৯৬:৭ ﴿
أَنْ رَآهُ اسْتَغْنَى ﴿٧﴾
সে দেখতে পায় তার যেন (এখন আর কোনো অভাব নেই; [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৯৬:৮﴿
﴾ ৯৬:৮ ﴿
إِنَّ إِلَى رَبِّكَ الرُّجْعَى ﴿٨﴾
অথচ (এ নির্বোধ ভেবে দেখে না, ) একদিন তার মালিকের দিকেই (তার) প্রত্যাবর্তন হবে; [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৯৬:৯﴿
﴾ ৯৬:৯ ﴿
أَرَأَيْتَ الَّذِي يَنْهَى ﴿٩﴾
তুমি কি সে (দাম্ভিক) ব্যক্তিটিকে দেখেছো যে তাকে বাধা দিলো [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৯৬:১০﴿
﴾ ৯৬:১০ ﴿
عَبْدًا إِذَا صَلَّى ﴿١٠﴾
(বাধা দিলো আল্লাহর) এক বান্দাকে যে নামায পড়ছিলো; [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৯৬:১১﴿
﴾ ৯৬:১১ ﴿
أَرَأَيْتَ إِنْ كَانَ عَلَى الْهُدَى ﴿١١﴾
তুমি কি দেখেছো, সে কি সঠিক পথের উপর আছে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৯৬:১২﴿
﴾ ৯৬:১২ ﴿
أَوْ أَمَرَ بِالتَّقْوَى ﴿١٢﴾
কিংবা সে কি (অন্যদের আল্লাহ তা'আলাকে) ভয় করার আদেশ দেয়? [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৯৬:১৩﴿
﴾ ৯৬:১৩ ﴿
أَرَأَيْتَ إِنْ كَذَّبَ وَتَوَلَّى ﴿١٣﴾
সে ব্যক্তি সম্পর্কে তুমি কি মনে করো যে (আল্লাহকে) মিথ্যা প্রতিপন্ন করে এবং (তাঁর থেকে) মুখ ফিরিয়ে নেয়; [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৯৬:১৪﴿
﴾ ৯৬:১৪ ﴿
أَلَمْ يَعْلَمْ بِأَنَّ اللَّهَ يَرَى ﴿١٤﴾
এ (দাম্ভিক) লোকটি কি জানে না আল্লাহ তা'আলা (তার সব কিছুই) পর্যবেক্ষণ করছেন; [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৯৬:১৫﴿
﴾ ৯৬:১৫ ﴿
كَلَّا لَئِنْ لَمْ يَنْتَهِ لَنَسْفَعَنْ بِالنَّاصِيَةِ ﴿١٥﴾
(কিছুতেই) না, যদি সে (এ থেকে) ফিরে না আসে, তাহলে অবশ্যই তাকে আমি সম্মুখভাগের চুলের গোছা ধরে হেঁচড়াবো, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৯৬:১৬﴿
﴾ ৯৬:১৬ ﴿
نَاصِيَةٍ كَاذِبَةٍ خَاطِئَةٍ ﴿١٦﴾
(তুমি) কি জানো সে কে যার চুল ধরে আমি হেঁচড়াবো?) সে হচ্ছে (আমাকে) মিথ্যা প্রতিপন্নকারী না-ফরমান ব্যক্তিটি, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৯৬:১৭﴿
﴾ ৯৬:১৭ ﴿
فَلْيَدْعُ نَادِيَهُ ﴿١٧﴾
সে (আজ বাঁচার জন্যে) তার সংগী-সাথীদের ডেকে আনুক, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৯৬:১৮﴿
﴾ ৯৬:১৮ ﴿
سَنَدْعُ الزَّبَانِيَةَ ﴿١٨﴾
আমিও তার জন্যে (আযাবের) ফেরেশতাদের ডাক দেবো, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৯৬:১৯﴿
﴾ ৯৬:১৯ ﴿
كَلَّا لَا تُطِعْهُ وَاسْجُدْ وَاقْتَرِبْ ﴿١٩﴾
কখনো নয়; তুমি কিছুতেই তার অনুসরণ করো না, তুমি (বরং) তোমার মালিকের সামনে সাজদাবনত হও এবং তাঁর নৈকট্য লাভ করো। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]