🕋

الحجر
(১৫) আল-হিজর

৯৯

الر تِلْكَ آيَاتُ الْكِتَابِ وَقُرْآنٍ مُبِينٍ ﴿١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । আলিফ লাম-রা। এগুলো হচ্ছে সেই মহান গ্রন্থ ও সুস্পষ্ট কোরআনের আয়াত ।
رُبَمَا يَوَدُّ الَّذِينَ كَفَرُوا لَوْ كَانُوا مُسْلِمِينَ ﴿٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (এমন একটি দিন অবশ্যই আসবে যেদিন) যারা (আল্লাহ তায়ালাকে) অস্বীকার করেছে তারা চাইবে, যদি (সত্যি সত্যিই) তারা মুসলমান হয়ে যেতো!
ذَرْهُمْ يَأْكُلُوا وَيَتَمَتَّعُوا وَيُلْهِهِمُ الْأَمَلُ فَسَوْفَ يَعْلَمُونَ ﴿٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (হে নবী, ) তুমি তাদের (নিজ নিজ অবস্থার উপর) ছেড়ে দাও, তারা খাওয়া দাওয়া করুক, ভোগ উপভোগ করতে থাকুক, (মিথ্যা) আশা তাদের মোহাচ্ছন্ন করে রাখুক, অচিরেই তারা জানতে পারবে (কোন্ প্রতারণার জালে তারা আটকে পড়েছিলো) ।
وَمَا أَهْلَكْنَا مِنْ قَرْيَةٍ إِلَّا وَلَهَا كِتَابٌ مَعْلُومٌ ﴿٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । যে কেনো জনপদকেই আমি ধ্বংস করি না কেন- তার (ধ্বংসের) জন্যে একটি সুনির্দিষ্ট সময় আগে থেকেই লিপিবদ্ধ থাকে।
مَا تَسْبِقُ مِنْ أُمَّةٍ أَجَلَهَا وَمَا يَسْتَأْخِرُونَ ﴿٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । কোনো জাতিই তার (ধ্বংসের) কাল (যেমন) ত্বরান্বিত করতে পারে না, (তেমনি) তারা তা বিলম্বিতও করতে পারে না।
وَقَالُوا يَا أَيُّهَا الَّذِي نُزِّلَ عَلَيْهِ الذِّكْرُ إِنَّكَ لَمَجْنُونٌ ﴿٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তারা বলে, ওহে- যার উপর কোরআন নাযিল করা হয়েছে- তুমি অবশ্যই একজন উন্মাদ ব্যক্তি।
لَوْ مَا تَأْتِينَا بِالْمَلَائِكَةِ إِنْ كُنْتَ مِنَ الصَّادِقِينَ ﴿٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তুমি সত্যবাদী (নবী) হলে আমাদের সামনে ফেরেশতাদের নিয়ে আসো না কেন!
مَا نُنَزِّلُ الْمَلَائِكَةَ إِلَّا بِالْحَقِّ وَمَا كَانُوا إِذًا مُنْظَرِينَ ﴿٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (হে নবী, তুমি তাদের বলো, আমি ফেরেশতাদের (কখনো) কোনো সঠিক (কারণ) ছাড়া নাযিল করি না, (তাছাড়া একবার যদি আযাবের আদেশ নিয়ে) ফেরেশতারা এসেই যায়, তবে তো আর তাদের কোনো অবকাশই দেয়া হবে না।
إِنَّا نَحْنُ نَزَّلْنَا الذِّكْرَ وَإِنَّا لَهُ لَحَافِظُونَ ﴿٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । আমিই উপদেশ (সম্বলিত কোরআন) নাযিল করেছি এবং আমিই তার সংরক্ষণকারী।
১০
وَلَقَدْ أَرْسَلْنَا مِنْ قَبْلِكَ فِي شِيَعِ الْأَوَّلِينَ ﴿١٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তোমার আগেও পূর্ববর্তী জাতিসমূহের মাঝে আমি রসূল পাঠিয়েছিলাম।
১১
وَمَا يَأْتِيهِمْ مِنْ رَسُولٍ إِلَّا كَانُوا بِهِ يَسْتَهْزِئُونَ ﴿١١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তাদের কাছে এমন একজন রসূলও আসেনি, যার সাথে তারা ঠাট্টা বিদ্রুপ করেনি।
১২
كَذَلِكَ نَسْلُكُهُ فِي قُلُوبِ الْمُجْرِمِينَ ﴿١٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । এভাবেই আমি অপরাধীদের অন্তরে (ঠাট্টা বিদ্রুপের) এ (প্রবণতা) -কে সঞ্চার করে দেই,
১৩
لَا يُؤْمِنُونَ بِهِ وَقَدْ خَلَتْ سُنَّةُ الْأَوَّلِينَ ﴿١٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । এরা কোনো অবস্থায়ই তার উপর ঈমান আনবে না, (আসলে) এ নিয়ম তো আগের মানুষদের থেকেই চলে এসেছে।
১৪
وَلَوْ فَتَحْنَا عَلَيْهِمْ بَابًا مِنَ السَّمَاءِ فَظَلُّوا فِيهِ يَعْرُجُونَ ﴿١٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । আমি যদি এদের উপর আসমানের দরজাও খুলে দেই, অতপর তারা যদি তাতে চড়তেও শুরু করে (তারপরও এরা ঈমান আনবে না) ,
১৫
لَقَالُوا إِنَّمَا سُكِّرَتْ أَبْصَارُنَا بَلْ نَحْنُ قَوْمٌ مَسْحُورُونَ ﴿١٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । বরং বলবে, আমাদের দৃষ্টিই মোহাবিষ্ট হয়ে গেছে, কিংবা আমরা হচ্ছি এক যাদুগ্রস্ত্র সমপ্রদায়।
১৬
وَلَقَدْ جَعَلْنَا فِي السَّمَاءِ بُرُوجًا وَزَيَّنَّاهَا لِلنَّاظِرِينَ ﴿١٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (তাকিয়ে দেখো, কিভাবে) আমি আকাশে গম্বুজ তৈরী করে রেখেছি, অতপর তাকে দর্শকদের জন্যে (তারকারাজি দ্বারা) সুসজ্জিত করে রেখেছি,
১৭
وَحَفِظْنَاهَا مِنْ كُلِ شَيْطَانٍ رَجِيمٍ ﴿١٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তাকে আমি প্রতিটি অভিশপ্ত শয়তান থেকে হেফাযত করে রেখেছি।
১৮
إِلَّا مَنِ اسْتَرَقَ السَّمْعَ فَأَتْبَعَهُ شِهَابٌ مُبِينٌ ﴿١٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । হাঁ, যদি কেউ চুরি করে (ফেরেশতাদের) কোনো কথা শুনতে চায় তাহলে সাথে সাথেই একটি প্রদীপ্ত উল্কা তার পেছনে ধাওয়া করে।
১৯
وَالْأَرْضَ مَدَدْنَاهَا وَأَلْقَيْنَا فِيهَا رَوَاسِيَ وَأَنْبَتْنَا فِيهَا مِنْ كُلِّ شَيْءٍ مَوْزُونٍ ﴿١٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । আমি যমীনকে বিস্তৃত করে (বিছিয়ে দিয়েছি, ওতে আমি পর্বতমালাকে (পেরেকের মতো) গেড়ে দিয়েছি, (যেন তা নড়াচড়া করতে না পারে) এবং তাতে প্রতিটি জিনিস আমি সুপরিমিতভাবে উৎপাদন করেছি।
২০
وَجَعَلْنَا لَكُمْ فِيهَا مَعَايِشَ وَمَنْ لَسْتُمْ لَهُ بِرَازِقِينَ ﴿٢٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । ওতে আমি তোমাদের জন্যে এবং অন্য সব সৃষ্টির জন্যে জীবিকার ব্যবস্থা করেছি, তোমরা যাদের (কারোই) রিযিকদাতা নও।
২১
وَإِنْ مِنْ شَيْءٍ إِلَّا عِنْدَنَا خَزَائِنُهُ وَمَا نُنَزِّلُهُ إِلَّا بِقَدَرٍ مَعْلُومٍ ﴿٢١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । কোনো জিনিস এমন নেই যার ভান্ডার আমার হাতে নেই এবং সুনির্দিষ্ট একটি পরিমাণ ছাড়া আমি তা নাযিল করি না।।
২২
وَأَرْسَلْنَا الرِّيَاحَ لَوَاقِحَ فَأَنْزَلْنَا مِنَ السَّمَاءِ مَاءً فَأَسْقَيْنَاكُمُوهُ وَمَا أَنْتُمْ لَهُ بِخَازِنِينَ ﴿٢٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । আমিই বৃষ্টি-গর্ভ বায়ু প্রেরণ করি, তারপর আমিই আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করি, অতপর আমিই তোমাদের তা পান করাই, তোমরা নিজেরা তো তার এমন কোনো ভান্ডার জমা করে রাখোনি (যে, সেখান থেকে এসব সরবরাহ আসছে) ।
২৩
وَإِنَّا لَنَحْنُ نُحْيِي وَنُمِيتُ وَنَحْنُ الْوَارِثُونَ ﴿٢٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অবশ্যই আমি (তোমাদের) জীবন দান করি, (আবার) আমিই তোমাদের মৃতু্য ঘটাই, (সর্বশেষে) আমিই হবো (সব কিছুর নিরংকুশ) মালিক।
২৪
وَلَقَدْ عَلِمْنَا الْمُسْتَقْدِمِينَ مِنْكُمْ وَلَقَدْ عَلِمْنَا الْمُسْتَأْخِرِينَ ﴿٢٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তোমাদের আগে যারা (এ যমীন থেকে) গত হয়ে গেছে তাদের (যেমন) আমি জানি, তেমনি তোমাদের পরবর্তীদেরও আমি (ভালো করে) জানি।
২৫
وَإِنَّ رَبَّكَ هُوَ يَحْشُرُهُمْ إِنَّهُ حَكِيمٌ عَلِيمٌ ﴿٢٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । নিসন্দেহে তোমার মালিক একদিন তাদের সবাইকে একত্রিত করবেন; তিনি অবশ্যই প্রবল প্রজ্ঞাময়, সর্বজ্ঞ।
২৬
وَلَقَدْ خَلَقْنَا الْإِنْسَانَ مِنْ صَلْصَالٍ مِنْ حَمَإٍ مَسْنُونٍ ﴿٢٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অবশ্যই আমি মানুষকে ছাঁচে ঢালা শুকনো ঠনঠনে মাটি থেকে পয়দা করেছি,
২৭
وَالْجَانَّ خَلَقْنَاهُ مِنْ قَبْلُ مِنْ نَارِ السَّمُومِ ﴿٢٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । আর (হাঁ, ) জিন! তাকে আমি আগেই আগুনের উত্তপ্ত শিখা থেকে সৃষ্টি করেছি।
২৮
وَإِذْ قَالَ رَبُّكَ لِلْمَلَائِكَةِ إِنِّي خَالِقٌ بَشَرًا مِنْ صَلْصَالٍ مِنْ حَمَإٍ مَسْنُونٍ ﴿٢٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (স্মরণ করো, ) যখন আমি ফেরেশতাদের বলেছিলাম, আমি (অচিরেই) ছাঁচে ঢালা ঠনঠনে শুকনো মাটি থেকে মানুষ পয়দা করতে যাচ্ছি।
২৯
فَإِذَا سَوَّيْتُهُ وَنَفَخْتُ فِيهِ مِنْ رُوحِي فَقَعُوا لَهُ سَاجِدِينَ ﴿٢٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অতপর যখন আমি তাকে পুরোপুরি সুঠাম করে নেবো এবং আমার রূহ থেকে (কিছু) তাতে ফুঁকে দেবো, তখন তোমরা সবাই তার সামনে সাজদাবনত হয়ে যাবে।
৩০
فَسَجَدَ الْمَلَائِكَةُ كُلُّهُمْ أَجْمَعُونَ ﴿٣٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অতপর (আল্লাহর আদেশে) ফেরেশতারা সবাই সাজদা করলো,
৩১
إِلَّا إِبْلِيسَ أَبَى أَنْ يَكُونَ مَعَ السَّاجِدِينَ ﴿٣١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । একমাত্র ইবলীস ছাড়া- সে সাজদাকারীদের দলভুক্ত হতে অস্বীকার করলো।
৩২
قَالَ يَا إِبْلِيسُ مَا لَكَ أَلَّا تَكُونَ مَعَ السَّاجِدِينَ ﴿٣٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । আল্লাহ তায়ালা বললেন, তোমার কি হলো, তুমি যে সাজদাকারীদের দলে শামিল হলে না!
৩৩
قَالَ لَمْ أَكُنْ لِأَسْجُدَ لِبَشَرٍ خَلَقْتَهُ مِنْ صَلْصَالٍ مِنْ حَمَإٍ مَسْنُونٍ ﴿٣٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । সে বললো (হে আল্লাহ) , আমি কখনো এমন মানুষের জন্যে সাজদা করতে পারি না- যাকে তুমি ছাঁচে ঢালা শুকনো ঠনঠনে মাটি থেকে বানিয়েছে।
৩৪
قَالَ فَاخْرُجْ مِنْهَا فَإِنَّكَ رَجِيمٌ ﴿٣٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । আল্লাহ তায়ালা বললেন, (তাই যদি বলো) তাহলে তুমি এখান থেকে বেরিয়ে যাও, কেননা তুমি অভিশপ্ত,
৩৫
وَإِنَّ عَلَيْكَ اللَّعْنَةَ إِلَى يَوْمِ الدِّينِ ﴿٣٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । হিসাব নিকাশের দিন পর্যন্ত তোমার উপর অভিশাপ।
৩৬
قَالَ رَبِّ فَأَنْظِرْنِي إِلَى يَوْمِ يُبْعَثُونَ ﴿٣٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । সে বললো (হে মালিক, তাহলে) তুমিও আমাকে সেদিন পর্যন্ত অবকাশ দাও যেদিন তাদের পুনরায় জীবিত করা হবে।
৩৭
قَالَ فَإِنَّكَ مِنَ الْمُنْظَرِينَ ﴿٣٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । আল্লাহ তায়ালা বললেন (হাঁ যাও) , যাদের (এ) অবকাশ দেয়া হয়েছে তুমি তাদের অন্তরভুক্ত (হলে) ,
৩৮
إِلَى يَوْمِ الْوَقْتِ الْمَعْلُومِ ﴿٣٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (এ অবকাশ) সুনির্দিষ্ট সময় আসার দিন পর্যন্ত।
৩৯
قَالَ رَبِّ بِمَا أَغْوَيْتَنِي لَأُزَيِّنَنَّ لَهُمْ فِي الْأَرْضِ وَلَأُغْوِيَنَّهُمْ أَجْمَعِينَ ﴿٣٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । সে বললো, হে আমার মালিক, তুমি যেভাবে (আজ) আমাকে পথভ্রষ্ট করে দিলে (আমিও তোমার শপথ করে বলছি) , আমি মানুষদের জন্যে পৃথিবীতে তাদের (গুনাহের কাজসমূহ) শোভন করে তুলবো এবং তাদের সবাইকে আমি পথভ্রষ্ট করে ছাড়বো,
৪০
إِلَّا عِبَادَكَ مِنْهُمُ الْمُخْلَصِينَ ﴿٤٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তবে তাদের মধ্যে যারা তোমার খাঁটি বান্দা তাদের কথা আলাদা।
৪১
قَالَ هَذَا صِرَاطٌ عَلَيَّ مُسْتَقِيمٌ ﴿٤١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । আল্লাহ তায়ালা বললেন, (আমার নিষ্ঠাবান বান্দাহদের জন্যে মূলত) আমার কাছ পর্যন্ত (পৌঁছানোর) এটাই হচ্ছে সহজ সরল পথ।
৪২
إِنَّ عِبَادِي لَيْسَ لَكَ عَلَيْهِمْ سُلْطَانٌ إِلَّا مَنِ اتَّبَعَكَ مِنَ الْغَاوِينَ ﴿٤٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (হাঁ, ) এ গোমরাহ মানুষদের মধ্যে যারা তোমার অনুসরণ করবে তারা ছাড়া অন্যরা অবশ্যই আমার (খাঁটি) বান্দা, তাদের উপর তোমার কোনো আধিপত্য চলবে না।
৪৩
وَإِنَّ جَهَنَّمَ لَمَوْعِدُهُمْ أَجْمَعِينَ ﴿٤٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । আর অবশ্যই জাহান্নাম হচ্ছে তাদের সবার প্রতিশ্রুত স্থান,
৪৪
لَهَا سَبْعَةُ أَبْوَابٍ لِكُلِّ بَابٍ مِنْهُمْ جُزْءٌ مَقْسُومٌ ﴿٤٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তাতে থাকবে সাতটি (বিশালকায়) দরজা; (আবার) এগুলোর প্রতিটি দরজা (দিয়ে প্রবেশ করা) -এর জন্যে থাকবে এক একটা নির্দিষ্ট অংশ।
৪৫
إِنَّ الْمُتَّقِينَ فِي جَنَّاتٍ وَعُيُونٍ ﴿٤٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (এর বিপরীত) যারা (আল্লাহ তায়ালাকে) ভয় করে তারা অবশ্যই (সেদিন) জান্নাত ও ঝর্ণাধারায় (বহুমুখী নেয়ামতে) অবস্থান করবে;
৪৬
ادْخُلُوهَا بِسَلَامٍ آمِنِينَ ﴿٤٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (এই বলে তাদের অভিবাদন জানানো হবে, ) তোমরা শান্তি ও নিরাপত্তার সাথে সেখানে প্রবেশ করো।
৪৭
وَنَزَعْنَا مَا فِي صُدُورِهِمْ مِنْ غِلٍّ إِخْوَانًا عَلَى سُرُرٍ مُتَقَابِلِينَ ﴿٤٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তাদের অন্তরে ঈর্ষা বিদ্বেষ যাই থাক আমি (সেদিন) তা দূর করে দেবো, তারা একে অপরের ভাই হয়ে পরস্পরের মুখোমুখি সেখানে অবস্থান করবে।
৪৮
لَا يَمَسُّهُمْ فِيهَا نَصَبٌ وَمَا هُمْ مِنْهَا بِمُخْرَجِينَ ﴿٤٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । সেখানে তাদের কোনোরকম অবসাদ স্পর্শ করবে না, আর তাদের সেখান থেকে কোনো দিন বেরও করে দেয়া হবে না।
৪৯
نَبِّئْ عِبَادِي أَنِّي أَنَا الْغَفُورُ الرَّحِيمُ ﴿٤٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (হে নবী, ) তুমি আমার বান্দাদের একথা বলে দাও, আমি অবশ্যই অসীম ও পরম দয়ালু,
৫০
وَأَنَّ عَذَابِي هُوَ الْعَذَابُ الْأَلِيمُ ﴿٥٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (তাদের আরো বলে দাও) নিসন্দেহে আমার আযাবও হচ্ছে অত্যন্ত কঠোর।
৫১
وَنَبِّئْهُمْ عَنْ ضَيْفِ إِبْرَاهِيمَ ﴿٥١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (হে নবী, ) তুমি তাদের ইবরাহীমের মেহমানের কাহিনী থেকে (কিছু কথা) শোনাও।
৫২
إِذْ دَخَلُوا عَلَيْهِ فَقَالُوا سَلَامًا قَالَ إِنَّا مِنْكُمْ وَجِلُونَ ﴿٥٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । যখন তারা তার কাছে হাযির হয়ে বললো, (তোমার উপর) 'সালাম', তখন সে (তাদের ভাব ভংগি দেখে) বললো, আমরা অবশ্যই তোমাদের ব্যাপারে শংকিত।
৫৩
قَالُوا لَا تَوْجَلْ إِنَّا نُبَشِّرُكَ بِغُلَامٍ عَلِيمٍ ﴿٥٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । ওরা বললো, না, তুমি আশংকা করো না, আমরা তোমাকে এক জ্ঞানবান সন্তানদানের শুভ সংবাদ দিচ্ছি।
৫৪
قَالَ أَبَشَّرْتُمُونِي عَلَى أَنْ مَسَّنِيَ الْكِبَرُ فَبِمَ تُبَشِّرُونَ ﴿٥٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । সে বললো, তোমরা আমার (এমন অবস্থার) উপর (সন্তানদানের) সুসংবাদ দিচ্ছো- (যখন) বার্ধক্য (-জনিত অবস্থা। আমাকে স্পর্শ করে ফেলেছে, অতপর (এ অবস্থায়) তোমরা আমাকে কিসের সুসংবাদ দেবে?
৫৫
قَالُوا بَشَّرْنَاكَ بِالْحَقِّ فَلَا تَكُنْ مِنَ الْقَانِطِينَ ﴿٥٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তারা বললো, হাঁ, আমরা তোমাকে সঠিক সুসংবাদই দিচ্ছি, অতএব তুমি হতাশাগ্রস্তদের দলভুক্ত হয়ো না।
৫৬
قَالَ وَمَنْ يَقْنَطُ مِنْ رَحْمَةِ رَبِّهِ إِلَّا الضَّالُّونَ ﴿٥٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । সে বললো, গোমরাহ ব্যক্তি ছাড়া আল্লাহর রহমত থেকে কে নিরাশ হতে পারে?
৫৭
قَالَ فَمَا خَطْبُكُمْ أَيُّهَا الْمُرْسَلُونَ ﴿٥٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । হে (আল্লাহর পাঠানো) ফেরেশতারা, বলো (আমাকে এ সুসংবাদ দেয়া ছাড়া) তোমাদের (সামনে) আর কি (অভিযান) রয়েছে?
৫৮
قَالُوا إِنَّا أُرْسِلْنَا إِلَى قَوْمٍ مُجْرِمِينَ ﴿٥٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তারা বললো (হাঁ) , আমাদের এক নাফরমান জাতির বিরুদ্ধে (অভিযানে) পাঠানো হয়েছে (যারা অচিরেই বিনাশ হয়ে যাবে) ।
৫৯
إِلَّا آلَ لُوطٍ إِنَّا لَمُنَجُّوهُمْ أَجْمَعِينَ ﴿٥٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তবে লুতের আপনজনরা বাদে; আমরা অবশ্যই (আযাবের সময়) তাদের সবাইকে উদ্ধার করবো।
৬০
إِلَّا امْرَأَتَهُ قَدَّرْنَا إِنَّهَا لَمِنَ الْغَابِرِينَ ﴿٦٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । কিন্তু তার স্ত্রীকে নয় (আল্লাহ তায়ালা তার ব্যাপারে বলেন) , আমি এ সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছি, সে (আযাবের সময়) পশ্চাদ্বর্তী দলভুক্ত হয়ে থাকবে।
৬১
فَلَمَّا جَاءَ آلَ لُوطٍ الْمُرْسَلُونَ ﴿٦١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । যখন (সে) ফেরেশতারা নূতের পরিবার পরিজনদের কাছে এসে হাযির হলো,
৬২
قَالَ إِنَّكُمْ قَوْمٌ مُنْكَرُونَ ﴿٦٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (তখন) সে বললো আপনারা তো (দেখছি) অপরিচিত ধরনের লোক।
৬৩
قَالُوا بَلْ جِئْنَاكَ بِمَا كَانُوا فِيهِ يَمْتَرُونَ ﴿٦٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তারা বললো (না আসলে তা নয়) , আমরা তো বরং তাদের কাছে সে (আযাবের) বিষয়টাই নিয়ে এসেছি, যার ব্যাপারে তারা ছিলো সন্দিগ্ধ।
৬৪
وَأَتَيْنَاكَ بِالْحَقِّ وَإِنَّا لَصَادِقُونَ ﴿٦٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । আমরা (তোমার কাছে) সত্য সংবাদ নিয়ে এসেছি এবং আমরা (হচ্ছি) সত্যবাদী।
৬৫
فَأَسْرِ بِأَهْلِكَ بِقِطْعٍ مِنَ اللَّيْلِ وَاتَّبِعْ أَدْبَارَهُمْ وَلَا يَلْتَفِتْ مِنْكُمْ أَحَدٌ وَامْضُوا حَيْثُ تُؤْمَرُونَ ﴿٦٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । সুতরাং তুমি রাতের কিছু অংশ থাকতে তোমার লোকজনসহ (এ জনপদ থেকে বেরিয়ে পড়ো এবং তুমি। নিজে তাদের পেছনে পেছনে চলতে থেকো, (সাবধান!) তোমাদের মধ্যে একজনও যেন পেছনে ফিরে না তাকায়, (ঠিক) যেদিকে (যাওয়ার জন্যে) তোমাদের আদেশ করা হবে, সেদিকেই চলতে থাকবে।
৬৬
وَقَضَيْنَا إِلَيْهِ ذَلِكَ الْأَمْرَ أَنَّ دَابِرَ هَؤُلَاءِ مَقْطُوعٌ مُصْبِحِينَ ﴿٦٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (ইতিমধ্যে) আমি তার কাছে এ ফয়সালা পাঠিয়ে দিয়েছি যে, এ জনপদের মানুষগুলোকে ভোর হতেই মূলোৎপাটিত করে দেয়া হবে।
৬৭
وَجَاءَ أَهْلُ الْمَدِينَةِ يَسْتَبْشِرُونَ ﴿٦٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (ইতিমধ্যে) নগরের অধিবাসীরা উল্লসিত হয়ে (লুতের কাছে এসে) হাযির হলো।
৬৮
قَالَ إِنَّ هَؤُلَاءِ ضَيْفِي فَلَا تَفْضَحُونِ ﴿٦٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (এদের আসতে দেখে) সে বললো (হে আমার দেশবাসী) , এরা হচ্ছে আমার মেহমান, (এদের সাথে অশালীন আচরণ করে) তোমরা আমাকে অপমান করো না।
৬৯
وَاتَّقُوا اللَّهَ وَلَا تُخْزُونِ ﴿٦٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তোমরা আল্লাহ তায়ালাকে ভয় করো এবং আমাকে (এদের সামনে) হেয় করো না।
৭০
قَالُوا أَوَلَمْ نَنْهَكَ عَنِ الْعَالَمِينَ ﴿٧٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তারা বললো, আমরা কি তোমাকে সৃষ্টিকূলের (মেহমানদারী করা) থেকে নিষেধ করিনি?
৭১
قَالَ هَؤُلَاءِ بَنَاتِي إِنْ كُنْتُمْ فَاعِلِينَ ﴿٧١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (এদের উক্তি শুনে) সে বললো, (একান্তই) যদি তোমরা কিছু (কামনা বাসনা চরিতার্থ করতে চাও, তবে এখানে আমার (জাতির) মেয়েরা রয়েছে (এদের বিয়ে করে তোমরা নিজেদের প্রয়োজন মেটাতে পারো) ;
৭২
لَعَمْرُكَ إِنَّهُمْ لَفِي سَكْرَتِهِمْ يَعْمَهُونَ ﴿٧٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (আল্লাহ তায়ালা বললেন, হে নবী, ) তোমার জীবনের শপথ (করে বলছি, সেদিন) এরা নিদারুণ এক নেশায় বিভোর হয়ে পড়েছিলো (আল্লাহর গর্বের কোনো কথাই এরা বিশ্বাস করলো না) ।
৭৩
فَأَخَذَتْهُمُ الصَّيْحَةُ مُشْرِقِينَ ﴿٧٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অতপর সূর্যোদয়ের সাথে সাথেই এক মহানাদ (এসে) তাদের উপর আঘাত হানলো,
৭৪
فَجَعَلْنَا عَالِيَهَا سَافِلَهَا وَأَمْطَرْنَا عَلَيْهِمْ حِجَارَةً مِنْ سِجِّيلٍ ﴿٧٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তারপর আমি তাদের নগরগুলো উলটিয়ে দিলাম এবং ওদের উপর পাকানো মাটির পাথরের বৃষ্টি বর্ষণ করলাম;
৭৫
إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآيَاتٍ لِلْمُتَوَسِّمِينَ ﴿٧٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অবশ্যই এ (ঘটনার) মাঝে পর্যবেক্ষনসম্পন্ন মানুষদের জন্যে (শিক্ষার) বহু নিদর্শন রয়েছে।
৭৬
وَإِنَّهَا لَبِسَبِيلٍ مُقِيمٍ ﴿٧٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (ধ্বংসস্তুপের নিদর্শন হিসেবে) তা (আজো) রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে (আছে) ।
৭৭
إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآيَةً لِلْمُؤْمِنِينَ ﴿٧٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অবশ্যই এর মাঝে ঈমানদারদের জন্যে (আল্লাহর) নিদর্শন (মজুদ রয়েছে;
৭৮
وَإِنْ كَانَ أَصْحَابُ الْأَيْكَةِ لَظَالِمِينَ ﴿٧٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (তের জাতির মতো) 'আইকা'র অধিবাসীরাও যালেম ছিলো।
৭৯
فَانْتَقَمْنَا مِنْهُمْ وَإِنَّهُمَا لَبِإِمَامٍ مُبِينٍ ﴿٧٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অতপর আমি তাদের কাছ থেকেও (তাদের নাফরমানীর) প্রতিশোধ নিলাম, আর (আজ এ) উভয় (জনপদই আযাবের চিহ্ন বহন করে) প্রকাশ্যে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে আছে;
৮০
وَلَقَدْ كَذَّبَ أَصْحَابُ الْحِجْرِ الْمُرْسَلِينَ ﴿٨٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (একইভাবে) 'হেজর'বাসীরাও নবীদের অস্বীকার করেছিলো,
৮১
وَآتَيْنَاهُمْ آيَاتِنَا فَكَانُوا عَنْهَا مُعْرِضِينَ ﴿٨١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । আমি আমার নিদর্শনসমূহ তাদের কাছে প্রেরণ করেছিলাম, অতপর তারা তা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিলো,
৮২
وَكَانُوا يَنْحِتُونَ مِنَ الْجِبَالِ بُيُوتًا آمِنِينَ ﴿٨٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তারা পাহাড় কেটে কেটে নিজেদের জন্যে ঘর বানাতো (এ আশায় যে) , তারা (সেখানে) নিশ্চিন্তে জীবন কাটাতে পারবে।
৮৩
فَأَخَذَتْهُمُ الصَّيْحَةُ مُصْبِحِينَ ﴿٨٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অতপর (নাফরমানীর জন্যে একদিন) প্রত্যষে তাদের উপর মহানাদ এসে আঘাত হানলো,
৮৪
فَمَا أَغْنَى عَنْهُمْ مَا كَانُوا يَكْسِبُونَ ﴿٨٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । সুতরাং তারা (জীবনভর) যা কিছু কামাই করেছে, (আল্লাহর গযবের সামনে) তা কোনোই কাজে আসেনি।
৮৫
وَمَا خَلَقْنَا السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ وَمَا بَيْنَهُمَا إِلَّا بِالْحَقِّ وَإِنَّ السَّاعَةَ لَآتِيَةٌ فَاصْفَحِ الصَّفْحَ الْجَمِيلَ ﴿٨٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (জেনে রেখো, আকাশমালা, যমীন এবং এ দু'য়ের মাঝখানে যা কিছু আছে তার কোনোটাই আমি অযথা পয়দা করিনি; অবশ্যই (সব কিছুর শেষে) একদিন কেয়ামত আসবে (এবং এ সৃষ্টিলীলা ধ্বংস হয়ে যাবে) , অতএব হে নবী, তুমি পরম ঔদাসীন্যের সাথে (ওদের) উপেক্ষা করো।
৮৬
إِنَّ رَبَّكَ هُوَ الْخَلَّاقُ الْعَلِيمُ ﴿٨٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । নিশ্চয়ই তোমার মালিক হচ্ছেন এক মহাস্রষ্টা, মহাজ্ঞানী।
৮৭
وَلَقَدْ آتَيْنَاكَ سَبْعًا مِنَ الْمَثَانِي وَالْقُرْآنَ الْعَظِيمَ ﴿٨٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অবশ্যই আমি তোমাকে সাত আয়াত (বিশিষ্ট একটি সূরা) দিয়েছি, যা (নামাযের ভেতর ও বাইরে) বার বার পঠিত হয়- আরো দিয়েছি (জীবন বিধান হিসাবে) মহান (গ্রন্থ) কোরআন।
৮৮
لَا تَمُدَّنَّ عَيْنَيْكَ إِلَى مَا مَتَّعْنَا بِهِ أَزْوَاجًا مِنْهُمْ وَلَا تَحْزَنْ عَلَيْهِمْ وَاخْفِضْ جَنَاحَكَ لِلْمُؤْمِنِينَ ﴿٨٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । আমি এ (কাফেরদের) মাঝে কিছু লোককে ভোগ বিলাসের যে উপকরণ দিয়েছি, তার প্রতি তুমি কখনো তোমার দু'চোখ তুলে তাকাবে না, তাদের (অবস্থার) উপর তুমি কোনো লোভ করবে না, (ওদের কথা বাদ দিয়ে) বরং তুমি ঈমানদারদের দিকেই ঝুঁকে থেকো।
৮৯
وَقُلْ إِنِّي أَنَا النَّذِيرُ الْمُبِينُ ﴿٨٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (সবাইকে) বলে দাও, আমি হচ্ছি (জাহান্নামের) সুস্পষ্ট সতর্ককারী মাত্র,
৯০
كَمَا أَنْزَلْنَا عَلَى الْمُقْتَسِمِينَ ﴿٩٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । যারা বিভিন্ন দলে বিভক্ত তাদের উপরও আমি এভাবেই (কিতাব) নাযিল করেছিলাম,
৯১
الَّذِينَ جَعَلُوا الْقُرْآنَ عِضِينَ ﴿٩١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (এরা হচ্ছে সেসব লোক) যারা কোরআনকে টুকরো টুকরো করেছে।
৯২
فَوَرَبِّكَ لَنَسْأَلَنَّهُمْ أَجْمَعِينَ ﴿٩٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । সুতরাং (হে নবী, ) তোমার মালিকের শপথ, ওদের আমি অবশ্যই প্রশ্ন করবো,
৯৩
عَمَّا كَانُوا يَعْمَلُونَ ﴿٩٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (প্রশ্ন করবো) সেসব বিষয়ে যা কিছু (আচরণ) তারা (কোরআনের সাথে) করেছে।
৯৪
فَاصْدَعْ بِمَا تُؤْمَرُ وَأَعْرِضْ عَنِ الْمُشْرِكِينَ ﴿٩٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অতএব তোমাকে যে আদেশ দেয়া হয়েছে তুমি খোলাখুলি জনসম্মুক্ষে তা বলে দাও এবং (এর পরও) যারা (আল্লাহর সাথে) শরীক করে তাদের তুমি উপেক্ষা করো।
৯৫
إِنَّا كَفَيْنَاكَ الْمُسْتَهْزِئِينَ ﴿٩٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । বিপকারী ব্যক্তিদের মোকাবেলায় আমিই তোমার জন্যে যথেষ্ট,
৯৬
الَّذِينَ يَجْعَلُونَ مَعَ اللَّهِ إِلَهًا آخَرَ فَسَوْفَ يَعْلَمُونَ ﴿٩٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । যারা আল্লাহর সাথে অন্যকে মাবুদ বানিয়ে নিয়েছে তারা অচিরেই (তাদের পরিণাম) জানতে পারবে।
৯৭
وَلَقَدْ نَعْلَمُ أَنَّكَ يَضِيقُ صَدْرُكَ بِمَا يَقُولُونَ ﴿٩٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (হে নবী, ) আমি (একথা) ভালো করেই জানি, ওরা যা কিছু বলে তাতে তোমার অন্তর সংকুচিত হয়,
৯৮
فَسَبِّحْ بِحَمْدِ رَبِّكَ وَكُنْ مِنَ السَّاجِدِينَ ﴿٩٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অতএব তুমি তোমার মালিকের প্রশংসা দ্বারা তাঁর পবিত্রতা ঘোষণা করো এবং তুমিও সাজদাকারীদের দলে শামিল হয়ে যাও,
৯৯
وَاعْبُدْ رَبَّكَ حَتَّى يَأْتِيَكَ الْيَقِينُ ﴿٩٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (হে নবী, ) যতক্ষণ পর্যন্ত তোমার কাছে নিশ্চিত (মৃতু্যজনিত) ঘটনা না আসবে ততোক্ষণ পর্যন্ত তুমি তোমার মালিকের ইবাদাত করতে থাকো।



ফন্ট সাইজ
15px
17px