🕋

الصافات
(৩৭) আস-সাফফাত

১৮২

﴾৩৭:১﴿
﴾ ৩৭:১ ﴿
وَالصَّافَّاتِ صَفًّا ﴿١﴾
শপথ (সে ফেরেশতাদের) যারা সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে থাকে। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:২﴿
﴾ ৩৭:২ ﴿
فَالزَّاجِرَاتِ زَجْرًا ﴿٢﴾
শপথ (সেসব ফেরেশতার) যারা সজোরে ধমক দেয়, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৩﴿
﴾ ৩৭:৩ ﴿
فَالتَّالِيَاتِ ذِكْرًا ﴿٣﴾
শপথ (সেসব ফেরেশতার) যারা (সদা আল্লাহর) যেকের তেলাওয়াত করে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৪﴿
﴾ ৩৭:৪ ﴿
إِنَّ إِلَهَكُمْ لَوَاحِدٌ ﴿٤﴾
অবশ্যই তোমাদের মাবুদ হচ্ছেন একজন; [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৫﴿
﴾ ৩৭:৫ ﴿
رَبُّ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَمَا بَيْنَهُمَا وَرَبُّ الْمَشَارِقِ ﴿٥﴾
তিনি আসমান যমীন ও এ দু'য়ের মাঝখানে অবস্থিত সবকিছুরও মালিক, (তিনি আরো) মালিক (সুর্যোদয়ের স্থান) পুর্বাচলের; [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৬﴿
﴾ ৩৭:৬ ﴿
إِنَّا زَيَّنَّا السَّمَاءَ الدُّنْيَا بِزِينَةٍ الْكَوَاكِبِ ﴿٦﴾
আমি (তোমাদের) নিকটবর্তী আসমানকে (নয়নাভিরাম) নক্ষত্ররাজি দ্বারা সুসজ্জিত করে রেখেছি; [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৭﴿
﴾ ৩৭:৭ ﴿
وَحِفْظًا مِنْ كُلِّ شَيْطَانٍ مَارِدٍ ﴿٧﴾
(তাকে) আমি হেফাযত করেছি প্রত্যেক না-ফরমান শয়তান থেকে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৮﴿
﴾ ৩৭:৮ ﴿
لَا يَسَّمَّعُونَ إِلَى الْمَلَإِ الْأَعْلَى وَيُقْذَفُونَ مِنْ كُلِّ جَانِبٍ ﴿٨﴾
ফলে তারা উধ্বজগতের (কথাবার্তার) কিছুই শুনতে পায় না, (কিছু শুনতে চাইলেই) প্রত্যেক দিক থেকে তাদের উপর উল্কা নিক্ষিপ্ত হয়, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৯﴿
﴾ ৩৭:৯ ﴿
دُحُورًا وَلَهُمْ عَذَابٌ وَاصِبٌ ﴿٩﴾
এই তাড়িয়ে দেয়াই (শেষ) নয়, তাদের জন্যে অবিরাম শাস্তিও রয়েছে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১০﴿
﴾ ৩৭:১০ ﴿
إِلَّا مَنْ خَطِفَ الْخَطْفَةَ فَأَتْبَعَهُ شِهَابٌ ثَاقِبٌ ﴿١٠﴾
(তা সত্ত্বেও) যদি কোনো (শয়তান) গোপনে হঠাৎ করে কিছু শুনে ফেলতে চায়, তখন জ্বলন্ত উল্কাপিন্ড সাথে সাথেই তার পশ্চাদ্ধাবন করে । [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১১﴿
﴾ ৩৭:১১ ﴿
فَاسْتَفْتِهِمْ أَهُمْ أَشَدُّ خَلْقًا أَمْ مَنْ خَلَقْنَا إِنَّا خَلَقْنَاهُمْ مِنْ طِينٍ لَازِبٍ ﴿١١﴾
(হে নবী, ) তুমি এদের কাছে জিজ্ঞেস করো, তাদের সৃষ্টি করা বেশী কঠিন, না (আসমান যমীনসহ) অন্য সব কিছু, যা আমি পয়দা করেছি (তার সৃষ্টি বেশী কঠিন) ; এ (মানুষ) -দের তো আমি (সামান্য কতোটুকু) আঠাল মাটি দিয়ে পয়দা করেছি। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১২﴿
﴾ ৩৭:১২ ﴿
بَلْ عَجِبْتَ وَيَسْخَرُونَ ﴿١٢﴾
(হে নবী, ) তুমি (এদের কথায়) বিস্ময়বোধ করছো, অথচ (তোমার কথা নিয়েই) ওরা ঠাট্টা বিদ্রুপ করছে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১৩﴿
﴾ ৩৭:১৩ ﴿
وَإِذَا ذُكِّرُوا لَا يَذْكُرُونَ ﴿١٣﴾
এদের যখন উপদেশ দেয়া হয়, তখন তারা (তা) স্মরণ করে না, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১৪﴿
﴾ ৩৭:১৪ ﴿
وَإِذَا رَأَوْا آيَةً يَسْتَسْخِرُونَ ﴿١٤﴾
(আবার) কোনো নিদর্শন দেখলে (তা নিয়ে) উপহাস করে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১৫﴿
﴾ ৩৭:১৫ ﴿
وَقَالُوا إِنْ هَذَا إِلَّا سِحْرٌ مُبِينٌ ﴿١٥﴾
তারা বলে, এটা তো সুস্পষ্ট যাদু ছাড়া আর কিছুই নয়, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১৬﴿
﴾ ৩৭:১৬ ﴿
أَئِذَا مِتْنَا وَكُنَّا تُرَابًا وَعِظَامًا أَئِنَّا لَمَبْعُوثُونَ ﴿١٦﴾
(তারা প্রশ্ন তোলে, এ আবার কেমন কথা, ) আমরা মরে গিয়ে হাড় ও মাটিতে পরিণত হয়ে যাবো, তখনও কি আমাদের (পুনরায়) জীবিত করা হবে? [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১৭﴿
﴾ ৩৭:১৭ ﴿
أَوَآبَاؤُنَا الْأَوَّلُونَ ﴿١٧﴾
আমাদের পিতৃপুরুষদেরও (এভাবে ওঠানো হবে) ? [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১৮﴿
﴾ ৩৭:১৮ ﴿
قُلْ نَعَمْ وَأَنْتُمْ دَاخِرُونَ ﴿١٨﴾
(হে নবী, এদের) তুমি বলো, হ্যাঁ (অবশ্যই, সেদিন) তোমরা লাঞ্ছিত হবে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১৯﴿
﴾ ৩৭:১৯ ﴿
فَإِنَّمَا هِيَ زَجْرَةٌ وَاحِدَةٌ فَإِذَا هُمْ يَنْظُرُونَ ﴿١٩﴾
যখন (কেয়ামত) হবে, (তখন) একটি মাত্র প্রচন্ড গর্জন হবে, সাথে সাথেই এরা (সবকিছু) দেখতে পাবে । [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:২০﴿
﴾ ৩৭:২০ ﴿
وَقَالُوا يَاوَيْلَنَا هَذَا يَوْمُ الدِّينِ ﴿٢٠﴾
(যারা অস্বীকার করেছিলো) তারা (সেদিন এটা দেখে) বলবে, পোড়া কপাল আমাদের, এটাই তো হচ্ছে (সেই) প্রতিদান পাওয়ার দিন। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:২১﴿
﴾ ৩৭:২১ ﴿
هَذَا يَوْمُ الْفَصْلِ الَّذِي كُنْتُمْ بِهِ تُكَذِّبُونَ ﴿٢١﴾
(তাদের বলা হবে) হ্যাঁ, এটাই হচ্ছে চুড়ান্ত ফয়সালার দিন, যাকে তোমরা (নিরন্তর) মিথ্যা প্রতিপন্ন করতে [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:২২﴿
﴾ ৩৭:২২ ﴿
احْشُرُوا الَّذِينَ ظَلَمُوا وَأَزْوَاجَهُمْ وَمَا كَانُوا يَعْبُدُونَ ﴿٢٢﴾
(ফেরেশতাদের আদেশ দেয়া হবে যাও, ) তোমরা যালেমদের এবং তাদের সংগী-সংগিনীদের (ধরে ধরে) জমা করো, তাদের (দোসরদের) -ও, যারা তাদের গোলামী করতো (এদের সবাইকে এক জায়গায় একত্র করো) , [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:২৩﴿
﴾ ৩৭:২৩ ﴿
مِنْ دُونِ اللَّهِ فَاهْدُوهُمْ إِلَى صِرَاطِ الْجَحِيمِ ﴿٢٣﴾
আল্লাহ তায়ালাকে বাদ দিয়ে (যাদের এরা মাবুদ বানাতো) তাদেরও (এক সাথে) জাহান্নামের রাস্তা দেখিয়ে দাও । [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:২৪﴿
﴾ ৩৭:২৪ ﴿
وَقِفُوهُمْ إِنَّهُمْ مَسْئُولُونَ ﴿٢٤﴾
হ্যাঁ, (সেখানে পাঠাবার আগে) তাদের (এখানে) একটুখানি দাঁড় করাও, তারা অবশ্যই (আজ) জিজ্ঞাসিত হবে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:২৫﴿
﴾ ৩৭:২৫ ﴿
مَا لَكُمْ لَا تَنَاصَرُونَ ﴿٢٥﴾
তোমাদের এ কী হলো, (জবাব দেয়ার সময়) তোমরা আজ একে অপরকে সাহায্য করছো না যে! [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:২৬﴿
﴾ ৩৭:২৬ ﴿
بَلْ هُمُ الْيَوْمَ مُسْتَسْلِمُونَ ﴿٢٦﴾
(না, ) আজ তো (দেখছি) এরা সবাই সত্যি সত্যিই আত্মসমর্পণকারী (বনে গেছে) ! [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:২৭﴿
﴾ ৩৭:২৭ ﴿
وَأَقْبَلَ بَعْضُهُمْ عَلَى بَعْضٍ يَتَسَاءَلُونَ ﴿٢٧﴾
(এ সময়) তারা একে অপরের দিকে মুখ করে পরস্পরকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে থাকবে। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:২৮﴿
﴾ ৩৭:২৮ ﴿
قَالُوا إِنَّكُمْ كُنْتُمْ تَأْتُونَنَا عَنِ الْيَمِينِ ﴿٢٨﴾
(দুর্বল দলটি শক্তিশালী দলকে) বলবে, তোমরাই তো তোমাদের ক্ষমতা নিয়ে আমাদের কাছে আসতে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:২৯﴿
﴾ ৩৭:২৯ ﴿
قَالُوا بَلْ لَمْ تَكُونُوا مُؤْمِنِينَ ﴿٢٩﴾
তারা বলবে (আমাদের দোষারোপ করছো কেন) , তোমরা তো আদৌ (আল্লাহতে) বিশ্বাসীই ছিলে না, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৩০﴿
﴾ ৩৭:৩০ ﴿
وَمَا كَانَ لَنَا عَلَيْكُمْ مِنْ سُلْطَانٍ بَلْ كُنْتُمْ قَوْمًا طَاغِينَ ﴿٣٠﴾
তোমাদের উপর আমাদের কোনো (জবরদস্তিমুলক) কর্তিত্বও তো ছিলো না, বরং তোমরা নিজেরাই ছিলে মারাত্মক সীমালংঘনকারী। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৩১﴿
﴾ ৩৭:৩১ ﴿
فَحَقَّ عَلَيْنَا قَوْلُ رَبِّنَا إِنَّا لَذَائِقُونَ ﴿٣١﴾
(এ সময় তাদের উভয়ের পক্ষ থেকে ঘোষণা হবে, ) আজ আমাদের (উভয়ের) উপর আমাদের মালিকের ঘোষণাই সত্য হয়েছে, (আজ) আমরা (উভয়েই জাহান্নামের) শাস্তি আস্বাদনকারী। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৩২﴿
﴾ ৩৭:৩২ ﴿
فَأَغْوَيْنَاكُمْ إِنَّا كُنَّا غَاوِينَ ﴿٣٢﴾
আমরা (আসলেই) তোমাদের বিভ্রান্ত করেছিলাম, আমরা নিজেরাও ছিলাম বিভ্রান্ত! [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৩৩﴿
﴾ ৩৭:৩৩ ﴿
فَإِنَّهُمْ يَوْمَئِذٍ فِي الْعَذَابِ مُشْتَرِكُونَ ﴿٣٣﴾
সেদিন তারা (সবাই) এই আযাবে সমভাগী হবে । [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৩৪﴿
﴾ ৩৭:৩৪ ﴿
إِنَّا كَذَلِكَ نَفْعَلُ بِالْمُجْرِمِينَ ﴿٣٤﴾
আমি না-ফরমান লোকদের সাথে এ ধরনের আচরণই করে থাকি। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৩৫﴿
﴾ ৩৭:৩৫ ﴿
إِنَّهُمْ كَانُوا إِذَا قِيلَ لَهُمْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ يَسْتَكْبِرُونَ ﴿٣٥﴾
এরা এমন (বিদ্রোহী) ছিলো, যখন এদের বলা হতো, আল্লাহ তায়ালা ছাড়া অন্য কোনো মাবুদ নেই, তখন তারা অহংকারে ফেটে পড়তো, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৩৬﴿
﴾ ৩৭:৩৬ ﴿
وَيَقُولُونَ أَئِنَّا لَتَارِكُو آلِهَتِنَا لِشَاعِرٍ مَجْنُونٍ ﴿٣٦﴾
এরা বলতো, আমরা কি একজন পাগল কবিয়ালের কথায় আমাদের মাবুদদের (আনুগত্য) ছেড়ে দেবো? [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৩৭﴿
﴾ ৩৭:৩৭ ﴿
بَلْ جَاءَ بِالْحَقِّ وَصَدَّقَ الْمُرْسَلِينَ ﴿٣٧﴾
(অথচ আমার নবী কোনো কাব্য নিয়ে আসেনি, ) বরং সে এসেছে সত্য (দ্বীন) নিয়ে এবং সে (আগের) নবীদের সত্যতাও স্বীকার করছে। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৩৮﴿
﴾ ৩৭:৩৮ ﴿
إِنَّكُمْ لَذَائِقُو الْعَذَابِ الْأَلِيمِ ﴿٣٨﴾
(হে অপরাধীরা, ) তোমাদের (আজ) অবশ্যই (জাহান্নামের) ভয়াবহ আযাব ভোগ করতে হবে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৩৯﴿
﴾ ৩৭:৩৯ ﴿
وَمَا تُجْزَوْنَ إِلَّا مَا كُنْتُمْ تَعْمَلُونَ ﴿٣٩﴾
তোমরা যা কিছু (দুনিয়ায়) করতে (আজ) তোমাদের কেবল তারই প্রতিফল দান করা হবে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৪০﴿
﴾ ৩৭:৪০ ﴿
إِلَّا عِبَادَ اللَّهِ الْمُخْلَصِينَ ﴿٤٠﴾
তবে আল্লাহ তায়ালার নিষ্ঠাবান বান্দাদের কথা আলাদা, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৪১﴿
﴾ ৩৭:৪১ ﴿
أُولَئِكَ لَهُمْ رِزْقٌ مَعْلُومٌ ﴿٤١﴾
তাদের জন্যে (আল্লাহ তায়ালার) সুনির্দিষ্ট (উত্তম) রিযিকের ব্যবস্থা থাকবে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৪২﴿
﴾ ৩৭:৪২ ﴿
فَوَاكِهُ وَهُمْ مُكْرَمُونَ ﴿٤٢﴾
থাকবে রকমারি ফলমুল, (তদুপরি) তারা হবে মহাসম্মানে সম্মানিত, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৪৩﴿
﴾ ৩৭:৪৩ ﴿
فِي جَنَّاتِ النَّعِيمِ ﴿٤٣﴾
নেয়ামতে ভরপুর জান্নাতে (তারা অবস্থান করবে) , [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৪৪﴿
﴾ ৩৭:৪৪ ﴿
عَلَى سُرُرٍ مُتَقَابِلِينَ ﴿٤٤﴾
তারা পরস্পর মুখোমুখি হয়ে (মর্যাদার) আসনে সমাসীন থাকবে। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৪৫﴿
﴾ ৩৭:৪৫ ﴿
يُطَافُ عَلَيْهِمْ بِكَأْسٍ مِنْ مَعِينٍ ﴿٤٥﴾
ঘুরে ঘুরে বিশুদ্ধ সুরা তাদের পরিবেশন করা হবে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৪৬﴿
﴾ ৩৭:৪৬ ﴿
بَيْضَاءَ لَذَّةٍ لِلشَّارِبِينَ ﴿٤٦﴾
শুভ্র ও সমুজ্জ্বল, যা (হবে) পানকারীদের জন্যে সুস্বাদু, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৪৭﴿
﴾ ৩৭:৪৭ ﴿
لَا فِيهَا غَوْلٌ وَلَا هُمْ عَنْهَا يُنْزَفُونَ ﴿٤٧﴾
তাতে কোনো রকম মাথা ঘুরানির মতো ক্ষতিকর কিছু থাকবে না এবং তার কারণে তারা মাতালও হবে না । [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৪৮﴿
﴾ ৩৭:৪৮ ﴿
وَعِنْدَهُمْ قَاصِرَاتُ الطَّرْفِ عِينٌ ﴿٤٨﴾
তাদের সাথে (আরো) থাকবে সলজ্জ, নম্র ও আয়তলোচনা তরুণীরা, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৪৯﴿
﴾ ৩৭:৪৯ ﴿
كَأَنَّهُنَّ بَيْضٌ مَكْنُونٌ ﴿٤٩﴾
তারা যেন (সযত্নে) লুকিয়ে রাখা ডিমের মতো উজ্জ্বল গৌর বর্ণ (সুন্দরী) । [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৫০﴿
﴾ ৩৭:৫০ ﴿
فَأَقْبَلَ بَعْضُهُمْ عَلَى بَعْضٍ يَتَسَاءَلُونَ ﴿٥٠﴾
অতঃপর এর (জান্নাতের) অধিবাসীরা একজন আরেক জনের দিকে ফিরে (নিজেদের হাল অবস্থা) জিজ্ঞেস করবে। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৫১﴿
﴾ ৩৭:৫১ ﴿
قَالَ قَائِلٌ مِنْهُمْ إِنِّي كَانَ لِي قَرِينٌ ﴿٥١﴾
(এ সময় তাদের মাঝ থেকে একজন বলে ওঠবে, (হ্যাঁ, দুনিয়ার জীবনে) আমার একজন সাথী ছিলো, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৫২﴿
﴾ ৩৭:৫২ ﴿
يَقُولُ أَئِنَّكَ لَمِنَ الْمُصَدِّقِينَ ﴿٥٢﴾
৫২ যে (আশ্চর্য হয়েই আমাকে) বলতো, তুমিও কি (কেয়ামত) বিশ্বাসীদের একজন? [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৫৩﴿
﴾ ৩৭:৫৩ ﴿
أَئِذَا مِتْنَا وَكُنَّا تُرَابًا وَعِظَامًا أَئِنَّا لَمَدِينُونَ ﴿٥٣﴾
(তুমিও কি বিশ্বাস করো, ) আমরা যখন মরে যাবো এবং যখন হাড্ডি ও মাটিতে পরিণত হয়ে যাবো, তখন (আমরা পুনরুত্থিত হবো এবং) আমাদের সবাইকে (আমাদের কাজকর্মের) প্রতিফল দেয়া হবে? [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৫৪﴿
﴾ ৩৭:৫৪ ﴿
قَالَ هَلْ أَنْتُمْ مُطَّلِعُونَ ﴿٥٤﴾
(এ সময় আল্লাহর পক্ষ থেকে ডাক আসবে, আচ্ছা) তোমরা কি একটু উঁকি দিয়ে (তোমাদের সে সাথীকে এক ন্যর) দেখতে চাও? [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৫৫﴿
﴾ ৩৭:৫৫ ﴿
فَاطَّلَعَ فَرَآهُ فِي سَوَاءِ الْجَحِيمِ ﴿٥٥﴾
অতঃপর সে (একটু ঝুঁকে) তাকে দেখতে পাবে, (সে রয়েছে) জাহান্নামের (ঠিক) মাঝখানে। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৫৬﴿
﴾ ৩৭:৫৬ ﴿
قَالَ تَاللَّهِ إِنْ كِدْتَ لَتُرْدِينِ ﴿٥٦﴾
(তাকে আযাবে জ্বলতে দেখে) সে বলবে, আল্লাহ তায়ালার কসম, (দুনিয়াতে) তুমি তো আমাকে প্রায় ধ্বংসই করে ফেলেছিলে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৫৭﴿
﴾ ৩৭:৫৭ ﴿
وَلَوْلَا نِعْمَةُ رَبِّي لَكُنْتُ مِنَ الْمُحْضَرِينَ ﴿٥٧﴾
(আমার উপর) আমার মালিকের অনুগ্রহ না থাকলে আমিও আজ (তোমার মতো আযাবে) গ্রেফতার করা এ (লোকদের) দলে শামিল থাকতাম। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৫৮﴿
﴾ ৩৭:৫৮ ﴿
أَفَمَا نَحْنُ بِمَيِّتِينَ ﴿٥٨﴾
(হ্যাঁ, এখন তো) আমাদের আর মৃত্যু হবে না! [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৫৯﴿
﴾ ৩৭:৫৯ ﴿
إِلَّا مَوْتَتَنَا الْأُولَى وَمَا نَحْنُ بِمُعَذَّبِينَ ﴿٥٩﴾
অবশ্য আমাদের প্রথম মৃত্যুর কথা আলাদা, (এখন তো) আমাদের (আর কোনো রকম) আযাবও দেয়া হবে । [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৬০﴿
﴾ ৩৭:৬০ ﴿
إِنَّ هَذَا لَهُوَ الْفَوْزُ الْعَظِيمُ ﴿٦٠﴾
(সমস্বরে তারা সবাই বলবে, ) অবশ্যই এটা হচ্ছে এক বড়ো ধরনের সাফল্য। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৬১﴿
﴾ ৩৭:৬১ ﴿
لِمِثْلِ هَذَا فَلْيَعْمَلِ الْعَامِلُونَ ﴿٦١﴾
এ ধরনের (মহা সাফল্যের) জন্যে কর্ম সম্পাদনকারীদের অবশ্যই কাজ করে যাওয়া উচিত। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৬২﴿
﴾ ৩৭:৬২ ﴿
أَذَلِكَ خَيْرٌ نُزُلًا أَمْ شَجَرَةُ الزَّقُّومِ ﴿٦٢﴾
(বলো তো! আল্লাহর বান্দাদের জন্যে) এ মেহমানদারী ভালো না (আযাবের) যাকুমম বৃক্ষ (ভালো) ? [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৬৩﴿
﴾ ৩৭:৬৩ ﴿
إِنَّا جَعَلْنَاهَا فِتْنَةً لِلظَّالِمِينَ ﴿٦٣﴾
যালেমদের জন্যে আমি তা বিপদস্বরূপ বানিয়ে রেখেছি। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৬৪﴿
﴾ ৩৭:৬৪ ﴿
إِنَّهَا شَجَرَةٌ تَخْرُجُ فِي أَصْلِ الْجَحِيمِ ﴿٦٤﴾
(মুলত) তা হচ্ছে এমন একটি গাছ, যা জাহান্নামের তলদেশ থেকে উদগত হয়, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৬৫﴿
﴾ ৩৭:৬৫ ﴿
طَلْعُهَا كَأَنَّهُ رُءُوسُ الشَّيَاطِينِ ﴿٦٥﴾
তার ফলগুলো এমন (বিশ্রী) , মনে হবে তা বুঝি (একেকটা) শয়তানের মাথা; [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৬৬﴿
﴾ ৩৭:৬৬ ﴿
فَإِنَّهُمْ لَآكِلُونَ مِنْهَا فَمَالِئُونَ مِنْهَا الْبُطُونَ ﴿٦٦﴾
(যারা জাহান্নামের অধিবাসী) তারা এ থেকেই ভক্ষণ করবে এবং এ দিয়েই তাদের পেট ভর্তি করবে; [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৬৭﴿
﴾ ৩৭:৬৭ ﴿
ثُمَّ إِنَّ لَهُمْ عَلَيْهَا لَشَوْبًا مِنْ حَمِيمٍ ﴿٦٧﴾
অতঃপর তার উপর ফুটন্তপানি (ও পুঁজ) মিলিয়ে তাদের (পান করার জন্যে) দেয়া হবে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৬৮﴿
﴾ ৩৭:৬৮ ﴿
ثُمَّ إِنَّ مَرْجِعَهُمْ لَإِلَى الْجَحِيمِ ﴿٦٨﴾
তারপর নিঃসন্দেহে তাদের প্রত্যাবর্তনস্থল হবে (অতলান্ত) জাহান্নামের দিকে। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৬৯﴿
﴾ ৩৭:৬৯ ﴿
إِنَّهُمْ أَلْفَوْا آبَاءَهُمْ ضَالِّينَ ﴿٦٩﴾
নিঃসন্দেহে তারা তাদের মাতাপিতাকে গোমরাহ হিসেবে পেয়েছে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৭০﴿
﴾ ৩৭:৭০ ﴿
فَهُمْ عَلَى آثَارِهِمْ يُهْرَعُونَ ﴿٧٠﴾
তারপরেও (নির্বিচারে) তারা তাদের (গোমরাহ পিতা মাতাদের) পদাঙ্ক অনুসরণ করে চলেছে। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৭১﴿
﴾ ৩৭:৭১ ﴿
وَلَقَدْ ضَلَّ قَبْلَهُمْ أَكْثَرُ الْأَوَّلِينَ ﴿٧١﴾
তাদের আগে (তাদের) পুর্ববর্তীদের অধিকাংশ লোকও (এভাবে) গোমরাহ হয়ে গিয়েছিলো, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৭২﴿
﴾ ৩৭:৭২ ﴿
وَلَقَدْ أَرْسَلْنَا فِيهِمْ مُنْذِرِينَ ﴿٧٢﴾
তাদের মধ্যেও আমি সতর্ককারী (নবী) পাঠিয়েছিলাম। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৭৩﴿
﴾ ৩৭:৭৩ ﴿
فَانْظُرْ كَيْفَ كَانَ عَاقِبَةُ الْمُنْذَرِينَ ﴿٧٣﴾
অতএব (হে নবী, ) তুমি একবার (চেয়ে) দেখো, যাদের (এভাবে) সতর্ক করা হয়েছিলো তাদের কী (ভয়াবহ) পরিণাম হয়েছে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৭৪﴿
﴾ ৩৭:৭৪ ﴿
إِلَّا عِبَادَ اللَّهِ الْمُخْلَصِينَ ﴿٧٤﴾
অবশ্য আল্লাহ তায়ালার নিষ্ঠাবান বান্দাদের কথা আলাদা (তারা আযাব থেকে একান্ত নিরাপদ) । [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৭৫﴿
﴾ ৩৭:৭৫ ﴿
وَلَقَدْ نَادَانَا نُوحٌ فَلَنِعْمَ الْمُجِيبُونَ ﴿٧٥﴾
(এক সময়) নুহও (সাহায্য চেয়ে) আমাকে ডেকেছিলো, (তার জন্যে) কতো উত্তম সাড়াদানকারী (ছিলাম) আমি, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৭৬﴿
﴾ ৩৭:৭৬ ﴿
وَنَجَّيْنَاهُ وَأَهْلَهُ مِنَ الْكَرْبِ الْعَظِيمِ ﴿٧٦﴾
তাকে এবং তার পরিবার পরিজনদের আমি এক মহাসংকট থেকে উদ্ধার করেছি, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৭৭﴿
﴾ ৩৭:৭৭ ﴿
وَجَعَلْنَا ذُرِّيَّتَهُ هُمُ الْبَاقِينَ ﴿٧٧﴾
তারই বংশধরদের আমি (দুনিয়ার বুকে) অবশিষ্ট রেখে দিয়েছি, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৭৮﴿
﴾ ৩৭:৭৮ ﴿
وَتَرَكْنَا عَلَيْهِ فِي الْآخِرِينَ ﴿٧٨﴾
অনাগত মানুষদের মাঝে আমি তার (উত্তম) স্মরণ অব্যাহত রেখেছি, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৭৯﴿
﴾ ৩৭:৭৯ ﴿
سَلَامٌ عَلَى نُوحٍ فِي الْعَالَمِينَ ﴿٧٩﴾
৭৯, সৃষ্টিকুলের মাঝে নুহের উপর সালাম বর্ষিত হোক। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৮০﴿
﴾ ৩৭:৮০ ﴿
إِنَّا كَذَلِكَ نَجْزِي الْمُحْسِنِينَ ﴿٨٠﴾
অবশ্যই আমি এভাবে সৎকর্মপরায়ণদের পুরস্কৃত করি। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৮১﴿
﴾ ৩৭:৮১ ﴿
إِنَّهُ مِنْ عِبَادِنَا الْمُؤْمِنِينَ ﴿٨١﴾
নিঃসন্দেহে সে ছিলো আমার মু’মিন বান্দাদের অন্যতম । [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৮২﴿
﴾ ৩৭:৮২ ﴿
ثُمَّ أَغْرَقْنَا الْآخَرِينَ ﴿٨٢﴾
অতঃপর (তার জাতির) অবশিষ্ট (কাফের) সকলকে আমি (বন্যার পানিতে) ডুবিয়ে দিয়েছি। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৮৩﴿
﴾ ৩৭:৮৩ ﴿
وَإِنَّ مِنْ شِيعَتِهِ لَإِبْرَاهِيمَ ﴿٨٣﴾
নুহের (পথ অনুসারী) দলের মাঝে ইবরাহীমও ছিলো একজন। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৮৪﴿
﴾ ৩৭:৮৪ ﴿
إِذْ جَاءَ رَبَّهُ بِقَلْبٍ سَلِيمٍ ﴿٨٤﴾
যখন সে বিশুদ্ধ মনে তার মালিকের কাছে হাযির হয়েছিলো। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৮৫﴿
﴾ ৩৭:৮৫ ﴿
إِذْ قَالَ لِأَبِيهِ وَقَوْمِهِ مَاذَا تَعْبُدُونَ ﴿٨٥﴾
যখন সে তার পিতা ও তার জাতিকে জিজ্ঞেস করেছিলো (হায়) ! তোমরা (সবাই এসব) কিসের পূজা করছো? [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৮৬﴿
﴾ ৩৭:৮৬ ﴿
أَئِفْكًا آلِهَةً دُونَ اللَّهِ تُرِيدُونَ ﴿٨٦﴾
তোমরা কি আল্লাহকে বাদ দিয়ে মনগড়া মাবুদদেরই (পেতে) চাও? [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৮৭﴿
﴾ ৩৭:৮৭ ﴿
فَمَا ظَنُّكُمْ بِرَبِّ الْعَالَمِينَ ﴿٨٧﴾
(বলো, ) এ সৃষ্টিকুলের মালিক সম্পর্কে তোমাদের ধারণা কী? [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৮৮﴿
﴾ ৩৭:৮৮ ﴿
فَنَظَرَ نَظْرَةً فِي النُّجُومِ ﴿٨٨﴾
অতঃপর সে একবার (সত্যের সন্ধানে) তারকারাজির দিকে তাকালো [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৮৯﴿
﴾ ৩৭:৮৯ ﴿
فَقَالَ إِنِّي سَقِيمٌ ﴿٨٩﴾
অতঃপর বললো, সত্যিই আমি অসুস্থ। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৯০﴿
﴾ ৩৭:৯০ ﴿
فَتَوَلَّوْا عَنْهُ مُدْبِرِينَ ﴿٩٠﴾
(অতঃপর) লোকেরা (তার থেকে নিরাশ হয়ে) সবাই চলে গেলো। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৯১﴿
﴾ ৩৭:৯১ ﴿
فَرَاغَ إِلَى آلِهَتِهِمْ فَقَالَ أَلَا تَأْكُلُونَ ﴿٩١﴾
পরে সে (চুপি চুপি) তাদের দেবতাদের (মন্দিরের) কাছে গেলো এবং (দেবতাদের প্রতি তামাশাচ্ছলে) বললো, কি ব্যাপার (এতো প্রসাদ এখানে পড়ে আছে) , তোমরা খাচ্ছো না যে! [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৯২﴿
﴾ ৩৭:৯২ ﴿
مَا لَكُمْ لَا تَنْطِقُونَ ﴿٩٢﴾
এ কি হলো তোমাদের, তোমরা কি কথাও বলো না? [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৯৩﴿
﴾ ৩৭:৯৩ ﴿
فَرَاغَ عَلَيْهِمْ ضَرْبًا بِالْيَمِينِ ﴿٩٣﴾
অতঃপর সে ওদের উপর সবলে আঘাত হানলো । [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৯৪﴿
﴾ ৩৭:৯৪ ﴿
فَأَقْبَلُوا إِلَيْهِ يَزِفُّونَ ﴿٩٤﴾
(লোকেরা যখন এটা শুনলো) তখন তারা দৌড়াতে দৌড়াতে তার দিকে ছুটে এলো । [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৯৫﴿
﴾ ৩৭:৯৫ ﴿
قَالَ أَتَعْبُدُونَ مَا تَنْحِتُونَ ﴿٩٥﴾
(তাকে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে) সে বললো, তোমরা কি এমন কিছুর পূজা করো, যাদের তোমরা নিজেরাই (পাথর) খোদাই করে নির্মাণ করো, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৯৬﴿
﴾ ৩৭:৯৬ ﴿
وَاللَّهُ خَلَقَكُمْ وَمَا تَعْمَلُونَ ﴿٩٦﴾
অথচ আল্লাহ তায়ালাই তোমাদের সৃষ্টি করেছেন এবং (সৃষ্টি করেছেন) তোমরা যা কিছু (মাবুদ) বানাও তাদেরও । [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৯৭﴿
﴾ ৩৭:৯৭ ﴿
قَالُوا ابْنُوا لَهُ بُنْيَانًا فَأَلْقُوهُ فِي الْجَحِيمِ ﴿٩٧﴾
(এ কথা শুনে) তারা (একজন আরেকজনকে) বললো, তার জন্যে একটি অগ্নিকুন্ড প্রস্তুত করো (এবং তাতে আগুন জ্বালাও) , অতঃপর (সে) জ্বলন্ত আগুনে তাকে নিক্ষেপ করো। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৯৮﴿
﴾ ৩৭:৯৮ ﴿
فَأَرَادُوا بِهِ كَيْدًا فَجَعَلْنَاهُمُ الْأَسْفَلِينَ ﴿٩٨﴾
তারা (এর মাধ্যমে আসলে) তার বিরুদ্ধে একটা ষড়যন্ত্র আঁটতে চেয়েছিলো, কিন্তু আমি তাদের (চক্রান্ত ব্যর্থ ও) হীন করে দিলাম। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:৯৯﴿
﴾ ৩৭:৯৯ ﴿
وَقَالَ إِنِّي ذَاهِبٌ إِلَى رَبِّي سَيَهْدِينِ ﴿٩٩﴾
এবার সে বললো, আমি এবার আমার মালিকের (রাস্তার) দিকে বেরিয়ে পড়লাম, (আমি বিশ্বাস করি) অবশ্যই তিনি আমাকে সঠিক পথে পরিচালিত করবেন। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১০০﴿
﴾ ৩৭:১০০ ﴿
رَبِّ هَبْ لِي مِنَ الصَّالِحِينَ ﴿١٠٠﴾
(অতঃপর সে আল্লাহ তায়ালার দরবারে দোয়া করলো, ) হে আমার মালিক, আমাকে তুমি একজন নেক সন্তান দান করো] [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১০১﴿
﴾ ৩৭:১০১ ﴿
فَبَشَّرْنَاهُ بِغُلَامٍ حَلِيمٍ ﴿١٠١﴾
এরপর আমি তাকে একজন ধৈর্যশীল পুত্রের সুসংবাদ দিলাম। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১০২﴿
﴾ ৩৭:১০২ ﴿
فَلَمَّا بَلَغَ مَعَهُ السَّعْيَ قَالَ يَابُنَيَّ إِنِّي أَرَى فِي الْمَنَامِ أَنِّي أَذْبَحُكَ فَانْظُرْ مَاذَا تَرَى قَالَ يَاأَبَتِ افْعَلْ مَا تُؤْمَرُ سَتَجِدُنِي إِنْ شَاءَ اللَّهُ مِنَ الصَّابِرِينَ ﴿١٠٢﴾
সে যখন তার (পিতার) সাথে দৌড়াদৌড়ি করার মতো (বয়সের) অবস্থায় উপনীত হলো, তখন সে (ছেলেকে) বললো, হে বৎস, আমি স্বপ্নে দেখি, আমি (যেন) তোমাকে যবাই করছি, (বলো এ ব্যাপারে) তোমার অভিমত কি? (স্বপ্নের কথা শুনে) সে বললো, হে আমার (স্নেহপরায়ণ) আব্বাজান, আপনাকে যা আদেশ করা হয়েছে আপনি (অবিলম্বে) তা পালন করুন, ইনশাআল্লাহ আপনি আমাকে (এ সময়েও) ধৈর্যশীলদের মাঝে পাবেন। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১০৩﴿
﴾ ৩৭:১০৩ ﴿
فَلَمَّا أَسْلَمَا وَتَلَّهُ لِلْجَبِينِ ﴿١٠٣﴾
অতঃপর যখন তারা (পিতাপুত্র) দুজনই (আল্লাহ তায়ালার ইচ্ছার সামনে) আত্মসমর্পণ করলো এবং সে তাকে (যবাই করার উদ্দেশ্যে) কাত করে শুইয়ে দিলো, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১০৪﴿
﴾ ৩৭:১০৪ ﴿
وَنَادَيْنَاهُ أَنْ يَا إِبْرَاهِيمُ ﴿١٠٤﴾
তখন আমি তাকে ডাক দিয়ে বললাম, হে ইবরাহীম, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১০৫﴿
﴾ ৩৭:১০৫ ﴿
قَدْ صَدَّقْتَ الرُّؤْيَا إِنَّا كَذَلِكَ نَجْزِي الْمُحْسِنِينَ ﴿١٠٥﴾
তুমি (আমার দেখানো) স্বপ্ন সত্য প্রমাণ করেছো, (আমি তোমাদের উভয়কেই মর্যাদাবান করবো, মুলত) আমি এভাবেই সঙ্কর্মশীল মানুষদের পুরস্কার দিয়ে থাকি। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১০৬﴿
﴾ ৩৭:১০৬ ﴿
إِنَّ هَذَا لَهُوَ الْبَلَاءُ الْمُبِينُ ﴿١٠٦﴾
এটা ছিলো (তাদের উভয়ের জন্যে) একটা সুস্পষ্ট পরীক্ষা মাত্র! [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১০৭﴿
﴾ ৩৭:১০৭ ﴿
وَفَدَيْنَاهُ بِذِبْحٍ عَظِيمٍ ﴿١٠٧﴾
(এ কারণেই) আমি তার (ছেলের) পরিবর্তে (আমার নিজের পক্ষ থেকে) একটা বড়ো কোরবানী (-র জন্তু সেখানে) দান করলাম। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১০৮﴿
﴾ ৩৭:১০৮ ﴿
وَتَرَكْنَا عَلَيْهِ فِي الْآخِرِينَ ﴿١٠٨﴾
(অনাগত মানুষদের জন্যে এ বিধান চালু রেখে) তার স্মরণ আমি অব্যাহত রেখে দিলাম । [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১০৯﴿
﴾ ৩৭:১০৯ ﴿
سَلَامٌ عَلَى إِبْرَاهِيمَ ﴿١٠٩﴾
শান্তি বর্ষিত হোক ইবরাহীমের উপর । [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১১০﴿
﴾ ৩৭:১১০ ﴿
كَذَلِكَ نَجْزِي الْمُحْسِنِينَ ﴿١١٠﴾
এভাবেই আমি (আমার) নেক বান্দাদের পুরস্কার দিয়ে থাকি। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১১১﴿
﴾ ৩৭:১১১ ﴿
إِنَّهُ مِنْ عِبَادِنَا الْمُؤْمِنِينَ ﴿١١١﴾
অবশ্যই সে ছিলো আমার মু’মিন বান্দাদের একজন। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১১২﴿
﴾ ৩৭:১১২ ﴿
وَبَشَّرْنَاهُ بِإِسْحَاقَ نَبِيًّا مِنَ الصَّالِحِينَ ﴿١١٢﴾
(কিছুদিন পর) আমি তাকে (এ মর্মে) ইসহাকের (জন্মের) সুসংবাদ দান করলাম যে, সে (হবে) নবী ও আমার নেক বান্দাদের একজন। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১১৩﴿
﴾ ৩৭:১১৩ ﴿
وَبَارَكْنَا عَلَيْهِ وَعَلَى إِسْحَاقَ وَمِنْ ذُرِّيَّتِهِمَا مُحْسِنٌ وَظَالِمٌ لِنَفْسِهِ مُبِينٌ ﴿١١٣﴾
আমি তার উপর (ও তার সন্তান) ইসহাকের উপর আমার (অগণিত) বরকত নাযিল করেছি; তাদের উভয়ের বংশধরদের মাঝে কিছু সকর্মশীল মানুষ (যেমন) আছে, তেমনি) আছে কিছু না-ফরমান, যারা নিজেদের উপর নিজেরা যুলুম করে স্পষ্ট অত্যাচারী (হয়ে বসে আছে) ! [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১১৪﴿
﴾ ৩৭:১১৪ ﴿
وَلَقَدْ مَنَنَّا عَلَى مُوسَى وَهَارُونَ ﴿١١٤﴾
আমি মুসা ও হারূনের উপর (অনেক) অনুগ্রহ করেছি, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১১৫﴿
﴾ ৩৭:১১৫ ﴿
وَنَجَّيْنَاهُمَا وَقَوْمَهُمَا مِنَ الْكَرْبِ الْعَظِيمِ ﴿١١٥﴾
আমি তাদের দুজনকে ও তাদের জাতিকে বড়ো (রকমের এক) সংকট থেকে উদ্ধার করেছি, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১১৬﴿
﴾ ৩৭:১১৬ ﴿
وَنَصَرْنَاهُمْ فَكَانُوا هُمُ الْغَالِبِينَ ﴿١١٦﴾
আমি (ফেরাউনের মোকাবেলায়) তাদের (প্রভূত) সাহায্য করেছি, ফলে (এক পর্যায়ে) তারা বিজয়ীও হয়েছে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১১৭﴿
﴾ ৩৭:১১৭ ﴿
وَآتَيْنَاهُمَا الْكِتَابَ الْمُسْتَبِينَ ﴿١١٧﴾
আমি তাদের উভয়কে বিশদ গ্রন্থ (তাওরাত) দান করেছি, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১১৮﴿
﴾ ৩৭:১১৮ ﴿
وَهَدَيْنَاهُمَا الصِّرَاطَ الْمُسْتَقِيمَ ﴿١١٨﴾
(এর মাধ্যমে) তাদের উভয়কে আমি (দ্বীনের) সহজ পথ বাতলে দিয়েছি, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১১৯﴿
﴾ ৩৭:১১৯ ﴿
وَتَرَكْنَا عَلَيْهِمَا فِي الْآخِرِينَ ﴿١١٩﴾
১১৯, আমি অনাগত মানুষদের মাঝে তাদের উত্তম স্মরণ অব্যাহত রেখেছি, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১২০﴿
﴾ ৩৭:১২০ ﴿
سَلَامٌ عَلَى مُوسَى وَهَارُونَ ﴿١٢٠﴾
সালাম বর্ষিত হোক মুসা ও হারূনের উপর। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১২১﴿
﴾ ৩৭:১২১ ﴿
إِنَّا كَذَلِكَ نَجْزِي الْمُحْسِنِينَ ﴿١٢١﴾
অবশ্যই আমি নেককার লোকদের এভাবে পুরস্কার দিয়ে থাকি! [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১২২﴿
﴾ ৩৭:১২২ ﴿
إِنَّهُمَا مِنْ عِبَادِنَا الْمُؤْمِنِينَ ﴿١٢٢﴾
(মুলত) এরা দুজনই ছিলো আমার মু’মিন বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১২৩﴿
﴾ ৩৭:১২৩ ﴿
وَإِنَّ إِلْيَاسَ لَمِنَ الْمُرْسَلِينَ ﴿١٢٣﴾
(আমার বান্দা) ইলিয়াসও ছিলো রসুলদের একজন; [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১২৪﴿
﴾ ৩৭:১২৪ ﴿
إِذْ قَالَ لِقَوْمِهِ أَلَا تَتَّقُونَ ﴿١٢٤﴾
যখন সে তার জাতিকে (ডেকে) বলেছিলো, তোমরা কি আল্লাহ তায়ালাকে ভয় করবে না? [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১২৫﴿
﴾ ৩৭:১২৫ ﴿
أَتَدْعُونَ بَعْلًا وَتَذَرُونَ أَحْسَنَ الْخَالِقِينَ ﴿١٢٥﴾
তোমরা কি ‘বা'ল’ দেবতাকেই ডাকতে থাকবে, (আল্লাহ তায়ালা-) যিনি শ্রেষ্ঠ স্রষ্টা, তাঁকে (এভাবেই) পরিত্যাগ করবে? [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১২৬﴿
﴾ ৩৭:১২৬ ﴿
اللَّهَ رَبَّكُمْ وَرَبَّ آبَائِكُمُ الْأَوَّلِينَ ﴿١٢٦﴾
আল্লাহ তায়ালা যিনি তোমাদের মালিক, মালিক তোমাদের পূর্ববর্তী বাপ দাদাদেরও । [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১২৭﴿
﴾ ৩৭:১২৭ ﴿
فَكَذَّبُوهُ فَإِنَّهُمْ لَمُحْضَرُونَ ﴿١٢٧﴾
কিন্তু তারা তাকে মিথ্যাবাদী সাব্যস্ত করলো, কাজেই অতঃপর তাদের অবশ্যই (দন্ড ভোগ করার জন্যে) হাযির করা হবে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১২৮﴿
﴾ ৩৭:১২৮ ﴿
إِلَّا عِبَادَ اللَّهِ الْمُخْلَصِينَ ﴿١٢٨﴾
১২৮, তবে আল্লাহ তায়ালার নিষ্ঠাবান বান্দাদের কথা আলাদা। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১২৯﴿
﴾ ৩৭:১২৯ ﴿
وَتَرَكْنَا عَلَيْهِ فِي الْآخِرِينَ ﴿١٢٩﴾
আমি অনাগত মানুষদের মধ্যে তার উত্তম স্মরণ বাকী রেখে দিয়েছি, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১৩০﴿
﴾ ৩৭:১৩০ ﴿
سَلَامٌ عَلَى إِلْيَاسِينَ ﴿١٣٠﴾
সালাম বর্ষিত হোক ইলিয়াস (-পন্থী নেক বান্দা) -দের উপর [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১৩১﴿
﴾ ৩৭:১৩১ ﴿
إِنَّا كَذَلِكَ نَجْزِي الْمُحْسِنِينَ ﴿١٣١﴾
(তাদের স্মরণ অব্যাহত রেখে) আমি এভাবেই সৎকর্মপরায়ণ মানুষদের পুরস্কার দিয়ে থাকি। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১৩২﴿
﴾ ৩৭:১৩২ ﴿
إِنَّهُ مِنْ عِبَادِنَا الْمُؤْمِنِينَ ﴿١٣٢﴾
অবশ্যই সে ছিলো আমার নেক বান্দাদের মধ্যে একজন। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১৩৩﴿
﴾ ৩৭:১৩৩ ﴿
وَإِنَّ لُوطًا لَمِنَ الْمُرْسَلِينَ ﴿١٣٣﴾
নিঃসন্দেহে নূতও ছিলো রসুলদের একজন; [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১৩৪﴿
﴾ ৩৭:১৩৪ ﴿
إِذْ نَجَّيْنَاهُ وَأَهْلَهُ أَجْمَعِينَ ﴿١٣٤﴾
যখন আমি তাকে এবং তার সকল পরিবার পরিজনকে (একটি পাপী সম্প্রদায়ের উপর আগত আযাব থেকে) উদ্ধার করেছি, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১৩৫﴿
﴾ ৩৭:১৩৫ ﴿
إِلَّا عَجُوزًا فِي الْغَابِرِينَ ﴿١٣٥﴾
একজন বৃদ্ধা মহিলা বাদে, (কেননা) সে ছিলো পেছনে পড়ে থাকা ধ্বংসপ্রাপ্ত লোকদেরই অন্তর্ভুক্ত। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১৩৬﴿
﴾ ৩৭:১৩৬ ﴿
ثُمَّ دَمَّرْنَا الْآخَرِينَ ﴿١٣٦﴾
অতঃপর অবশিষ্ট সবাইকে আমি বিনাশ করে দিয়েছি। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১৩৭﴿
﴾ ৩৭:১৩৭ ﴿
وَإِنَّكُمْ لَتَمُرُّونَ عَلَيْهِمْ مُصْبِحِينَ ﴿١٣٧﴾
তোমরা তো (ভ্রমণের সময়) তাদের সে (ধ্বংসাবশেষ) -গুলোর উপর দিয়েই ভোর বেলায় (পথ) অতিক্রম করে থাকো, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১৩৮﴿
﴾ ৩৭:১৩৮ ﴿
وَبِاللَّيْلِ أَفَلَا تَعْقِلُونَ ﴿١٣٨﴾
(অতিক্রম করো) প্রতি (সন্ধ্যা ও) রাতের বেলায়; তবুও কি তোমরা (এ ঘটনা থেকে) কিছু শিক্ষা গ্রহণ করবে না? [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১৩৯﴿
﴾ ৩৭:১৩৯ ﴿
وَإِنَّ يُونُسَ لَمِنَ الْمُرْسَلِينَ ﴿١٣٩﴾
ইউনুসও ছিলো রসুলদের একজন; [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১৪০﴿
﴾ ৩৭:১৪০ ﴿
إِذْ أَبَقَ إِلَى الْفُلْكِ الْمَشْحُونِ ﴿١٤٠﴾
(এটা সে সময়ের কথা) যখন সে পালিয়ে গিয়ে একটি (মাল) -ভর্তি নৌযানে পৌঁছুলো, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১৪১﴿
﴾ ৩৭:১৪১ ﴿
فَسَاهَمَ فَكَانَ مِنَ الْمُدْحَضِينَ ﴿١٤١﴾
(নৌকাটি অচল হয়ে যাওয়ায়) আরোহীদের মাঝে এ অলক্ষুণে ব্যক্তি কে, (অতঃপর) লটারির মাধ্যমে তা পরীক্ষা করা হলো এবং (ফলাফল অনুযায়ী) সে (ইউনুসই অলক্ষুণে) অপরাধী সাব্যস্ত হলো, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১৪২﴿
﴾ ৩৭:১৪২ ﴿
فَالْتَقَمَهُ الْحُوتُ وَهُوَ مُلِيمٌ ﴿١٤٢﴾
অতঃপর একটি (বড়ো আকারের) মাছ এসে তাকে গিলে ফেললো, এ অবস্থায় সে (মাছের পেটে বসে) নিজেকে ধিক্কার দিতে লাগলো। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১৪৩﴿
﴾ ৩৭:১৪৩ ﴿
فَلَوْلَا أَنَّهُ كَانَ مِنَ الْمُسَبِّحِينَ ﴿١٤٣﴾
যদি সে (তখন) আল্লাহ তায়ালার পবিত্রতা ও মাহাত্ম ঘোষণা না করতো, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১৪৪﴿
﴾ ৩৭:১৪৪ ﴿
لَلَبِثَ فِي بَطْنِهِ إِلَى يَوْمِ يُبْعَثُونَ ﴿١٤٤﴾
তাহলে তাকে তার পেটে কেয়ামত পর্যন্ত কাটাতে হতো! [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১৪৫﴿
﴾ ৩৭:১৪৫ ﴿
فَنَبَذْنَاهُ بِالْعَرَاءِ وَهُوَ سَقِيمٌ ﴿١٤٥﴾
অতঃপর আমি তাকে (মাছের পেট থেকে বের করে) একটি গাছপালাহীন প্রান্তরে নিক্ষেপ করলাম, (এ সময়) সে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলো, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১৪৬﴿
﴾ ৩৭:১৪৬ ﴿
وَأَنْبَتْنَا عَلَيْهِ شَجَرَةً مِنْ يَقْطِينٍ ﴿١٤٦﴾
(সেখানে) তার উপর (ছায়া দান করার জন্যে) আমি একটি (লতাবিশিষ্ট) লাউ গাছ উদগত করলাম, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১৪৭﴿
﴾ ৩৭:১৪৭ ﴿
وَأَرْسَلْنَاهُ إِلَى مِائَةِ أَلْفٍ أَوْ يَزِيدُونَ ﴿١٤٧﴾
অতঃপর তাকে আমি এক লক্ষ লোকের (জনবসতির) কাছে (নবী বানিয়ে) পাঠালাম; বরং এ সংখ্যা (অন্য হিসেবে ছিলো) আরো বেশী, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১৪৮﴿
﴾ ৩৭:১৪৮ ﴿
فَآمَنُوا فَمَتَّعْنَاهُمْ إِلَى حِينٍ ﴿١٤٨﴾
এরপর তারা (তার উপর) ঈমান আনলো, ফলে আমিও তাদের একটি (সুনির্দিষ্ট) সময় পর্যন্ত জীবনোপভোগ করতে দিলাম; [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১৪৯﴿
﴾ ৩৭:১৪৯ ﴿
فَاسْتَفْتِهِمْ أَلِرَبِّكَ الْبَنَاتُ وَلَهُمُ الْبَنُونَ ﴿١٤٩﴾
(হে নবী, ) এদের তুমি জিজ্ঞেস করো, তারা কি মনে করে, তোমাদের মালিকের জন্যে রয়েছে কন্যা সন্তান আর তাদের জন্য রয়েছে (সব) পুত্র সন্তান? [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১৫০﴿
﴾ ৩৭:১৫০ ﴿
أَمْ خَلَقْنَا الْمَلَائِكَةَ إِنَاثًا وَهُمْ شَاهِدُونَ ﴿١٥٠﴾
আমি কি ফেরেশতাদের মহিলা করেই বানিয়েছিলাম এবং (বানাবার সময় তারা কি সেখানে উপস্থিত ছিলো? [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১৫১﴿
﴾ ৩৭:১৫১ ﴿
أَلَا إِنَّهُمْ مِنْ إِفْكِهِمْ لَيَقُولُونَ ﴿١٥١﴾
সাবধান, তারা কিন্তু এসব কথা নিজেরা নিজেদের মন থেকেই বানিয়ে বলে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১৫২﴿
﴾ ৩৭:১৫২ ﴿
وَلَدَ اللَّهُ وَإِنَّهُمْ لَكَاذِبُونَ ﴿١٥٢﴾
আল্লাহ তায়ালা সন্তান জন্ম দিয়েছেন, (আসলে) ওরা হচ্ছে (সুস্পষ্ট) মিথ্যাবাদী। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১৫৩﴿
﴾ ৩৭:১৫৩ ﴿
أَصْطَفَى الْبَنَاتِ عَلَى الْبَنِينَ ﴿١٥٣﴾
আল্লাহ তায়ালা কি (ছেলেদের উপর অগ্রাধিকার দিয়ে নিজের জন্যে) কন্যা সন্তানদের পছন্দ করেছেন? [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১৫৪﴿
﴾ ৩৭:১৫৪ ﴿
مَا لَكُمْ كَيْفَ تَحْكُمُونَ ﴿١٥٤﴾
এ কি (হলো) তোমাদের? কেমন (অর্থহীন) সিদ্ধান্ত করছো তোমরা? [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১৫৫﴿
﴾ ৩৭:১৫৫ ﴿
أَفَلَا تَذَكَّرُونَ ﴿١٥٥﴾
তোমরা কি (কখনোই কোনো) সদুপদেশ গ্রহণ করবে না? [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১৫৬﴿
﴾ ৩৭:১৫৬ ﴿
أَمْ لَكُمْ سُلْطَانٌ مُبِينٌ ﴿١٥٦﴾
অথবা আছে কি (এর পক্ষে) তোমাদের কাছে কোনো সুস্পষ্ট দলীল প্রমাণ? [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১৫৭﴿
﴾ ৩৭:১৫৭ ﴿
فَأْتُوا بِكِتَابِكُمْ إِنْ كُنْتُمْ صَادِقِينَ ﴿١٥٧﴾
(থাকলে) তোমরা তোমাদের (সে) কিতাব নিয়ে এসো, যদি তোমরা সত্যবাদী হও! [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১৫৮﴿
﴾ ৩৭:১৫৮ ﴿
وَجَعَلُوا بَيْنَهُ وَبَيْنَ الْجِنَّةِ نَسَبًا وَلَقَدْ عَلِمَتِ الْجِنَّةُ إِنَّهُمْ لَمُحْضَرُونَ ﴿١٥٨﴾
এ লোকেরা আল্লাহ তায়ালা ও জ্বিন জাতির মধ্যে একটা সম্পর্ক স্থির করে রেখেছে; অথচ জ্বিনেরা জানে, অন্য বান্দাদের মতোই তারা আল্লাহ তায়ালার আদেশের অধীন এবং তাদের মধ্যে যারা বদকার তাদের অবশ্যই (শাস্তির জন্যে) একদিন উপস্থিত করা হবে। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১৫৯﴿
﴾ ৩৭:১৫৯ ﴿
سُبْحَانَ اللَّهِ عَمَّا يَصِفُونَ ﴿١٥٩﴾
এরা (আল্লাহ তায়ালা সম্পর্কে) যেসব (বেহুদা) কথাবার্তা বলে, আল্লাহ তায়ালা তা থেকে পবিত্র ও মহান, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১৬০﴿
﴾ ৩৭:১৬০ ﴿
إِلَّا عِبَادَ اللَّهِ الْمُخْلَصِينَ ﴿١٦٠﴾
তবে (হ্যাঁ) , যারা আল্লাহ তায়ালার নিষ্ঠাবান বান্দা তারা আলাদা । [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১৬১﴿
﴾ ৩৭:১৬১ ﴿
فَإِنَّكُمْ وَمَا تَعْبُدُونَ ﴿١٦١﴾
অতএব (হে কাফেররা) , তোমরা এবং তোমরা যাদের গোলামী করো, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১৬২﴿
﴾ ৩৭:১৬২ ﴿
مَا أَنْتُمْ عَلَيْهِ بِفَاتِنِينَ ﴿١٦٢﴾
(সবাই মিলেও) তাদের (আল্লাহ তায়ালা সম্পর্কে) বিভ্রান্ত করতে পারবে না, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১৬৩﴿
﴾ ৩৭:১৬৩ ﴿
إِلَّا مَنْ هُوَ صَالِ الْجَحِيمِ ﴿١٦٣﴾
তোমরা কেবল তাদেরই গোমরাহ করতে পারবে, যারা জাহান্নামের অধিবাসী । [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১৬৪﴿
﴾ ৩৭:১৬৪ ﴿
وَمَا مِنَّا إِلَّا لَهُ مَقَامٌ مَعْلُومٌ ﴿١٦٤﴾
(ফেরেশতাদের কথা স্বতন্ত্র, কেননা তারা বলেছিলো, ) আমাদের মধ্য থেকে প্রত্যেকের জন্যে একটি নির্ধারিত (পবিত্র) স্থান রয়েছে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১৬৫﴿
﴾ ৩৭:১৬৫ ﴿
وَإِنَّا لَنَحْنُ الصَّافُّونَ ﴿١٦٥﴾
আমরা তো (আল্লাহ তায়ালার সামনে) সারিবদ্ধভাবে দন্ডায়মান থাকি, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১৬৬﴿
﴾ ৩৭:১৬৬ ﴿
وَإِنَّا لَنَحْنُ الْمُسَبِّحُونَ ﴿١٦٦﴾
এবং (সদা সর্বদা) আমরা তাঁর পবিত্রতা ও মাহাত্ম ঘোষণা করি । [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১৬৭﴿
﴾ ৩৭:১৬৭ ﴿
وَإِنْ كَانُوا لَيَقُولُونَ ﴿١٦٧﴾
এসব লোকেরাই (কোরআন নাযিলের আগে) বলতো, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১৬৮﴿
﴾ ৩৭:১৬৮ ﴿
لَوْ أَنَّ عِنْدَنَا ذِكْرًا مِنَ الْأَوَّلِينَ ﴿١٦٨﴾
পুর্ববর্তী লোকদের কিতাবের মতো যদি আমাদের (কাছেও কোনো) উপদেশ (গ্রন্থ) থাকতো, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১৬৯﴿
﴾ ৩৭:১৬৯ ﴿
لَكُنَّا عِبَادَ اللَّهِ الْمُخْلَصِينَ ﴿١٦٩﴾
১৬৯, তাহলে (তার বদৌলতে) আমরাও আল্লাহ তায়ালার নিষ্ঠাবান বান্দা হয়ে যেতাম । [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১৭০﴿
﴾ ৩৭:১৭০ ﴿
فَكَفَرُوا بِهِ فَسَوْفَ يَعْلَمُونَ ﴿١٧٠﴾
অতঃপর (যখন তাদের কাছে আল্লাহর কিতাব এলো) , তখন তারা তা অস্বীকার করলো, অচিরেই তারা (এ আচরণের পরিণাম) জানতে পারবে । [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১৭১﴿
﴾ ৩৭:১৭১ ﴿
وَلَقَدْ سَبَقَتْ كَلِمَتُنَا لِعِبَادِنَا الْمُرْسَلِينَ ﴿١٧١﴾
আমার (খাস) বান্দা রসুলদের ব্যাপারে আমার এ কথা সত্য হয়েছে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১৭২﴿
﴾ ৩৭:১৭২ ﴿
إِنَّهُمْ لَهُمُ الْمَنْصُورُونَ ﴿١٧٢﴾
তারা অবশ্যই সাহায্যপ্রাপ্ত হবে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১৭৩﴿
﴾ ৩৭:১৭৩ ﴿
وَإِنَّ جُنْدَنَا لَهُمُ الْغَالِبُونَ ﴿١٧٣﴾
এবং আমার বাহিনীই (সর্বশেষে) বিজয়ী হবে। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১৭৪﴿
﴾ ৩৭:১৭৪ ﴿
فَتَوَلَّ عَنْهُمْ حَتَّى حِينٍ ﴿١٧٤﴾
অতএব (হে নবী) , কিছু কালের জন্যে তুমি এদের উপেক্ষা করো, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১৭৫﴿
﴾ ৩৭:১৭৫ ﴿
وَأَبْصِرْهُمْ فَسَوْفَ يُبْصِرُونَ ﴿١٧٥﴾
তুমি তাদের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করতে থাকো, অচিরেই তারা (বিদ্রোহের পরিণাম) দেখতে পাবে। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১৭৬﴿
﴾ ৩৭:১৭৬ ﴿
أَفَبِعَذَابِنَا يَسْتَعْجِلُونَ ﴿١٧٦﴾
এরা কি (তাহলে) সত্যিই আমার আযাব ত্বরান্বিত করতে চায়? [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১৭৭﴿
﴾ ৩৭:১৭৭ ﴿
فَإِذَا نَزَلَ بِسَاحَتِهِمْ فَسَاءَ صَبَاحُ الْمُنْذَرِينَ ﴿١٧٧﴾
(এর আগে) যাদের (এভাবে) সতর্ক করা হয়েছিলো তাদের আঙ্গিনায় যখন শাস্তি নেমে এলো, তখন (গযব নাযিলের সে) সকালটা তাদের জন্যে কতো মন্দ ছিলো! [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১৭৮﴿
﴾ ৩৭:১৭৮ ﴿
وَتَوَلَّ عَنْهُمْ حَتَّى حِينٍ ﴿١٧٨﴾
অতএব (হে নবী) , কিছুকালের জন্যে তুমি এদের উপেক্ষা করো, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১৭৯﴿
﴾ ৩৭:১৭৯ ﴿
وَأَبْصِرْ فَسَوْفَ يُبْصِرُونَ ﴿١٧٩﴾
তুমি (শুধু) ওদের পর্যবেক্ষণই করে যাও, শীঘ্রই ওরা (সত্য প্রত্যাখ্যানের) পরিণাম (নিজেরাই) প্রত্যক্ষ করবে । [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১৮০﴿
﴾ ৩৭:১৮০ ﴿
سُبْحَانَ رَبِّكَ رَبِّ الْعِزَّةِ عَمَّا يَصِفُونَ ﴿١٨٠﴾
পবিত্র তোমার মালিকের মহান সত্তা, তারা (তাঁর সম্পর্কে) যা কিছু (অর্থহীন) কথাবার্তা বলে, তিনি তা থেকে পবিত্র (অনেক বড়ো, সকল ক্ষমতার একক অধিকারী) , [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১৮১﴿
﴾ ৩৭:১৮১ ﴿
وَسَلَامٌ عَلَى الْمُرْسَلِينَ ﴿١٨١﴾
(অনাবিল) শান্তি বর্ষিত হোক রসুলদের উপর, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৩৭:১৮২﴿
﴾ ৩৭:১৮২ ﴿
وَالْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ ﴿١٨٢﴾
সমস্ত প্রশংসা (নিবেদিত) সৃষ্টিকুলের মালিক আল্লাহ তায়ালার জন্যে । [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]