🕋
الدخان
(৪৪) আদ-দুখান
৫৯
১
⋮
حم ﴿١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
হা-মীম,
২
⋮
وَالْكِتَابِ الْمُبِينِ ﴿٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
সুস্পষ্ট কিতাবের শপথ,
৩
⋮
إِنَّا أَنْزَلْنَاهُ فِي لَيْلَةٍ مُبَارَكَةٍ إِنَّا كُنَّا مُنْذِرِينَ ﴿٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
আমি একে একটি মর্যাদাপূর্ণ রাতে নাযিল করেছি, অবশ্যই আমি হচ্ছি (জাহান্নাম থেকে) সতর্ককারী!
৪
⋮
فِيهَا يُفْرَقُ كُلُّ أَمْرٍ حَكِيمٍ ﴿٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
তার মধ্যে প্রত্যেকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজের ফয়সালা (স্থিরীকৃত) হয়,
৫
⋮
أَمْرًا مِنْ عِنْدِنَا إِنَّا كُنَّا مُرْسِلِينَ ﴿٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(তা স্থিরীকৃত হয়) আমারই আদেশক্রমে, (কাজ সম্পাদনের জন্যে) আমি নিসন্দেহে (আমার) দূত পাঠিয়ে থাকি,
৬
⋮
رَحْمَةً مِنْ رَبِّكَ إِنَّهُ هُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ ﴿٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(এটা সম্পন্ন হয়) তোমার মালিকের একান্ত অনুগ্রহে; অবশ্যই তিনি (সবকিছু) শোনেন, (সবকিছু) জানেন।
৭
⋮
رَبُّ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَمَا بَيْنَهُمَا إِنْ كُنْتُمْ مُوقِنِينَ ﴿٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
তিনি আসমানসমুহ, যমীন এবং এদের উভয়ের মাঝখানে যা কিছু আছে তার সব কিছুর মালিক। যদি তোমরা ঈমানদার হও (তাহলে তোমরা অযথা বিতর্কে লিপ্ত হয়ো না)
৮
⋮
لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ يُحْيِي وَيُمِيتُ رَبُّكُمْ وَرَبُّ آبَائِكُمُ الْأَوَّلِينَ ﴿٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
তিনি ছাড়া আর কোনোই মাবুদ নেই, তিনি জীবন দান করেন, তিনিই মৃত্যু ঘটান; তিনি তোমাদের মালিক এবং তোমাদের পূর্ববর্তী বাপ দাদাদেরও মালিক।
৯
⋮
بَلْ هُمْ فِي شَكٍّ يَلْعَبُونَ ﴿٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(এ সত্ত্বেও) তারা সন্দেহের বশবর্তী হয়ে (এর সাথে) খেল তামাশা করে চলেছে।
১০
⋮
فَارْتَقِبْ يَوْمَ تَأْتِي السَّمَاءُ بِدُخَانٍ مُبِينٍ ﴿١٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
অতএব (হে নবী) , তুমি সেদিনের অপেক্ষা করো যেদিন আকাশ (তার) স্পষ্ট ধোঁয়া (নীচের দিকে) ছেড়ে দেবে,
১১
⋮
يَغْشَى النَّاسَ هَذَا عَذَابٌ أَلِيمٌ ﴿١١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
তা (অল্প সময়ের মধ্যে গোটা) মানুষদের গ্রাস করে ফেলবে; এটা হবে এক কঠিন শাস্তি।
১২
⋮
رَبَّنَا اكْشِفْ عَنَّا الْعَذَابَ إِنَّا مُؤْمِنُونَ ﴿١٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(তখন তারা বলবে, হে আমাদের মালিক, আমাদের কাছ থেকে এ আযাব সরিয়ে নাও, আমরা (এক্ষুণি) ঈমান আনছি।
১৩
⋮
أَنَّى لَهُمُ الذِّكْرَى وَقَدْ جَاءَهُمْ رَسُولٌ مُبِينٌ ﴿١٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(কিন্তু এখন) আর তাদের উপদেশ গ্রহণ করার সুযোগ কোথায়, তাদের কাছে সুস্পষ্ট (মর্যাদাবান) রসুল তো এসেই গেছে,
১৪
⋮
ثُمَّ تَوَلَّوْا عَنْهُ وَقَالُوا مُعَلَّمٌ مَجْنُونٌ ﴿١٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(তা সত্ত্বেও) তারা তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে, তারা বলেছে, (এগুলো হচ্ছে) পাগল ব্যক্তির শেখানো কতিপয় বুলি মাত্র!
১৫
⋮
إِنَّا كَاشِفُوا الْعَذَابِ قَلِيلًا إِنَّكُمْ عَائِدُونَ ﴿١٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
আমি (যদি) কিছু সময়ের জন্যে আযাব সরিয়েও দেই (তাতে কি লাভ?) তোমরা তো নিসন্দেহে আবার তাই করবে।
১৬
⋮
يَوْمَ نَبْطِشُ الْبَطْشَةَ الْكُبْرَى إِنَّا مُنْتَقِمُونَ ﴿١٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
একদিন আমি কঠোরভাবে এদের পাকড়াও করবো (এবং এদের কাছ থেকে) আমি (পুরোপুরি) প্রতিশোধ নেবো।
১৭
⋮
وَلَقَدْ فَتَنَّا قَبْلَهُمْ قَوْمَ فِرْعَوْنَ وَجَاءَهُمْ رَسُولٌ كَرِيمٌ ﴿١٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
এদের আগে আমি ফেরাউনের জাতির (লোকদেরও) পরীক্ষা করেছি, তাদের কাছেও আমার একজন সম্মানিত রসুল (মুসা) এসেছিলো,
১৮
⋮
أَنْ أَدُّوا إِلَيَّ عِبَادَ اللَّهِ إِنِّي لَكُمْ رَسُولٌ أَمِينٌ ﴿١٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(মুসা ফেরাউনকে বললো, ) আল্লাহ তায়ালার এই বান্দাদের তোমরা আমার কাছে দিয়ে দাও; (কেননা) আমি তোমাদের কাছে একজন বিশ্বস্ত নবী (হয়ে এসেছি) ,
১৯
⋮
وَأَنْ لَا تَعْلُوا عَلَى اللَّهِ إِنِّي آتِيكُمْ بِسُلْطَانٍ مُبِينٍ ﴿١٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(সে বললো, ) তোমরা আল্লাহ তায়ালার সাথে বিদ্রোহ করো না, আমি তো (নবুওতের) এক সুস্পষ্ট প্রমাণ তোমাদের কাছে এসেছি;
২০
⋮
وَإِنِّي عُذْتُ بِرَبِّي وَرَبِّكُمْ أَنْ تَرْجُمُونِ ﴿٢٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
তোমরা যাতে আমাকে পাথর মেরে হত্যা করতে না পারো, সে জন্যে আমি আমার মালিক ও তোমাদের মালিকের কাছে (আগেই) পানাহ চেয়ে নিয়েছি,
২১
⋮
وَإِنْ لَمْ تُؤْمِنُوا لِي فَاعْتَزِلُونِ ﴿٢١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
যদি তোমরা আমার উপর ঈমান না আনো তাহলে তোমরা আমার কাছ থেকে দূরে থাকো।
২২
⋮
فَدَعَا رَبَّهُ أَنَّ هَؤُلَاءِ قَوْمٌ مُجْرِمُونَ ﴿٢٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
অতপর সে (এদের নাফরমানী দেখে) তার মালিকের কাছে দোয়া করলো (হে আমার মালিক) , এরা হচ্ছে। একটি না-ফরমান জাতি (তুমি আমাকে এদের কাছ থেকে মুক্তি দাও) ।
২৩
⋮
فَأَسْرِ بِعِبَادِي لَيْلًا إِنَّكُمْ مُتَّبَعُونَ ﴿٢٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(আমি বললাম, তুমি আমার বান্দাদের সাথে করে রাতে রাতেই (এ জনপদ থেকে) বেরিয়ে পড়ো, (সাবধান থেকো, ফেরাউনের পক্ষ থেকে কিন্তু) তোমাদের পশ্চাদ্ধাবন করা হবে,
২৪
⋮
وَاتْرُكِ الْبَحْرَ رَهْوًا إِنَّهُمْ جُنْدٌ مُغْرَقُونَ ﴿٢٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
সমুদ্রকে শান্ত রেখে তুমি (পার হয়ে) যেও; নিসন্দেহে তারা (সমুদ্রে) নিমজ্জিত হবে।
২৫
⋮
كَمْ تَرَكُوا مِنْ جَنَّاتٍ وَعُيُونٍ ﴿٢٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(যাবার সময়) ওরা নিজেদের পেছনে কতো উদ্যান, কতো ঝর্ণা ফেলে গেছে,
২৬
⋮
وَزُرُوعٍ وَمَقَامٍ كَرِيمٍ ﴿٢٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(ফেলে গেছে) কতো ক্ষেতের ফসল, কতো সুরম্য প্রাসাদ,
২৭
⋮
وَنَعْمَةٍ كَانُوا فِيهَا فَاكِهِينَ ﴿٢٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
কতো (বিলাস) সামগ্রী, যাতে ওরা নিমগ্ন থাকতো,
২৮
⋮
كَذَلِكَ وَأَوْرَثْنَاهَا قَوْمًا آخَرِينَ ﴿٢٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
এভাবেই আমি আরেক জাতিকে এসব কিছুর উত্তরাধিকারী বানিয়ে দিলাম ।
২৯
⋮
فَمَا بَكَتْ عَلَيْهِمُ السَّمَاءُ وَالْأَرْضُ وَمَا كَانُوا مُنْظَرِينَ ﴿٢٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(এ ঘটনার ফলে) ওদের উপর না আসমান কোনো রকম অশ্রুপাত করলো না যমীন (ওদের এ পরিণামে একটু) কাঁদলো, (আযাব আসার পর) তাদের আর কোনো অবকাশই দেয়া হলো না।
৩০
⋮
وَلَقَدْ نَجَّيْنَا بَنِي إِسْرَائِيلَ مِنَ الْعَذَابِ الْمُهِينِ ﴿٣٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
আমি অবশ্যই বনী ইসরাঈলদের অপমানজনক শাস্তি থেকে উদ্ধার করেছি
৩১
⋮
مِنْ فِرْعَوْنَ إِنَّهُ كَانَ عَالِيًا مِنَ الْمُسْرِفِينَ ﴿٣١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
ফেরাউন (ও তার গোলামীর শৃংখল) থেকে (তাদের আমি নাজাত দিয়েছি) , অবশ্যই সে ছিলো সীমালংঘনকারী (না-ফরমান) -দের মধ্যে শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তি।
৩২
⋮
وَلَقَدِ اخْتَرْنَاهُمْ عَلَى عِلْمٍ عَلَى الْعَالَمِينَ ﴿٣٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
আমি তাদের (জাতি বনী ইসরাঈলদের) দুনিয়ার উপর জ্ঞানে শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছি,
৩৩
⋮
وَآتَيْنَاهُمْ مِنَ الْآيَاتِ مَا فِيهِ بَلَاءٌ مُبِينٌ ﴿٣٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
আমি তাদের (এমন কতিপয়) নিদর্শন দিয়েছি, যাতে (তাদের জন্যে) সুস্পষ্ট পরীক্ষা (নিহিত) ছিলো ।
৩৪
⋮
إِنَّ هَؤُلَاءِ لَيَقُولُونَ ﴿٣٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
এ (মুখ) লোকেরা (মুসলমানদের) বলতো
৩৫
⋮
إِنْ هِيَ إِلَّا مَوْتَتُنَا الْأُولَى وَمَا نَحْنُ بِمُنْشَرِينَ ﴿٣٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
এটা হচ্ছে আমাদের প্রথম মৃত্যু, আমরা (আর) কখনো পুনরুত্থিত হবো না।
৩৬
⋮
فَأْتُوا بِآبَائِنَا إِنْ كُنْتُمْ صَادِقِينَ ﴿٣٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
তোমরা যদি (কেয়ামত ও পুনরুত্থান সম্পর্কে) সত্যবাদী হও তাহলে আমাদের বাপ-দাদাদের (কবর থেকে) নিয়ে এসো!
৩৭
⋮
أَهُمْ خَيْرٌ أَمْ قَوْمُ تُبَّعٍ وَالَّذِينَ مِنْ قَبْلِهِمْ أَهْلَكْنَاهُمْ إِنَّهُمْ كَانُوا مُجْرِمِينَ ﴿٣٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(শক্তি সামর্থের দিক থেকে) কি তারা বড়ো, না ‘তুব্বা' জাতি ও তাদের আগে যারা ছিলো তারা (বড়ো) ; আমি তাদের (মতো শক্তিশালীদেরও) ধ্বংস করে দিয়েছি, অবশ্যই তারা ছিলো (জঘন্য) না-ফরমান জাতি ।
৩৮
⋮
وَمَا خَلَقْنَا السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ وَمَا بَيْنَهُمَا لَاعِبِينَ ﴿٣٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
আমি আসমানসমুহ, যমীন এবং এদের উভয়ের মাঝখানে যা কিছু আছে তার কোনোটাই খেল তামাশার ছলে পয়দা করিনি।
৩৯
⋮
مَا خَلَقْنَاهُمَا إِلَّا بِالْحَقِّ وَلَكِنَّ أَكْثَرَهُمْ لَا يَعْلَمُونَ ﴿٣٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
এগুলো আমি যথাযথ উদ্দেশ্য ছাড়াও সৃষ্টি করিনি, কিন্তু অধিকাংশ মানুষ (সৃষ্টির এ উদ্দেশ্য সম্পর্কে) কিছুই জানে না।
৪০
⋮
إِنَّ يَوْمَ الْفَصْلِ مِيقَاتُهُمْ أَجْمَعِينَ ﴿٤٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
অতপর এদের (সবার জন্যেই পুনরুত্থান ও) বিচার ফয়সালার দিনক্ষণ নির্ধারিত রয়েছে।
৪১
⋮
يَوْمَ لَا يُغْنِي مَوْلًى عَنْ مَوْلًى شَيْئًا وَلَا هُمْ يُنْصَرُونَ ﴿٤١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
সেদিন এক বন্ধু আরেক বন্ধুর কোনোই কাজে আসবে না, না তাদের (সেদিন কোনো রকম) সাহায্য করা হবে!
৪২
⋮
إِلَّا مَنْ رَحِمَ اللَّهُ إِنَّهُ هُوَ الْعَزِيزُ الرَّحِيمُ ﴿٤٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
অবশ্য যার উপর আল্লাহ তায়ালা দয়া করবেন (তার কথা স্বতন্ত্র) ; নিসন্দেহে আল্লাহ তায়ালা মহাপরাক্রমশালী ও দয়ালু।
৪৩
⋮
إِنَّ شَجَرَةَ الزَّقُّومِ ﴿٤٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
অবশ্যই (জাহান্নামে) যাকুম (নামের একটি) গাছ থাকবে,
৪৪
⋮
طَعَامُ الْأَثِيمِ ﴿٤٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(তা হবে) গুনাহগারদের জন্যে সেখানকার) খাদ্য,
৪৫
⋮
كَالْمُهْلِ يَغْلِي فِي الْبُطُونِ ﴿٤٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
গলিত তামার মতো তা পেটের ভেতর ফুটতে থাকবে,
৪৬
⋮
كَغَلْيِ الْحَمِيمِ ﴿٤٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
ফুটন্ত গরম পানির মতো!
৪৭
⋮
خُذُوهُ فَاعْتِلُوهُ إِلَى سَوَاءِ الْجَحِيمِ ﴿٤٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(ফেরেশতাদের প্রতি আদেশ হবে, ) ধরো একে অতপর হেঁচড়ে জাহান্নামের মধ্যস্থলের দিকে নিয়ে যাও,
৪৮
⋮
ثُمَّ صُبُّوا فَوْقَ رَأْسِهِ مِنْ عَذَابِ الْحَمِيمِ ﴿٤٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
তারপর তার মাথার উপর ফুটন্ত পানির আযাব ঢেলে দাও;
৪৯
⋮
ذُقْ إِنَّكَ أَنْتَ الْعَزِيزُ الْكَرِيمُ ﴿٤٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(তাকে বলা হবে, আযাবের) স্বাদ আস্বাদন করো, তুমি (না ছিলে দুনিয়ার বুকে) একজন শক্তিশালী ও অভিজাত মানুষ!
৫০
⋮
إِنَّ هَذَا مَا كُنْتُمْ بِهِ تَمْتَرُونَ ﴿٥٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(আর) এ শাস্তি সম্পর্কে তোমরা (অভিজাত লোকগুলোই) ছিলে (বেশী) সন্দিহান।
৫১
⋮
إِنَّ الْمُتَّقِينَ فِي مَقَامٍ أَمِينٍ ﴿٥١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(অপরদিকে) পরহেযগার লোকেরা নিরাপদ (ও অনাবিল) শান্তির জায়গায় থাকবে,
৫২
⋮
فِي جَنَّاتٍ وَعُيُونٍ ﴿٥٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(মনোরম) উদ্যানে ও (অমিয়) ঝর্ণাধারায়,
৫৩
⋮
يَلْبَسُونَ مِنْ سُنْدُسٍ وَإِسْتَبْرَقٍ مُتَقَابِلِينَ ﴿٥٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
মিহি ও পুরু রেশমী বস্ত্র পরিধান করে এরা (একে অপরের) সামনাসামনি হয়ে বসবে,
৫৪
⋮
كَذَلِكَ وَزَوَّجْنَاهُمْ بِحُورٍ عِينٍ ﴿٥٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
এমনই হবে (তাদের পুরস্কার, উপরন্তু) তাদের আমি দেবো আয়তলোচনা (পরমা সুন্দরী) হুর;
৫৫
⋮
يَدْعُونَ فِيهَا بِكُلِ فَاكِهَةٍ آمِنِينَ ﴿٥٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
তারা সেখানে প্রশান্ত মনে সব ধরনের ফল ফলাদির অর্ডার দিতে থাকবে,
৫৬
⋮
لَا يَذُوقُونَ فِيهَا الْمَوْتَ إِلَّا الْمَوْتَةَ الْأُولَى وَوَقَاهُمْ عَذَابَ الْجَحِيمِ ﴿٥٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
প্রথম মৃত্যু ছাড়া (যা দুনিয়াতেই এসে গেছে) , সেখানে তাদের আর) মৃত্যুর স্বাদ ভোগ করতে হবে না, (তাদের মালিক) তাদের জাহান্নামের আযাব থেকে বাঁচিয়ে দেবেন,
৫৭
⋮
فَضْلًا مِنْ رَبِّكَ ذَلِكَ هُوَ الْفَوْزُ الْعَظِيمُ ﴿٥٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(হে নবী, এ হচ্ছে মু’মিনদের প্রতি) তোমার মালিকের পক্ষ থেকে দয়া ও অনুগ্রহ : (সত্যিকার অর্থে) এটাই হচ্ছে (সেদিনের) মহাসাফল্য।
৫৮
⋮
فَإِنَّمَا يَسَّرْنَاهُ بِلِسَانِكَ لَعَلَّهُمْ يَتَذَكَّرُونَ ﴿٥٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
অতএব (হে নবী) , আমি এ (কোরআন) -কে তোমারই (মাতৃ) -ভাষায় সহজ করে দিয়েছি, যাতে করে তারা (এর থেকে) উপদেশ গ্রহণ করতে পারে।
৫৯
⋮
فَارْتَقِبْ إِنَّهُمْ مُرْتَقِبُونَ ﴿٥٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
সুতরাং তুমি (এদের পরিণাম দেখার জন্যে) অপেক্ষা করতে থাকো, আর ওরা তো প্রতীক্ষা করেই যাচ্ছে!