🕋
النجم
(৫৩) আন-নাজম
৬২
১
⋮
وَالنَّجْمِ إِذَا هَوَى ﴿١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
নক্ষত্রের শপথ যখন তা ডুবে যায়,
২
⋮
مَا ضَلَّ صَاحِبُكُمْ وَمَا غَوَى ﴿٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
তোমাদের সাথী পথ ভুলে যায়নি, সে পথভ্রষ্টও হয়নি,
৩
⋮
وَمَا يَنْطِقُ عَنِ الْهَوَى ﴿٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
সে কখনো নিজের থেকে কোনো কথা বলে না,
৪
⋮
إِنْ هُوَ إِلَّا وَحْيٌ يُوحَى ﴿٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
বরং তা হচ্ছে ওহী', যা (তার কাছে) পাঠানো হয়,
৫
⋮
عَلَّمَهُ شَدِيدُ الْقُوَى ﴿٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
তাকে এটা শিখিয়ে দিয়েছে এমন একজন (ফেরেশতা) , যে প্রবল শক্তির অধিকারী,
৬
⋮
ذُو مِرَّةٍ فَاسْتَوَى ﴿٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(সে হচ্ছে) সহজাত বুদ্ধিমত্তার অধিকারী; অতঃপর সে (একদিন সত্যি সত্যিই) নিজ আকৃতিতে (তার সামনে এসে) দাঁড়ালো,
৭
⋮
وَهُوَ بِالْأُفُقِ الْأَعْلَى ﴿٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(এমনভাবে দাঁড়ালো যেন) সে ঊর্ধ্বাকাশের উপরিভাগে (অধিষ্ঠিত) ;
৮
⋮
ثُمَّ دَنَا فَتَدَلَّى ﴿٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
তারপর সে কাছে এলো, অতঃপর সে আরো কাছে এলো,
৯
⋮
فَكَانَ قَابَ قَوْسَيْنِ أَوْ أَدْنَى ﴿٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(এ সময়) তাদের (উভয়ের) মাঝে ব্যবধান থাকলো (মাত্র) দুই ধনুকের (সমান) , কিংবা তার চাইতেও কম!
১০
⋮
فَأَوْحَى إِلَى عَبْدِهِ مَا أَوْحَى ﴿١٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
অতঃপর সে তাঁর (আল্লাহর) বান্দার কাছে ওহী পৌঁছে দিলো, যা তার পৌঁছানোর (দায়িত্ব) ছিলো;
১১
⋮
مَا كَذَبَ الْفُؤَادُ مَا رَأَى ﴿١١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(বাইরের চোখ দিয়ে) যা সে দেখেছে (তার ভেতরের) অন্তর তা মিথ্যা প্রতিপন্ন করেনি।
১২
⋮
أَفَتُمَارُونَهُ عَلَى مَا يَرَى ﴿١٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
তোমরা কি সে বিষয়ে বিতর্কে লিপ্ত হতে চাচ্ছো যা সে নিজের চোখে দেখেছে।
১৩
⋮
وَلَقَدْ رَآهُ نَزْلَةً أُخْرَى ﴿١٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(সে ভুল করেনি, কারণ) সে তাকে আরেকবারও দেখেছিলো,
১৪
⋮
عِنْدَ سِدْرَةِ الْمُنْتَهَى ﴿١٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(সে তাকে দেখেছিলো) সেদরাতুল মোন্তাহা'র কাছে।
১৫
⋮
عِنْدَهَا جَنَّةُ الْمَأْوَى ﴿١٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
যার কাছেই রয়েছে (মু’মিনদের চিরস্থায়ী) ঠিকানা জান্নাত;
১৬
⋮
إِذْ يَغْشَى السِّدْرَةَ مَا يَغْشَى ﴿١٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
সে সেদরাটি' (তখন) এমন এক (জ্যোতি) দিয়ে আচ্ছন্ন ছিলো, যা দ্বারা তার আচ্ছন্ন হওয়া (শোভনীয়) ছিলো,
১৭
⋮
مَا زَاغَ الْبَصَرُ وَمَا طَغَى ﴿١٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(তাই এখানে তার) কোনো দৃষ্টি বিভ্রম হয়নি এবং তার দৃষ্টি কোনোরকম সীমালংঘনও করেনি।
১৮
⋮
لَقَدْ رَأَى مِنْ آيَاتِ رَبِّهِ الْكُبْرَى ﴿١٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
অবশ্যই সে আল্লাহ তায়ালার বড়ো বড়ো নিদর্শনসমূহ দেখেছে ।
১৯
⋮
أَفَرَأَيْتُمُ اللَّاتَ وَالْعُزَّى ﴿١٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
তোমরা কি ভেবে দেখেছো লাত' ও উযযা' সম্পর্কে?
২০
⋮
وَمَنَاةَ الثَّالِثَةَ الْأُخْرَى ﴿٢٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
এবং তৃতীয় আরেকটি (দেবী) মানাত' সম্পর্কে!
২১
⋮
أَلَكُمُ الذَّكَرُ وَلَهُ الْأُنْثَى ﴿٢١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(তোমরা কি মনে করে নিয়েছো, ) পুত্র সন্তান সব তোমাদের জন্যে আর কন্যা সন্তান সব আল্লাহর জন্যে?
২২
⋮
تِلْكَ إِذًا قِسْمَةٌ ضِيزَى ﴿٢٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(তা হলে তো) এ (বন্টন) হবে নিতান্তই একটা অসংগত বন্টন!
২৩
⋮
إِنْ هِيَ إِلَّا أَسْمَاءٌ سَمَّيْتُمُوهَا أَنْتُمْ وَآبَاؤُكُمْ مَا أَنْزَلَ اللَّهُ بِهَا مِنْ سُلْطَانٍ إِنْ يَتَّبِعُونَ إِلَّا الظَّنَّ وَمَا تَهْوَى الْأَنْفُسُ وَلَقَدْ جَاءَهُمْ مِنْ رَبِّهِمُ الْهُدَى ﴿٢٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
( মূলত) এগুলো কতিপয় (দেব দেবীর) নাম ছাড়া আর কিছুই নয়, যা তোমরা নিজেরা এবং তোমাদের বাপ দাদারা ঠিক করে নিয়েছো, আল্লাহ তায়ালা এ (নামে) -র সমর্থনে কোনো রকম দলীল প্রমাণ নাযিল করেননি; এরা (নিজেদের মনগড়া) আন্দায অনুমানেরই অনুসরণ করে এবং (অধিকাংশ ক্ষেত্রেই) এরা নিজেদের প্রবৃত্তির ইচ্ছা আকাংখার উপর চলে, অথচ তাদের কাছে (ইতিমধ্যেই) তাদের মালিকের পক্ষ থেকে সুস্পষ্ট হেদায়াত এসে গেছে।
২৪
⋮
أَمْ لِلْإِنْسَانِ مَا تَمَنَّى ﴿٢٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
অতঃপর (তোমরাই বলো, এদের কাছ থেকে) মানুষ যা পেতে চায় তা কি সে কখনো পেতে পারে
২৫
⋮
فَلِلَّهِ الْآخِرَةُ وَالْأُولَى ﴿٢٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
দুনিয়া ও আখেরাত তো আল্লাহ তায়ালার জন্যেই।
২৬
⋮
وَكَمْ مِنْ مَلَكٍ فِي السَّمَاوَاتِ لَا تُغْنِي شَفَاعَتُهُمْ شَيْئًا إِلَّا مِنْ بَعْدِ أَنْ يَأْذَنَ اللَّهُ لِمَنْ يَشَاءُ وَيَرْضَى ﴿٢٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
কতো ফেরেশতাই তো রয়েছে আসমানে, (কিন্তু) তাদের কোনো সুপারিশই ফলপ্রসূ হয় না যতোক্ষণ না আল্লাহ তায়ালা, যাকে ইচ্ছা এবং যাকে ভালোবাসেন তাকে অনুমতি না দেন।
২৭
⋮
إِنَّ الَّذِينَ لَا يُؤْمِنُونَ بِالْآخِرَةِ لَيُسَمُّونَ الْمَلَائِكَةَ تَسْمِيَةَ الْأُنْثَى ﴿٢٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
যারা পরকালের উপর বিশ্বাস স্থাপন করে না, তারা ফেরেশতাদের (দেবী তথা) নারীবাচক নামে অভিহিত করে।
২৮
⋮
وَمَا لَهُمْ بِهِ مِنْ عِلْمٍ إِنْ يَتَّبِعُونَ إِلَّا الظَّنَّ وَإِنَّ الظَّنَّ لَا يُغْنِي مِنَ الْحَقِّ شَيْئًا ﴿٢٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
অথচ এ ব্যাপারে তাদের কাছে কোনো জ্ঞানই নেই; তারা তো কেবল আন্দায অনুমানের উপরই চলে, আর সত্যের মোকাবেলায় (আন্দায) অনুমান তো কোনো কাজেই আসে না,
২৯
⋮
فَأَعْرِضْ عَمَّنْ تَوَلَّى عَنْ ذِكْرِنَا وَلَمْ يُرِدْ إِلَّا الْحَيَاةَ الدُّنْيَا ﴿٢٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
অতএব (হে নবী) , যে ব্যক্তি আমার (সুস্পষ্ট) স্মরণ থেকে সরে গেছে, তার ব্যাপারে তুমি কোনো পরোয়া করো না, (কারণ) সে তো পার্থিব জীবন ছাড়া আর কিছুই কামনা করে না;
৩০
⋮
ذَلِكَ مَبْلَغُهُمْ مِنَ الْعِلْمِ إِنَّ رَبَّكَ هُوَ أَعْلَمُ بِمَنْ ضَلَّ عَنْ سَبِيلِهِ وَهُوَ أَعْلَمُ بِمَنِ اهْتَدَى ﴿٣٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
তাদের (মতো হতভাগ্য ব্যক্তিদের) জ্ঞানের সীমারেখা তো ওটুকুই; (এ কথা) একমাত্র তোমার মালিকই ভালো জানেন কে তার পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে গেছে এবং তিনিই ভালো করে বলতে পারেন কে সঠিক পথের সন্ধান পেয়েছে।
৩১
⋮
وَلِلَّهِ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ لِيَجْزِيَ الَّذِينَ أَسَاءُوا بِمَا عَمِلُوا وَيَجْزِيَ الَّذِينَ أَحْسَنُوا بِالْحُسْنَى ﴿٣١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
আসমানসমূহ ও যমীনের সব কিছু আল্লাহ তায়ালার জন্যে, এতে করে যারা খারাপ কাজ করে বেড়ায় তিনি তাদের (খারাপ) প্রতিফল দান করবেন এবং যারা ভালো কাজ করে তাদের তিনি (এ জন্যে) মহাপুরস্কার প্রদান করবেন;
৩২
⋮
الَّذِينَ يَجْتَنِبُونَ كَبَائِرَ الْإِثْمِ وَالْفَوَاحِشَ إِلَّا اللَّمَمَ إِنَّ رَبَّكَ وَاسِعُ الْمَغْفِرَةِ هُوَ أَعْلَمُ بِكُمْ إِذْ أَنْشَأَكُمْ مِنَ الْأَرْضِ وَإِذْ أَنْتُمْ أَجِنَّةٌ فِي بُطُونِ أُمَّهَاتِكُمْ فَلَا تُزَكُّوا أَنْفُسَكُمْ هُوَ أَعْلَمُ بِمَنِ اتَّقَى ﴿٣٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(এটা তাদের জন্যে) যারা বড়ো বড়ো গুনাহ থেকে এবং (বিশেষত) অশ্লীলতা থেকে বেঁচে থাকে, ছোটোখাটো গুনাহ (সংঘটিত) হলেও (তারা আল্লাহর ক্ষমা থেকে বঞ্চিত হবে না, কারণ) , তোমার মালিকের ক্ষমা (-র পরিধি) অনেক বিসত্মত; তিনি তোমাদের তখন থেকেই ভালো করে জানেন, যখন তিনি তোমাদের (এ) যমীন থেকে পয়দা করেছেন, (তখনও তিনি তোমাদের জানতেন) যখন তোমরা ছিলে তোমাদের মায়ের পেটে (ক্ষুদ্র একটি) ভ্রণের আকারে, অতএব কখনো নিজেদের পবিত্র দাবী করো না; আল্লাহ তায়ালাই ভালো জানেন কোন ব্যক্তি (তাঁকে) বেশী ভয় করে ।
৩৩
⋮
أَفَرَأَيْتَ الَّذِي تَوَلَّى ﴿٣٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(হে নবী, ) তুমি কি সে ব্যক্তিটিকে দেখোনি, যে (আল্লাহ তায়ালার পথ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলো,
৩৪
⋮
وَأَعْطَى قَلِيلًا وَأَكْدَى ﴿٣٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
যে ব্যক্তি সামান্য কিছুই দান করলো, অতঃপর সম্পূর্ণভাবে (নিজের) হাত গুটিয়ে নিলো।
৩৫
⋮
أَعِنْدَهُ عِلْمُ الْغَيْبِ فَهُوَ يَرَى ﴿٣٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
তার কাছে কি অদৃশ্য জগতের কোনো জ্ঞান ছিলো যে, তা দিয়ে সে (অন্য কিছু) দেখতে পাচ্ছিলো।
৩৬
⋮
أَمْ لَمْ يُنَبَّأْ بِمَا فِي صُحُفِ مُوسَى ﴿٣٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
তাকে কি (একথা) জানানো হয়নি যে, মুসার (কাছে পাঠানো আমার) সহীফাসমূহে কি (কথা লেখা) আছে,
৩৭
⋮
وَإِبْرَاهِيمَ الَّذِي وَفَّى ﴿٣٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(তাকে কি) ইবরাহীমের কথা জানানো হয়নি, ইবরাহীম তো (আল্লাহর) বিধানাবলী পুরোপুরিই পালন করেছে,
৩৮
⋮
أَلَّا تَزِرُ وَازِرَةٌ وِزْرَ أُخْرَى ﴿٣٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(তাকে কি এটা বলা হয়নি যে, ) কোনো মানুষই অন্যের (পাপের) বোঝা উঠাবে না,
৩৯
⋮
وَأَنْ لَيْسَ لِلْإِنْسَانِ إِلَّا مَا سَعَى ﴿٣٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
মানুষ ততোটুকুই পাবে যতোটুকু সে চেষ্টা করবে,
৪০
⋮
وَأَنَّ سَعْيَهُ سَوْفَ يُرَى ﴿٤٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
আর তার কাজকর্ম (পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে এবং অচিরেই তা) দেখা হবে,
৪১
⋮
ثُمَّ يُجْزَاهُ الْجَزَاءَ الْأَوْفَى ﴿٤١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
অতঃপর তাকে তার পুরোপুরি বিনিময় দেয়া হবে,
৪২
⋮
وَأَنَّ إِلَى رَبِّكَ الْمُنْتَهَى ﴿٤٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
পরিশেষে (সবাইকে একদিন) তোমার মালিকের কাছেই পৌঁছুতে হবে,
৪৩
⋮
وَأَنَّهُ هُوَ أَضْحَكَ وَأَبْكَى ﴿٤٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
তিনিই (সবাইকে) হাসান, তিনিই (সবাইকে) কাঁদান,
৪৪
⋮
وَأَنَّهُ هُوَ أَمَاتَ وَأَحْيَا ﴿٤٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
তিনিই (মানুষকে) মারেন, তিনিই (তাদের) বাঁচান,
৪৫
⋮
وَأَنَّهُ خَلَقَ الزَّوْجَيْنِ الذَّكَرَ وَالْأُنْثَى ﴿٤٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
তিনিই নর নারীর যুগল পয়দা করেছেন,
৪৬
⋮
مِنْ نُطْفَةٍ إِذَا تُمْنَى ﴿٤٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(পয়দা করেছেন) এক বিন্দু (স্খলিত) শুক্র থেকে,
৪৭
⋮
وَأَنَّ عَلَيْهِ النَّشْأَةَ الْأُخْرَى ﴿٤٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
নিশ্চয়ই পুনরায় এদের জীবন দান করার দায়িত্বও (কিন্তু) তাঁর (একার) ,
৪৮
⋮
وَأَنَّهُ هُوَ أَغْنَى وَأَقْنَى ﴿٤٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
তিনিই (তাকে) ধনশালী করেন এবং তিনিই পুঁজি দান করে তা স্থায়ী রাখেন,
৪৯
⋮
وَأَنَّهُ هُوَ رَبُّ الشِّعْرَى ﴿٤٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
তিনি শেরা' (নামক) নক্ষত্রেরও মালিক,
৫০
⋮
وَأَنَّهُ أَهْلَكَ عَادًا الْأُولَى ﴿٥٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
তিনিই প্রাচীন আদ সম্প্রদায়কে ধ্বংস করে দিয়েছেন,
৫১
⋮
وَثَمُودَ فَمَا أَبْقَى ﴿٥١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(তিনি আরো ধ্বংস করেছেন) সামূদ জাতিকে (এমনভাবে) , তাদের একজনকেও অবশিষ্ট রাখেননি,
৫২
⋮
وَقَوْمَ نُوحٍ مِنْ قَبْلُ إِنَّهُمْ كَانُوا هُمْ أَظْلَمَ وَأَطْغَى ﴿٥٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
এর আগে (তিনি ধ্বংস করেছেন) নূহের জাতিকে; কেননা তারা ছিলো ভীষণ যালেম ও চরম বিদ্রোহী;
৫৩
⋮
وَالْمُؤْتَفِكَةَ أَهْوَى ﴿٥٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
তিনি একটি জনপদকে উপরে উঠিয়ে উল্টো করে ফেলে দিয়েছেন।
৫৪
⋮
فَغَشَّاهَا مَا غَشَّى ﴿٥٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
অতঃপর সে জনপদের উপর তিনি ছেয়ে দিলেন এমন এক (ভয়ংকর) আযাব, যা (তাকে পুরোপুরিভাবে) । ছেয়ে দিলো,
৫৫
⋮
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكَ تَتَمَارَى ﴿٥٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
তারপরও (হে নির্বোধ মানুষ, ) তুমি তোমার মালিকের কোন কোন নিদর্শনে সন্দেহ প্রকাশ করো!
৫৬
⋮
هَذَا نَذِيرٌ مِنَ النُّذُرِ الْأُولَى ﴿٥٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(আযাবের) সতর্ককারী (এ নবী তো) আগের (পাঠানো) সতর্ককারীদেরই একজন।
৫৭
⋮
أَزِفَتِ الْآزِفَةُ ﴿٥٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(ত্বরিত আগমনকারী কেয়ামতের) ক্ষণটি (আজ) আসন্ন হয়ে গেছে,
৫৮
⋮
لَيْسَ لَهَا مِنْ دُونِ اللَّهِ كَاشِفَةٌ ﴿٥٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
আল্লাহ তায়ালা ছাড়া কেউই সে ক্ষণটির (দিন কাল সম্পর্কিত তথ্য) উদঘাটন করতে পারবে না;
৫৯
⋮
أَفَمِنْ هَذَا الْحَدِيثِ تَعْجَبُونَ ﴿٥٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
এগুলোই কি (তাহলে) সেসব বিষয় যার ব্যাপারে তোমরা (আজ রীতিমতো) বিস্ময়বোধ করছো,
৬০
⋮
وَتَضْحَكُونَ وَلَا تَبْكُونَ ﴿٦٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(এসব বিষয় নিয়ে) তোমরা (আজ) হাসাহাসি করছো, অথচ (পরিণামের কথা ভেবে) তোমরা মোটেই কাঁদছো। ,
৬১
⋮
وَأَنْتُمْ سَامِدُونَ ﴿٦١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(মনে হচ্ছে) তোমরা (মূলব্যাপারেই) উদাসীন হয়ে রয়েছে।
৬২
⋮
فَاسْجُدُوا لِلَّهِ وَاعْبُدُوا ﴿٦٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
অতএব তোমরা আল্লাহ তায়ালার সামনে সাজদাবনত হও এবং (কাউকে শরীক করা ব্যতীত) তাঁরই ইবাদাত করো।