🕋
النجم
(৫৩) আন-নাজম
৬২
﴾৫৩:১﴿
﴾ ৫৩:১ ﴿
وَالنَّجْمِ إِذَا هَوَى ﴿١﴾
নক্ষত্রের শপথ যখন তা ডুবে যায়,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৩:২﴿
﴾ ৫৩:২ ﴿
مَا ضَلَّ صَاحِبُكُمْ وَمَا غَوَى ﴿٢﴾
তোমাদের সাথী পথ ভুলে যায়নি, সে পথভ্রষ্টও হয়নি,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৩:৩﴿
﴾ ৫৩:৩ ﴿
وَمَا يَنْطِقُ عَنِ الْهَوَى ﴿٣﴾
সে কখনো নিজের থেকে কোনো কথা বলে না,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৩:৪﴿
﴾ ৫৩:৪ ﴿
إِنْ هُوَ إِلَّا وَحْيٌ يُوحَى ﴿٤﴾
বরং তা হচ্ছে ওহী', যা (তার কাছে) পাঠানো হয়,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৩:৫﴿
﴾ ৫৩:৫ ﴿
عَلَّمَهُ شَدِيدُ الْقُوَى ﴿٥﴾
তাকে এটা শিখিয়ে দিয়েছে এমন একজন (ফেরেশতা) , যে প্রবল শক্তির অধিকারী,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৩:৬﴿
﴾ ৫৩:৬ ﴿
ذُو مِرَّةٍ فَاسْتَوَى ﴿٦﴾
(সে হচ্ছে) সহজাত বুদ্ধিমত্তার অধিকারী; অতঃপর সে (একদিন সত্যি সত্যিই) নিজ আকৃতিতে (তার সামনে এসে) দাঁড়ালো,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৩:৭﴿
﴾ ৫৩:৭ ﴿
وَهُوَ بِالْأُفُقِ الْأَعْلَى ﴿٧﴾
(এমনভাবে দাঁড়ালো যেন) সে ঊর্ধ্বাকাশের উপরিভাগে (অধিষ্ঠিত) ;
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৩:৮﴿
﴾ ৫৩:৮ ﴿
ثُمَّ دَنَا فَتَدَلَّى ﴿٨﴾
তারপর সে কাছে এলো, অতঃপর সে আরো কাছে এলো,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৩:৯﴿
﴾ ৫৩:৯ ﴿
فَكَانَ قَابَ قَوْسَيْنِ أَوْ أَدْنَى ﴿٩﴾
(এ সময়) তাদের (উভয়ের) মাঝে ব্যবধান থাকলো (মাত্র) দুই ধনুকের (সমান) , কিংবা তার চাইতেও কম!
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৩:১০﴿
﴾ ৫৩:১০ ﴿
فَأَوْحَى إِلَى عَبْدِهِ مَا أَوْحَى ﴿١٠﴾
অতঃপর সে তাঁর (আল্লাহর) বান্দার কাছে ওহী পৌঁছে দিলো, যা তার পৌঁছানোর (দায়িত্ব) ছিলো;
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৩:১১﴿
﴾ ৫৩:১১ ﴿
مَا كَذَبَ الْفُؤَادُ مَا رَأَى ﴿١١﴾
(বাইরের চোখ দিয়ে) যা সে দেখেছে (তার ভেতরের) অন্তর তা মিথ্যা প্রতিপন্ন করেনি।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৩:১২﴿
﴾ ৫৩:১২ ﴿
أَفَتُمَارُونَهُ عَلَى مَا يَرَى ﴿١٢﴾
তোমরা কি সে বিষয়ে বিতর্কে লিপ্ত হতে চাচ্ছো যা সে নিজের চোখে দেখেছে।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৩:১৩﴿
﴾ ৫৩:১৩ ﴿
وَلَقَدْ رَآهُ نَزْلَةً أُخْرَى ﴿١٣﴾
(সে ভুল করেনি, কারণ) সে তাকে আরেকবারও দেখেছিলো,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৩:১৪﴿
﴾ ৫৩:১৪ ﴿
عِنْدَ سِدْرَةِ الْمُنْتَهَى ﴿١٤﴾
(সে তাকে দেখেছিলো) সেদরাতুল মোন্তাহা'র কাছে।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৩:১৫﴿
﴾ ৫৩:১৫ ﴿
عِنْدَهَا جَنَّةُ الْمَأْوَى ﴿١٥﴾
যার কাছেই রয়েছে (মু’মিনদের চিরস্থায়ী) ঠিকানা জান্নাত;
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৩:১৬﴿
﴾ ৫৩:১৬ ﴿
إِذْ يَغْشَى السِّدْرَةَ مَا يَغْشَى ﴿١٦﴾
সে সেদরাটি' (তখন) এমন এক (জ্যোতি) দিয়ে আচ্ছন্ন ছিলো, যা দ্বারা তার আচ্ছন্ন হওয়া (শোভনীয়) ছিলো,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৩:১৭﴿
﴾ ৫৩:১৭ ﴿
مَا زَاغَ الْبَصَرُ وَمَا طَغَى ﴿١٧﴾
(তাই এখানে তার) কোনো দৃষ্টি বিভ্রম হয়নি এবং তার দৃষ্টি কোনোরকম সীমালংঘনও করেনি।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৩:১৮﴿
﴾ ৫৩:১৮ ﴿
لَقَدْ رَأَى مِنْ آيَاتِ رَبِّهِ الْكُبْرَى ﴿١٨﴾
অবশ্যই সে আল্লাহ তায়ালার বড়ো বড়ো নিদর্শনসমূহ দেখেছে ।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৩:১৯﴿
﴾ ৫৩:১৯ ﴿
أَفَرَأَيْتُمُ اللَّاتَ وَالْعُزَّى ﴿١٩﴾
তোমরা কি ভেবে দেখেছো লাত' ও উযযা' সম্পর্কে?
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৩:২০﴿
﴾ ৫৩:২০ ﴿
وَمَنَاةَ الثَّالِثَةَ الْأُخْرَى ﴿٢٠﴾
এবং তৃতীয় আরেকটি (দেবী) মানাত' সম্পর্কে!
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৩:২১﴿
﴾ ৫৩:২১ ﴿
أَلَكُمُ الذَّكَرُ وَلَهُ الْأُنْثَى ﴿٢١﴾
(তোমরা কি মনে করে নিয়েছো, ) পুত্র সন্তান সব তোমাদের জন্যে আর কন্যা সন্তান সব আল্লাহর জন্যে?
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৩:২২﴿
﴾ ৫৩:২২ ﴿
تِلْكَ إِذًا قِسْمَةٌ ضِيزَى ﴿٢٢﴾
(তা হলে তো) এ (বন্টন) হবে নিতান্তই একটা অসংগত বন্টন!
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৩:২৩﴿
﴾ ৫৩:২৩ ﴿
إِنْ هِيَ إِلَّا أَسْمَاءٌ سَمَّيْتُمُوهَا أَنْتُمْ وَآبَاؤُكُمْ مَا أَنْزَلَ اللَّهُ بِهَا مِنْ سُلْطَانٍ إِنْ يَتَّبِعُونَ إِلَّا الظَّنَّ وَمَا تَهْوَى الْأَنْفُسُ وَلَقَدْ جَاءَهُمْ مِنْ رَبِّهِمُ الْهُدَى ﴿٢٣﴾
( মূলত) এগুলো কতিপয় (দেব দেবীর) নাম ছাড়া আর কিছুই নয়, যা তোমরা নিজেরা এবং তোমাদের বাপ দাদারা ঠিক করে নিয়েছো, আল্লাহ তায়ালা এ (নামে) -র সমর্থনে কোনো রকম দলীল প্রমাণ নাযিল করেননি; এরা (নিজেদের মনগড়া) আন্দায অনুমানেরই অনুসরণ করে এবং (অধিকাংশ ক্ষেত্রেই) এরা নিজেদের প্রবৃত্তির ইচ্ছা আকাংখার উপর চলে, অথচ তাদের কাছে (ইতিমধ্যেই) তাদের মালিকের পক্ষ থেকে সুস্পষ্ট হেদায়াত এসে গেছে।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৩:২৪﴿
﴾ ৫৩:২৪ ﴿
أَمْ لِلْإِنْسَانِ مَا تَمَنَّى ﴿٢٤﴾
অতঃপর (তোমরাই বলো, এদের কাছ থেকে) মানুষ যা পেতে চায় তা কি সে কখনো পেতে পারে
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৩:২৫﴿
﴾ ৫৩:২৫ ﴿
فَلِلَّهِ الْآخِرَةُ وَالْأُولَى ﴿٢٥﴾
দুনিয়া ও আখেরাত তো আল্লাহ তায়ালার জন্যেই।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৩:২৬﴿
﴾ ৫৩:২৬ ﴿
وَكَمْ مِنْ مَلَكٍ فِي السَّمَاوَاتِ لَا تُغْنِي شَفَاعَتُهُمْ شَيْئًا إِلَّا مِنْ بَعْدِ أَنْ يَأْذَنَ اللَّهُ لِمَنْ يَشَاءُ وَيَرْضَى ﴿٢٦﴾
কতো ফেরেশতাই তো রয়েছে আসমানে, (কিন্তু) তাদের কোনো সুপারিশই ফলপ্রসূ হয় না যতোক্ষণ না আল্লাহ তায়ালা, যাকে ইচ্ছা এবং যাকে ভালোবাসেন তাকে অনুমতি না দেন।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৩:২৭﴿
﴾ ৫৩:২৭ ﴿
إِنَّ الَّذِينَ لَا يُؤْمِنُونَ بِالْآخِرَةِ لَيُسَمُّونَ الْمَلَائِكَةَ تَسْمِيَةَ الْأُنْثَى ﴿٢٧﴾
যারা পরকালের উপর বিশ্বাস স্থাপন করে না, তারা ফেরেশতাদের (দেবী তথা) নারীবাচক নামে অভিহিত করে।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৩:২৮﴿
﴾ ৫৩:২৮ ﴿
وَمَا لَهُمْ بِهِ مِنْ عِلْمٍ إِنْ يَتَّبِعُونَ إِلَّا الظَّنَّ وَإِنَّ الظَّنَّ لَا يُغْنِي مِنَ الْحَقِّ شَيْئًا ﴿٢٨﴾
অথচ এ ব্যাপারে তাদের কাছে কোনো জ্ঞানই নেই; তারা তো কেবল আন্দায অনুমানের উপরই চলে, আর সত্যের মোকাবেলায় (আন্দায) অনুমান তো কোনো কাজেই আসে না,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৩:২৯﴿
﴾ ৫৩:২৯ ﴿
فَأَعْرِضْ عَمَّنْ تَوَلَّى عَنْ ذِكْرِنَا وَلَمْ يُرِدْ إِلَّا الْحَيَاةَ الدُّنْيَا ﴿٢٩﴾
অতএব (হে নবী) , যে ব্যক্তি আমার (সুস্পষ্ট) স্মরণ থেকে সরে গেছে, তার ব্যাপারে তুমি কোনো পরোয়া করো না, (কারণ) সে তো পার্থিব জীবন ছাড়া আর কিছুই কামনা করে না;
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৩:৩০﴿
﴾ ৫৩:৩০ ﴿
ذَلِكَ مَبْلَغُهُمْ مِنَ الْعِلْمِ إِنَّ رَبَّكَ هُوَ أَعْلَمُ بِمَنْ ضَلَّ عَنْ سَبِيلِهِ وَهُوَ أَعْلَمُ بِمَنِ اهْتَدَى ﴿٣٠﴾
তাদের (মতো হতভাগ্য ব্যক্তিদের) জ্ঞানের সীমারেখা তো ওটুকুই; (এ কথা) একমাত্র তোমার মালিকই ভালো জানেন কে তার পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে গেছে এবং তিনিই ভালো করে বলতে পারেন কে সঠিক পথের সন্ধান পেয়েছে।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৩:৩১﴿
﴾ ৫৩:৩১ ﴿
وَلِلَّهِ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ لِيَجْزِيَ الَّذِينَ أَسَاءُوا بِمَا عَمِلُوا وَيَجْزِيَ الَّذِينَ أَحْسَنُوا بِالْحُسْنَى ﴿٣١﴾
আসমানসমূহ ও যমীনের সব কিছু আল্লাহ তায়ালার জন্যে, এতে করে যারা খারাপ কাজ করে বেড়ায় তিনি তাদের (খারাপ) প্রতিফল দান করবেন এবং যারা ভালো কাজ করে তাদের তিনি (এ জন্যে) মহাপুরস্কার প্রদান করবেন;
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৩:৩২﴿
﴾ ৫৩:৩২ ﴿
الَّذِينَ يَجْتَنِبُونَ كَبَائِرَ الْإِثْمِ وَالْفَوَاحِشَ إِلَّا اللَّمَمَ إِنَّ رَبَّكَ وَاسِعُ الْمَغْفِرَةِ هُوَ أَعْلَمُ بِكُمْ إِذْ أَنْشَأَكُمْ مِنَ الْأَرْضِ وَإِذْ أَنْتُمْ أَجِنَّةٌ فِي بُطُونِ أُمَّهَاتِكُمْ فَلَا تُزَكُّوا أَنْفُسَكُمْ هُوَ أَعْلَمُ بِمَنِ اتَّقَى ﴿٣٢﴾
(এটা তাদের জন্যে) যারা বড়ো বড়ো গুনাহ থেকে এবং (বিশেষত) অশ্লীলতা থেকে বেঁচে থাকে, ছোটোখাটো গুনাহ (সংঘটিত) হলেও (তারা আল্লাহর ক্ষমা থেকে বঞ্চিত হবে না, কারণ) , তোমার মালিকের ক্ষমা (-র পরিধি) অনেক বিসত্মত; তিনি তোমাদের তখন থেকেই ভালো করে জানেন, যখন তিনি তোমাদের (এ) যমীন থেকে পয়দা করেছেন, (তখনও তিনি তোমাদের জানতেন) যখন তোমরা ছিলে তোমাদের মায়ের পেটে (ক্ষুদ্র একটি) ভ্রণের আকারে, অতএব কখনো নিজেদের পবিত্র দাবী করো না; আল্লাহ তায়ালাই ভালো জানেন কোন ব্যক্তি (তাঁকে) বেশী ভয় করে ।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৩:৩৩﴿
﴾ ৫৩:৩৩ ﴿
أَفَرَأَيْتَ الَّذِي تَوَلَّى ﴿٣٣﴾
(হে নবী, ) তুমি কি সে ব্যক্তিটিকে দেখোনি, যে (আল্লাহ তায়ালার পথ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলো,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৩:৩৪﴿
﴾ ৫৩:৩৪ ﴿
وَأَعْطَى قَلِيلًا وَأَكْدَى ﴿٣٤﴾
যে ব্যক্তি সামান্য কিছুই দান করলো, অতঃপর সম্পূর্ণভাবে (নিজের) হাত গুটিয়ে নিলো।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৩:৩৫﴿
﴾ ৫৩:৩৫ ﴿
أَعِنْدَهُ عِلْمُ الْغَيْبِ فَهُوَ يَرَى ﴿٣٥﴾
তার কাছে কি অদৃশ্য জগতের কোনো জ্ঞান ছিলো যে, তা দিয়ে সে (অন্য কিছু) দেখতে পাচ্ছিলো।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৩:৩৬﴿
﴾ ৫৩:৩৬ ﴿
أَمْ لَمْ يُنَبَّأْ بِمَا فِي صُحُفِ مُوسَى ﴿٣٦﴾
তাকে কি (একথা) জানানো হয়নি যে, মুসার (কাছে পাঠানো আমার) সহীফাসমূহে কি (কথা লেখা) আছে,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৩:৩৭﴿
﴾ ৫৩:৩৭ ﴿
وَإِبْرَاهِيمَ الَّذِي وَفَّى ﴿٣٧﴾
(তাকে কি) ইবরাহীমের কথা জানানো হয়নি, ইবরাহীম তো (আল্লাহর) বিধানাবলী পুরোপুরিই পালন করেছে,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৩:৩৮﴿
﴾ ৫৩:৩৮ ﴿
أَلَّا تَزِرُ وَازِرَةٌ وِزْرَ أُخْرَى ﴿٣٨﴾
(তাকে কি এটা বলা হয়নি যে, ) কোনো মানুষই অন্যের (পাপের) বোঝা উঠাবে না,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৩:৩৯﴿
﴾ ৫৩:৩৯ ﴿
وَأَنْ لَيْسَ لِلْإِنْسَانِ إِلَّا مَا سَعَى ﴿٣٩﴾
মানুষ ততোটুকুই পাবে যতোটুকু সে চেষ্টা করবে,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৩:৪০﴿
﴾ ৫৩:৪০ ﴿
وَأَنَّ سَعْيَهُ سَوْفَ يُرَى ﴿٤٠﴾
আর তার কাজকর্ম (পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে এবং অচিরেই তা) দেখা হবে,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৩:৪১﴿
﴾ ৫৩:৪১ ﴿
ثُمَّ يُجْزَاهُ الْجَزَاءَ الْأَوْفَى ﴿٤١﴾
অতঃপর তাকে তার পুরোপুরি বিনিময় দেয়া হবে,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৩:৪২﴿
﴾ ৫৩:৪২ ﴿
وَأَنَّ إِلَى رَبِّكَ الْمُنْتَهَى ﴿٤٢﴾
পরিশেষে (সবাইকে একদিন) তোমার মালিকের কাছেই পৌঁছুতে হবে,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৩:৪৩﴿
﴾ ৫৩:৪৩ ﴿
وَأَنَّهُ هُوَ أَضْحَكَ وَأَبْكَى ﴿٤٣﴾
তিনিই (সবাইকে) হাসান, তিনিই (সবাইকে) কাঁদান,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৩:৪৪﴿
﴾ ৫৩:৪৪ ﴿
وَأَنَّهُ هُوَ أَمَاتَ وَأَحْيَا ﴿٤٤﴾
তিনিই (মানুষকে) মারেন, তিনিই (তাদের) বাঁচান,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৩:৪৫﴿
﴾ ৫৩:৪৫ ﴿
وَأَنَّهُ خَلَقَ الزَّوْجَيْنِ الذَّكَرَ وَالْأُنْثَى ﴿٤٥﴾
তিনিই নর নারীর যুগল পয়দা করেছেন,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৩:৪৬﴿
﴾ ৫৩:৪৬ ﴿
مِنْ نُطْفَةٍ إِذَا تُمْنَى ﴿٤٦﴾
(পয়দা করেছেন) এক বিন্দু (স্খলিত) শুক্র থেকে,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৩:৪৭﴿
﴾ ৫৩:৪৭ ﴿
وَأَنَّ عَلَيْهِ النَّشْأَةَ الْأُخْرَى ﴿٤٧﴾
নিশ্চয়ই পুনরায় এদের জীবন দান করার দায়িত্বও (কিন্তু) তাঁর (একার) ,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৩:৪৮﴿
﴾ ৫৩:৪৮ ﴿
وَأَنَّهُ هُوَ أَغْنَى وَأَقْنَى ﴿٤٨﴾
তিনিই (তাকে) ধনশালী করেন এবং তিনিই পুঁজি দান করে তা স্থায়ী রাখেন,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৩:৪৯﴿
﴾ ৫৩:৪৯ ﴿
وَأَنَّهُ هُوَ رَبُّ الشِّعْرَى ﴿٤٩﴾
তিনি শেরা' (নামক) নক্ষত্রেরও মালিক,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৩:৫০﴿
﴾ ৫৩:৫০ ﴿
وَأَنَّهُ أَهْلَكَ عَادًا الْأُولَى ﴿٥٠﴾
তিনিই প্রাচীন আদ সম্প্রদায়কে ধ্বংস করে দিয়েছেন,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৩:৫১﴿
﴾ ৫৩:৫১ ﴿
وَثَمُودَ فَمَا أَبْقَى ﴿٥١﴾
(তিনি আরো ধ্বংস করেছেন) সামূদ জাতিকে (এমনভাবে) , তাদের একজনকেও অবশিষ্ট রাখেননি,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৩:৫২﴿
﴾ ৫৩:৫২ ﴿
وَقَوْمَ نُوحٍ مِنْ قَبْلُ إِنَّهُمْ كَانُوا هُمْ أَظْلَمَ وَأَطْغَى ﴿٥٢﴾
এর আগে (তিনি ধ্বংস করেছেন) নূহের জাতিকে; কেননা তারা ছিলো ভীষণ যালেম ও চরম বিদ্রোহী;
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৩:৫৩﴿
﴾ ৫৩:৫৩ ﴿
وَالْمُؤْتَفِكَةَ أَهْوَى ﴿٥٣﴾
তিনি একটি জনপদকে উপরে উঠিয়ে উল্টো করে ফেলে দিয়েছেন।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৩:৫৪﴿
﴾ ৫৩:৫৪ ﴿
فَغَشَّاهَا مَا غَشَّى ﴿٥٤﴾
অতঃপর সে জনপদের উপর তিনি ছেয়ে দিলেন এমন এক (ভয়ংকর) আযাব, যা (তাকে পুরোপুরিভাবে) । ছেয়ে দিলো,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৩:৫৫﴿
﴾ ৫৩:৫৫ ﴿
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكَ تَتَمَارَى ﴿٥٥﴾
তারপরও (হে নির্বোধ মানুষ, ) তুমি তোমার মালিকের কোন কোন নিদর্শনে সন্দেহ প্রকাশ করো!
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৩:৫৬﴿
﴾ ৫৩:৫৬ ﴿
هَذَا نَذِيرٌ مِنَ النُّذُرِ الْأُولَى ﴿٥٦﴾
(আযাবের) সতর্ককারী (এ নবী তো) আগের (পাঠানো) সতর্ককারীদেরই একজন।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৩:৫৭﴿
﴾ ৫৩:৫৭ ﴿
أَزِفَتِ الْآزِفَةُ ﴿٥٧﴾
(ত্বরিত আগমনকারী কেয়ামতের) ক্ষণটি (আজ) আসন্ন হয়ে গেছে,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৩:৫৮﴿
﴾ ৫৩:৫৮ ﴿
لَيْسَ لَهَا مِنْ دُونِ اللَّهِ كَاشِفَةٌ ﴿٥٨﴾
আল্লাহ তায়ালা ছাড়া কেউই সে ক্ষণটির (দিন কাল সম্পর্কিত তথ্য) উদঘাটন করতে পারবে না;
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৩:৫৯﴿
﴾ ৫৩:৫৯ ﴿
أَفَمِنْ هَذَا الْحَدِيثِ تَعْجَبُونَ ﴿٥٩﴾
এগুলোই কি (তাহলে) সেসব বিষয় যার ব্যাপারে তোমরা (আজ রীতিমতো) বিস্ময়বোধ করছো,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৩:৬০﴿
﴾ ৫৩:৬০ ﴿
وَتَضْحَكُونَ وَلَا تَبْكُونَ ﴿٦٠﴾
(এসব বিষয় নিয়ে) তোমরা (আজ) হাসাহাসি করছো, অথচ (পরিণামের কথা ভেবে) তোমরা মোটেই কাঁদছো। ,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৩:৬১﴿
﴾ ৫৩:৬১ ﴿
وَأَنْتُمْ سَامِدُونَ ﴿٦١﴾
(মনে হচ্ছে) তোমরা (মূলব্যাপারেই) উদাসীন হয়ে রয়েছে।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৩:৬২﴿
﴾ ৫৩:৬২ ﴿
فَاسْجُدُوا لِلَّهِ وَاعْبُدُوا ﴿٦٢﴾
অতএব তোমরা আল্লাহ তায়ালার সামনে সাজদাবনত হও এবং (কাউকে শরীক করা ব্যতীত) তাঁরই ইবাদাত করো।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]