🕋
القمر
(৫৪) আল-কামার
৫৫
১
⋮
اقْتَرَبَتِ السَّاعَةُ وَانْشَقَّ الْقَمَرُ ﴿١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
কেয়ামত নিকটবর্তী হয়ে গেছে এবং চাঁদ বিদীর্ণ হয়ে গেছে ।
২
⋮
وَإِنْ يَرَوْا آيَةً يُعْرِضُوا وَيَقُولُوا سِحْرٌ مُسْتَمِرٌّ ﴿٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(এদের অবস্থা হচ্ছে, এরা কোনো নিদর্শন দেখলে তা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয় এবং বলে, এটা তো হচ্ছে এক চিরাচরিত যাদুকরী (ব্যাপার) ।
৩
⋮
وَكَذَّبُوا وَاتَّبَعُوا أَهْوَاءَهُمْ وَكُلُّ أَمْرٍ مُسْتَقِرٌّ ﴿٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(তারা সত্য) অস্বীকার করে এবং নিজেদের খেয়াল খুশীর অনুসরণ করে চলে, (অথচ) প্রত্যেক কাজের একটি চূড়ান্ত নিস্পত্তির (সময়) রয়েছে।
৪
⋮
وَلَقَدْ جَاءَهُمْ مِنَ الْأَنْبَاءِ مَا فِيهِ مُزْدَجَرٌ ﴿٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
অবশ্যই এ লোকদের কাছে (অতীত জাতিসমূহের উপর আযাবের) সংবাদসমূহ এসেছে, (এমন সংবাদ) যাতে (বিদ্রোহের শাস্তির) হুঁশিয়ারী রয়েছে,
৫
⋮
حِكْمَةٌ بَالِغَةٌ فَمَا تُغْنِ النُّذُرُ ﴿٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
এগুলো হচ্ছে পুরোপুরি জ্ঞানসমৃদ্ধ ঘটনা, যদিও এসব সতর্কবাণী তাদের কোনোই উপকারে আসে না,
৬
⋮
فَتَوَلَّ عَنْهُمْ يَوْمَ يَدْعُو الدَّاعِيَ إِلَى شَيْءٍ نُكُرٍ ﴿٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(হে নবী) তুমি এদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নাও । যেদিন একজন আহ্বানকারী এদের একটি অপ্রিয় বিষয়ের দিকে আহ্বান করবে।
৭
⋮
خُشَّعًا أَبْصَارُهُمْ يَخْرُجُونَ مِنَ الْأَجْدَاثِ كَأَنَّهُمْ جَرَادٌ مُنْتَشِرٌ ﴿٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(সেদিন) তারা অবনত দৃষ্টি নিয়ে (একে একে) কবর থেকে এমনভাবে বেরিয়ে আসবে, যেন ইতস্তত বিক্ষিপ্ত পঙ্গপালের দল,
৮
⋮
مُهْطِعِينَ إِلَى الدَّاعِي يَقُولُ الْكَافِرُونَ هَذَا يَوْمٌ عَسِرٌ ﴿٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
তারা সবাই (তখন সেই) আহ্বানকারীর দিকে দৌড়াতে থাকবে; যারা (এ দিনকে) অস্বীকার করেছিলো, তারা বলবে, এ তো (দেখছি আসলেই) এক ভয়াবহ দিন!
৯
⋮
كَذَّبَتْ قَبْلَهُمْ قَوْمُ نُوحٍ فَكَذَّبُوا عَبْدَنَا وَقَالُوا مَجْنُونٌ وَازْدُجِرَ ﴿٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
এদের আগে নুহের জাতিও (এভাবে তাদের নবীকে) অস্বীকার করেছিলো, তারা আমার বান্দা (নুহ নবী) -কে মিথ্যা সাব্যস্ত করেছে, তারা তাকে পাগল বলে আখ্যায়িত করেছে, তাকে (নানাভাবে) ধমক দেয়া হয়েছিলো ।
১০
⋮
فَدَعَا رَبَّهُ أَنِّي مَغْلُوبٌ فَانْتَصِرْ ﴿١٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
অবশেষে সে তার মালিককে ডাকলো (এবং বললো হে আমার মালিক) , অবশ্যই আমি অসহায় (হয়ে পড়েছি) , অতএব তুমিই (এদের কাছ থেকে) প্রতিশোধ নাও।
১১
⋮
فَفَتَحْنَا أَبْوَابَ السَّمَاءِ بِمَاءٍ مُنْهَمِرٍ ﴿١١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
এরপর আমি (তার ডাকে সাড়া দিলাম এবং) প্রবল বৃষ্টির পানি বর্ষণের জন্যে আসমানের দ্বারসমূহ খুলে দিলাম,
১২
⋮
وَفَجَّرْنَا الْأَرْضَ عُيُونًا فَالْتَقَى الْمَاءُ عَلَى أَمْرٍ قَدْ قُدِرَ ﴿١٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
ভূমির স্তর (বিদীর্ণ করে তাকে পানির) প্রচন্ড প্রস্রবণে পরিণত করলাম, অতঃপর (আসমান ও যমীনের) পানি এক জায়গায় মিলিত হলো এমন একটি কাজের জন্যে, যা আগে থেকেই ঠিক করে রাখা হয়েছিলো,
১৩
⋮
وَحَمَلْنَاهُ عَلَى ذَاتِ أَلْوَاحٍ وَدُسُرٍ ﴿١٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
তখন আমি তাকে কাঠ ও পেরেক (নির্মিত একটি) যানে উঠিয়ে নিলাম,
১৪
⋮
تَجْرِي بِأَعْيُنِنَا جَزَاءً لِمَنْ كَانَ كُفِرَ ﴿١٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
যা আমার (প্রত্যক্ষ) দৃষ্টির সামনে (ধীরে ধীরে) বয়ে চললো, এটি ছিলো সে ব্যক্তির জন্যে একটি বিনিময়, যাকে (মাত্র কিছু দিন আগেও) অস্বীকার করা হয়েছিলো।
১৫
⋮
وَلَقَدْ تَرَكْنَاهَا آيَةً فَهَلْ مِنْ مُدَّكِرٍ ﴿١٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
আমি (জলযান সদৃশ) সে জিনিসটিকে (পরবর্তী মানুষদের জন্যে) একটি নিদর্শন হিসেবে রেখে দিয়েছি, কে আছে (আজ এর থেকে) শিক্ষা গ্রহণ করার?
১৬
⋮
فَكَيْفَ كَانَ عَذَابِي وَنُذُرِ ﴿١٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(হ্যাঁ, এমন কেউ থাকলে এসো, দেখে নাও, ) কেমন (কঠোর) ছিলো আমার আযাব এবং (কতো সত্য ছিলো) আমার সতর্কবাণী!
১৭
⋮
وَلَقَدْ يَسَّرْنَا الْقُرْآنَ لِلذِّكْرِ فَهَلْ مِنْ مُدَّكِرٍ ﴿١٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
আমি (অবশ্যই) উপদেশ গ্রহণ করার জন্যে এ কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি, কে আছে (তোমাদের মাঝে এর থেকে) শিক্ষা গ্রহণ করার?
১৮
⋮
كَذَّبَتْ عَادٌ فَكَيْفَ كَانَ عَذَابِي وَنُذُرِ ﴿١٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
আ'দ জাতির লোকেরাও (আমার নবীকে) মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছে, (তোমরা দেখে নিতে পারো তাদের প্রতি) আমার আযাব কেমন (কঠোর) ছিলো এবং (কতো সত্য ছিলো) আমার সতর্কবাণী!
১৯
⋮
إِنَّا أَرْسَلْنَا عَلَيْهِمْ رِيحًا صَرْصَرًا فِي يَوْمِ نَحْسٍ مُسْتَمِرٍّ ﴿١٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
এক স্থায়ী কুলক্ষণের দিনে আমি তাদের উপর প্রবল বায়ু প্রেরণ করেছিলাম,
২০
⋮
تَنْزِعُ النَّاسَ كَأَنَّهُمْ أَعْجَازُ نَخْلٍ مُنْقَعِرٍ ﴿٢٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
যা মানুষদের এমনভাবে ছুঁড়ে মারছিলো, যেন তা খেজুর গাছের এক একটি উৎপাটিত কান্ড!
২১
⋮
فَكَيْفَ كَانَ عَذَابِي وَنُذُرِ ﴿٢١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(হ্যাঁ, দেখে নাও, ) কেমন (কঠোর) ছিলো আমার আযাব আর (কতো সত্য ছিলো) আমার সতর্কবাণী!
২২
⋮
وَلَقَدْ يَسَّرْنَا الْقُرْآنَ لِلذِّكْرِ فَهَلْ مِنْ مُدَّكِرٍ ﴿٢٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
অবশ্যই আমি উপদেশ গ্রহণের জন্যে কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি, কে আছে (তা থেকে) শিক্ষা গ্রহণ করার?
২৩
⋮
كَذَّبَتْ ثَمُودُ بِالنُّذُرِ ﴿٢٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
সামূদ সম্প্রদায়ও (আযাবের) সতর্ককারী (নবী ও রাসূল) -দের মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছিলো।
২৪
⋮
فَقَالُوا أَبَشَرًا مِنَّا وَاحِدًا نَتَّبِعُهُ إِنَّا إِذًا لَفِي ضَلَالٍ وَسُعُرٍ ﴿٢٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
তারা বলেছিলো, আমরা কি এমন একজন লোকের কথা মেনে চলবো, যে ব্যক্তি একা আমাদেরই একজন, (এভাবে) তার আনুগত্য করলে সত্যিই তো আমরা বড়ো গোমরাহী ও পাগলামী কাজে নিমজ্জিত হয়ে পড়বো ।
২৫
⋮
أَؤُلْقِيَ الذِّكْرُ عَلَيْهِ مِنْ بَيْنِنَا بَلْ هُوَ كَذَّابٌ أَشِرٌ ﴿٢٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
আমাদের মাঝে সে-ই কি একমাত্র ব্যক্তি, যার উপর (আল্লাহর) ওহী নাযিল করা হয়েছে, (আসলে) সে হচ্ছে একজন চরম মিথ্যাবাদী ও অহংকারী ব্যক্তি।
২৬
⋮
سَيَعْلَمُونَ غَدًا مَنِ الْكَذَّابُ الْأَشِرُ ﴿٢٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
আগামীকাল (মহাবিচারের দিন) তারা ভালো করেই এটা জানতে পারবে, কে ছিলো তাদের মধ্যে মিথ্যাবাদী ও অহংকারী ব্যক্তি!
২৭
⋮
إِنَّا مُرْسِلُو النَّاقَةِ فِتْنَةً لَهُمْ فَارْتَقِبْهُمْ وَاصْطَبِرْ ﴿٢٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
আমি (অচিরেই) তাদের পরীক্ষার জন্যে একটি উষ্ট্রী পাঠাবো, তুমি একান্ত কাছে থেকে তাদের দিকে লক্ষ্য করো এবং (একটুখানি) ধৈর্য্য ধরো এবং তাদের পরিণামটা দেখো,
২৮
⋮
وَنَبِّئْهُمْ أَنَّ الْمَاءَ قِسْمَةٌ بَيْنَهُمْ كُلُّ شِرْبٍ مُحْتَضَرٌ ﴿٢٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
তাদের বলে দাও, (কুয়ার) পানি অবশ্যই তাদের (ও উষ্ট্রীর) মধ্যে ভাগ করে দেয়া হয়েছে এবং তাদের সবাই (পালাক্রমে) কুয়ার পাশে হাযির হবে।
২৯
⋮
فَنَادَوْا صَاحِبَهُمْ فَتَعَاطَى فَعَقَرَ ﴿٢٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
পরিশেষে তারা (বিদ্রোহ করার জন্যে) তাদের (এক) বন্ধুকে ডেকে আনলো, সে (উস্ত্রীকে ছুরি দিয়ে) আক্রমণ করলো এবং (সেটির পায়ের) নলি কেটে ফেললো ।
৩০
⋮
فَكَيْفَ كَانَ عَذَابِي وَنُذُرِ ﴿٣٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(হ্যাঁ, অতঃপর তোমরাই দেখেছো) কেমন ছিলো আমার আযাব, (কতো সত্য ছিলো) আমার সতর্কবাণী!
৩১
⋮
إِنَّا أَرْسَلْنَا عَلَيْهِمْ صَيْحَةً وَاحِدَةً فَكَانُوا كَهَشِيمِ الْمُحْتَظِرِ ﴿٣١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
অতঃপর আমি তাদের উপর প্রেরণ করলাম মাত্র একটি গর্জন, এতেই তারা শুষ্ক শাখাপল্লব নির্মিত জন্তু জানোয়ারদের দলিত খোয়াড়ের মতো হয়ে গেলো।
৩২
⋮
وَلَقَدْ يَسَّرْنَا الْقُرْآنَ لِلذِّكْرِ فَهَلْ مِنْ مُدَّكِرٍ ﴿٣٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
বোঝার জন্যে আমি কোরআন সহজ করে নাযিল করেছি, (তা থেকে) উপদেশ গ্রহণ করার মতো কেউ আছে কি?
৩৩
⋮
كَذَّبَتْ قَوْمُ لُوطٍ بِالنُّذُرِ ﴿٣٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
নূতের জাতির লোকেরাও সতর্ককারী (নবী) -দের মিথ্যাবাদী বলেছিলো ।
৩৪
⋮
إِنَّا أَرْسَلْنَا عَلَيْهِمْ حَاصِبًا إِلَّا آلَ لُوطٍ نَجَّيْنَاهُمْ بِسَحَرٍ ﴿٣٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(ফলে) আমি তাদের উপর প্রেরণ করলাম পাথর (নিক্ষেপকারী এক ধরনের) বৃষ্টি, লুতের পরিবার পরিজন ও তার অনুবর্তনকারীদের বাদে; রাতের শেষ প্রহরেই আমি তাদের উদ্ধার করে নিয়েছিলাম,
৩৫
⋮
نِعْمَةً مِنْ عِنْدِنَا كَذَلِكَ نَجْزِي مَنْ شَكَرَ ﴿٣٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
এ (কাজ) -টা ছিলো (তাদের প্রতি) আমার একান্ত অনুগ্রহ; যে ব্যক্তি আমার (অনুগ্রহের) কৃতজ্ঞতা আদায় করে আমি তাকে এভাবেই পুরস্কৃত করি।
৩৬
⋮
وَلَقَدْ أَنْذَرَهُمْ بَطْشَتَنَا فَتَمَارَوْا بِالنُّذُرِ ﴿٣٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
সে (ক্ত) আমার কঠোর পাকড়াও সম্পর্কে তাদের বার বার ভয় দেখিয়েছিলো, কিন্তু এ সতর্কীকরণে তারা বাকবিতন্ডা শুরু করে দিলো ।
৩৭
⋮
وَلَقَدْ رَاوَدُوهُ عَنْ ضَيْفِهِ فَطَمَسْنَا أَعْيُنَهُمْ فَذُوقُوا عَذَابِي وَنُذُرِ ﴿٣٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(অতঃপর) তারা তার কাছে এসে (কুমতলবের জন্যে) তার মেহমানদের (নিয়ে যাবার) দাবী করলো, আমি (তখন) তাদের দৃষ্টিশক্তি বিলুপ্ত করে দিলাম, (আমি তাদের বললাম) , এবার তোমরা আমার আযাব উপভোগ করো এবং (আমার) সতর্কবাণী (অবজ্ঞা করার পরিণামটা) -ও দেখে নাও!
৩৮
⋮
وَلَقَدْ صَبَّحَهُمْ بُكْرَةً عَذَابٌ مُسْتَقِرٌّ ﴿٣٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
প্রত্যুষেই তাদের উপর আমার এক অমোঘ আযাব প্রচন্ড আঘাত হানলো,
৩৯
⋮
فَذُوقُوا عَذَابِي وَنُذُرِ ﴿٣٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(আমি বললাম, ) অতঃপর তোমরা আমার এ আযাব আস্বাদন করতে থাকো এবং (আমার) সতর্ককারীদের উপেক্ষা করার (পরিণামটাও একবার) দেখে নাও।
৪০
⋮
وَلَقَدْ يَسَّرْنَا الْقُرْآنَ لِلذِّكْرِ فَهَلْ مِنْ مُدَّكِرٍ ﴿٤٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
আমি এ কোরআনকে শিক্ষা গ্রহণ করার জন্যে সহজ (করে নাযিল) করেছি, কিন্তু কেউ আছে কি (এ থেকে) শিক্ষা গ্রহণ করার?
৪১
⋮
وَلَقَدْ جَاءَ آلَ فِرْعَوْنَ النُّذُرُ ﴿٤١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
ফেরাউনের জাতির লোকদের কাছেও আমার পক্ষ থেকে সতর্ককারী (অনেক নিদর্শন) এসেছিলো,
৪২
⋮
كَذَّبُوا بِآيَاتِنَا كُلِّهَا فَأَخَذْنَاهُمْ أَخْذَ عَزِيزٍ مُقْتَدِرٍ ﴿٤٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
কিন্তু তারা আমার সমুদয় নিদর্শন অস্বীকার করেছে, (আর পরিণামে) আমিও তাদের (শক্ত হাতে) পাকড়াও করলাম ঠিক যেমনি করে সর্বশক্তিমান সত্তা (বিদ্রোহীদের) পাকড়াও করে থাকেন।
৪৩
⋮
أَكُفَّارُكُمْ خَيْرٌ مِنْ أُولَئِكُمْ أَمْ لَكُمْ بَرَاءَةٌ فِي الزُّبُرِ ﴿٤٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(তোমরা কি সত্যিই মনে করছো, ) তোমাদের (সমাজের) এ কাফেররা তোমাদের পূর্ববর্তী কাফেরদের চাইতে (শক্তি ও ক্ষমতার দিক থেকে) উৎকৃষ্ট? অথবা (আমার) কিতাবের কোথাও কি তোমাদের জন্যে অব্যাহতি (-মূলক কিছু লিপিবদ্ধ) রয়েছে?
৪৪
⋮
أَمْ يَقُولُونَ نَحْنُ جَمِيعٌ مُنْتَصِرٌ ﴿٤٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
অথবা তারা বলছে, আমরা হচ্ছি (সত্যিই) একটি অপরাজেয় দল ।
৪৫
⋮
سَيُهْزَمُ الْجَمْعُ وَيُوَلُّونَ الدُّبُرَ ﴿٤٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
অচিরেই এ (অপরাজেয়) দলটি শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়ে যাবে এবং (সম্মুখসমর থেকে) পৃষ্ঠ প্রদর্শন করে পালাতে থাকবে।
৪৬
⋮
بَلِ السَّاعَةُ مَوْعِدُهُمْ وَالسَّاعَةُ أَدْهَى وَأَمَرُّ ﴿٤٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(কিন্তু এ পালানোই তো তাদের শেষ নয়, বরং তাদের (শাস্তিদানের) নির্ধারিত ক্ষণ কেয়ামত তো রয়েছেই, আর কেয়ামত হবে তাদের জন্যে বড়োই কঠিন ও বড়োই তিক্ত।
৪৭
⋮
إِنَّ الْمُجْرِمِينَ فِي ضَلَالٍ وَسُعُرٍ ﴿٤٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
অবশ্যই এসব অপরাধী (নিদারুণ) বিভ্রান্তি ও বিকারগ্রস্ততার মাঝে পড়ে আছে।
৪৮
⋮
يَوْمَ يُسْحَبُونَ فِي النَّارِ عَلَى وُجُوهِهِمْ ذُوقُوا مَسَّ سَقَرَ ﴿٤٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
যেদিন তাদের উপুড় করে (জাহান্নামের) আগুনের দিকে ঠেলে নেয়া হবে (তখন তাদের ঘোর কেটে যাবে, অতঃপর তাদের বলা হবে) ; এবার তোমরা জাহান্নামের (আযাবের) স্বাদ উপভোগ করো,
৪৯
⋮
إِنَّا كُلَّ شَيْءٍ خَلَقْنَاهُ بِقَدَرٍ ﴿٤٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
আমি সব কয়টি জিনিসকে অবশ্যই একটি সুনির্দিষ্ট পরিমাণমতো সৃষ্টি করেছি।
৫০
⋮
وَمَا أَمْرُنَا إِلَّا وَاحِدَةٌ كَلَمْحٍ بِالْبَصَرِ ﴿٥٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(আর) আমার হুকুম! সে তো এক নিমেষে চোখের পলকের মতোই (কার্যকর হয়) ।
৫১
⋮
وَلَقَدْ أَهْلَكْنَا أَشْيَاعَكُمْ فَهَلْ مِنْ مُدَّكِرٍ ﴿٥١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
তোমাদের (মতো) বহু (বিদ্রোহী) জাতিকে আমি বিনাশ করে দিয়েছি, অতএব আছে কি (তা থেকে) শিক্ষা গ্রহণ করার মতো কেউ?
৫২
⋮
وَكُلُّ شَيْءٍ فَعَلُوهُ فِي الزُّبُرِ ﴿٥٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
তারা যা কিছু করছে (তার) সবটুকুই (তাদের আমলনামায়) সংরক্ষিত আছে।
৫৩
⋮
وَكُلُّ صَغِيرٍ وَكَبِيرٍ مُسْتَطَرٌ ﴿٥٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(সেখানে যেমনি রয়েছে। প্রতিটি ক্ষুদ্র বিষয়, (তেমনি) লিপিবদ্ধ আছে প্রতিটি বড়ো বিষয়ও।
৫৪
⋮
إِنَّ الْمُتَّقِينَ فِي جَنَّاتٍ وَنَهَرٍ ﴿٥٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(অপরদিকে এ বিদ্রোহের পথ পরিহার করে) যারা (আল্লাহকে) ভয় করেছে, তারা অনাদিকাল (এক সুরম্য) জান্নাতে ও (প্রবাহমান) ঝর্ণাধারায় থাকবে,
৫৫
⋮
فِي مَقْعَدِ صِدْقٍ عِنْدَ مَلِيكٍ مُقْتَدِرٍ ﴿٥٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(তারা অবস্থান করবে) যথাযোগ্য সম্মানজনক জায়গায়, বিশাল ক্ষমতার অধিকারী সার্বভৌম আল্লাহ তায়ালার সান্নিধ্যে।