🕌

الرحمن
(৫৫) আর-রহমান

৭৮

﴾৫৫:১﴿
﴾ ৫৫:১ ﴿
الرَّحْمَنُ ﴿١﴾
পরম করুণাময় (আল্লাহ তায়ালা) , [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:২﴿
﴾ ৫৫:২ ﴿
عَلَّمَ الْقُرْآنَ ﴿٢﴾
তিনি (তোমাদের) কোরআন শিক্ষা দিয়েছেন; [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:৩﴿
﴾ ৫৫:৩ ﴿
خَلَقَ الْإِنْسَانَ ﴿٣﴾
তিনি মানুষ বানিয়েছেন, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:৪﴿
﴾ ৫৫:৪ ﴿
عَلَّمَهُ الْبَيَانَ ﴿٤﴾
(ভাব প্রকাশের জন্যে) তিনি তাকে (কথা) বলা শিখিয়েছেন। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:৫﴿
﴾ ৫৫:৫ ﴿
الشَّمْسُ وَالْقَمَرُ بِحُسْبَانٍ ﴿٥﴾
সুর্য ও চন্দ্র উভয়ই নির্ধারিত হিসাব মোতাবেক (অবিরাম কক্ষপথ ধরে) চলছে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:৬﴿
﴾ ৫৫:৬ ﴿
وَالنَّجْمُ وَالشَّجَرُ يَسْجُدَانِ ﴿٦﴾
(যমীনে উৎপাদিত যাবতীয়) লতাপাতা ও গাছগাছড়া (সব) তাঁরই সামনে সাজদাবনত হয়, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:৭﴿
﴾ ৫৫:৭ ﴿
وَالسَّمَاءَ رَفَعَهَا وَوَضَعَ الْمِيزَانَ ﴿٧﴾
আসমান তাকে তিনি সমুন্নত করে রেখেছেন এবং (মহাশূন্যে তার ভারসাম্যের জন্যে) তিনি একটি মানদন্ড স্থাপন করেছেন, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:৮﴿
﴾ ৫৫:৮ ﴿
أَلَّا تَطْغَوْا فِي الْمِيزَانِ ﴿٨﴾
যাতে করে তোমরা কখনো (আল্লাহ তায়ালার নির্ধারিত এই মানদন্ডের) সীমা অতিক্রম না করো। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:৯﴿
﴾ ৫৫:৯ ﴿
وَأَقِيمُوا الْوَزْنَ بِالْقِسْطِ وَلَا تُخْسِرُوا الْمِيزَانَ ﴿٩﴾
ইনসাফ মোতাবেক (তোমরা ওযনের) মানদন্ড প্রতিষ্ঠা করো এবং (ওযনে কম দিয়ে) মানদন্ডের ক্ষতি সাধন করো না। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:১০﴿
﴾ ৫৫:১০ ﴿
وَالْأَرْضَ وَضَعَهَا لِلْأَنَامِ ﴿١٠﴾
(ভূমন্ডলকে) তিনি সৃষ্টিরাজির জন্যে (বিছিয়ে) রেখেছেন, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:১১﴿
﴾ ৫৫:১১ ﴿
فِيهَا فَاكِهَةٌ وَالنَّخْلُ ذَاتُ الْأَكْمَامِ ﴿١١﴾
তাতে রয়েছে (অসংখ্য) ফলমূল, (আরো রয়েছে) খেজুর, যা (আল্লাহর কুদরতে) খোসার আবরণে (ঢাকা) থাকে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:১২﴿
﴾ ৫৫:১২ ﴿
وَالْحَبُّ ذُو الْعَصْفِ وَالرَّيْحَانُ ﴿١٢﴾
(আরো রয়েছে) ভূষিযুক্ত শস্যদানা ও সুগন্ধযুক্ত (ফল) , [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:১৩﴿
﴾ ৫৫:১৩ ﴿
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿١٣﴾
অতএব (হে মানুষ ও জ্বিন) , তোমরা তোমাদের মালিকের কোন নেয়ামত অস্বীকার করবে! [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:১৪﴿
﴾ ৫৫:১৪ ﴿
خَلَقَ الْإِنْسَانَ مِنْ صَلْصَالٍ كَالْفَخَّارِ ﴿١٤﴾
তিনি মানুষকে বানিয়েছেন পোড়ামতো শুকনো ঠনঠনে এক টুকরো মাটি থেকে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:১৫﴿
﴾ ৫৫:১৫ ﴿
وَخَلَقَ الْجَانَّ مِنْ مَارِجٍ مِنْ نَارٍ ﴿١٥﴾
এবং জ্বিনদের বানিয়েছেন আগুন থেকে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:১৬﴿
﴾ ৫৫:১৬ ﴿
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿١٦﴾
অতঃপর (হে মানুষ ও জ্বিন) , তোমরা তোমাদের মালিকের কোন নেয়ামত অস্বীকার করবে! [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:১৭﴿
﴾ ৫৫:১৭ ﴿
رَبُّ الْمَشْرِقَيْنِ وَرَبُّ الْمَغْرِبَيْنِ ﴿١٧﴾
(তিনি দুই মওসুমের) দুই উদয়াচলের মালিক এবং (আবার দুই মওসুমের) দুই অস্তাচলেরও মালিক। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:১৮﴿
﴾ ৫৫:১৮ ﴿
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿١٨﴾
অতঃপর (হে মানুষ ও জ্বিন) , তোমরা তোমাদের মালিকের কোন নেয়ামত অস্বীকার করবে! [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:১৯﴿
﴾ ৫৫:১৯ ﴿
مَرَجَ الْبَحْرَيْنِ يَلْتَقِيَانِ ﴿١٩﴾
তিনি দুটি সমুদ্রকে (বয়ে চলার জন্যে) ছেড়ে দিয়ে রেখেছেন যেন তা একে অপরের সাথে মিশে যেতে পারে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:২০﴿
﴾ ৫৫:২০ ﴿
بَيْنَهُمَا بَرْزَخٌ لَا يَبْغِيَانِ ﴿٢٠﴾
(তারপরও) তাদের উভয়ের মাঝে (রয়ে যায় এমন) একটি অন্তরাল যার সীমা তারা কখনো অতিক্রম করতে পারে না, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:২১﴿
﴾ ৫৫:২১ ﴿
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٢١﴾
অতঃপর (হে মানুষ ও জ্বিন) , তোমরা তোমাদের মালিকের কোন নেয়ামত অস্বীকার করবে! [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:২২﴿
﴾ ৫৫:২২ ﴿
يَخْرُجُ مِنْهُمَا اللُّؤْلُؤُ وَالْمَرْجَانُ ﴿٢٢﴾
(এ) উভয় (সমুদ্র) থেকে তিনি (মহামূল্যবান) প্রবাল ও মুক্তা বের করে আনেন, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:২৩﴿
﴾ ৫৫:২৩ ﴿
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٢٣﴾
অতঃপর (হে মানুষ ও জ্বিন) , তোমরা তোমাদের মালিকের কোন নেয়ামত অস্বীকার করবে! [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:২৪﴿
﴾ ৫৫:২৪ ﴿
وَلَهُ الْجَوَارِي الْمُنْشَآتُ فِي الْبَحْرِ كَالْأَعْلَامِ ﴿٢٤﴾
সমুদ্রে বিচরণশীল পাহাড়সম (বড়ো বড়ো) জাহাজসমূহ তো তাঁরই (ক্ষমতার প্রমাণ) , [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:২৫﴿
﴾ ৫৫:২৫ ﴿
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٢٥﴾
অতঃপর (হে মানুষ ও জ্বিন) , তোমরা তোমাদের মালিকের কোন নেয়ামত অস্বীকার করবে! [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:২৬﴿
﴾ ৫৫:২৬ ﴿
كُلُّ مَنْ عَلَيْهَا فَانٍ ﴿٢٦﴾
(যমীন ও) তার উপর যা কিছু আছে তা সবই (একদিন) বিলীন হয়ে যাবে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:২৭﴿
﴾ ৫৫:২৭ ﴿
وَيَبْقَى وَجْهُ رَبِّكَ ذُو الْجَلَالِ وَالْإِكْرَامِ ﴿٢٧﴾
বাকী থাকবে শুধু তোমার মালিকের সত্তা যিনি পরাক্রমশালী ও মহানুভব, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:২৮﴿
﴾ ৫৫:২৮ ﴿
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٢٨﴾
অতএব (হে মানুষ ও জ্বিন) , তোমরা তোমাদের মালিকের কোন নিদর্শন অস্বীকার করবে! [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:২৯﴿
﴾ ৫৫:২৯ ﴿
يَسْأَلُهُ مَنْ فِي السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ كُلَّ يَوْمٍ هُوَ فِي شَأْنٍ ﴿٢٩﴾
এই আকাশমন্ডলী ও ভূমন্ডলে যতো কিছু আছে সবাই নিজ নিজ প্রয়োজন তাঁর কাছেই চায়; (আর) তিনি প্রতিদিন (প্রতিমুহূর্ত) কোনো না কোনো কাজে তৎপর রয়েছেন, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:৩০﴿
﴾ ৫৫:৩০ ﴿
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٣٠﴾
অতএব (হে মানুষ ও জ্বিন) , তোমরা তোমাদের মালিকের কোন নিদর্শন অস্বীকার করবে! [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:৩১﴿
﴾ ৫৫:৩১ ﴿
سَنَفْرُغُ لَكُمْ أَيُّهَا الثَّقَلَانِ ﴿٣١﴾
হে মানুষ ও জ্বিন, (এর মাঝেও কিন্তু) আমি তোমাদের (হিসাব নেয়ার) জন্যে অচিরেই সময় বের করে নেবো, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:৩২﴿
﴾ ৫৫:৩২ ﴿
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٣٢﴾
অতএব (হে মানুষ ও জ্বিন) , তোমরা তোমাদের মালিকের কোন নিদর্শন অস্বীকার করবে! [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:৩৩﴿
﴾ ৫৫:৩৩ ﴿
يَا مَعْشَرَ الْجِنِّ وَالْإِنْسِ إِنِ اسْتَطَعْتُمْ أَنْ تَنْفُذُوا مِنْ أَقْطَارِ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ فَانْفُذُوا لَا تَنْفُذُونَ إِلَّا بِسُلْطَانٍ ﴿٣٣﴾
হে জ্বিন ও মনুষ্য সম্প্রদায়, যদি আকাশমন্ডল ও ভূমন্ডলের এ সীমারেখা অতিক্রম করার তোমাদের সাধ্য থাকে তাহলে (যাও। অতঃপর) তা অতিক্রম করেই দেখো; (কিন্তু আমার দেয়া বিশেষ) ক্ষমতা ছাড়া তোমরা কিছুতেই (এ সীমা) অতিক্রম করতে পারবে না, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:৩৪﴿
﴾ ৫৫:৩৪ ﴿
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٣٤﴾
অতএব (হে মানুষ ও জ্বিন) , তোমরা তোমাদের মালিকের কোন নিদর্শন অস্বীকার করবে! [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:৩৫﴿
﴾ ৫৫:৩৫ ﴿
يُرْسَلُ عَلَيْكُمَا شُوَاظٌ مِنْ نَارٍ وَنُحَاسٌ فَلَا تَنْتَصِرَانِ ﴿٣٥﴾
সেদিন তোমাদের উভয় সম্প্রদায়ের উপর আগুনের স্ফুলিংগ ও ধোঁয়ার কুণ্ডলী পাঠানো হবে, তোমরা (কিছুতেই তা) প্রতিরোধ করতে পারবে না, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:৩৬﴿
﴾ ৫৫:৩৬ ﴿
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٣٦﴾
অতএব (হে মানুষ ও জ্বিন) , তোমরা তোমাদের মালিকের কোন নিদর্শন অস্বীকার করবে! [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:৩৭﴿
﴾ ৫৫:৩৭ ﴿
فَإِذَا انْشَقَّتِ السَّمَاءُ فَكَانَتْ وَرْدَةً كَالدِّهَانِ ﴿٣٧﴾
যখন আসমান ফেটে যাবে অতঃপর তখন তা (লাল) চামড়ার মতো রক্তবর্ণ হয়ে পড়বে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:৩৮﴿
﴾ ৫৫:৩৮ ﴿
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٣٨﴾
অতএব (হে মানুষ ও জ্বিন) , তোমরা তোমাদের মালিকের কোন নিদর্শন অস্বীকার করবে! [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:৩৯﴿
﴾ ৫৫:৩৯ ﴿
فَيَوْمَئِذٍ لَا يُسْأَلُ عَنْ ذَنْبِهِ إِنْسٌ وَلَا جَانٌّ ﴿٣٩﴾
সেদিন কোনো মানুষ ও জ্বিনের (কাছ থেকে তার) অপরাধ সম্পর্কে (কোনো) কৈফিয়ত) জানতে চাওয়া হবে , [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:৪০﴿
﴾ ৫৫:৪০ ﴿
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٤٠﴾
অতঃপর (হে মানুষ ও জ্বিন) , তোমরা তোমাদের মালিকের কোন নিদর্শন অস্বীকার করবে! [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:৪১﴿
﴾ ৫৫:৪১ ﴿
يُعْرَفُ الْمُجْرِمُونَ بِسِيمَاهُمْ فَيُؤْخَذُ بِالنَّوَاصِي وَالْأَقْدَامِ ﴿٤١﴾
অপরাধীরা তাদের (অপরাধী) চেহারা দিয়ে (সেদিন এমনিই) চিহ্নিত হয়ে যাবে, (অপরাধের নথি তাদের ললাটেই এঁটে থাকবে) এবং তাদের কপালের চুল ও পা ধরে ধরে (হাঁকিয়ে) নেয়া হবে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:৪২﴿
﴾ ৫৫:৪২ ﴿
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٤٢﴾
অতঃপর (হে মানুষ ও জ্বিন) , তোমরা তোমাদের মালিকের কোন নিদর্শন অস্বীকার করবে! [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:৪৩﴿
﴾ ৫৫:৪৩ ﴿
هَذِهِ جَهَنَّمُ الَّتِي يُكَذِّبُ بِهَا الْمُجْرِمُونَ ﴿٤٣﴾
(সেদিন তাদের বলা হবে, ) এ হচ্ছে সেই জাহান্নাম যাকে (এ) অপরাধী ব্যক্তিরা মিথ্যা বলতো, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:৪৪﴿
﴾ ৫৫:৪৪ ﴿
يَطُوفُونَ بَيْنَهَا وَبَيْنَ حَمِيمٍ آنٍ ﴿٤٤﴾
তারা (সেদিন) তার ফুটন্ত পানি ও জাহান্নামের মাঝে ঘুরতে থাকবে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:৪৫﴿
﴾ ৫৫:৪৫ ﴿
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٤٥﴾
অতএব (হে মানুষ ও জ্বিন) , তোমরা তোমাদের মালিকের কোন নিদর্শন অস্বীকার করবে! [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:৪৬﴿
﴾ ৫৫:৪৬ ﴿
وَلِمَنْ خَافَ مَقَامَ رَبِّهِ جَنَّتَانِ ﴿٤٦﴾
যে ব্যক্তি তার নিজের মালিকের সামনে দাঁড়াবার (সময়কে) ভয় করবে, তার জন্যে থাকবে দুটো (সুরম্য) বাগিচা, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:৪৭﴿
﴾ ৫৫:৪৭ ﴿
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٤٧﴾
অতঃপর (হে মানুষ ও জ্বিন) , তোমরা তোমাদের মালিকের কোন নেয়ামত অস্বীকার করবে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:৪৮﴿
﴾ ৫৫:৪৮ ﴿
ذَوَاتَا أَفْنَانٍ ﴿٤٨﴾
সে (বাগিচা) দুটোও (আবার) হবে ঘন শাখা প্রশাখা বিশিষ্ট, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:৪৯﴿
﴾ ৫৫:৪৯ ﴿
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٤٩﴾
অতঃপর (হে মানুষ ও জ্বিন) , তোমরা তোমাদের মালিকের কোন নেয়ামত অস্বীকার করবে! [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:৫০﴿
﴾ ৫৫:৫০ ﴿
فِيهِمَا عَيْنَانِ تَجْرِيَانِ ﴿٥٠﴾
সেখানে দুটো ঝর্ণাধারা প্রবাহমান থাকবে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:৫১﴿
﴾ ৫৫:৫১ ﴿
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٥١﴾
অতএব (হে মানুষ ও জ্বিন) , তোমরা তোমাদের মালিকের কোন নেয়ামত অস্বীকার করবে! [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:৫২﴿
﴾ ৫৫:৫২ ﴿
فِيهِمَا مِنْ كُلِّ فَاكِهَةٍ زَوْجَانِ ﴿٥٢﴾
সেখানে প্রতিটি ফল থাকবে (আবার) দু'প্রকারের, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:৫৩﴿
﴾ ৫৫:৫৩ ﴿
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٥٣﴾
অতএব (হে মানুষ ও জ্বিন) , তোমরা তোমাদের মালিকের কোন নেয়ামত অস্বীকার করবে! [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:৫৪﴿
﴾ ৫৫:৫৪ ﴿
مُتَّكِئِينَ عَلَى فُرُشٍ بَطَائِنُهَا مِنْ إِسْتَبْرَقٍ وَجَنَى الْجَنَّتَيْنِ دَانٍ ﴿٥٤﴾
(জান্নাতের অধিবাসীরা সেখানে) রেশমের আস্তর দিয়ে মোড়ানো পুরু ফরাশের উপর হেলান দিয়ে (আয়েশে) বসবে, (এ সময়) উভয় উদ্যান (ফলসহ তাদের সামনে) ঝুলন্ত অবস্থায় থাকবে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:৫৫﴿
﴾ ৫৫:৫৫ ﴿
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٥٥﴾
অতএব (হে মানুষ ও জ্বিন) , তোমরা তোমাদের মালিকের কোন নেয়ামত অস্বীকার করবে! [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:৫৬﴿
﴾ ৫৫:৫৬ ﴿
فِيهِنَّ قَاصِرَاتُ الطَّرْفِ لَمْ يَطْمِثْهُنَّ إِنْسٌ قَبْلَهُمْ وَلَا جَانٌّ ﴿٥٦﴾
সেখানকার (অগণিত নেয়ামতের) মধ্যে থাকবে আয়তনয়না হুর, যাদের (জান্নাতের) এ (অধিবাসী) -দের আগে কোনো মানুষ কিংবা জ্বিন কখনো স্পর্শও করেনি, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:৫৭﴿
﴾ ৫৫:৫৭ ﴿
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٥٧﴾
অতএব (হে মানুষ ও জ্বিন) , তোমরা তোমাদের মালিকের কোন নেয়ামত অস্বীকার করবে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:৫৮﴿
﴾ ৫৫:৫৮ ﴿
كَأَنَّهُنَّ الْيَاقُوتُ وَالْمَرْجَانُ ﴿٥٨﴾
এরা যেন এক একটি প্রবাল ও পদ্মরাগ, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:৫৯﴿
﴾ ৫৫:৫৯ ﴿
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٥٩﴾
অতএব (হে মানুষ ও জ্বিন) , তোমরা তোমাদের মালিকের কোন নেয়ামত অস্বীকার করবে? [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:৬০﴿
﴾ ৫৫:৬০ ﴿
هَلْ جَزَاءُ الْإِحْسَانِ إِلَّا الْإِحْسَانُ ﴿٦٠﴾
(তুমিই বলো, ) উত্তম (আনুগত্য) এর বিনিময় উত্তম (পুরস্কার) ছাড়া আর কি হতে পারে? [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:৬১﴿
﴾ ৫৫:৬১ ﴿
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٦١﴾
অতএব (হে মানুষ ও জ্বিন) , তোমরা তোমাদের মালিকের কোন নেয়ামত অস্বীকার করবে! [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:৬২﴿
﴾ ৫৫:৬২ ﴿
وَمِنْ دُونِهِمَا جَنَّتَانِ ﴿٦٢﴾
(নেয়ামতের) এ দুটো (উদ্যান) ছাড়াও (সেখানে) রয়েছে দুটো (ভিন্ন ধরনের) উদ্যান, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:৬৩﴿
﴾ ৫৫:৬৩ ﴿
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٦٣﴾
অতএব (হে মানুষ ও জ্বিন) , তোমরা তোমাদের মালিকের কোন নেয়ামত অস্বীকার করবে! [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:৬৪﴿
﴾ ৫৫:৬৪ ﴿
مُدْهَامَّتَانِ ﴿٦٤﴾
সে দুটো (বাগিচা হবে চির) সবুজ ও ঘন, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:৬৫﴿
﴾ ৫৫:৬৫ ﴿
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٦٥﴾
অতএব (হে মানুষ ও জ্বিন) , তোমরা তোমাদের মালিকের কোন নেয়ামত অস্বীকার করবে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:৬৬﴿
﴾ ৫৫:৬৬ ﴿
فِيهِمَا عَيْنَانِ نَضَّاخَتَانِ ﴿٦٦﴾
সেখানে থাকবে দুটো ঝর্ণাধারা, ফোয়ারার মতো সদা উচ্ছল গতিতে তা অবিরাম বইতে থাকবে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:৬৭﴿
﴾ ৫৫:৬৭ ﴿
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٦٧﴾
অতএব (হে মানুষ ও জ্বিন) , তোমরা তোমাদের মালিকের কোন নেয়ামত অস্বীকার করবে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:৬৮﴿
﴾ ৫৫:৬৮ ﴿
فِيهِمَا فَاكِهَةٌ وَنَخْلٌ وَرُمَّانٌ ﴿٦٨﴾
সেখানে (আরো) থাকবে (রং বেরংয়ের) ফল পাকড়া খেজুর ও আনার, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:৬৯﴿
﴾ ৫৫:৬৯ ﴿
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٦٩﴾
অতএব (হে মানুষ ও জ্বিন) , তোমরা তোমাদের মালিকের কোন নেয়ামত অস্বীকার করবে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:৭০﴿
﴾ ৫৫:৭০ ﴿
فِيهِنَّ خَيْرَاتٌ حِسَانٌ ﴿٧٠﴾
সেখানে থাকবে সৎ স্বভাবের (অনিন্দ্য) সুন্দরী রমণীরা, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:৭১﴿
﴾ ৫৫:৭১ ﴿
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٧١﴾
অতএব (হে মানুষ ও জ্বিন) , তোমরা তোমাদের মালিকের কোন নেয়ামত অস্বীকার করবে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:৭২﴿
﴾ ৫৫:৭২ ﴿
حُورٌ مَقْصُورَاتٌ فِي الْخِيَامِ ﴿٧٢﴾
(এ) আয়তলোচনা হুররা (রয়েছে) তাঁবুতে (অপেক্ষমাণ অবস্থায়) , [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:৭৩﴿
﴾ ৫৫:৭৩ ﴿
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٧٣﴾
অতএব (হে মানুষ ও জ্বিন) , তোমরা তোমাদের মালিকের কোন নেয়ামত অস্বীকার করবে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:৭৪﴿
﴾ ৫৫:৭৪ ﴿
لَمْ يَطْمِثْهُنَّ إِنْسٌ قَبْلَهُمْ وَلَا جَانٌّ ﴿٧٤﴾
এদের আগে অন্য কোনো মানুষ কিংবা জ্বিন এদের স্পর্শও করেনি, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:৭৫﴿
﴾ ৫৫:৭৫ ﴿
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٧٥﴾
অতএব (হে মানুষ ও জ্বিন) , তোমরা তোমাদের মালিকের কোন নেয়ামত অস্বীকার করবে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:৭৬﴿
﴾ ৫৫:৭৬ ﴿
مُتَّكِئِينَ عَلَى رَفْرَفٍ خُضْرٍ وَعَبْقَرِيٍّ حِسَانٍ ﴿٧٦﴾
(জান্নাতের অধিকারী) এ ব্যক্তিরা সুন্দর গালিচার বিছানা ও সবুজ চাদরের উপর হেলান দিয়ে বসবে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:৭৭﴿
﴾ ৫৫:৭৭ ﴿
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٧٧﴾
অতএব (হে মানুষ ও জ্বিন) , তোমরা তোমাদের মালিকের কোন নেয়ামত অস্বীকার করবে, [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৫:৭৮﴿
﴾ ৫৫:৭৮ ﴿
تَبَارَكَ اسْمُ رَبِّكَ ذِي الْجَلَالِ وَالْإِكْرَامِ ﴿٧٨﴾
কতো মহান তোমার মালিকের নাম, তিনি মহাপ্রতাপশালী ও পরম অনুগ্রহশীল। [হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]