🕌
الرحمن
(৫৫) আর-রহমান
৭৮
১ ⋮
الرَّحْمَنُ ﴿١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । পরম করুণাময় (আল্লাহ তায়ালা) ,
২ ⋮
عَلَّمَ الْقُرْآنَ ﴿٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তিনি (তোমাদের) কোরআন শিক্ষা দিয়েছেন;
৩ ⋮
خَلَقَ الْإِنْسَانَ ﴿٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তিনি মানুষ বানিয়েছেন,
৪ ⋮
عَلَّمَهُ الْبَيَانَ ﴿٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (ভাব প্রকাশের জন্যে) তিনি তাকে (কথা) বলা শিখিয়েছেন।
৫ ⋮
الشَّمْسُ وَالْقَمَرُ بِحُسْبَانٍ ﴿٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । সুর্য ও চন্দ্র উভয়ই নির্ধারিত হিসাব মোতাবেক (অবিরাম কক্ষপথ ধরে) চলছে,
৬ ⋮
وَالنَّجْمُ وَالشَّجَرُ يَسْجُدَانِ ﴿٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (যমীনে উৎপাদিত যাবতীয়) লতাপাতা ও গাছগাছড়া (সব) তাঁরই সামনে সাজদাবনত হয়,
৭ ⋮
وَالسَّمَاءَ رَفَعَهَا وَوَضَعَ الْمِيزَانَ ﴿٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । আসমান তাকে তিনি সমুন্নত করে রেখেছেন এবং (মহাশূন্যে তার ভারসাম্যের জন্যে) তিনি একটি মানদন্ড স্থাপন করেছেন,
৮ ⋮
أَلَّا تَطْغَوْا فِي الْمِيزَانِ ﴿٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । যাতে করে তোমরা কখনো (আল্লাহ তায়ালার নির্ধারিত এই মানদন্ডের) সীমা অতিক্রম না করো।
৯ ⋮
وَأَقِيمُوا الْوَزْنَ بِالْقِسْطِ وَلَا تُخْسِرُوا الْمِيزَانَ ﴿٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । ইনসাফ মোতাবেক (তোমরা ওযনের) মানদন্ড প্রতিষ্ঠা করো এবং (ওযনে কম দিয়ে) মানদন্ডের ক্ষতি সাধন করো না।
১০ ⋮
وَالْأَرْضَ وَضَعَهَا لِلْأَنَامِ ﴿١٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (ভূমন্ডলকে) তিনি সৃষ্টিরাজির জন্যে (বিছিয়ে) রেখেছেন,
১১ ⋮
فِيهَا فَاكِهَةٌ وَالنَّخْلُ ذَاتُ الْأَكْمَامِ ﴿١١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তাতে রয়েছে (অসংখ্য) ফলমূল, (আরো রয়েছে) খেজুর, যা (আল্লাহর কুদরতে) খোসার আবরণে (ঢাকা) থাকে,
১২ ⋮
وَالْحَبُّ ذُو الْعَصْفِ وَالرَّيْحَانُ ﴿١٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (আরো রয়েছে) ভূষিযুক্ত শস্যদানা ও সুগন্ধযুক্ত (ফল) ,
১৩ ⋮
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿١٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অতএব (হে মানুষ ও জ্বিন) , তোমরা তোমাদের মালিকের কোন নেয়ামত অস্বীকার করবে!
১৪ ⋮
خَلَقَ الْإِنْسَانَ مِنْ صَلْصَالٍ كَالْفَخَّارِ ﴿١٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তিনি মানুষকে বানিয়েছেন পোড়ামতো শুকনো ঠনঠনে এক টুকরো মাটি থেকে,
১৫ ⋮
وَخَلَقَ الْجَانَّ مِنْ مَارِجٍ مِنْ نَارٍ ﴿١٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । এবং জ্বিনদের বানিয়েছেন আগুন থেকে,
১৬ ⋮
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿١٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অতঃপর (হে মানুষ ও জ্বিন) , তোমরা তোমাদের মালিকের কোন নেয়ামত অস্বীকার করবে!
১৭ ⋮
رَبُّ الْمَشْرِقَيْنِ وَرَبُّ الْمَغْرِبَيْنِ ﴿١٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (তিনি দুই মওসুমের) দুই উদয়াচলের মালিক এবং (আবার দুই মওসুমের) দুই অস্তাচলেরও মালিক।
১৮ ⋮
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿١٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অতঃপর (হে মানুষ ও জ্বিন) , তোমরা তোমাদের মালিকের কোন নেয়ামত অস্বীকার করবে!
১৯ ⋮
مَرَجَ الْبَحْرَيْنِ يَلْتَقِيَانِ ﴿١٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তিনি দুটি সমুদ্রকে (বয়ে চলার জন্যে) ছেড়ে দিয়ে রেখেছেন যেন তা একে অপরের সাথে মিশে যেতে পারে,
২০ ⋮
بَيْنَهُمَا بَرْزَخٌ لَا يَبْغِيَانِ ﴿٢٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (তারপরও) তাদের উভয়ের মাঝে (রয়ে যায় এমন) একটি অন্তরাল যার সীমা তারা কখনো অতিক্রম করতে পারে না,
২১ ⋮
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٢١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অতঃপর (হে মানুষ ও জ্বিন) , তোমরা তোমাদের মালিকের কোন নেয়ামত অস্বীকার করবে!
২২ ⋮
يَخْرُجُ مِنْهُمَا اللُّؤْلُؤُ وَالْمَرْجَانُ ﴿٢٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (এ) উভয় (সমুদ্র) থেকে তিনি (মহামূল্যবান) প্রবাল ও মুক্তা বের করে আনেন,
২৩ ⋮
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٢٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অতঃপর (হে মানুষ ও জ্বিন) , তোমরা তোমাদের মালিকের কোন নেয়ামত অস্বীকার করবে!
২৪ ⋮
وَلَهُ الْجَوَارِي الْمُنْشَآتُ فِي الْبَحْرِ كَالْأَعْلَامِ ﴿٢٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । সমুদ্রে বিচরণশীল পাহাড়সম (বড়ো বড়ো) জাহাজসমূহ তো তাঁরই (ক্ষমতার প্রমাণ) ,
২৫ ⋮
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٢٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অতঃপর (হে মানুষ ও জ্বিন) , তোমরা তোমাদের মালিকের কোন নেয়ামত অস্বীকার করবে!
২৬ ⋮
كُلُّ مَنْ عَلَيْهَا فَانٍ ﴿٢٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (যমীন ও) তার উপর যা কিছু আছে তা সবই (একদিন) বিলীন হয়ে যাবে,
২৭ ⋮
وَيَبْقَى وَجْهُ رَبِّكَ ذُو الْجَلَالِ وَالْإِكْرَامِ ﴿٢٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । বাকী থাকবে শুধু তোমার মালিকের সত্তা যিনি পরাক্রমশালী ও মহানুভব,
২৮ ⋮
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٢٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অতএব (হে মানুষ ও জ্বিন) , তোমরা তোমাদের মালিকের কোন নিদর্শন অস্বীকার করবে!
২৯ ⋮
يَسْأَلُهُ مَنْ فِي السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ كُلَّ يَوْمٍ هُوَ فِي شَأْنٍ ﴿٢٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । এই আকাশমন্ডলী ও ভূমন্ডলে যতো কিছু আছে সবাই নিজ নিজ প্রয়োজন তাঁর কাছেই চায়; (আর) তিনি প্রতিদিন (প্রতিমুহূর্ত) কোনো না কোনো কাজে তৎপর রয়েছেন,
৩০ ⋮
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٣٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অতএব (হে মানুষ ও জ্বিন) , তোমরা তোমাদের মালিকের কোন নিদর্শন অস্বীকার করবে!
৩১ ⋮
سَنَفْرُغُ لَكُمْ أَيُّهَا الثَّقَلَانِ ﴿٣١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । হে মানুষ ও জ্বিন, (এর মাঝেও কিন্তু) আমি তোমাদের (হিসাব নেয়ার) জন্যে অচিরেই সময় বের করে নেবো,
৩২ ⋮
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٣٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অতএব (হে মানুষ ও জ্বিন) , তোমরা তোমাদের মালিকের কোন নিদর্শন অস্বীকার করবে!
৩৩ ⋮
يَا مَعْشَرَ الْجِنِّ وَالْإِنْسِ إِنِ اسْتَطَعْتُمْ أَنْ تَنْفُذُوا مِنْ أَقْطَارِ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ فَانْفُذُوا لَا تَنْفُذُونَ إِلَّا بِسُلْطَانٍ ﴿٣٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । হে জ্বিন ও মনুষ্য সম্প্রদায়, যদি আকাশমন্ডল ও ভূমন্ডলের এ সীমারেখা অতিক্রম করার তোমাদের সাধ্য থাকে তাহলে (যাও। অতঃপর) তা অতিক্রম করেই দেখো; (কিন্তু আমার দেয়া বিশেষ) ক্ষমতা ছাড়া তোমরা কিছুতেই (এ সীমা) অতিক্রম করতে পারবে না,
৩৪ ⋮
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٣٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অতএব (হে মানুষ ও জ্বিন) , তোমরা তোমাদের মালিকের কোন নিদর্শন অস্বীকার করবে!
৩৫ ⋮
يُرْسَلُ عَلَيْكُمَا شُوَاظٌ مِنْ نَارٍ وَنُحَاسٌ فَلَا تَنْتَصِرَانِ ﴿٣٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । সেদিন তোমাদের উভয় সম্প্রদায়ের উপর আগুনের স্ফুলিংগ ও ধোঁয়ার কুণ্ডলী পাঠানো হবে, তোমরা (কিছুতেই তা) প্রতিরোধ করতে পারবে না,
৩৬ ⋮
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٣٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অতএব (হে মানুষ ও জ্বিন) , তোমরা তোমাদের মালিকের কোন নিদর্শন অস্বীকার করবে!
৩৭ ⋮
فَإِذَا انْشَقَّتِ السَّمَاءُ فَكَانَتْ وَرْدَةً كَالدِّهَانِ ﴿٣٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । যখন আসমান ফেটে যাবে অতঃপর তখন তা (লাল) চামড়ার মতো রক্তবর্ণ হয়ে পড়বে,
৩৮ ⋮
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٣٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অতএব (হে মানুষ ও জ্বিন) , তোমরা তোমাদের মালিকের কোন নিদর্শন অস্বীকার করবে!
৩৯ ⋮
فَيَوْمَئِذٍ لَا يُسْأَلُ عَنْ ذَنْبِهِ إِنْسٌ وَلَا جَانٌّ ﴿٣٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । সেদিন কোনো মানুষ ও জ্বিনের (কাছ থেকে তার) অপরাধ সম্পর্কে (কোনো) কৈফিয়ত) জানতে চাওয়া হবে ,
৪০ ⋮
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٤٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অতঃপর (হে মানুষ ও জ্বিন) , তোমরা তোমাদের মালিকের কোন নিদর্শন অস্বীকার করবে!
৪১ ⋮
يُعْرَفُ الْمُجْرِمُونَ بِسِيمَاهُمْ فَيُؤْخَذُ بِالنَّوَاصِي وَالْأَقْدَامِ ﴿٤١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অপরাধীরা তাদের (অপরাধী) চেহারা দিয়ে (সেদিন এমনিই) চিহ্নিত হয়ে যাবে, (অপরাধের নথি তাদের ললাটেই এঁটে থাকবে) এবং তাদের কপালের চুল ও পা ধরে ধরে (হাঁকিয়ে) নেয়া হবে,
৪২ ⋮
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٤٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অতঃপর (হে মানুষ ও জ্বিন) , তোমরা তোমাদের মালিকের কোন নিদর্শন অস্বীকার করবে!
৪৩ ⋮
هَذِهِ جَهَنَّمُ الَّتِي يُكَذِّبُ بِهَا الْمُجْرِمُونَ ﴿٤٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (সেদিন তাদের বলা হবে, ) এ হচ্ছে সেই জাহান্নাম যাকে (এ) অপরাধী ব্যক্তিরা মিথ্যা বলতো,
৪৪ ⋮
يَطُوفُونَ بَيْنَهَا وَبَيْنَ حَمِيمٍ آنٍ ﴿٤٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তারা (সেদিন) তার ফুটন্ত পানি ও জাহান্নামের মাঝে ঘুরতে থাকবে,
৪৫ ⋮
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٤٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অতএব (হে মানুষ ও জ্বিন) , তোমরা তোমাদের মালিকের কোন নিদর্শন অস্বীকার করবে!
৪৬ ⋮
وَلِمَنْ خَافَ مَقَامَ رَبِّهِ جَنَّتَانِ ﴿٤٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । যে ব্যক্তি তার নিজের মালিকের সামনে দাঁড়াবার (সময়কে) ভয় করবে, তার জন্যে থাকবে দুটো (সুরম্য) বাগিচা,
৪৭ ⋮
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٤٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অতঃপর (হে মানুষ ও জ্বিন) , তোমরা তোমাদের মালিকের কোন নেয়ামত অস্বীকার করবে,
৪৮ ⋮
ذَوَاتَا أَفْنَانٍ ﴿٤٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । সে (বাগিচা) দুটোও (আবার) হবে ঘন শাখা প্রশাখা বিশিষ্ট,
৪৯ ⋮
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٤٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অতঃপর (হে মানুষ ও জ্বিন) , তোমরা তোমাদের মালিকের কোন নেয়ামত অস্বীকার করবে!
৫০ ⋮
فِيهِمَا عَيْنَانِ تَجْرِيَانِ ﴿٥٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । সেখানে দুটো ঝর্ণাধারা প্রবাহমান থাকবে,
৫১ ⋮
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٥١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অতএব (হে মানুষ ও জ্বিন) , তোমরা তোমাদের মালিকের কোন নেয়ামত অস্বীকার করবে!
৫২ ⋮
فِيهِمَا مِنْ كُلِّ فَاكِهَةٍ زَوْجَانِ ﴿٥٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । সেখানে প্রতিটি ফল থাকবে (আবার) দু'প্রকারের,
৫৩ ⋮
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٥٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অতএব (হে মানুষ ও জ্বিন) , তোমরা তোমাদের মালিকের কোন নেয়ামত অস্বীকার করবে!
৫৪ ⋮
مُتَّكِئِينَ عَلَى فُرُشٍ بَطَائِنُهَا مِنْ إِسْتَبْرَقٍ وَجَنَى الْجَنَّتَيْنِ دَانٍ ﴿٥٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (জান্নাতের অধিবাসীরা সেখানে) রেশমের আস্তর দিয়ে মোড়ানো পুরু ফরাশের উপর হেলান দিয়ে (আয়েশে) বসবে, (এ সময়) উভয় উদ্যান (ফলসহ তাদের সামনে) ঝুলন্ত অবস্থায় থাকবে,
৫৫ ⋮
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٥٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অতএব (হে মানুষ ও জ্বিন) , তোমরা তোমাদের মালিকের কোন নেয়ামত অস্বীকার করবে!
৫৬ ⋮
فِيهِنَّ قَاصِرَاتُ الطَّرْفِ لَمْ يَطْمِثْهُنَّ إِنْسٌ قَبْلَهُمْ وَلَا جَانٌّ ﴿٥٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । সেখানকার (অগণিত নেয়ামতের) মধ্যে থাকবে আয়তনয়না হুর, যাদের (জান্নাতের) এ (অধিবাসী) -দের আগে কোনো মানুষ কিংবা জ্বিন কখনো স্পর্শও করেনি,
৫৭ ⋮
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٥٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অতএব (হে মানুষ ও জ্বিন) , তোমরা তোমাদের মালিকের কোন নেয়ামত অস্বীকার করবে,
৫৮ ⋮
كَأَنَّهُنَّ الْيَاقُوتُ وَالْمَرْجَانُ ﴿٥٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । এরা যেন এক একটি প্রবাল ও পদ্মরাগ,
৫৯ ⋮
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٥٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অতএব (হে মানুষ ও জ্বিন) , তোমরা তোমাদের মালিকের কোন নেয়ামত অস্বীকার করবে?
৬০ ⋮
هَلْ جَزَاءُ الْإِحْسَانِ إِلَّا الْإِحْسَانُ ﴿٦٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (তুমিই বলো, ) উত্তম (আনুগত্য) এর বিনিময় উত্তম (পুরস্কার) ছাড়া আর কি হতে পারে?
৬১ ⋮
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٦١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অতএব (হে মানুষ ও জ্বিন) , তোমরা তোমাদের মালিকের কোন নেয়ামত অস্বীকার করবে!
৬২ ⋮
وَمِنْ دُونِهِمَا جَنَّتَانِ ﴿٦٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (নেয়ামতের) এ দুটো (উদ্যান) ছাড়াও (সেখানে) রয়েছে দুটো (ভিন্ন ধরনের) উদ্যান,
৬৩ ⋮
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٦٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অতএব (হে মানুষ ও জ্বিন) , তোমরা তোমাদের মালিকের কোন নেয়ামত অস্বীকার করবে!
৬৪ ⋮
مُدْهَامَّتَانِ ﴿٦٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । সে দুটো (বাগিচা হবে চির) সবুজ ও ঘন,
৬৫ ⋮
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٦٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অতএব (হে মানুষ ও জ্বিন) , তোমরা তোমাদের মালিকের কোন নেয়ামত অস্বীকার করবে,
৬৬ ⋮
فِيهِمَا عَيْنَانِ نَضَّاخَتَانِ ﴿٦٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । সেখানে থাকবে দুটো ঝর্ণাধারা, ফোয়ারার মতো সদা উচ্ছল গতিতে তা অবিরাম বইতে থাকবে,
৬৭ ⋮
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٦٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অতএব (হে মানুষ ও জ্বিন) , তোমরা তোমাদের মালিকের কোন নেয়ামত অস্বীকার করবে,
৬৮ ⋮
فِيهِمَا فَاكِهَةٌ وَنَخْلٌ وَرُمَّانٌ ﴿٦٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । সেখানে (আরো) থাকবে (রং বেরংয়ের) ফল পাকড়া খেজুর ও আনার,
৬৯ ⋮
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٦٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অতএব (হে মানুষ ও জ্বিন) , তোমরা তোমাদের মালিকের কোন নেয়ামত অস্বীকার করবে,
৭০ ⋮
فِيهِنَّ خَيْرَاتٌ حِسَانٌ ﴿٧٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । সেখানে থাকবে সৎ স্বভাবের (অনিন্দ্য) সুন্দরী রমণীরা,
৭১ ⋮
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٧١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অতএব (হে মানুষ ও জ্বিন) , তোমরা তোমাদের মালিকের কোন নেয়ামত অস্বীকার করবে,
৭২ ⋮
حُورٌ مَقْصُورَاتٌ فِي الْخِيَامِ ﴿٧٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (এ) আয়তলোচনা হুররা (রয়েছে) তাঁবুতে (অপেক্ষমাণ অবস্থায়) ,
৭৩ ⋮
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٧٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অতএব (হে মানুষ ও জ্বিন) , তোমরা তোমাদের মালিকের কোন নেয়ামত অস্বীকার করবে,
৭৪ ⋮
لَمْ يَطْمِثْهُنَّ إِنْسٌ قَبْلَهُمْ وَلَا جَانٌّ ﴿٧٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । এদের আগে অন্য কোনো মানুষ কিংবা জ্বিন এদের স্পর্শও করেনি,
৭৫ ⋮
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٧٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অতএব (হে মানুষ ও জ্বিন) , তোমরা তোমাদের মালিকের কোন নেয়ামত অস্বীকার করবে,
৭৬ ⋮
مُتَّكِئِينَ عَلَى رَفْرَفٍ خُضْرٍ وَعَبْقَرِيٍّ حِسَانٍ ﴿٧٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (জান্নাতের অধিকারী) এ ব্যক্তিরা সুন্দর গালিচার বিছানা ও সবুজ চাদরের উপর হেলান দিয়ে বসবে,
৭৭ ⋮
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٧٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অতএব (হে মানুষ ও জ্বিন) , তোমরা তোমাদের মালিকের কোন নেয়ামত অস্বীকার করবে,
৭৮ ⋮
تَبَارَكَ اسْمُ رَبِّكَ ذِي الْجَلَالِ وَالْإِكْرَامِ ﴿٧٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । কতো মহান তোমার মালিকের নাম, তিনি মহাপ্রতাপশালী ও পরম অনুগ্রহশীল।