🕋
الواقعة
(৫৬) আল-ওয়াকিয়া
৯৬
১ ⋮
إِذَا وَقَعَتِ الْوَاقِعَةُ ﴿١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । যখন (কেয়ামতের অবশ্যম্ভাবী) ঘটনাটি সংঘটিত হবে,
২ ⋮
لَيْسَ لِوَقْعَتِهَا كَاذِبَةٌ ﴿٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (তখন) কেউই তার সংঘটিত হওয়ার অস্বীকারকারী থাকবে না।
৩ ⋮
خَافِضَةٌ رَافِعَةٌ ﴿٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । এ (ঘটনা) -টি হবে (কারো মর্যাদা) ভূলুণ্ঠনকারী, (আর কারো মর্যাদা) সমুন্নতকারী,
৪ ⋮
إِذَا رُجَّتِ الْأَرْضُ رَجًّا ﴿٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । পৃথিবী যখন প্রবল কম্পনে কম্পিত হবে,
৫ ⋮
وَبُسَّتِ الْجِبَالُ بَسًّا ﴿٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । পর্বতমালা সম্পূর্ণরূপে চুর্ণ-বিচুর্ণ করে দেয়া হবে,
৬ ⋮
فَكَانَتْ هَبَاءً مُنْبَثًّا ﴿٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অতঃপর তা বিক্ষিপ্ত ধূলাবালিতে পরিণত হয়ে যাবে,
৭ ⋮
وَكُنْتُمْ أَزْوَاجًا ثَلَاثَةً ﴿٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । আর তোমরা (মানুষরা তখন) তিন ভাগ হয়ে যাবে;
৮ ⋮
فَأَصْحَابُ الْمَيْمَنَةِ مَا أَصْحَابُ الْمَيْمَنَةِ ﴿٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (প্রথমত হবে) ডান দিকের দল, জানো এ ডান দিকের লোক কারা?
৯ ⋮
وَأَصْحَابُ الْمَشْأَمَةِ مَا أَصْحَابُ الْمَشْأَمَةِ ﴿٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (দ্বিতীয়ত হবে) বাম দিকের দল, কারা এ বাম দিকের লোক?
১০ ⋮
وَالسَّابِقُونَ السَّابِقُونَ ﴿١٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (তৃতীয়ত হবে) অগ্রবর্তী (ঈমান আনয়নকারী) দল, এরাই (হলো মূলত প্রধান) অগ্রগামী দল,
১১ ⋮
أُولَئِكَ الْمُقَرَّبُونَ ﴿١١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । এরা হচ্ছে (আল্লাহ তায়ালার) একান্ত ঘনিষ্ঠ বান্দা,
১২ ⋮
فِي جَنَّاتِ النَّعِيمِ ﴿١٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (এরা অবস্থান করবে) নেয়ামতে পরিপূর্ণ জান্নাতসমূহে
১৩ ⋮
ثُلَّةٌ مِنَ الْأَوَّلِينَ ﴿١٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (এদের) বড়ো অংশটি (অবশ্য হবে) আগের লোকদের মধ্য থেকে,
১৪ ⋮
وَقَلِيلٌ مِنَ الْآخِرِينَ ﴿١٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । আর সামান্য (অংশই) থাকবে পরবর্তী লোকদের মাঝ থেকে;
১৫ ⋮
عَلَى سُرُرٍ مَوْضُونَةٍ ﴿١٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (তারা থাকবে) স্বর্ণখচিত আসনের উপর,
১৬ ⋮
مُتَّكِئِينَ عَلَيْهَا مُتَقَابِلِينَ ﴿١٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তার উপর তারা (একে অপরের) মুখোমুখি (আসনে) হেলান দিয়ে (বসবে) ।
১৭ ⋮
يَطُوفُ عَلَيْهِمْ وِلْدَانٌ مُخَلَّدُونَ ﴿١٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তাদের চারপাশে (তাদের সেবার জন্যে) চির কিশোরদের একটি দল ঘুরতে থাকবে,
১৮ ⋮
بِأَكْوَابٍ وَأَبَارِيقَ وَكَأْسٍ مِنْ مَعِينٍ ﴿١٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । পানপাত্র ও প্রবাহমান সূরা ভর্তি পেয়ালা নিয়ে (এরা প্রস্তুত থাকবে) ,
১৯ ⋮
لَا يُصَدَّعُونَ عَنْهَا وَلَا يُنْزِفُونَ ﴿١٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । সেই (সূরা পান করার) কারণে তাদের কোনো শিরঃপীড়া হবে না, তারা (কোনো রকম) নেশাও করবে না,
২০ ⋮
وَفَاكِهَةٍ مِمَّا يَتَخَيَّرُونَ ﴿٢٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (সেখানে আরো থাকবে) তাদের নিজ নিজ পছন্দমতো ফলমূল,
২১ ⋮
وَلَحْمِ طَيْرٍ مِمَّا يَشْتَهُونَ ﴿٢١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (থাকবে। তাদের মনের চাহিদা মোতাবেক (রকমারি) পাখীর গোশত;
২২ ⋮
وَحُورٌ عِينٌ ﴿٢٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (সেবার জন্যে মজুদ থাকবে) সুন্দরী সুনয়না সাথী তরুণী দল,
২৩ ⋮
كَأَمْثَالِ اللُّؤْلُؤِ الْمَكْنُونِ ﴿٢٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তারা যেন (সযত্নে) এক একটি ঢেকে রাখা মুক্তা,
২৪ ⋮
جَزَاءً بِمَا كَانُوا يَعْمَلُونَ ﴿٢٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (এর সব কিছুই হচ্ছে তাদের) সে (কাজের) পুরস্কার যা তারা (দুনিয়ায়) করে এসেছে।
২৫ ⋮
لَا يَسْمَعُونَ فِيهَا لَغْوًا وَلَا تَأْثِيمًا ﴿٢٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । সেখানে তারা কোনো অর্থহীন প্রলাপ (বা কথাবার্তা) শুনতে পাবে না,
২৬ ⋮
إِلَّا قِيلًا سَلَامًا سَلَامًا ﴿٢٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (সেখানে) বরং বলা হবে (শুধু) শান্তি, নিরবচ্ছিন্ন শান্তি!
২৭ ⋮
وَأَصْحَابُ الْيَمِينِ مَا أَصْحَابُ الْيَمِينِ ﴿٢٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (অতঃপর আসবে) ডান পাশের লোক, আর কারা (এ) ডান পাশের লোক;
২৮ ⋮
فِي سِدْرٍ مَخْضُودٍ ﴿٢٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (তারা অবস্থান করবে এমন এক উদ্যানে, ) যেখানে থাকবে (শুধু) কাঁটাবিহীন বরই গাছ,
২৯ ⋮
وَطَلْحٍ مَنْضُودٍ ﴿٢٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (থাকবে) কাঁদি কাঁদি কলা,
৩০ ⋮
وَظِلٍّ مَمْدُودٍ ﴿٣٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (শান্তিদায়িনী) ছায়া দূর-দূরান্ত পর্যন্ত সম্প্রসারিত হবে,
৩১ ⋮
وَمَاءٍ مَسْكُوبٍ ﴿٣١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । আর থাকবে প্রবাহমান (ঝর্ণাধারার) পানি,
৩২ ⋮
وَفَاكِهَةٍ كَثِيرَةٍ ﴿٣٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । পর্যাপ্ত (পরিমাণ) ফলমূল,
৩৩ ⋮
لَا مَقْطُوعَةٍ وَلَا مَمْنُوعَةٍ ﴿٣٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (এমন সব ফল) যার সরবরাহ কখনো শেষ হবে না এবং (যার ব্যবহার কখনো) নিষিদ্ধও করা হবে না,
৩৪ ⋮
وَفُرُشٍ مَرْفُوعَةٍ ﴿٣٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । আর থাকবে উঁচু উঁচু বিছানা;
৩৫ ⋮
إِنَّا أَنْشَأْنَاهُنَّ إِنْشَاءً ﴿٣٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । আমি তাদের (সাথী হুরদের) বানিয়েছি বানানোর মতো (করেই) ,
৩৬ ⋮
فَجَعَلْنَاهُنَّ أَبْكَارًا ﴿٣٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (তাদের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, ) আমি তাদের চির কুমারী করে রেখেছি,
৩৭ ⋮
عُرُبًا أَتْرَابًا ﴿٣٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তাদের আরেকটি বৈশিষ্ট্য হচ্ছে) তারা (হবে) সমবয়সের প্রেম সোহাগিনী,
৩৮ ⋮
لِأَصْحَابِ الْيَمِينِ ﴿٣٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (এগুলো হচ্ছে প্রথম দলের সব) ডান পাশের লোকদের জন্যে;
৩৯ ⋮
ثُلَّةٌ مِنَ الْأَوَّلِينَ ﴿٣٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (এ ডান পাশের লোকদের) এক বিরাট অংশই হবে আগের লোকদের মাঝ থেকে,
৪০ ⋮
وَثُلَّةٌ مِنَ الْآخِرِينَ ﴿٤٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (আবার) অনেকে হবে পরবর্তী লোকদের মাঝ থেকেও;
৪১ ⋮
وَأَصْحَابُ الشِّمَالِ مَا أَصْحَابُ الشِّمَالِ ﴿٤١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । যারা বাম পাশের লোক, তুমি কি জানো এ বাম পাশের লোক কারা;
৪২ ⋮
فِي سَمُومٍ وَحَمِيمٍ ﴿٤٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (যাদের অবস্থান হবে জাহান্নামের) উত্তপ্ত ও ফুটন্ত পানিতে,
৪৩ ⋮
وَظِلٍّ مِنْ يَحْمُومٍ ﴿٤٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । এবং (ঘন) কালো রঙের ধোঁয়ার ছায়ায়,
৪৪ ⋮
لَا بَارِدٍ وَلَا كَرِيمٍ ﴿٤٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (সে ছায়া যেমন) শীতল নয়, (তেমনি তা কোনো রকম) আরামদায়কও হবে না।
৪৫ ⋮
إِنَّهُمْ كَانُوا قَبْلَ ذَلِكَ مُتْرَفِينَ ﴿٤٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । এরা (হচ্ছে সেসব লোক যারা) এর আগে (দুনিয়ায়) অত্যন্ত সুখ সম্পদে কাটাতো,
৪৬ ⋮
وَكَانُوا يُصِرُّونَ عَلَى الْحِنْثِ الْعَظِيمِ ﴿٤٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । এরা বার বার জঘন্য পাপ কাজে লিপ্ত হয়ে পড়তো,
৪৭ ⋮
وَكَانُوا يَقُولُونَ أَئِذَا مِتْنَا وَكُنَّا تُرَابًا وَعِظَامًا أَئِنَّا لَمَبْعُوثُونَ ﴿٤٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । এরা বলতো, আমরা যখন মরে যাবো এবং (মরে যাওয়ার পর) আমরা যখন মাটি ও হাড়ের সমষ্টিতে পরিণত হয়ে যাবো, তখনও কি আমাদের পুনরায় জীবিত করা হবে?
৪৮ ⋮
أَوَآبَاؤُنَا الْأَوَّلُونَ ﴿٤٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (জীবিত করা হবে) কি আমাদের বাপদাদা এবং পূর্বপুরুষদেরও?
৪৯ ⋮
قُلْ إِنَّ الْأَوَّلِينَ وَالْآخِرِينَ ﴿٤٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (হে নবী, ) তুমি বলো, অবশ্যই আগে পরের সব লোককেই
৫০ ⋮
لَمَجْمُوعُونَ إِلَى مِيقَاتِ يَوْمٍ مَعْلُومٍ ﴿٥٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । একটি নির্দিষ্ট দিনে (একটা নির্দিষ্ট সময়ে) জড়ো করা হবে ।
৫১ ⋮
ثُمَّ إِنَّكُمْ أَيُّهَا الضَّالُّونَ الْمُكَذِّبُونَ ﴿٥١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অতঃপর (কাফেরদের বলা হবে, ) ওহে পথভ্রষ্ট ও (এ দিনের আগমনকে) মিথ্যা প্রতিপন্নকারী ব্যক্তিরা,
৫২ ⋮
لَآكِلُونَ مِنْ شَجَرٍ مِنْ زَقُّومٍ ﴿٥٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (দুনিয়ায় যা অর্জন করেছে তার বিনিময়ে আজ) তোমরা ভক্ষণ করবে যাককুম' (নামক একটি) গাছের অংশ,
৫৩ ⋮
فَمَالِئُونَ مِنْهَا الْبُطُونَ ﴿٥٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অতঃপর তা দিয়েই তোমরা (তোমাদের) পেট ভরবে,
৫৪ ⋮
فَشَارِبُونَ عَلَيْهِ مِنَ الْحَمِيمِ ﴿٥٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তার উপর তোমরা পান করবে (জাহান্নামের) ফুটন্ত পানি,
৫৫ ⋮
فَشَارِبُونَ شُرْبَ الْهِيمِ ﴿٥٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তাও আবার পান করতে থাকবে (মরুভূমির) তৃজ্ঞার্ত উটের মতো করে;
৫৬ ⋮
هَذَا نُزُلُهُمْ يَوْمَ الدِّينِ ﴿٥٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । এ হবে (কেয়ামতে) তাদের (যথার্থ) মেহমানদারী;
৫৭ ⋮
نَحْنُ خَلَقْنَاكُمْ فَلَوْلَا تُصَدِّقُونَ ﴿٥٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । আমি (যে) তোমাদের সবাইকে পয়দা করেছি (এ কথাটা) তোমরা কি বিশ্বাস করছো না?
৫৮ ⋮
أَفَرَأَيْتُمْ مَا تُمْنُونَ ﴿٥٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তোমরা যে (সন্তান উৎপাদনের জন্যে এক বিন্দু) বীর্যপাত করে আসো, সে সম্পর্কে (কখনো) কি ভেবে দেখেছো?
৫৯ ⋮
أَأَنْتُمْ تَخْلُقُونَهُ أَمْ نَحْنُ الْخَالِقُونَ ﴿٥٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । বলো তো, তাকে কি তোমরা (পূর্ণাংগ) মানুষ বানিয়ে দাও না আমি তার স্রষ্টা?
৬০ ⋮
نَحْنُ قَدَّرْنَا بَيْنَكُمُ الْمَوْتَ وَمَا نَحْنُ بِمَسْبُوقِينَ ﴿٦٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তোমাদের মাঝে (সবার) মৃত্যু আমিই নির্ধারণ করি এবং আমি এ ব্যাপারে মোটেই অক্ষম নই যে
৬১ ⋮
عَلَى أَنْ نُبَدِّلَ أَمْثَالَكُمْ وَنُنْشِئَكُمْ فِي مَا لَا تَعْلَمُونَ ﴿٦١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তোমাদের মতোই আরেক দল মানুষ দিয়ে তোমাদের বদল করে দেবো এবং (প্রয়োজনে) তোমাদেরই। (আবার) এমনভাবে তৈরী করবো যে, তোমরা কিছুই জানতে পারবে না ।
৬২ ⋮
وَلَقَدْ عَلِمْتُمُ النَّشْأَةَ الْأُولَى فَلَوْلَا تَذَكَّرُونَ ﴿٦٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তোমরা (যখন) তোমাদের প্রথম সৃষ্টির ঘটনাটা সুনিশ্চিতভাবে জানতে পেরেছো, (তখন দ্বিতীয় বার সৃষ্টির ভবিষ্যদ্বাণী থেকে) কেন শিক্ষা গ্রহণ করছো না?
৬৩ ⋮
أَفَرَأَيْتُمْ مَا تَحْرُثُونَ ﴿٦٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তোমরা (যমীনে) যে বীজ বপন করে আসো সে সম্পর্কে কি কখনো চিন্তা করেছো?
৬৪ ⋮
أَأَنْتُمْ تَزْرَعُونَهُ أَمْ نَحْنُ الزَّارِعُونَ ﴿٦٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (তা থেকে) ফসলের উৎপাদন কি তোমরা করো না আমিই তার উৎপাদক?
৬৫ ⋮
لَوْ نَشَاءُ لَجَعَلْنَاهُ حُطَامًا فَظَلْتُمْ تَفَكَّهُونَ ﴿٦٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অথচ আমি যদি চাই তাহলে (অংকুরিত সব) বীজ খড়কুটায় পরিণত করে দিতে পারি, আর (তা দেখে) তোমরা হতভম্ব হয়ে পড়বে,
৬৬ ⋮
إِنَّا لَمُغْرَمُونَ ﴿٦٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (তোমরা বলতে থাকবে, হায়! আজ) তো আমাদের সর্বনাশ হয়ে গেলো,
৬৭ ⋮
بَلْ نَحْنُ مَحْرُومُونَ ﴿٦٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । আমরা তো (ফসল থেকে আজ) বঞ্চিতই থেকে গেলাম!
৬৮ ⋮
أَفَرَأَيْتُمُ الْمَاءَ الَّذِي تَشْرَبُونَ ﴿٦٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । কখনো কি তোমরা সেই পানি সম্বন্ধে চিন্তা করে দেখেছো যা তোমরা (সব সময়) পান করো;
৬৯ ⋮
أَأَنْتُمْ أَنْزَلْتُمُوهُ مِنَ الْمُزْنِ أَمْ نَحْنُ الْمُنْزِلُونَ ﴿٦٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (বলতে পারো? আকাশের) মেঘমালা থেকে এ পানি কি তোমরা নিজেরা বর্ষণ করো না আমি এর বর্ষণকারী?
৭০ ⋮
لَوْ نَشَاءُ جَعَلْنَاهُ أُجَاجًا فَلَوْلَا تَشْكُرُونَ ﴿٧٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অথচ আমি চাইলে এ (সুপেয়) পানি লবণাক্ত করে দিতে পারি, (পানির এ সুন্দর ব্যবস্থাপনার জন্যে) তোমরা কেন আমার কৃতজ্ঞতা আদায় করছো না?
৭১ ⋮
أَفَرَأَيْتُمُ النَّارَ الَّتِي تُورُونَ ﴿٧١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । আগুন যা (প্রতিদিন) তোমরা প্রজ্বলিত করে থাকো তা সম্পর্কে কি কখনো ভেবে দেখেছো?
৭২ ⋮
أَأَنْتُمْ أَنْشَأْتُمْ شَجَرَتَهَا أَمْ نَحْنُ الْمُنْشِئُونَ ﴿٧٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তার (জ্বালানোর) গাছটি কি তোমরা সৃষ্টি করেছো না আমি এর স্রষ্টা?
৭৩ ⋮
نَحْنُ جَعَلْنَاهَا تَذْكِرَةً وَمَتَاعًا لِلْمُقْوِينَ ﴿٧٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (মূলত) আমিই একে (সভ্যতার) নিদর্শন করে রেখেছি এবং একে ভ্রমণকারীদের জন্যে প্রয়োজন পূরণের সামান বানিয়ে দিয়েছি।
৭৪ ⋮
فَسَبِّحْ بِاسْمِ رَبِّكَ الْعَظِيمِ ﴿٧٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অতঃপর (হে নবী, এসব কিছুর জন্যে) তুমি তোমার মহান মালিকের নামের মাহাত্ম ঘোষণা করো।
৭৫ ⋮
فَلَا أُقْسِمُ بِمَوَاقِعِ النُّجُومِ ﴿٧٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অতঃপর আমি শপথ করছি তারকাগুলোর অস্তাচলের,
৭৬ ⋮
وَإِنَّهُ لَقَسَمٌ لَوْ تَعْلَمُونَ عَظِيمٌ ﴿٧٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । সত্যিই (আমার গোটা সৃষ্টি নৈপুণ্যের আলোকে) তা হচ্ছে এক মহা শপথ, যদি তোমরা জানতে;
৭৭ ⋮
إِنَّهُ لَقُرْآنٌ كَرِيمٌ ﴿٧٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অবশ্যই কোরআন এক মহামর্যাদাবান গ্রন্থ।
৭৮ ⋮
فِي كِتَابٍ مَكْنُونٍ ﴿٧٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । এটি লিপিবদ্ধ রয়েছে একটি (সযত্নে) রক্ষিত গ্রন্থে,
৭৯ ⋮
لَا يَمَسُّهُ إِلَّا الْمُطَهَّرُونَ ﴿٧٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । পূত পবিত্র ব্যতিরেকে তা কেউ স্পর্শও করে না;
৮০ ⋮
تَنْزِيلٌ مِنْ رَبِّ الْعَالَمِينَ ﴿٨٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (কেননা তা) নাযিল করা হয়েছে সৃষ্টিকুলের মালিক আল্লাহ তায়ালার কাছ থেকে ।
৮১ ⋮
أَفَبِهَذَا الْحَدِيثِ أَنْتُمْ مُدْهِنُونَ ﴿٨١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তোমরা এ (গ্রন্থের আনীত) বাণীকে কি সাধারণ কথাই মনে করতে থাকবে?
৮২ ⋮
وَتَجْعَلُونَ رِزْقَكُمْ أَنَّكُمْ تُكَذِّبُونَ ﴿٨٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । এবং মিথ্যা প্রতিপন্ন করাটাকেই তোমরা তোমাদের জীবিকা (আহরণের পেশা) বানিয়ে নেবে?
৮৩ ⋮
فَلَوْلَا إِذَا بَلَغَتِ الْحُلْقُومَ ﴿٨٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । যখন কোনো (মানুষের) প্রাণ (তার) কণ্ঠনালীতে এসে পৌঁছে যায়,
৮৪ ⋮
وَأَنْتُمْ حِينَئِذٍ تَنْظُرُونَ ﴿٨٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তখন (কেন) তোমরা (অসহায়ের মতো) তাকিয়ে থাকো,
৮৫ ⋮
وَنَحْنُ أَقْرَبُ إِلَيْهِ مِنْكُمْ وَلَكِنْ لَا تُبْصِرُونَ ﴿٨٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (এ সময় তো বরং) তোমাদের চাইতে আমিই সেই (মুমূর্ষ) ব্যক্তির বেশী কাছে থাকি, (কিন্তু) তোমরা এর কিছুই দেখতে পাও না ।
৮৬ ⋮
فَلَوْلَا إِنْ كُنْتُمْ غَيْرَ مَدِينِينَ ﴿٨٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তোমরা যদি এমন অক্ষম না-ই হও,
৮৭ ⋮
تَرْجِعُونَهَا إِنْ كُنْتُمْ صَادِقِينَ ﴿٨٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তোমরা যদি (তোমাদের ক্ষমতার দাবীতে) সত্যবাদী হও, তাহলে কেন সেই (বেরিয়ে যাওয়া প্রাণ) -কে (পুনরায় তার দেহে) ফিরিয়ে আনো না।
৮৮ ⋮
فَأَمَّا إِنْ كَانَ مِنَ الْمُقَرَّبِينَ ﴿٨٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । হ্যাঁ যদি সে (মৃত) ব্যক্তিটি আল্লাহর নৈকট্যপ্রাপ্ত (প্রথম দলের) একজন হয়ে থাকে,
৮৯ ⋮
فَرَوْحٌ وَرَيْحَانٌ وَجَنَّةُ نَعِيمٍ ﴿٨٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তাহলে (তার জন্যে) থাকবে আরাম আয়েশ, উন্নত মানের আহার্য ও নেয়ামতে ভরপুর (এক চিরন্তন) জান্নাত।
৯০ ⋮
وَأَمَّا إِنْ كَانَ مِنْ أَصْحَابِ الْيَمِينِ ﴿٩٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । আর যদি সে হয় ডান পাশের (দ্বিতীয় দলের) কেউ,
৯১ ⋮
فَسَلَامٌ لَكَ مِنْ أَصْحَابِ الْيَمِينِ ﴿٩١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তাহলে (তাকে এই বলে অভিনন্দন জানানো হবে, তোমার জন্যে রয়েছে (আল্লাহর পক্ষ থেকে) শান্তি (আর শান্তি, কারণ) , তুমি তো (ছিলে) ডান পাশেরই (একজন) ;
৯২ ⋮
وَأَمَّا إِنْ كَانَ مِنَ الْمُكَذِّبِينَ الضَّالِّينَ ﴿٩٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । আর যদি সে হয় (আল্লাহ তায়ালাকে) অস্বীকারকারী মিথ্যাবাদী পথভ্রষ্ট দলের কেউ
৯৩ ⋮
فَنُزُلٌ مِنْ حَمِيمٍ ﴿٩٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তাহলে ফুটন্ত পানি দ্বারা (তার) আপ্যায়ন করা হবে,
৯৪ ⋮
وَتَصْلِيَةُ جَحِيمٍ ﴿٩٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । এবং সে জাহান্নামের (কঠিন) আগুনে উপনীত হবে।
৯৫ ⋮
إِنَّ هَذَا لَهُوَ حَقُّ الْيَقِينِ ﴿٩٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । নিশ্চয়ই এ হচ্ছে এক অমোঘ সত্য (ঘটনা) ।
৯৬ ⋮
فَسَبِّحْ بِاسْمِ رَبِّكَ الْعَظِيمِ ﴿٩٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অতএব (হে নবী, ) তুমি তোমার মহান মালিকের পবিত্র নামের তাসবীহ পাঠ করো।