🕋
الواقعة
(৫৬) আল-ওয়াকিয়া
৯৬
﴾৫৬:১﴿
﴾ ৫৬:১ ﴿
إِذَا وَقَعَتِ الْوَاقِعَةُ ﴿١﴾
যখন (কেয়ামতের অবশ্যম্ভাবী) ঘটনাটি সংঘটিত হবে,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:২﴿
﴾ ৫৬:২ ﴿
لَيْسَ لِوَقْعَتِهَا كَاذِبَةٌ ﴿٢﴾
(তখন) কেউই তার সংঘটিত হওয়ার অস্বীকারকারী থাকবে না।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:৩﴿
﴾ ৫৬:৩ ﴿
خَافِضَةٌ رَافِعَةٌ ﴿٣﴾
এ (ঘটনা) -টি হবে (কারো মর্যাদা) ভূলুণ্ঠনকারী, (আর কারো মর্যাদা) সমুন্নতকারী,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:৪﴿
﴾ ৫৬:৪ ﴿
إِذَا رُجَّتِ الْأَرْضُ رَجًّا ﴿٤﴾
পৃথিবী যখন প্রবল কম্পনে কম্পিত হবে,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:৫﴿
﴾ ৫৬:৫ ﴿
وَبُسَّتِ الْجِبَالُ بَسًّا ﴿٥﴾
পর্বতমালা সম্পূর্ণরূপে চুর্ণ-বিচুর্ণ করে দেয়া হবে,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:৬﴿
﴾ ৫৬:৬ ﴿
فَكَانَتْ هَبَاءً مُنْبَثًّا ﴿٦﴾
অতঃপর তা বিক্ষিপ্ত ধূলাবালিতে পরিণত হয়ে যাবে,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:৭﴿
﴾ ৫৬:৭ ﴿
وَكُنْتُمْ أَزْوَاجًا ثَلَاثَةً ﴿٧﴾
আর তোমরা (মানুষরা তখন) তিন ভাগ হয়ে যাবে;
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:৮﴿
﴾ ৫৬:৮ ﴿
فَأَصْحَابُ الْمَيْمَنَةِ مَا أَصْحَابُ الْمَيْمَنَةِ ﴿٨﴾
(প্রথমত হবে) ডান দিকের দল, জানো এ ডান দিকের লোক কারা?
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:৯﴿
﴾ ৫৬:৯ ﴿
وَأَصْحَابُ الْمَشْأَمَةِ مَا أَصْحَابُ الْمَشْأَمَةِ ﴿٩﴾
(দ্বিতীয়ত হবে) বাম দিকের দল, কারা এ বাম দিকের লোক?
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:১০﴿
﴾ ৫৬:১০ ﴿
وَالسَّابِقُونَ السَّابِقُونَ ﴿١٠﴾
(তৃতীয়ত হবে) অগ্রবর্তী (ঈমান আনয়নকারী) দল, এরাই (হলো মূলত প্রধান) অগ্রগামী দল,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:১১﴿
﴾ ৫৬:১১ ﴿
أُولَئِكَ الْمُقَرَّبُونَ ﴿١١﴾
এরা হচ্ছে (আল্লাহ তায়ালার) একান্ত ঘনিষ্ঠ বান্দা,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:১২﴿
﴾ ৫৬:১২ ﴿
فِي جَنَّاتِ النَّعِيمِ ﴿١٢﴾
(এরা অবস্থান করবে) নেয়ামতে পরিপূর্ণ জান্নাতসমূহে
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:১৩﴿
﴾ ৫৬:১৩ ﴿
ثُلَّةٌ مِنَ الْأَوَّلِينَ ﴿١٣﴾
(এদের) বড়ো অংশটি (অবশ্য হবে) আগের লোকদের মধ্য থেকে,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:১৪﴿
﴾ ৫৬:১৪ ﴿
وَقَلِيلٌ مِنَ الْآخِرِينَ ﴿١٤﴾
আর সামান্য (অংশই) থাকবে পরবর্তী লোকদের মাঝ থেকে;
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:১৫﴿
﴾ ৫৬:১৫ ﴿
عَلَى سُرُرٍ مَوْضُونَةٍ ﴿١٥﴾
(তারা থাকবে) স্বর্ণখচিত আসনের উপর,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:১৬﴿
﴾ ৫৬:১৬ ﴿
مُتَّكِئِينَ عَلَيْهَا مُتَقَابِلِينَ ﴿١٦﴾
তার উপর তারা (একে অপরের) মুখোমুখি (আসনে) হেলান দিয়ে (বসবে) ।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:১৭﴿
﴾ ৫৬:১৭ ﴿
يَطُوفُ عَلَيْهِمْ وِلْدَانٌ مُخَلَّدُونَ ﴿١٧﴾
তাদের চারপাশে (তাদের সেবার জন্যে) চির কিশোরদের একটি দল ঘুরতে থাকবে,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:১৮﴿
﴾ ৫৬:১৮ ﴿
بِأَكْوَابٍ وَأَبَارِيقَ وَكَأْسٍ مِنْ مَعِينٍ ﴿١٨﴾
পানপাত্র ও প্রবাহমান সূরা ভর্তি পেয়ালা নিয়ে (এরা প্রস্তুত থাকবে) ,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:১৯﴿
﴾ ৫৬:১৯ ﴿
لَا يُصَدَّعُونَ عَنْهَا وَلَا يُنْزِفُونَ ﴿١٩﴾
সেই (সূরা পান করার) কারণে তাদের কোনো শিরঃপীড়া হবে না, তারা (কোনো রকম) নেশাও করবে না,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:২০﴿
﴾ ৫৬:২০ ﴿
وَفَاكِهَةٍ مِمَّا يَتَخَيَّرُونَ ﴿٢٠﴾
(সেখানে আরো থাকবে) তাদের নিজ নিজ পছন্দমতো ফলমূল,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:২১﴿
﴾ ৫৬:২১ ﴿
وَلَحْمِ طَيْرٍ مِمَّا يَشْتَهُونَ ﴿٢١﴾
(থাকবে। তাদের মনের চাহিদা মোতাবেক (রকমারি) পাখীর গোশত;
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:২২﴿
﴾ ৫৬:২২ ﴿
وَحُورٌ عِينٌ ﴿٢٢﴾
(সেবার জন্যে মজুদ থাকবে) সুন্দরী সুনয়না সাথী তরুণী দল,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:২৩﴿
﴾ ৫৬:২৩ ﴿
كَأَمْثَالِ اللُّؤْلُؤِ الْمَكْنُونِ ﴿٢٣﴾
তারা যেন (সযত্নে) এক একটি ঢেকে রাখা মুক্তা,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:২৪﴿
﴾ ৫৬:২৪ ﴿
جَزَاءً بِمَا كَانُوا يَعْمَلُونَ ﴿٢٤﴾
(এর সব কিছুই হচ্ছে তাদের) সে (কাজের) পুরস্কার যা তারা (দুনিয়ায়) করে এসেছে।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:২৫﴿
﴾ ৫৬:২৫ ﴿
لَا يَسْمَعُونَ فِيهَا لَغْوًا وَلَا تَأْثِيمًا ﴿٢٥﴾
সেখানে তারা কোনো অর্থহীন প্রলাপ (বা কথাবার্তা) শুনতে পাবে না,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:২৬﴿
﴾ ৫৬:২৬ ﴿
إِلَّا قِيلًا سَلَامًا سَلَامًا ﴿٢٦﴾
(সেখানে) বরং বলা হবে (শুধু) শান্তি, নিরবচ্ছিন্ন শান্তি!
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:২৭﴿
﴾ ৫৬:২৭ ﴿
وَأَصْحَابُ الْيَمِينِ مَا أَصْحَابُ الْيَمِينِ ﴿٢٧﴾
(অতঃপর আসবে) ডান পাশের লোক, আর কারা (এ) ডান পাশের লোক;
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:২৮﴿
﴾ ৫৬:২৮ ﴿
فِي سِدْرٍ مَخْضُودٍ ﴿٢٨﴾
(তারা অবস্থান করবে এমন এক উদ্যানে, ) যেখানে থাকবে (শুধু) কাঁটাবিহীন বরই গাছ,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:২৯﴿
﴾ ৫৬:২৯ ﴿
وَطَلْحٍ مَنْضُودٍ ﴿٢٩﴾
(থাকবে) কাঁদি কাঁদি কলা,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:৩০﴿
﴾ ৫৬:৩০ ﴿
وَظِلٍّ مَمْدُودٍ ﴿٣٠﴾
(শান্তিদায়িনী) ছায়া দূর-দূরান্ত পর্যন্ত সম্প্রসারিত হবে,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:৩১﴿
﴾ ৫৬:৩১ ﴿
وَمَاءٍ مَسْكُوبٍ ﴿٣١﴾
আর থাকবে প্রবাহমান (ঝর্ণাধারার) পানি,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:৩২﴿
﴾ ৫৬:৩২ ﴿
وَفَاكِهَةٍ كَثِيرَةٍ ﴿٣٢﴾
পর্যাপ্ত (পরিমাণ) ফলমূল,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:৩৩﴿
﴾ ৫৬:৩৩ ﴿
لَا مَقْطُوعَةٍ وَلَا مَمْنُوعَةٍ ﴿٣٣﴾
(এমন সব ফল) যার সরবরাহ কখনো শেষ হবে না এবং (যার ব্যবহার কখনো) নিষিদ্ধও করা হবে না,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:৩৪﴿
﴾ ৫৬:৩৪ ﴿
وَفُرُشٍ مَرْفُوعَةٍ ﴿٣٤﴾
আর থাকবে উঁচু উঁচু বিছানা;
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:৩৫﴿
﴾ ৫৬:৩৫ ﴿
إِنَّا أَنْشَأْنَاهُنَّ إِنْشَاءً ﴿٣٥﴾
আমি তাদের (সাথী হুরদের) বানিয়েছি বানানোর মতো (করেই) ,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:৩৬﴿
﴾ ৫৬:৩৬ ﴿
فَجَعَلْنَاهُنَّ أَبْكَارًا ﴿٣٦﴾
(তাদের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, ) আমি তাদের চির কুমারী করে রেখেছি,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:৩৭﴿
﴾ ৫৬:৩৭ ﴿
عُرُبًا أَتْرَابًا ﴿٣٧﴾
তাদের আরেকটি বৈশিষ্ট্য হচ্ছে) তারা (হবে) সমবয়সের প্রেম সোহাগিনী,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:৩৮﴿
﴾ ৫৬:৩৮ ﴿
لِأَصْحَابِ الْيَمِينِ ﴿٣٨﴾
(এগুলো হচ্ছে প্রথম দলের সব) ডান পাশের লোকদের জন্যে;
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:৩৯﴿
﴾ ৫৬:৩৯ ﴿
ثُلَّةٌ مِنَ الْأَوَّلِينَ ﴿٣٩﴾
(এ ডান পাশের লোকদের) এক বিরাট অংশই হবে আগের লোকদের মাঝ থেকে,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:৪০﴿
﴾ ৫৬:৪০ ﴿
وَثُلَّةٌ مِنَ الْآخِرِينَ ﴿٤٠﴾
(আবার) অনেকে হবে পরবর্তী লোকদের মাঝ থেকেও;
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:৪১﴿
﴾ ৫৬:৪১ ﴿
وَأَصْحَابُ الشِّمَالِ مَا أَصْحَابُ الشِّمَالِ ﴿٤١﴾
যারা বাম পাশের লোক, তুমি কি জানো এ বাম পাশের লোক কারা;
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:৪২﴿
﴾ ৫৬:৪২ ﴿
فِي سَمُومٍ وَحَمِيمٍ ﴿٤٢﴾
(যাদের অবস্থান হবে জাহান্নামের) উত্তপ্ত ও ফুটন্ত পানিতে,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:৪৩﴿
﴾ ৫৬:৪৩ ﴿
وَظِلٍّ مِنْ يَحْمُومٍ ﴿٤٣﴾
এবং (ঘন) কালো রঙের ধোঁয়ার ছায়ায়,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:৪৪﴿
﴾ ৫৬:৪৪ ﴿
لَا بَارِدٍ وَلَا كَرِيمٍ ﴿٤٤﴾
(সে ছায়া যেমন) শীতল নয়, (তেমনি তা কোনো রকম) আরামদায়কও হবে না।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:৪৫﴿
﴾ ৫৬:৪৫ ﴿
إِنَّهُمْ كَانُوا قَبْلَ ذَلِكَ مُتْرَفِينَ ﴿٤٥﴾
এরা (হচ্ছে সেসব লোক যারা) এর আগে (দুনিয়ায়) অত্যন্ত সুখ সম্পদে কাটাতো,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:৪৬﴿
﴾ ৫৬:৪৬ ﴿
وَكَانُوا يُصِرُّونَ عَلَى الْحِنْثِ الْعَظِيمِ ﴿٤٦﴾
এরা বার বার জঘন্য পাপ কাজে লিপ্ত হয়ে পড়তো,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:৪৭﴿
﴾ ৫৬:৪৭ ﴿
وَكَانُوا يَقُولُونَ أَئِذَا مِتْنَا وَكُنَّا تُرَابًا وَعِظَامًا أَئِنَّا لَمَبْعُوثُونَ ﴿٤٧﴾
এরা বলতো, আমরা যখন মরে যাবো এবং (মরে যাওয়ার পর) আমরা যখন মাটি ও হাড়ের সমষ্টিতে পরিণত হয়ে যাবো, তখনও কি আমাদের পুনরায় জীবিত করা হবে?
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:৪৮﴿
﴾ ৫৬:৪৮ ﴿
أَوَآبَاؤُنَا الْأَوَّلُونَ ﴿٤٨﴾
(জীবিত করা হবে) কি আমাদের বাপদাদা এবং পূর্বপুরুষদেরও?
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:৪৯﴿
﴾ ৫৬:৪৯ ﴿
قُلْ إِنَّ الْأَوَّلِينَ وَالْآخِرِينَ ﴿٤٩﴾
(হে নবী, ) তুমি বলো, অবশ্যই আগে পরের সব লোককেই
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:৫০﴿
﴾ ৫৬:৫০ ﴿
لَمَجْمُوعُونَ إِلَى مِيقَاتِ يَوْمٍ مَعْلُومٍ ﴿٥٠﴾
একটি নির্দিষ্ট দিনে (একটা নির্দিষ্ট সময়ে) জড়ো করা হবে ।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:৫১﴿
﴾ ৫৬:৫১ ﴿
ثُمَّ إِنَّكُمْ أَيُّهَا الضَّالُّونَ الْمُكَذِّبُونَ ﴿٥١﴾
অতঃপর (কাফেরদের বলা হবে, ) ওহে পথভ্রষ্ট ও (এ দিনের আগমনকে) মিথ্যা প্রতিপন্নকারী ব্যক্তিরা,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:৫২﴿
﴾ ৫৬:৫২ ﴿
لَآكِلُونَ مِنْ شَجَرٍ مِنْ زَقُّومٍ ﴿٥٢﴾
(দুনিয়ায় যা অর্জন করেছে তার বিনিময়ে আজ) তোমরা ভক্ষণ করবে যাককুম' (নামক একটি) গাছের অংশ,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:৫৩﴿
﴾ ৫৬:৫৩ ﴿
فَمَالِئُونَ مِنْهَا الْبُطُونَ ﴿٥٣﴾
অতঃপর তা দিয়েই তোমরা (তোমাদের) পেট ভরবে,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:৫৪﴿
﴾ ৫৬:৫৪ ﴿
فَشَارِبُونَ عَلَيْهِ مِنَ الْحَمِيمِ ﴿٥٤﴾
তার উপর তোমরা পান করবে (জাহান্নামের) ফুটন্ত পানি,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:৫৫﴿
﴾ ৫৬:৫৫ ﴿
فَشَارِبُونَ شُرْبَ الْهِيمِ ﴿٥٥﴾
তাও আবার পান করতে থাকবে (মরুভূমির) তৃজ্ঞার্ত উটের মতো করে;
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:৫৬﴿
﴾ ৫৬:৫৬ ﴿
هَذَا نُزُلُهُمْ يَوْمَ الدِّينِ ﴿٥٦﴾
এ হবে (কেয়ামতে) তাদের (যথার্থ) মেহমানদারী;
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:৫৭﴿
﴾ ৫৬:৫৭ ﴿
نَحْنُ خَلَقْنَاكُمْ فَلَوْلَا تُصَدِّقُونَ ﴿٥٧﴾
আমি (যে) তোমাদের সবাইকে পয়দা করেছি (এ কথাটা) তোমরা কি বিশ্বাস করছো না?
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:৫৮﴿
﴾ ৫৬:৫৮ ﴿
أَفَرَأَيْتُمْ مَا تُمْنُونَ ﴿٥٨﴾
তোমরা যে (সন্তান উৎপাদনের জন্যে এক বিন্দু) বীর্যপাত করে আসো, সে সম্পর্কে (কখনো) কি ভেবে দেখেছো?
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:৫৯﴿
﴾ ৫৬:৫৯ ﴿
أَأَنْتُمْ تَخْلُقُونَهُ أَمْ نَحْنُ الْخَالِقُونَ ﴿٥٩﴾
বলো তো, তাকে কি তোমরা (পূর্ণাংগ) মানুষ বানিয়ে দাও না আমি তার স্রষ্টা?
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:৬০﴿
﴾ ৫৬:৬০ ﴿
نَحْنُ قَدَّرْنَا بَيْنَكُمُ الْمَوْتَ وَمَا نَحْنُ بِمَسْبُوقِينَ ﴿٦٠﴾
তোমাদের মাঝে (সবার) মৃত্যু আমিই নির্ধারণ করি এবং আমি এ ব্যাপারে মোটেই অক্ষম নই যে
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:৬১﴿
﴾ ৫৬:৬১ ﴿
عَلَى أَنْ نُبَدِّلَ أَمْثَالَكُمْ وَنُنْشِئَكُمْ فِي مَا لَا تَعْلَمُونَ ﴿٦١﴾
তোমাদের মতোই আরেক দল মানুষ দিয়ে তোমাদের বদল করে দেবো এবং (প্রয়োজনে) তোমাদেরই। (আবার) এমনভাবে তৈরী করবো যে, তোমরা কিছুই জানতে পারবে না ।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:৬২﴿
﴾ ৫৬:৬২ ﴿
وَلَقَدْ عَلِمْتُمُ النَّشْأَةَ الْأُولَى فَلَوْلَا تَذَكَّرُونَ ﴿٦٢﴾
তোমরা (যখন) তোমাদের প্রথম সৃষ্টির ঘটনাটা সুনিশ্চিতভাবে জানতে পেরেছো, (তখন দ্বিতীয় বার সৃষ্টির ভবিষ্যদ্বাণী থেকে) কেন শিক্ষা গ্রহণ করছো না?
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:৬৩﴿
﴾ ৫৬:৬৩ ﴿
أَفَرَأَيْتُمْ مَا تَحْرُثُونَ ﴿٦٣﴾
তোমরা (যমীনে) যে বীজ বপন করে আসো সে সম্পর্কে কি কখনো চিন্তা করেছো?
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:৬৪﴿
﴾ ৫৬:৬৪ ﴿
أَأَنْتُمْ تَزْرَعُونَهُ أَمْ نَحْنُ الزَّارِعُونَ ﴿٦٤﴾
(তা থেকে) ফসলের উৎপাদন কি তোমরা করো না আমিই তার উৎপাদক?
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:৬৫﴿
﴾ ৫৬:৬৫ ﴿
لَوْ نَشَاءُ لَجَعَلْنَاهُ حُطَامًا فَظَلْتُمْ تَفَكَّهُونَ ﴿٦٥﴾
অথচ আমি যদি চাই তাহলে (অংকুরিত সব) বীজ খড়কুটায় পরিণত করে দিতে পারি, আর (তা দেখে) তোমরা হতভম্ব হয়ে পড়বে,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:৬৬﴿
﴾ ৫৬:৬৬ ﴿
إِنَّا لَمُغْرَمُونَ ﴿٦٦﴾
(তোমরা বলতে থাকবে, হায়! আজ) তো আমাদের সর্বনাশ হয়ে গেলো,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:৬৭﴿
﴾ ৫৬:৬৭ ﴿
بَلْ نَحْنُ مَحْرُومُونَ ﴿٦٧﴾
আমরা তো (ফসল থেকে আজ) বঞ্চিতই থেকে গেলাম!
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:৬৮﴿
﴾ ৫৬:৬৮ ﴿
أَفَرَأَيْتُمُ الْمَاءَ الَّذِي تَشْرَبُونَ ﴿٦٨﴾
কখনো কি তোমরা সেই পানি সম্বন্ধে চিন্তা করে দেখেছো যা তোমরা (সব সময়) পান করো;
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:৬৯﴿
﴾ ৫৬:৬৯ ﴿
أَأَنْتُمْ أَنْزَلْتُمُوهُ مِنَ الْمُزْنِ أَمْ نَحْنُ الْمُنْزِلُونَ ﴿٦٩﴾
(বলতে পারো? আকাশের) মেঘমালা থেকে এ পানি কি তোমরা নিজেরা বর্ষণ করো না আমি এর বর্ষণকারী?
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:৭০﴿
﴾ ৫৬:৭০ ﴿
لَوْ نَشَاءُ جَعَلْنَاهُ أُجَاجًا فَلَوْلَا تَشْكُرُونَ ﴿٧٠﴾
অথচ আমি চাইলে এ (সুপেয়) পানি লবণাক্ত করে দিতে পারি, (পানির এ সুন্দর ব্যবস্থাপনার জন্যে) তোমরা কেন আমার কৃতজ্ঞতা আদায় করছো না?
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:৭১﴿
﴾ ৫৬:৭১ ﴿
أَفَرَأَيْتُمُ النَّارَ الَّتِي تُورُونَ ﴿٧١﴾
আগুন যা (প্রতিদিন) তোমরা প্রজ্বলিত করে থাকো তা সম্পর্কে কি কখনো ভেবে দেখেছো?
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:৭২﴿
﴾ ৫৬:৭২ ﴿
أَأَنْتُمْ أَنْشَأْتُمْ شَجَرَتَهَا أَمْ نَحْنُ الْمُنْشِئُونَ ﴿٧٢﴾
তার (জ্বালানোর) গাছটি কি তোমরা সৃষ্টি করেছো না আমি এর স্রষ্টা?
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:৭৩﴿
﴾ ৫৬:৭৩ ﴿
نَحْنُ جَعَلْنَاهَا تَذْكِرَةً وَمَتَاعًا لِلْمُقْوِينَ ﴿٧٣﴾
(মূলত) আমিই একে (সভ্যতার) নিদর্শন করে রেখেছি এবং একে ভ্রমণকারীদের জন্যে প্রয়োজন পূরণের সামান বানিয়ে দিয়েছি।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:৭৪﴿
﴾ ৫৬:৭৪ ﴿
فَسَبِّحْ بِاسْمِ رَبِّكَ الْعَظِيمِ ﴿٧٤﴾
অতঃপর (হে নবী, এসব কিছুর জন্যে) তুমি তোমার মহান মালিকের নামের মাহাত্ম ঘোষণা করো।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:৭৫﴿
﴾ ৫৬:৭৫ ﴿
فَلَا أُقْسِمُ بِمَوَاقِعِ النُّجُومِ ﴿٧٥﴾
অতঃপর আমি শপথ করছি তারকাগুলোর অস্তাচলের,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:৭৬﴿
﴾ ৫৬:৭৬ ﴿
وَإِنَّهُ لَقَسَمٌ لَوْ تَعْلَمُونَ عَظِيمٌ ﴿٧٦﴾
সত্যিই (আমার গোটা সৃষ্টি নৈপুণ্যের আলোকে) তা হচ্ছে এক মহা শপথ, যদি তোমরা জানতে;
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:৭৭﴿
﴾ ৫৬:৭৭ ﴿
إِنَّهُ لَقُرْآنٌ كَرِيمٌ ﴿٧٧﴾
অবশ্যই কোরআন এক মহামর্যাদাবান গ্রন্থ।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:৭৮﴿
﴾ ৫৬:৭৮ ﴿
فِي كِتَابٍ مَكْنُونٍ ﴿٧٨﴾
এটি লিপিবদ্ধ রয়েছে একটি (সযত্নে) রক্ষিত গ্রন্থে,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:৭৯﴿
﴾ ৫৬:৭৯ ﴿
لَا يَمَسُّهُ إِلَّا الْمُطَهَّرُونَ ﴿٧٩﴾
পূত পবিত্র ব্যতিরেকে তা কেউ স্পর্শও করে না;
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:৮০﴿
﴾ ৫৬:৮০ ﴿
تَنْزِيلٌ مِنْ رَبِّ الْعَالَمِينَ ﴿٨٠﴾
(কেননা তা) নাযিল করা হয়েছে সৃষ্টিকুলের মালিক আল্লাহ তায়ালার কাছ থেকে ।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:৮১﴿
﴾ ৫৬:৮১ ﴿
أَفَبِهَذَا الْحَدِيثِ أَنْتُمْ مُدْهِنُونَ ﴿٨١﴾
তোমরা এ (গ্রন্থের আনীত) বাণীকে কি সাধারণ কথাই মনে করতে থাকবে?
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:৮২﴿
﴾ ৫৬:৮২ ﴿
وَتَجْعَلُونَ رِزْقَكُمْ أَنَّكُمْ تُكَذِّبُونَ ﴿٨٢﴾
এবং মিথ্যা প্রতিপন্ন করাটাকেই তোমরা তোমাদের জীবিকা (আহরণের পেশা) বানিয়ে নেবে?
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:৮৩﴿
﴾ ৫৬:৮৩ ﴿
فَلَوْلَا إِذَا بَلَغَتِ الْحُلْقُومَ ﴿٨٣﴾
যখন কোনো (মানুষের) প্রাণ (তার) কণ্ঠনালীতে এসে পৌঁছে যায়,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:৮৪﴿
﴾ ৫৬:৮৪ ﴿
وَأَنْتُمْ حِينَئِذٍ تَنْظُرُونَ ﴿٨٤﴾
তখন (কেন) তোমরা (অসহায়ের মতো) তাকিয়ে থাকো,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:৮৫﴿
﴾ ৫৬:৮৫ ﴿
وَنَحْنُ أَقْرَبُ إِلَيْهِ مِنْكُمْ وَلَكِنْ لَا تُبْصِرُونَ ﴿٨٥﴾
(এ সময় তো বরং) তোমাদের চাইতে আমিই সেই (মুমূর্ষ) ব্যক্তির বেশী কাছে থাকি, (কিন্তু) তোমরা এর কিছুই দেখতে পাও না ।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:৮৬﴿
﴾ ৫৬:৮৬ ﴿
فَلَوْلَا إِنْ كُنْتُمْ غَيْرَ مَدِينِينَ ﴿٨٦﴾
তোমরা যদি এমন অক্ষম না-ই হও,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:৮৭﴿
﴾ ৫৬:৮৭ ﴿
تَرْجِعُونَهَا إِنْ كُنْتُمْ صَادِقِينَ ﴿٨٧﴾
তোমরা যদি (তোমাদের ক্ষমতার দাবীতে) সত্যবাদী হও, তাহলে কেন সেই (বেরিয়ে যাওয়া প্রাণ) -কে (পুনরায় তার দেহে) ফিরিয়ে আনো না।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:৮৮﴿
﴾ ৫৬:৮৮ ﴿
فَأَمَّا إِنْ كَانَ مِنَ الْمُقَرَّبِينَ ﴿٨٨﴾
হ্যাঁ যদি সে (মৃত) ব্যক্তিটি আল্লাহর নৈকট্যপ্রাপ্ত (প্রথম দলের) একজন হয়ে থাকে,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:৮৯﴿
﴾ ৫৬:৮৯ ﴿
فَرَوْحٌ وَرَيْحَانٌ وَجَنَّةُ نَعِيمٍ ﴿٨٩﴾
তাহলে (তার জন্যে) থাকবে আরাম আয়েশ, উন্নত মানের আহার্য ও নেয়ামতে ভরপুর (এক চিরন্তন) জান্নাত।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:৯০﴿
﴾ ৫৬:৯০ ﴿
وَأَمَّا إِنْ كَانَ مِنْ أَصْحَابِ الْيَمِينِ ﴿٩٠﴾
আর যদি সে হয় ডান পাশের (দ্বিতীয় দলের) কেউ,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:৯১﴿
﴾ ৫৬:৯১ ﴿
فَسَلَامٌ لَكَ مِنْ أَصْحَابِ الْيَمِينِ ﴿٩١﴾
তাহলে (তাকে এই বলে অভিনন্দন জানানো হবে, তোমার জন্যে রয়েছে (আল্লাহর পক্ষ থেকে) শান্তি (আর শান্তি, কারণ) , তুমি তো (ছিলে) ডান পাশেরই (একজন) ;
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:৯২﴿
﴾ ৫৬:৯২ ﴿
وَأَمَّا إِنْ كَانَ مِنَ الْمُكَذِّبِينَ الضَّالِّينَ ﴿٩٢﴾
আর যদি সে হয় (আল্লাহ তায়ালাকে) অস্বীকারকারী মিথ্যাবাদী পথভ্রষ্ট দলের কেউ
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:৯৩﴿
﴾ ৫৬:৯৩ ﴿
فَنُزُلٌ مِنْ حَمِيمٍ ﴿٩٣﴾
তাহলে ফুটন্ত পানি দ্বারা (তার) আপ্যায়ন করা হবে,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:৯৪﴿
﴾ ৫৬:৯৪ ﴿
وَتَصْلِيَةُ جَحِيمٍ ﴿٩٤﴾
এবং সে জাহান্নামের (কঠিন) আগুনে উপনীত হবে।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:৯৫﴿
﴾ ৫৬:৯৫ ﴿
إِنَّ هَذَا لَهُوَ حَقُّ الْيَقِينِ ﴿٩٥﴾
নিশ্চয়ই এ হচ্ছে এক অমোঘ সত্য (ঘটনা) ।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫৬:৯৬﴿
﴾ ৫৬:৯৬ ﴿
فَسَبِّحْ بِاسْمِ رَبِّكَ الْعَظِيمِ ﴿٩٦﴾
অতএব (হে নবী, ) তুমি তোমার মহান মালিকের পবিত্র নামের তাসবীহ পাঠ করো।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]