🕋

القلم
(৬৮) আল-ক্বালাম

৫২

ن وَالْقَلَمِ وَمَا يَسْطُرُونَ ﴿١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । নূ-ন-, শপথ (লেখার মাধ্যম) কলমের, (আরো শপথ এ কলম দিয়ে) তারা যা লিখে রাখছে তার,
مَا أَنْتَ بِنِعْمَةِ رَبِّكَ بِمَجْنُونٍ ﴿٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তোমার মালিকের (অসীম) দয়ায় তুমি পাগল নও,
وَإِنَّ لَكَ لَأَجْرًا غَيْرَ مَمْنُونٍ ﴿٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তোমার জন্যে অবশ্যই এমন এক পুরস্কার রয়েছে যা কোনোদিনই নিশেষ হবে না,
وَإِنَّكَ لَعَلى خُلُقٍ عَظِيمٍ ﴿٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । নিঃসন্দেহে তুমি মহান চরিত্রের উপর (প্রতিষ্ঠিত) রয়েছে।
فَسَتُبْصِرُ وَيُبْصِرُونَ ﴿٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (সেদিন খুব দূরে নয় যখন) তুমি ও (তোমাকে যারা পাগল বলে) তারা সবাই দেখতে পাবে যে,
بِأَيِّيكُمُ الْمَفْتُونُ ﴿٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তোমাদের মধ্যে (আসলে) কে বিকারগ্রস্ত (পাগল) ছিলো!
إِنَّ رَبَّكَ هُوَ أَعْلَمُ بِمَنْ ضَلَّ عَنْ سَبِيلِهِ وَهُوَ أَعْلَمُ بِالْمُهْتَدِينَ ﴿٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তোমার মালিক ভালো করেই জানেন (তোমাদের মধ্যে) কোন ব্যক্তি পথভ্রষ্ট হয়ে গেছে, (আবার) যারা সঠিক পথের উপর রয়েছে আল্লাহ তাআলা তাদের সম্পর্কে সম্যক ওয়াকেফহাল রয়েছেন।
فَلَا تُطِعِ الْمُكَذِّبِينَ ﴿٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অতএব তুমি এ মিথ্যা প্রতিপন্নকারীদের অনুসরণ করো না।
وَدُّوا لَوْ تُدْهِنُ فَيُدْهِنُونَ ﴿٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তারা (তো তোমার এ নমনীয়তাটুকুই) চায় যে, তুমি (তাদের কিছু) গ্রহণ করো! অতঃপর তারাও (তোমার কিছু) গ্রহণ করবে ।
১০
وَلَا تُطِعْ كُلَّ حَلَّافٍ مَهِينٍ ﴿١٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । যারা বেশী বেশী কসম করে (পদে পদে) লাঞ্ছিত হয়, এমন লোকদের তুমি কখনো অনুসরণ করো না,
১১
هَمَّازٍ مَشَّاءٍ بِنَمِيمٍ ﴿١١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । যে (বেহুদা) গালমন্দ করে, (খামাখা মানুষদের) অভিশাপ দেয় এবং চোগলখোরী করে বেড়ায়,
১২
مَنَّاعٍ لِلْخَيْرِ مُعْتَدٍ أَثِيمٍ ﴿١٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । যে ভালো কাজে বাধা সৃষ্টি করে, (অন্যায়ভাবে) সীমালংঘন করে, (সর্বোপরি) যে পাপিষ্ঠ,
১৩
عُتُلٍّ بَعْدَ ذَلِكَ زَنِيمٍ ﴿١٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । যে কঠোর স্বভাবের অধিকারী, এরপর যে (জন্ম পরিচয়ের দিক থেকেও) জারজ,
১৪
أَنْ كَانَ ذَا مَالٍ وَبَنِينَ ﴿١٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । যেহেতু সে (বিপুল) ধনরাশি ও (অনেকগুলো) সন্তান সন্ততির অধিকারী;
১৫
إِذَا تُتْلَى عَلَيْهِ آيَاتُنَا قَالَ أَسَاطِيرُ الْأَوَّلِينَ ﴿١٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । এ লোককে যখন আমার আয়াতসমূহ' পড়ে শোনানো হয় তখন সে বলে, এগুলো তো হচ্ছে আগের দিনের গল্প কাহিনী মাত্র!
১৬
سَنَسِمُهُ عَلَى الْخُرْطُومِ ﴿١٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (এ অহংকারী ব্যক্তিটিকে তুমি জানিয়ে রাখো, ) অচিরেই আমি তার শুড়ে দাগ দিয়ে (তাকে চিহ্নিত করে) দেবো।
১৭
إِنَّا بَلَوْنَاهُمْ كَمَا بَلَوْنَا أَصْحَابَ الْجَنَّةِ إِذْ أَقْسَمُوا لَيَصْرِمُنَّهَا مُصْبِحِينَ ﴿١٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অবশ্যই আমি এ (জনপদের) মানুষদের পরীক্ষা করেছি, যেমনি (অতীতে) আমি একটি ফলের বাগানের কতিপয় মালিককে পরীক্ষা করেছিলাম, (সে পরীক্ষাটা ছিলো, এমন যে, একদিন) তারা সবাই (একযোগে) শপথ করে বলেছিলো, অবশ্যই তারা সকাল বেলায় গিয়ে (বাগানের) ফল পাড়বে,
১৮
وَلَا يَسْتَثْنُونَ ﴿١٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (এ সময়) তারা (আল্লাহ তা'আলার ইচ্ছা ও অভিপ্রায় সম্বলিত) কিছুই (এর সাথে) যোগ করেনি।
১৯
فَطَافَ عَلَيْهَا طَائِفٌ مِنْ رَبِّكَ وَهُمْ نَائِمُونَ ﴿١٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তখন (ভোর হতে না হতেই) তোমার মালিকের পক্ষ থেকে তার উপর এক বিপর্যয় এসে পড়লো, (তখনো) তারা ছিলো গভীর ঘুমে (বিভোর) ।
২০
فَأَصْبَحَتْ كَالصَّرِيمِ ﴿٢٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অতঃপর সকাল বেলায় তা মধ্যরাতের কৃষ্ণ বর্ণের মতো কালো হয়ে গেলো।
২১
فَتَنَادَوْا مُصْبِحِينَ ﴿٢١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (এদিকে) সকাল হতেই তারা (এই বলে) একে অপরকে ডাকাডাকি করতে লাগলো,
২২
أَنِ اغْدُوا عَلَى حَرْثِكُمْ إِنْ كُنْتُمْ صَارِمِينَ ﴿٢٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তোমরা যদি (সত্যিই) ফল আহরণ করতে চাও তাহলে সকাল সকাল নিজেদের বাগানের দিকে চলো।
২৩
فَانْطَلَقُوا وَهُمْ يَتَخَافَتُونَ ﴿٢٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (অতঃপর) তারা সেদিকে রওনা দিলো, (পথের মধ্যে) ফিসফিস করে নিজেদের মধ্যে বলাবলি করতে লাগলো,
২৪
أَنْ لَا يَدْخُلَنَّهَا الْيَوْمَ عَلَيْكُمْ مِسْكِينٌ ﴿٢٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । কোনো অবস্থায়ই যেন আজ কোনো (দুস্থ ও) মিসকীন ব্যক্তি তোমাদের উপর (টেক্কা) দিয়ে বাগানে এসে প্রবেশ করতে না পারে,
২৫
وَغَدَوْا عَلَى حَرْدٍ قَادِرِينَ ﴿٢٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তারা সকাল বেলায় সংকল্পবদ্ধ হয়ে এসে হাযির হলো, (যেন) তারা নিজেরাই (আজ সব ফসল তুলতে) সক্ষম হয়।
২৬
فَلَمَّا رَأَوْهَا قَالُوا إِنَّا لَضَالُّونَ ﴿٢٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অতঃপর যখন তারা সে (বাগানের) দিকে তাকিয়ে দেখলো, তখন (হতভম্ব হয়ে) বলতে লাগলো (একি! এটা তো আমাদের বাগান নয়) , আমরা নিশ্চয়ই পথভ্রষ্ট (হয়ে পড়েছি) ,
২৭
بَلْ نَحْنُ مَحْرُومُونَ ﴿٢٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (না, আসলেই) আমরা (আজ) মাহরূম হয়ে গেছি!
২৮
قَالَ أَوْسَطُهُمْ أَلَمْ أَقُلْ لَكُمْ لَوْلَا تُسَبِّحُونَ ﴿٢٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (এ মুহূর্তে তাদের মধ্যকার একজন ভালো মানুষ (তাদের) বললো, আমি কি তোমাদের বলিনি (সব কাজের ব্যাপারে আল্লাহর উপরই ভরসা করবে) , কতো ভালো হতো যদি তোমরা (আগেই আল্লাহ তাআলার মহান নামের) তাসবীহ' পড়ে নিতে!
২৯
قَالُوا سُبْحَانَ رَبِّنَا إِنَّا كُنَّا ظَالِمِينَ ﴿٢٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (এবার নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে) তারা বললো, (সত্যিই) আমাদের মালিক আল্লাহ তাআলা অনেক মহান, অনেক পবিত্র, (তাঁর নাম না নিয়ে) আমরা(আসলেই) যালেম হয়ে পড়েছিলাম।
৩০
فَأَقْبَلَ بَعْضُهُمْ عَلَى بَعْضٍ يَتَلَاوَمُونَ ﴿٣٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (এভাবে) তারা পরস্পর পরস্পরকে তিরস্কার করে একে অপরের উপর দোষারোপ করতে লাগলো ।
৩১
قَالُوا يَاوَيْلَنَا إِنَّا كُنَّا طَاغِينَ ﴿٣١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তারা (আরো) বললো, দুর্ভাগ্য আমাদের, (মূলত) আমরা তো সীমালংঘনকারী (হয়ে পড়েছি) ।
৩২
عَسَى رَبُّنَا أَنْ يُبْدِلَنَا خَيْرًا مِنْهَا إِنَّا إِلَى رَبِّنَا رَاغِبُونَ ﴿٣٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । আশা করা যায় আমাদের মালিক (পার্থিব জিনিসের) বদলে (আখেরাতে) এর চাইতে উৎকৃষ্ট (কিছু আমাদের) দান করবেন, আমরা আমাদের মালিকের দিকেই ফিরে যাচ্ছি।
৩৩
كَذَلِكَ الْعَذَابُ وَلَعَذَابُ الْآخِرَةِ أَكْبَرُ لَوْ كَانُوا يَعْلَمُونَ ﴿٣٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । আযাব এভাবেই (নাযিল) হয়, আর পরকালের আযাব, তা তো অনেক গুরুতর । কতো ভালো হতো যদি তারা তা জানতে পেতো!
৩৪
إِنَّ لِلْمُتَّقِينَ عِنْدَ رَبِّهِمْ جَنَّاتِ النَّعِيمِ ﴿٣٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (অপরদিকে) যারা আল্লাহ তা'আলা কে ভয় করে চলে তাদের জন্যে অবশ্যই তাদের মালিকের কাছে (অফুরন্ত) নেয়ামতে ভরপুর জান্নাত রয়েছে।
৩৫
أَفَنَجْعَلُ الْمُسْلِمِينَ كَالْمُجْرِمِينَ ﴿٣٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । যারা আমার আনুগত্য করে তাদের সাথে আমি কি অপরাধীদের মতো (একই ধরনের) আচরণ করবো?
৩৬
مَا لَكُمْ كَيْفَ تَحْكُمُونَ ﴿٣٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । এ কি হলো তোমাদের । (আমার ইনসাফ সম্পর্কে) এ কি সিদ্ধান্ত তোমরা করছো?
৩৭
أَمْ لَكُمْ كِتَابٌ فِيهِ تَدْرُسُونَ ﴿٣٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তোমাদের কাছে কি এমন কোনো আসমানী কিতাব আছে যাতে তোমরা (এ কথাটা) পড়েছে যে,
৩৮
إِنَّ لَكُمْ فِيهِ لَمَا تَخَيَّرُونَ ﴿٣٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । সেখানে তোমাদের জন্যে সে ধরনের সব কিছুই সরবরাহ করা হবে, যা তোমরা তোমাদের জন্যে পছন্দ করবে,
৩৯
أَمْ لَكُمْ أَيْمَانٌ عَلَيْنَا بَالِغَةٌ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ إِنَّ لَكُمْ لَمَا تَحْكُمُونَ ﴿٣٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । না আমি তোমাদের সাথে কোনো চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছি এমন চুক্তি, যা কেয়ামত পর্যন্ত মানা বাধ্যতামূলক হবে, এর মাধ্যমে তোমরা যা কিছু দাবী করো তাই তোমরা পাবে,
৪০
سَلْهُمْ أَيُّهُمْ بِذَلِكَ زَعِيمٌ ﴿٤٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তুমি এদের জিজ্ঞেস করো, তোমাদের মধ্যে কে এ দায়িত্ব নিতে পারে,
৪১
أَمْ لَهُمْ شُرَكَاءُ فَلْيَأْتُوا بِشُرَكَائِهِمْ إِنْ كَانُوا صَادِقِينَ ﴿٤١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (নিজেরা না পারলে) তাদের কি (অন্য কোনো) অংশীদার আছে? যদি তারা সত্যবাদী হয় তাহলে তারা তাদের অংশীদারদের সবাইকে নিয়ে আসুক।
৪২
يَوْمَ يُكْشَفُ عَنْ سَاقٍ وَيُدْعَوْنَ إِلَى السُّجُودِ فَلَا يَسْتَطِيعُونَ ﴿٤٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (স্মরণ করো, ) যেদিন (যাবতীয়) রহস্য উদঘাঁটিত হয়ে পড়বে, তখন তাদের সাজদাবনত হওয়ার আহ্বান জানানো হবে, এসব (হতভাগ্য) ব্যক্তি (কিন্তু সেদিন সাজদা করতে) সক্ষম হবে না,
৪৩
خَاشِعَةً أَبْصَارُهُمْ تَرْهَقُهُمْ ذِلَّةٌ وَقَدْ كَانُوا يُدْعَوْنَ إِلَى السُّجُودِ وَهُمْ سَالِمُونَ ﴿٤٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । দৃষ্টি তাদের নিম্নগামী হবে, অপমান তাদের ভারাক্রান্ত করে রাখবে; (দুনিয়ায় এমনি করে) যখন তাদের আল্লাহর সম্মুখে সাজদা করতে ডাকা হয়েছিলো, (তখন) তারা সুস্থ (ও সক্ষম) ছিলো।
৪৪
فَذَرْنِي وَمَنْ يُكَذِّبُ بِهَذَا الْحَدِيثِ سَنَسْتَدْرِجُهُمْ مِنْ حَيْثُ لَا يَعْلَمُونَ ﴿٤٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (হে নবী, ) অতঃপর তুমি আমাকে ছেড়ে দাও, যে আমার এ কিতাব অস্বীকার করে (তার থেকে আমি প্রতিশোধ নেবো) , আমি ধীরে ধীরে এদের (এমন ধ্বংসের) দিকে ঠেলে নিয়ে যাবো যে, এরা তার কিছুই টের পাবে না,
৪৫
وَأُمْلِي لَهُمْ إِنَّ كَيْدِي مَتِينٌ ﴿٤٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । আমি এদের অবকাশ দিয়ে রাখি, (অপরাধীদের ধরার) আমার এ কৌশল অত্যন্ত কার্যকর।
৪৬
أَمْ تَسْأَلُهُمْ أَجْرًا فَهُمْ مِنْ مَغْرَمٍ مُثْقَلُونَ ﴿٤٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তুমি কি এদের কাছে কোনো পারিশ্রমিক দাবী করছো যে, এরা তার দন্ডভারে একেবারে অচল হয়ে পড়েছে?
৪৭
أَمْ عِنْدَهُمُ الْغَيْبُ فَهُمْ يَكْتُبُونَ ﴿٤٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । না তাদের কাছে অজানা জগতের কোনো খবর রয়েছে যা তারা লিখে রাখে।
৪৮
فَاصْبِرْ لِحُكْمِ رَبِّكَ وَلَا تَكُنْ كَصَاحِبِ الْحُوتِ إِذْ نَادَى وَهُوَ مَكْظُومٌ ﴿٤٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (হে নবী, ) তুমি (বরং) তোমার মালিকের কাছ থেকে সিদ্ধান্ত আসার জন্যে ধৈর্য ধারণ করো এবং (এ ব্যাপারে) মাছের ঘটনার সাথী (নবী ইউনুস) -এর মতো হয়ো না। যখন সে দুঃখে ভারাক্রান্ত হয়ে আল্লাহ তা'আলাকে ডেকেছিলো;
৪৯
لَوْلَا أَنْ تَدَارَكَهُ نِعْمَةٌ مِنْ رَبِّهِ لَنُبِذَ بِالْعَرَاءِ وَهُوَ مَذْمُومٌ ﴿٤٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তখন যদি তার মালিকের অনুগ্রহ তার উপর না থাকতো, তাহলে সে উন্মুক্ত সাগরের তীরে পড়ে থাকতো এবং (এজন্যে) সে নিজেই দায়ী হতো।
৫০
فَاجْتَبَاهُ رَبُّهُ فَجَعَلَهُ مِنَ الصَّالِحِينَ ﴿٥٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অতঃপর তার মালিক তাকে বাছাই করলেন এবং তিনি তাকে (তাঁর ) নেক বান্দাদের (কাতারে) শামিল করে নিলেন।
৫১
وَإِنْ يَكَادُ الَّذِينَ كَفَرُوا لَيُزْلِقُونَكَ بِأَبْصَارِهِمْ لَمَّا سَمِعُوا الذِّكْرَ وَيَقُولُونَ إِنَّهُ لَمَجْنُونٌ ﴿٥١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । কাফেররা যখন আল্লাহর কিতাব শোনে তখন এমনভাবে তাকায় যে, এক্ষুণি বুঝি এরা নিজেদের দৃষ্টি দিয়ে তোমাকে আছড়ে ঘায়েল করে দেবে, তারা একথাও বলে, সে (কিতাবের বাহক) একজন পাগল।
৫২
وَمَا هُوَ إِلَّا ذِكْرٌ لِلْعَالَمِينَ﴿٥٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অথচ (এরা জানে না, ) এ কিতাব তো মানবমন্ডলীর জন্যে একটি উপদেশ বৈ কিছুই নয়!



ফন্ট সাইজ
15px
17px