🕋

الحاقة
(৬৯) আল-হাক্বাহ

৫২

الْحَاقَّةُ ﴿١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । একটি অনিবার্য সত্য (ঘটনা) !
مَا الْحَاقَّةُ ﴿٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । কি সেই অনিবার্য সত্য (ঘটনা) ?
وَمَا أَدْرَاكَ مَا الْحَاقَّةُ ﴿٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তুমি কি জানো সেই অনিবার্য সত্য ঘটনাটা আসলেই কি?
كَذَّبَتْ ثَمُودُ وَعَادٌ بِالْقَارِعَةِ ﴿٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । আদ ও সামূদ জাতির লোকেরা মহাপ্রলয় (সংক্রান্ত এমনি একটি সত্য ঘটনা) -কে মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছিলো।
فَأَمَّا ثَمُودُ فَأُهْلِكُوا بِالطَّاغِيَةِ ﴿٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (পরিণামে দাম্ভিক) সামূদ গোত্রের লোকদের এক প্রলয়ংকরী বিপর্যয় দ্বারা ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে।
وَأَمَّا عَادٌ فَأُهْلِكُوا بِرِيحٍ صَرْصَرٍ عَاتِيَةٍ ﴿٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । আর (শক্তিশালী গোত্র) আ'দকে ধ্বংস করা হয়েছে প্রচন্ড এক ঝঞ্চাবায়ুর আঘাতে,
سَخَّرَهَا عَلَيْهِمْ سَبْعَ لَيَالٍ وَثَمَانِيَةَ أَيَّامٍ حُسُومًا فَتَرَى الْقَوْمَ فِيهَا صَرْعَى كَأَنَّهُمْ أَعْجَازُ نَخْلٍ خَاوِيَةٍ ﴿٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । একটানা সাত রাত ও আট দিন ধরে তিনি তাদের উপর দিয়ে এ প্রচন্ড বায়ু প্রবাহিত করে রেখেছিলেন, (তাকালে) তুমি (সে) জাতিকে দেখতে পেতে, তারা যেন মৃত খেজুর গাছের কতিপয় অন্তসারশূন্য কান্ডের মতো উপুড় হয়ে পড়ে আছে!
فَهَلْ تَرَى لَهُمْ مِنْ بَاقِيَةٍ ﴿٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তুমি কি দেখতে পাচ্ছো তাদের একজনও কি এ গযব থেকে রক্ষে পেয়েছে?
وَجَاءَ فِرْعَوْنُ وَمَنْ قَبْلَهُ وَالْمُؤْتَفِكَاتُ بِالْخَاطِئَةِ ﴿٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (দাম্ভিক) ফেরাউন, তার আগের কিছু লোক এবং উপড়ে ফেলা জনপদের অধিবাসীরাও (একই) অপরাধ নিয়ে (ধ্বংসের মুখোমুখি) এসেছিলো,
১০
فَعَصَوْا رَسُولَ رَبِّهِمْ فَأَخَذَهُمْ أَخْذَةً رَابِيَةً ﴿١٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । এরা সবাই (নিজ নিজ যুগে) তাদের মালিকের পক্ষ থেকে যারা রসূল হয়ে এসেছে তাদের অবাধ্যতা করেছে, ফলে আল্লাহ তাআলা (এ বিদ্রোহের জন্যে) তাদের কঠোরভাবে পাঁকড়াও করলেন ।
১১
إِنَّا لَمَّا طَغَى الْمَاءُ حَمَلْنَاكُمْ فِي الْجَارِيَةِ ﴿١١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (নবী নূহের সময়) যখন পানি (তার নির্দিষ্ট) সীমা অতিক্রম করলো, তখন আমি তোমাদের (বাঁচানোর জন্যে) নৌকায় উঠিয়ে নিয়েছিলাম,
১২
لِنَجْعَلَهَا لَكُمْ تَذْكِرَةً وَتَعِيَهَا أُذُنٌ وَاعِيَةٌ ﴿١٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । যেন তোমাদের জন্যে আমি তাকে একটি শিক্ষামূলক ঘটনা বানিয়ে রাখতে পারি, তাছাড়া উৎসাহী কানগুলো যেন এ (বিষয়) -টা (পরবর্তী মানুষদের জন্যে) স্মরণ রাখতে পারে।
১৩
فَإِذَا نُفِخَ فِي الصُّورِ نَفْخَةٌ وَاحِدَةٌ ﴿١٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অতঃপর যখন শিংগায় ফুঁ দেয়া হবে (তা হবে প্রথমবারের) একটি মাত্র ফু,
১৪
وَحُمِلَتِ الْأَرْضُ وَالْجِبَالُ فَدُكَّتَا دَكَّةً وَاحِدَةً ﴿١٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । আর (তখন) ভূমন্ডল ও পাহাড় পর্বত (স্বস্থান থেকে) উঠিয়ে নেয়া হবে, অতঃপর উভয়টাকে একবারেই (একটা আরেকটার উপর ফেলে) চূর্ণবিচূর্ণ করে (লন্ডভন্ড করে) দেয়া হবে,
১৫
فَيَوْمَئِذٍ وَقَعَتِ الْوَاقِعَةُ ﴿١٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (ঠিক) সেদিনই (সে) মহাঘটনাটি সংঘটিত হবে,
১৬
وَانْشَقَّتِ السَّمَاءُ فَهِيَ يَوْمَئِذٍ وَاهِيَةٌ ﴿١٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । এবং আকাশ ফেটে পড়বে, অতঃপর সেদিন তা বিক্ষিপ্ত হয়ে যাবে,
১৭
وَالْمَلَكُ عَلَى أَرْجَائِهَا وَيَحْمِلُ عَرْشَ رَبِّكَ فَوْقَهُمْ يَوْمَئِذٍ ثَمَانِيَةٌ ﴿١٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । ফেরেশতারা (আল্লাহর আদেশ পালন করার জন্যে) আকাশের প্রান্তে অবস্থান করবে; আর (তাদেরই) আট জন ফেরেশতা তোমার মালিকের আরশ' তাদের উপর বহন করে রাখবে;
১৮
يَوْمَئِذٍ تُعْرَضُونَ لَا تَخْفَى مِنْكُمْ خَافِيَةٌ ﴿١٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । সেদিন (আল্লাহ তা'আলর সামনে) তোমাদের পেশ করা হবে, তোমাদের কোনো কিছুই (সেদিন) গোপন থাকবে না।
১৯
فَأَمَّا مَنْ أُوتِيَ كِتَابَهُ بِيَمِينِهِ فَيَقُولُ هَاؤُمُ اقْرَءُوا كِتَابِيَهْ ﴿١٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । সেদিন যার আমলনামা তার ডান হাতে দেয়া হবে সে (খুশীতে লোকজনকে ডেকে বলবে, তোমরা (কে কোথায় আছো এসো) এবং আমার (আমলনামার) পুস্তকটি পড়ে দেখো ।
২০
إِنِّي ظَنَنْتُ أَنِّي مُلَاقٍ حِسَابِيَهْ ﴿٢٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । হ্যাঁ, আমি জানতাম আমাকে একদিন এমনি হিসাব নিকাশের সামনাসামনি হতে হবে,
২১
فَهُوَ فِي عِيشَةٍ رَاضِيَةٍ ﴿٢١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অতঃপর (বেহেশতের উদ্যানে) সে (চির) সুখের জীবন যাপন করবে,
২২
فِي جَنَّةٍ عَالِيَةٍ ﴿٢٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (সে উদ্যান হবে) আলীশান জান্নাতের মধ্যে,
২৩
قُطُوفُهَا دَانِيَةٌ ﴿٢٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । এর ফলমূল (তাদের) নাগালের মধ্যেই ঝুলতে থাকবে।
২৪
كُلُوا وَاشْرَبُوا هَنِيئًا بِمَا أَسْلَفْتُمْ فِي الْأَيَّامِ الْخَالِيَةِ ﴿٢٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (আল্লাহর পক্ষ থেকে অভিনন্দনপূর্ণ ঘোষণা আসবে, ) অতীতে যা তোমরা (কামাই) করে এসেছে তারই পুরস্কার হিসেবে (আজ) তোমরা (প্রাণভরে এগুলো) খাও এবং তৃপ্তি সহকারে পানীয় গ্রহণ করো।
২৫
وَأَمَّا مَنْ أُوتِيَ كِتَابَهُ بِشِمَالِهِ فَيَقُولُ يَالَيْتَنِي لَمْ أُوتَ كِتَابِيَهْ ﴿٢٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (আর সে হতভাগ্য ব্যক্তি) , যার আমলনামা সেদিন তার বাম হাতে দেয়া হবে, (দুঃখ ও অপমানে) সে বলবে, কতো ভালো হতো যদি (আজ) আমাকে কোনো রকম আমলনামাই না দেয়া হতো,
২৬
وَلَمْ أَدْرِ مَا حِسَابِيَهْ ﴿٢٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । আমি যদি আমার হিসাব (-এর খাতাটি) না-ই জানতাম,
২৭
يَا لَيْتَهَا كَانَتِ الْقَاضِيَةَ ﴿٢٧﴾‎
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । হায়! (আমার প্রথম) মৃত্যুই যদি আমার জন্যে চূড়ান্ত নিষ্পত্তিকারী (বিষয়) হয়ে যেতো!
২৮
مَا أَغْنَى عَنِّي مَالِيَهْ ﴿٢٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । আমার ধন সম্পদ ও ঐশ্বর্য (আজ) কোনো কাজেই লাগলো না,
২৯
هَلَكَ عَنِّي سُلْطَانِيَهْ ﴿٢٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (আজ) আমার সব কর্তৃত্ব (ও ক্ষমতা) নিঃশেষ হয়ে গেলো,
৩০
خُذُوهُ فَغُلُّوهُ ﴿٣٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (এ সময় জাহান্নামের প্রহরীদের প্রতি আদেশ আসবে, যাও) তোমরা তাকে পাঁকড়াও করো, এরপর তার গলায় শেকল পরিয়ে দাও,
৩১
ثُمَّ الْجَحِيمَ صَلُّوهُ ﴿٣١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অতঃপর তাকে জাহান্নামের (জুলন্ত) আগুনে প্রবেশ করাও
৩২
ثُمَّ فِي سِلْسِلَةٍ ذَرْعُهَا سَبْعُونَ ذِرَاعًا فَاسْلُكُوهُ ﴿٣٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । এবং তাকে সত্তর গজ শেকল দিয়ে বেঁধে ফেলো;
৩৩
إِنَّهُ كَانَ لَا يُؤْمِنُ بِاللَّهِ الْعَظِيمِ ﴿٣٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । কেননা, সে কখনো মহান আল্লাহর উপর বিশ্বাস স্থাপন করেনি,
৩৪
وَلَا يَحُضُّ عَلَى طَعَامِ الْمِسْكِينِ ﴿٣٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । সে কখনো দুস্থ অসহায় লোকদের খাবার দেয়ার জন্যে (অন্যদের) উৎসাহ দেয়নি;
৩৫
فَلَيْسَ لَهُ الْيَوْمَ هَاهُنَا حَمِيمٌ ﴿٣٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (আর এ কারণেই) আজকের এ দিনে তার (প্রতি দয়া দেখানোর) কোনো বন্ধু নেই,
৩৬
وَلَا طَعَامٌ إِلَّا مِنْ غِسْلِينٍ ﴿٣٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (ক্ষতনিসৃত) পুঁজ ছাড়া (আজ তার জন্যে দ্বিতীয়) কোনো খাবারও এখানে থাকবে না,
৩৭
لَا يَأْكُلُهُ إِلَّا الْخَاطِئُونَ ﴿٣٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । একান্ত অপরাধী ব্যক্তিরা ছাড়া অন্য কেউই (আজ) তা খাবে না ।
৩৮
فَلَا أُقْسِمُ بِمَا تُبْصِرُونَ ﴿٣٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তোমরা যা কিছু দেখতে পাও আমি তার শপথ করছি,
৩৯
وَمَا لَا تُبْصِرُونَ ﴿٣٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (আরো শপথ করছি) সেসব বস্তুর যা তোমরা দেখতে পাও না,
৪০
إِنَّهُ لَقَوْلُ رَسُولٍ كَرِيمٍ ﴿٤٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । নিঃসন্দেহে এ কিতাব একজন সম্মানিত রসূলের (আনীত) বাণী,
৪১
وَمَا هُوَ بِقَوْلِ شَاعِرٍ قَلِيلًا مَا تُؤْمِنُونَ ﴿٤١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । এটা কোনো কবির কাব্যকথা নয়; যদিও তোমরা খুব কমই বিশ্বাস করো,
৪২
وَلَا بِقَوْلِ كَاهِنٍ قَلِيلًا مَا تَذَكَّرُونَ ﴿٤٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । এটা কোনো গণক কিংবা জ্যোতিষীর কথাও নয়; যদিও তোমরা খুব কমই বিবেক বিবেচনা করে চলো;
৪৩
تَنْزِيلٌ مِنْ رَبِّ الْعَالَمِينَ ﴿٤٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (মূলত) এ কিতাব বিশ্বজগতের মালিক আল্লাহ তাআলার কাছ থেকেই (তাঁর রসূলের উপর) নাযিল করা হয়েছে।
৪৪
وَلَوْ تَقَوَّلَ عَلَيْنَا بَعْضَ الْأَقَاوِيلِ ﴿٤٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । রসূল যদি এ (গ্রন্থ) -টি নিজে বানিয়ে আমার নামে চালিয়ে দিতো,
৪৫
لَأَخَذْنَا مِنْهُ بِالْيَمِينِ ﴿٤٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তবে আমি অবশ্যই শক্তভাবে তার ডান হাত ধরে ফেলতাম,
৪৬
ثُمَّ لَقَطَعْنَا مِنْهُ الْوَتِينَ ﴿٤٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অতঃপর আমি তার কণ্ঠনালী কেটে ফেলে দিতাম,
৪৭
فَمَا مِنْكُمْ مِنْ أَحَدٍ عَنْهُ حَاجِزِينَ ﴿٤٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । আর (সে অবস্থায়) তোমাদের কেউই তাকে তাঁর থেকে বাঁচাতে পারতো না!
৪৮
وَإِنَّهُ لَتَذْكِرَةٌ لِلْمُتَّقِينَ ﴿٤٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (সত্যি কথা হচ্ছে, ) আল্লাহ তা'আলাকে যারা ভয় করে, এ কিতাব তাদের জন্যে উপদেশ বৈ কিছু নয়!
৪৯
وَإِنَّا لَنَعْلَمُ أَنَّ مِنْكُمْ مُكَذِّبِينَ ﴿٤٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । আমি ভালো করেই জানি, তোমাদের একদল লোক হবে এ (কিতাব) -কে মিথ্যা সাব্যস্তকারী।
৫০
وَإِنَّهُ لَحَسْرَةٌ عَلَى الْكَافِرِينَ ﴿٥٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । এটি তাদের জন্যে গভীর অনুতাপ ও হতাশার কারণ হবে, যারা (আল্লাহ তাআলা কে) অস্বীকার করে।
৫১
وَإِنَّهُ لَحَقُّ الْيَقِينِ ﴿٥١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । নিঃসন্দেহে এ মহাগ্রন্থ এক অমোঘ সত্য।
৫২
فَسَبِّحْ بِاسْمِ رَبِّكَ الْعَظِيمِ ﴿٥٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অতএব (হে নবী, এমনি একটি গ্রন্থের জন্যে) তুমি তোমার মহান মালিকের নামের পবিত্রতা বর্ণনা করো।



ফন্ট সাইজ
15px
17px