🕋
المطففين
(৮৩) আল-মুতাফফিফীন
৩৬
১
⋮
وَيْلٌ لِلْمُطَفِّفِينَ ﴿١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
দুর্ভোগ তাদের জন্যে যারা মাপে কম দেয়,
২
⋮
الَّذِينَ إِذَا اكْتَالُوا عَلَى النَّاسِ يَسْتَوْفُونَ ﴿٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
যারা (অন্য মানুষদের কাছ থেকে যখন মেপে নেয় তখন পুরোপুরি আদায় করে নেয়,
৩
⋮
وَإِذَا كَالُوهُمْ أَوْ وَزَنُوهُمْ يُخْسِرُونَ ﴿٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(আবার) নিজেরা যখন (অন্যের জন্যে) কিছু ওযন কিংবা পরিমাপ করে তখন কম দেয়;
৪
⋮
أَلَا يَظُنُّ أُولَئِكَ أَنَّهُمْ مَبْعُوثُونَ ﴿٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
এরা কি ভাবে না (এই অন্যায়ের বিচারের জন্যে) তাদের (সবাইকে একদিন কবর থেকে) তুলে আনা হবে?
৫
⋮
لِيَوْمٍ عَظِيمٍ ﴿٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(তুলে আনা হবে) এক কঠিন দিবসের জন্যে,
৬
⋮
يَوْمَ يَقُومُ النَّاسُ لِرَبِّ الْعَالَمِينَ ﴿٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
সেদিন(সমগ্র) মানব সমাজ সৃষ্টিকুলের মালিকের সামনে এসে দাঁড়াবে;
৭
⋮
كَلَّا إِنَّ كِتَابَ الْفُجَّارِ لَفِي سِجِّينٍ ﴿٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
জেনে রেখো, গুনাহগারদের আমলনামা রয়েছে সিজ্জীনে';
৮
⋮
وَمَا أَدْرَاكَ مَا سِجِّينٌ ﴿٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
তুমি কি জানো (সে) সিজ্জীনটা কি?
৯
⋮
كِتَابٌ مَرْقُومٌ ﴿٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(এটা হচ্ছে) সীল করা (একটা) খাতা;
১০
⋮
وَيْلٌ يَوْمَئِذٍ لِلْمُكَذِّبِينَ ﴿١٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(সেদিন) মিথ্যা সাব্যস্তকারীদের জন্যে চুড়ান্ত ধ্বংস অবধারিত,
১১
⋮
الَّذِينَ يُكَذِّبُونَ بِيَوْمِ الدِّينِ ﴿١١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
যারা শেষ বিচারের (এ) দিনটিকে মিথ্যা সাব্যস্ত করেছে;
১২
⋮
وَمَا يُكَذِّبُ بِهِ إِلَّا كُلُّ مُعْتَدٍ أَثِيمٍ ﴿١٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(আসলে) সব সীমালংঘনকারী পাপিষ্ঠ ব্যক্তি ছাড়া কেউই (এ বিচার দিনটি) -কে মিথ্যা সাব্যস্ত করে না,
১৩
⋮
إِذَا تُتْلَى عَلَيْهِ آيَاتُنَا قَالَ أَسَاطِيرُ الْأَوَّلِينَ ﴿١٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
যখন তার সামনে আমার আয়াতসমুহ পড়ে শোনানো হয় তখন সে বলে, এগুলো হচ্ছে নিছক আগের কালের গল্পগাথা;
১৪
⋮
كَلَّا بَلْ رَانَ عَلَى قُلُوبِهِمْ مَا كَانُوا يَكْسِبُونَ ﴿١٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
কখনো নয়, এদের কৃতকর্ম এদের মনের উপর জং ধরিয়ে রেখেছে।
১৫
⋮
كَلَّا إِنَّهُمْ عَنْ رَبِّهِمْ يَوْمَئِذٍ لَمَحْجُوبُونَ ﴿١٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
অবশ্যই এসব পাপী ব্যক্তিদের সেদিন (তাদের) মালিক থেকে আড়াল করে রাখা হবে;
১৬
⋮
ثُمَّ إِنَّهُمْ لَصَالُو الْجَحِيمِ ﴿١٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
অতঃপর তারা অবশ্যই জাহান্নামের আগুনে প্রবেশ করবে;
১৭
⋮
ثُمَّ يُقَالُ هَذَا الَّذِي كُنْتُمْ بِهِ تُكَذِّبُونَ ﴿١٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
তারপর (তাদের) বলা হবে, এ হচ্ছে (সেই জাহান্নাম) যাকে তোমরা মিথ্যা সাব্যস্ত করতে;
১৮
⋮
كَلَّا إِنَّ كِتَابَ الْأَبْرَارِ لَفِي عِلِّيِّينَ ﴿١٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(হ্যাঁ , ) নেককার লোকদের আমলনামা রক্ষিত আছে ইল্লিয়্যীনে;
১৯
⋮
وَمَا أَدْرَاكَ مَا عِلِّيُّونَ ﴿١٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
তুমি কি জানতে এ ইল্লিয়্যীন' (-এ রক্ষিত আমলনামা) কি?
২০
⋮
كِتَابٌ مَرْقُومٌ ﴿٢٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(এটা হচ্ছে) একটি সীল করা বই,
২১
⋮
يَشْهَدُهُ الْمُقَرَّبُونَ ﴿٢١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
আল্লাহ তাআলার নিকটতম ফেরেশতারাই তা তদারক করেন;
২২
⋮
إِنَّ الْأَبْرَارَ لَفِي نَعِيمٍ ﴿٢٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
নিঃসন্দেহে নেককার লোকেরা মহা নেয়ামতে থাকবে,
২৩
⋮
عَلَى الْأَرَائِكِ يَنْظُرُونَ ﴿٢٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
এরা সুসজ্জিত আসনে বসে (সব) অবলোকন করবে,
২৪
⋮
تَعْرِفُ فِي وُجُوهِهِمْ نَضْرَةَ النَّعِيمِ ﴿٢٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
এদের চেহারায় নেয়ামতের (তৃপ্তি ও) সজীবতা তুমি (সহজেই) চিনতে পারবে;
২৫
⋮
يُسْقَوْنَ مِنْ رَحِيقٍ مَخْتُومٍ ﴿٢٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
ছিপি আঁটা (বোতল) থেকে এদের সেদিন বিশুদ্ধতম পানীয় পান করানো হবে,
২৬
⋮
خِتَامُهُ مِسْكٌ وَفِي ذَلِكَ فَلْيَتَنَافَسِ الْمُتَنَافِسُونَ ﴿٢٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(পাত্রজাত করার সময়ই) কস্তুরীর সুগন্ধি দিয়ে যার মুখ বন্ধ (করে দেয়া হয়েছে) ; এতে (বিজয়ী হবার জন্যে) প্রতিটি প্রতিযোগীই প্রতিযোগিতা করুক;
২৭
⋮
وَمِزَاجُهُ مِنْ تَسْنِيمٍ ﴿٢٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(তাতে) তাসনীমের (ফল্গুধারার) মিশ্রণ থাকবে,
২৮
⋮
عَيْنًا يَشْرَبُ بِهَا الْمُقَرَّبُونَ ﴿٢٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(তাসনীম) এমন এক ঝর্ণাধারা, আল্লাহ তাআলার নৈকট্যলাভকারীরাই সেদিন এ (পানীয়) থেকে পান করবে;
২৯
⋮
إِنَّ الَّذِينَ أَجْرَمُوا كَانُوا مِنَ الَّذِينَ آمَنُوا يَضْحَكُونَ ﴿٢٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
অবশ্যই তারা (ভীষণ) অপরাধ করেছে যারা (দুনিয়ায়) ঈমানদারদের সাথে বিদ্রুপ করতো,
৩০
⋮
وَإِذَا مَرُّوا بِهِمْ يَتَغَامَزُونَ ﴿٣٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
তারা যখন এদের পাশ দিয়ে আসা যাওয়া করতো, তখন এরা নিজেদের মধ্যে তাদের ব্যাপারে চোখ টেপাটেপি করতো,
৩১
⋮
وَإِذَا انْقَلَبُوا إِلَى أَهْلِهِمُ انْقَلَبُوا فَكِهِينَ ﴿٣١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
যখন এরা নিজেদের লোকদের কাছে ফিরে যেতো, তখন খুব উৎফুল্ল হয়েই সেখানে ফিরতো,
৩২
⋮
وَإِذَا رَأَوْهُمْ قَالُوا إِنَّ هَؤُلَاءِ لَضَالُّونَ ﴿٣٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(তারা) যখন এদের দেখতো তখন একে অপরকে বলতো (দেখো) , এরা হচ্ছে কতিপয় পথভ্রষ্ট (ব্যক্তি) ,
৩৩
⋮
وَمَا أُرْسِلُوا عَلَيْهِمْ حَافِظِينَ ﴿٣٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(অথচ) এদেরকে তাদের উপর তত্ত্বাবধায়ক করে পাঠানো হয়নি;
৩৪
⋮
فَالْيَوْمَ الَّذِينَ آمَنُوا مِنَ الْكُفَّارِ يَضْحَكُونَ ﴿٣٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(বিচারের পর) আজ ঈমানদার ব্যক্তিরাই কাফেরদের উপর (নেমে আসা আযাব দেখে) হাসবে,
৩৫
⋮
عَلَى الْأَرَائِكِ يَنْظُرُونَ ﴿٣٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(উর্দু) উঁচু আসনে বসে তারা (এসব) দেখতে থাকবে;
৩৬
⋮
هَلْ ثُوِّبَ الْكُفَّارُ مَا كَانُوا يَفْعَلُونَ ﴿٣٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
প্রতিটি কাফেরকে কি তার কর্ম অনুযায়ী বিনিময় দেয়া হবে না?