🕋
الذاريات
(৫১) আয-যারিয়াত
৬০
১
⋮
وَالذَّارِيَاتِ ذَرْوًا ﴿١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(ঝঞ্চাবিক্ষুব্ধ) বাতাসের শপথ, যা ধুলাবালি উড়িয়ে নিয়ে যায়,
২
⋮
فَالْحَامِلَاتِ وِقْرًا ﴿٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
অতপর (মেঘমালার) শপথ যা পানির বোঝা বয়ে চলে,
৩
⋮
فَالْجَارِيَاتِ يُسْرًا ﴿٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(জলযানসমুহের) শপথ যা ধীরে ধীরে এগিয়ে চলে,
৪
⋮
فَالْمُقَسِّمَاتِ أَمْرًا ﴿٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
অতপর তাদের (ফেরেশতাদের) শপথ, যারা (আল্লাহর) আদেশ মোতাবেক প্রত্যেক বস্তু বন্টন করে,
৫
⋮
إِنَّمَا تُوعَدُونَ لَصَادِقٌ ﴿٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(কেয়ামতের) যে দিনের ওয়াদা তোমাদের সাথে করা হচ্ছে তা (অবশ্যম্ভাবী) সত্য,
৬
⋮
وَإِنَّ الدِّينَ لَوَاقِعٌ ﴿٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
বিচার আচারের একটা দিন অবশ্যই আসবে;
৭
⋮
وَالسَّمَاءِ ذَاتِ الْحُبُكِ ﴿٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
বহু কক্ষ বিশিষ্ট আকাশের শপথ,
৮
⋮
إِنَّكُمْ لَفِي قَوْلٍ مُخْتَلِفٍ ﴿٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
তোমরাও (কেয়ামতের ব্যাপারে) নানা কথাবার্তার মধ্যে (নিমজ্জিত) রয়েছে;
৯
⋮
يُؤْفَكُ عَنْهُ مَنْ أُفِكَ ﴿٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(মূলত) যে ব্যক্তি সত্যভ্রষ্ট সে ব্যক্তিই (কোরআনকে) পরিত্যাগ করেছে;
১০
⋮
قُتِلَ الْخَرَّاصُونَ ﴿١٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
ধ্বংস হোক, যারা শুধু অনুমানের উপর ভিত্তি করে (কথা বলে) ,
১১
⋮
الَّذِينَ هُمْ فِي غَمْرَةٍ سَاهُونَ ﴿١١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(সর্বোপরি) যারা জাহেলিয়াতে (নিমজ্জিত হয়ে) মূল সত্য থেকে উদাসীন হয়ে পড়েছে,
১২
⋮
يَسْأَلُونَ أَيَّانَ يَوْمُ الدِّينِ ﴿١٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
এরা (তামাশার ছলে) জিজ্ঞেস করে, বিচারের দিনটি কবে আসবে?
১৩
⋮
يَوْمَ هُمْ عَلَى النَّارِ يُفْتَنُونَ ﴿١٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(এদের তুমি বলো, ) যেদিন তাদের আগুনে দগ্ধ করা হবে (সেদিন কেয়ামত হবে ।
১৪
⋮
ذُوقُوا فِتْنَتَكُمْ هَذَا الَّذِي كُنْتُمْ بِهِ تَسْتَعْجِلُونَ ﴿١٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(সেদিন তাদের বলা হবে, এবার) তোমরা তোমাদের শাস্তি ভোগ করতে থাকো; এ হচ্ছে (সেদিন) যে জন্যে তোমরা খুব তাড়াহুড়ো করছিলে!
১৫
⋮
إِنَّ الْمُتَّقِينَ فِي جَنَّاتٍ وَعُيُونٍ ﴿١٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
যারা (আল্লাহ তায়ালাকে) ভয় করে, তারা (আল্লাহ তায়ালার) জান্নাতে ও ঝর্ণাধারায় (চির শান্তিতে) থাকবে,
১৬
⋮
آخِذِينَ مَا آتَاهُمْ رَبُّهُمْ إِنَّهُمْ كَانُوا قَبْلَ ذَلِكَ مُحْسِنِينَ ﴿١٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
সেদিন আল্লাহ তায়ালা তাদের যা (যা পুরস্কার) দেবেন, তা সবই তারা (সানন্দ চিত্তে) গ্রহণ করতে থাকবে; নিঃসন্দেহে এরা আগে সকর্মশীল ছিলো;
১৭
⋮
كَانُوا قَلِيلًا مِنَ اللَّيْلِ مَا يَهْجَعُونَ ﴿١٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
তারা রাতের সামান্য অংশ ঘুমিয়ে কাটাতো ।
১৮
⋮
وَبِالْأَسْحَارِ هُمْ يَسْتَغْفِرُونَ ﴿١٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
রাতের শেষ প্রহরে তারা আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতো।
১৯
⋮
وَفِي أَمْوَالِهِمْ حَقٌّ لِلسَّائِلِ وَالْمَحْرُومِ ﴿١٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(এরা বিশ্বাস করতো, ) তাদের ধন সম্পদে প্রার্থী ও বঞ্চিত লোকদের অধিকার রয়েছে ।
২০
⋮
وَفِي الْأَرْضِ آيَاتٌ لِلْمُوقِنِينَ ﴿٢٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
যারা (নিশ্চিতভাবে) বিশ্বাস করতো, তাদের জন্যে পৃথিবীর মাঝে (আল্লাহকে চেনা জানার) অসংখ্য নিদর্শন (ছড়িয়ে) রয়েছে।
২১
⋮
وَفِي أَنْفُسِكُمْ أَفَلَا تُبْصِرُونَ ﴿٢١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
তোমাদের নিজেদের (এ দেহের) মধ্যেও তো (আল্লাহকে চেনার অসংখ্য নিদর্শন) রয়েছে; তোমরা কি দেখতে পাও না?
২২
⋮
وَفِي السَّمَاءِ رِزْقُكُمْ وَمَا تُوعَدُونَ ﴿٢٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
আকাশের মাঝে রয়েছে তোমাদের রিযিক, তোমাদের দেয়া যাবতীয় প্রতিশ্রুতি ।
২৩
⋮
فَوَرَبِّ السَّمَاءِ وَالْأَرْضِ إِنَّهُ لَحَقٌّ مِثْلَ مَا أَنَّكُمْ تَنْطِقُونَ ﴿٢٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
অতএব এ আসমান যমীনের মালিকের শপথ, এ (গ্রন্থ) -টা নির্ভূল, ঠিক যেমনি তোমরা (এখন) একে অপরের সাথে কথাবার্তা বলছো।
২৪
⋮
هَلْ أَتَاكَ حَدِيثُ ضَيْفِ إِبْرَاهِيمَ الْمُكْرَمِينَ ﴿٢٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(হে নবী, ) তোমার কাছে ইবরাহীমের সেই সম্মানিত মেহমানদের কাহিনী পৌঁছেছে কি?
২৫
⋮
إِذْ دَخَلُوا عَلَيْهِ فَقَالُوا سَلَامًا قَالَ سَلَامٌ قَوْمٌ مُنْكَرُونَ ﴿٢٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
যখন তারা তার ঘরে প্রবেশ করলো, তখন তারা (তাকে) সালাম' পেশ করলো; (সেও উত্তরে) বললো সালাম, (কিন্তু তার কাছে এদের একটি) অপরিচিত দল বলে মনে হলো,
২৬
⋮
فَرَاغَ إِلَى أَهْلِهِ فَجَاءَ بِعِجْلٍ سَمِينٍ ﴿٢٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
এরপর (চুপে চুপে) সে নিজ ঘরের লোকদের কাছে চলে গেলো, কিছুক্ষণ পর সে একটি (ভুনা করা) মোটা তাজা বাছুরসহ (ফিরে) এলো,
২৭
⋮
فَقَرَّبَهُ إِلَيْهِمْ قَالَ أَلَا تَأْكُلُونَ ﴿٢٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
অতপর সে তা তাদের সামনে পেশ করলো এবং বললো, কি ব্যাপার, তোমরা খাচ্ছো না যে,
২৮
⋮
فَأَوْجَسَ مِنْهُمْ خِيفَةً قَالُوا لَا تَخَفْ وَبَشَّرُوهُ بِغُلَامٍ عَلِيمٍ ﴿٢٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(তাদের খেতে না দেখে) সে মনে মনে তাদের ব্যাপারে ভয় পেলো, (তার ভয় দেখে) তারা বললো, তুমি ভয় করো না; তার সাথে তারা তাকে গুণধর একটি পুত্র সন্তানের সুসংবাদ দিলো।
২৯
⋮
فَأَقْبَلَتِ امْرَأَتُهُ فِي صَرَّةٍ فَصَكَّتْ وَجْهَهَا وَقَالَتْ عَجُوزٌ عَقِيمٌ ﴿٢٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
এটা শুনে তার স্ত্রী চীষ্কার করতে করতে সামনে এলো এবং (খুশীতে) নিজের মাথায় হাত মারতে মারতে বললো (কি ভাবে তা সম্ভব) , আমি তো বৃদ্ধা এবং বন্ধ্যা]
৩০
⋮
قَالُوا كَذَلِكَ قَالَ رَبُّكِ إِنَّهُ هُوَ الْحَكِيمُ الْعَلِيمُ ﴿٣٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(তারা বললো, ) হ্যাঁ তোমার ব্যাপারটি এভাবেই হবে, তোমার মালিক বলেছেন; তিনি প্রবল প্রজ্ঞাময়, তিনি সব কিছু জানেন (এটা তাঁর জন্যে অসম্ভব কিছু নয়।
৩১
⋮
قَالَ فَمَا خَطْبُكُمْ أَيُّهَا الْمُرْسَلُونَ ﴿٣١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
সে বললো, হে (আল্লাহ তায়ালার) প্রেরিত (মেহমান) -রা, (এবার) বলো, তোমাদের (এখানে আসার পেছনে আসল) ব্যাপারটা কি?
৩২
⋮
قَالُوا إِنَّا أُرْسِلْنَا إِلَى قَوْمٍ مُجْرِمِينَ ﴿٣٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
তারা বললো, আমাদের (আল্লাহর পক্ষ থেকে) একটি অপরাধী জাতির কাছে (তাদের শায়েস্তা করার জন্যে) পাঠানো হয়েছে,
৩৩
⋮
لِنُرْسِلَ عَلَيْهِمْ حِجَارَةً مِنْ طِينٍ ﴿٣٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(আমাদের বলা হয়েছে, আমরা যেন মাটির (শক্ত) পাথর তাদের উপর বর্ষণ করি,
৩৪
⋮
مُسَوَّمَةً عِنْدَ رَبِّكَ لِلْمُسْرِفِينَ ﴿٣٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
যাতে (তাদের নাম ধাম) তোমার মালিকের কাছ থেকে চিহ্নিত করে দেয়া হয়েছে, এটা হচ্ছে সীমালংঘনকারী যালেমদের জন্যে।
৩৫
⋮
فَأَخْرَجْنَا مَنْ كَانَ فِيهَا مِنَ الْمُؤْمِنِينَ ﴿٣٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
অতঃপর আমি সেই (জনপদ) থেকে এমন প্রতিটি মানুষকে বের করে এনেছি, যারা ঈমানদার ছিলো,
৩৬
⋮
فَمَا وَجَدْنَا فِيهَا غَيْرَ بَيْتٍ مِنَ الْمُسْلِمِينَ ﴿٣٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(আসলে) সেখানে মুসলমানদের একটি ঘর ছাড়া (উদ্ধার করার মতো দ্বিতীয়) কোনো ঘরই আমি পাইনি,
৩৭
⋮
وَتَرَكْنَا فِيهَا آيَةً لِلَّذِينَ يَخَافُونَ الْعَذَابَ الْأَلِيمَ ﴿٣٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(তাদের ধ্বংস করে) আমি পরবর্তী এমন সব মানুষদের জন্যে একটি নিদর্শন সেখানে রেখে এসেছি, যারা আমার কঠিন আযাবকে ভয় করে;
৩৮
⋮
وَفِي مُوسَى إِذْ أَرْسَلْنَاهُ إِلَى فِرْعَوْنَ بِسُلْطَانٍ مُبِينٍ ﴿٣٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(আরো নিদর্শন রেখেছি) মুসার (কাহিনীর) মাঝেও, যখন আমি তাকে একটি সুস্পষ্ট প্রমাণসহ ফেরাউনের কাছে পাঠিয়েছিলাম।
৩৯
⋮
فَتَوَلَّى بِرُكْنِهِ وَقَالَ سَاحِرٌ أَوْ مَجْنُونٌ ﴿٣٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
সে তার সাংগপাংগসহ (হেদায়াত থেকে) মুখ ফিরিয়ে নিলো এবং সে বললো, (এ তো হচ্ছে) যাদুকর কিংবা (আস্ত) পাগল ।
৪০
⋮
فَأَخَذْنَاهُ وَجُنُودَهُ فَنَبَذْنَاهُمْ فِي الْيَمِّ وَهُوَ مُلِيمٌ ﴿٤٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
অতঃপর আমি তাকে এবং তার লয় লশকরদের (এ বিদ্রোহের জন্যে) চরমভাবে পাকড়াও করলাম এবং তাদের সবাইকে সমুদ্রে নিক্ষেপ করলাম, (আসলেই) সে ছিলো এক (দন্ডযোগ্য) অপরাধী ব্যক্তি।
৪১
⋮
وَفِي عَادٍ إِذْ أَرْسَلْنَا عَلَيْهِمُ الرِّيحَ الْعَقِيمَ ﴿٤١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
আ'দ জাতির ঘটনার মাঝেও (শিক্ষণীয় উপদেশ) রয়েছে, যখন আমি তাদের উপর এক সর্ববিধ্বংসী (ঝড়) বাতাস পাঠিয়েছিলাম।
৪২
⋮
مَا تَذَرُ مِنْ شَيْءٍ أَتَتْ عَلَيْهِ إِلَّا جَعَلَتْهُ كَالرَّمِيمِ ﴿٤٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
এ (বিধ্বংসী) বাতাস যা কিছুর উপর দিয়ে (ধেয়ে) এসেছে, তাকেই পঁচা হাড়ের মতো চূর্ণ বিচূর্ণ করে দিয়ে গেছে;
৪৩
⋮
وَفِي ثَمُودَ إِذْ قِيلَ لَهُمْ تَمَتَّعُوا حَتَّى حِينٍ ﴿٤٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(নিদর্শন রয়েছে) সামূদ জাতির (কাহিনীর) মাঝেও, যখন তাদের বলা হয়েছিলো, একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত তোমরা (নেয়ামত) ভোগ করতে থাকো।
৪৪
⋮
فَعَتَوْا عَنْ أَمْرِ رَبِّهِمْ فَأَخَذَتْهُمُ الصَّاعِقَةُ وَهُمْ يَنْظُرُونَ ﴿٤٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(কিন্তু) তারা তাদের মালিকের কথার নাফরমানী করলো, অতঃপর এক প্রচন্ড বজ্রাঘাত তাদের উপর এসে পড়লো এবং তারা চেয়েই থাকলো।
৪৫
⋮
فَمَا اسْتَطَاعُوا مِنْ قِيَامٍ وَمَا كَانُوا مُنْتَصِرِينَ ﴿٤٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(আযাবের সামনে) তারা (একটুখানি) দাঁড়াবার শক্তিও পেলো না এবং এ আযাব থেকে নিজেদের তারা বাঁচাতেও পারলো না,
৪৬
⋮
وَقَوْمَ نُوحٍ مِنْ قَبْلُ إِنَّهُمْ كَانُوا قَوْمًا فَاسِقِينَ ﴿٤٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
এর আগেও (বিদ্রোহের জন্যে আমি) নুহের জাতিকে (ধ্বংস করেছিলাম) ; নিঃসন্দেহে তারাও ছিলো একটি পাপী সম্প্রদায়।
৪৭
⋮
وَالسَّمَاءَ بَنَيْنَاهَا بِأَيْدٍ وَإِنَّا لَمُوسِعُونَ ﴿٤٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
আমি (আমার) হাত দিয়েই আসমান বানিয়েছি, (নিঃসন্দেহে) আমি মহান ক্ষমতাশালী।
৪৮
⋮
وَالْأَرْضَ فَرَشْنَاهَا فَنِعْمَ الْمَاهِدُونَ ﴿٤٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
আমি এ যমীনকেও (তোমাদের জন্যে) বিছিয়ে দিয়েছি, (তোমাদের সুবিধার জন্যে) আমি একে কতো সুন্দর করেই না (সমতল) করে রেখেছি!
৪৯
⋮
وَمِنْ كُلِّ شَيْءٍ خَلَقْنَا زَوْجَيْنِ لَعَلَّكُمْ تَذَكَّرُونَ ﴿٤٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(সৃষ্টি জগতের) প্রত্যেকটি বস্তু আমি জোড়ায় জোড়ায় পয়দা করেছি, যাতে করে (এ নিয়ে) তোমরা চিন্তা গবেষণা করতে পারো।
৫০
⋮
فَفِرُّوا إِلَى اللَّهِ إِنِّي لَكُمْ مِنْهُ نَذِيرٌ مُبِينٌ ﴿٥٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
অতএব তোমরা (এ সবের আসল স্রষ্টা) আল্লাহ তায়ালার দিকেই ধাবিত হও; আমি তো তাঁর পক্ষ থেকে (আগত) তোমাদের জন্যে সুস্পষ্ট সতর্ককারী মাত্র,
৫১
⋮
وَلَا تَجْعَلُوا مَعَ اللَّهِ إِلَهًا آخَرَ إِنِّي لَكُمْ مِنْهُ نَذِيرٌ مُبِينٌ ﴿٥١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
তোমরা আল্লাহ তায়ালার সাথে অন্য কাউকে মাবুদ বানিয়ে নিয়ো না; আমি তো তোমাদের জন্যে তাঁর (পক্ষ) থেকে একজন সুস্পষ্ট সাবধানকারী মাত্র,
৫২
⋮
كَذَلِكَ مَا أَتَى الَّذِينَ مِنْ قَبْلِهِمْ مِنْ رَسُولٍ إِلَّا قَالُوا سَاحِرٌ أَوْ مَجْنُونٌ ﴿٥٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(রাসূলদের ব্যাপারটি) এমনটিই (হয়ে এসেছে) , এর আগের মানুষদের কাছে এমন কোনো রাসূল আসেনি, যাদের এরা যাদুকর কিংবা পাগল বলেনি,
৫৩
⋮
أَتَوَاصَوْا بِهِ بَلْ هُمْ قَوْمٌ طَاغُونَ ﴿٥٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
(একি ব্যাপার!) এরা কি একে অপরকে এই একই পরামর্শ দিয়ে এসেছে (যে, বংশানুক্রমে সবাই একই কথা বলছে, ) না, (আসলেই) এরা ছিলো সীমালংঘনকারী জাতি,
৫৪
⋮
فَتَوَلَّ عَنْهُمْ فَمَا أَنْتَ بِمَلُومٍ ﴿٥٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
অতএব (হে নবী) , তুমি এদের উপেক্ষা করো, অতঃপর (এ জন্যে) তুমি (কোনোক্রমেই) অভিযুক্ত হবে না,
৫৫
⋮
وَذَكِّرْ فَإِنَّ الذِّكْرَى تَنْفَعُ الْمُؤْمِنِينَ ﴿٥٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
তুমি (মানুষদের আল্লাহ তায়ালার পথে) উপদেশ দিতে থাকো, অবশ্যই উপদেশ ঈমানদারদের উপকারে আসে ।
৫৬
⋮
وَمَا خَلَقْتُ الْجِنَّ وَالْإِنْسَ إِلَّا لِيَعْبُدُونِ ﴿٥٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
আমি মানুষ এবং জ্বিন জাতিকে আমার ইবাদাত করা ছাড়া অন্য কোনো উদ্দেশে সৃষ্টি করিনি।
৫৭
⋮
مَا أُرِيدُ مِنْهُمْ مِنْ رِزْقٍ وَمَا أُرِيدُ أَنْ يُطْعِمُونِ ﴿٥٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
আমি তো তাদের কাছ থেকে কোনো রকম জীবিকা দাবী করি না, তাদের কাছ থেকে আমি এও চাই না, তারা আমাকে খাবার যোগাবে।
৫৮
⋮
إِنَّ اللَّهَ هُوَ الرَّزَّاقُ ذُو الْقُوَّةِ الْمَتِينُ ﴿٥٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
নিঃসন্দেহে আল্লাহ তায়ালাই জীবিকা সরবরাহকারী, তিনি মহাপরাক্রমশালী, প্রবল ক্ষমতার অধিকারী।
৫৯
⋮
فَإِنَّ لِلَّذِينَ ظَلَمُوا ذَنُوبًا مِثْلَ ذَنُوبِ أَصْحَابِهِمْ فَلَا يَسْتَعْجِلُونِ ﴿٥٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
অতএব যারা সীমালংঘনকারী যালেম তাদের জন্যে প্রাপ্য আযাবের অংশ ততোটুকুই নির্দিষ্ট থাকবে যতোটুকু তাদের পূর্ববর্তী (যালেম) লোকেরা ভোগ করেছে, অতঃপর (আযাবের ব্যাপারে) তারা যেন খুব তাড়াহুড়ো না করে ।
৬০
⋮
فَوَيْلٌ لِلَّذِينَ كَفَرُوا مِنْ يَوْمِهِمُ الَّذِي يُوعَدُونَ ﴿٦٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।
দুর্ভোগ (ও ভোগান্তি) তো তাদের জন্যেই যারা শেষ বিচারের দিনকে অস্বীকার করেছে, যার প্রতিশ্রুতি তাদের (বার বার) দেয়া হয়েছে।