🕋
الذاريات
(৫১) আয-যারিয়াত
৬০
﴾৫১:১﴿
﴾ ৫১:১ ﴿
وَالذَّارِيَاتِ ذَرْوًا ﴿١﴾
(ঝঞ্চাবিক্ষুব্ধ) বাতাসের শপথ, যা ধুলাবালি উড়িয়ে নিয়ে যায়,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫১:২﴿
﴾ ৫১:২ ﴿
فَالْحَامِلَاتِ وِقْرًا ﴿٢﴾
অতপর (মেঘমালার) শপথ যা পানির বোঝা বয়ে চলে,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫১:৩﴿
﴾ ৫১:৩ ﴿
فَالْجَارِيَاتِ يُسْرًا ﴿٣﴾
(জলযানসমুহের) শপথ যা ধীরে ধীরে এগিয়ে চলে,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫১:৪﴿
﴾ ৫১:৪ ﴿
فَالْمُقَسِّمَاتِ أَمْرًا ﴿٤﴾
অতপর তাদের (ফেরেশতাদের) শপথ, যারা (আল্লাহর) আদেশ মোতাবেক প্রত্যেক বস্তু বন্টন করে,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫১:৫﴿
﴾ ৫১:৫ ﴿
إِنَّمَا تُوعَدُونَ لَصَادِقٌ ﴿٥﴾
(কেয়ামতের) যে দিনের ওয়াদা তোমাদের সাথে করা হচ্ছে তা (অবশ্যম্ভাবী) সত্য,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫১:৬﴿
﴾ ৫১:৬ ﴿
وَإِنَّ الدِّينَ لَوَاقِعٌ ﴿٦﴾
বিচার আচারের একটা দিন অবশ্যই আসবে;
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫১:৭﴿
﴾ ৫১:৭ ﴿
وَالسَّمَاءِ ذَاتِ الْحُبُكِ ﴿٧﴾
বহু কক্ষ বিশিষ্ট আকাশের শপথ,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫১:৮﴿
﴾ ৫১:৮ ﴿
إِنَّكُمْ لَفِي قَوْلٍ مُخْتَلِفٍ ﴿٨﴾
তোমরাও (কেয়ামতের ব্যাপারে) নানা কথাবার্তার মধ্যে (নিমজ্জিত) রয়েছে;
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫১:৯﴿
﴾ ৫১:৯ ﴿
يُؤْفَكُ عَنْهُ مَنْ أُفِكَ ﴿٩﴾
(মূলত) যে ব্যক্তি সত্যভ্রষ্ট সে ব্যক্তিই (কোরআনকে) পরিত্যাগ করেছে;
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫১:১০﴿
﴾ ৫১:১০ ﴿
قُتِلَ الْخَرَّاصُونَ ﴿١٠﴾
ধ্বংস হোক, যারা শুধু অনুমানের উপর ভিত্তি করে (কথা বলে) ,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫১:১১﴿
﴾ ৫১:১১ ﴿
الَّذِينَ هُمْ فِي غَمْرَةٍ سَاهُونَ ﴿١١﴾
(সর্বোপরি) যারা জাহেলিয়াতে (নিমজ্জিত হয়ে) মূল সত্য থেকে উদাসীন হয়ে পড়েছে,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫১:১২﴿
﴾ ৫১:১২ ﴿
يَسْأَلُونَ أَيَّانَ يَوْمُ الدِّينِ ﴿١٢﴾
এরা (তামাশার ছলে) জিজ্ঞেস করে, বিচারের দিনটি কবে আসবে?
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫১:১৩﴿
﴾ ৫১:১৩ ﴿
يَوْمَ هُمْ عَلَى النَّارِ يُفْتَنُونَ ﴿١٣﴾
(এদের তুমি বলো, ) যেদিন তাদের আগুনে দগ্ধ করা হবে (সেদিন কেয়ামত হবে ।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫১:১৪﴿
﴾ ৫১:১৪ ﴿
ذُوقُوا فِتْنَتَكُمْ هَذَا الَّذِي كُنْتُمْ بِهِ تَسْتَعْجِلُونَ ﴿١٤﴾
(সেদিন তাদের বলা হবে, এবার) তোমরা তোমাদের শাস্তি ভোগ করতে থাকো; এ হচ্ছে (সেদিন) যে জন্যে তোমরা খুব তাড়াহুড়ো করছিলে!
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫১:১৫﴿
﴾ ৫১:১৫ ﴿
إِنَّ الْمُتَّقِينَ فِي جَنَّاتٍ وَعُيُونٍ ﴿١٥﴾
যারা (আল্লাহ তায়ালাকে) ভয় করে, তারা (আল্লাহ তায়ালার) জান্নাতে ও ঝর্ণাধারায় (চির শান্তিতে) থাকবে,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫১:১৬﴿
﴾ ৫১:১৬ ﴿
آخِذِينَ مَا آتَاهُمْ رَبُّهُمْ إِنَّهُمْ كَانُوا قَبْلَ ذَلِكَ مُحْسِنِينَ ﴿١٦﴾
সেদিন আল্লাহ তায়ালা তাদের যা (যা পুরস্কার) দেবেন, তা সবই তারা (সানন্দ চিত্তে) গ্রহণ করতে থাকবে; নিঃসন্দেহে এরা আগে সকর্মশীল ছিলো;
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫১:১৭﴿
﴾ ৫১:১৭ ﴿
كَانُوا قَلِيلًا مِنَ اللَّيْلِ مَا يَهْجَعُونَ ﴿١٧﴾
তারা রাতের সামান্য অংশ ঘুমিয়ে কাটাতো ।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫১:১৮﴿
﴾ ৫১:১৮ ﴿
وَبِالْأَسْحَارِ هُمْ يَسْتَغْفِرُونَ ﴿١٨﴾
রাতের শেষ প্রহরে তারা আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতো।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫১:১৯﴿
﴾ ৫১:১৯ ﴿
وَفِي أَمْوَالِهِمْ حَقٌّ لِلسَّائِلِ وَالْمَحْرُومِ ﴿١٩﴾
(এরা বিশ্বাস করতো, ) তাদের ধন সম্পদে প্রার্থী ও বঞ্চিত লোকদের অধিকার রয়েছে ।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫১:২০﴿
﴾ ৫১:২০ ﴿
وَفِي الْأَرْضِ آيَاتٌ لِلْمُوقِنِينَ ﴿٢٠﴾
যারা (নিশ্চিতভাবে) বিশ্বাস করতো, তাদের জন্যে পৃথিবীর মাঝে (আল্লাহকে চেনা জানার) অসংখ্য নিদর্শন (ছড়িয়ে) রয়েছে।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫১:২১﴿
﴾ ৫১:২১ ﴿
وَفِي أَنْفُسِكُمْ أَفَلَا تُبْصِرُونَ ﴿٢١﴾
তোমাদের নিজেদের (এ দেহের) মধ্যেও তো (আল্লাহকে চেনার অসংখ্য নিদর্শন) রয়েছে; তোমরা কি দেখতে পাও না?
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫১:২২﴿
﴾ ৫১:২২ ﴿
وَفِي السَّمَاءِ رِزْقُكُمْ وَمَا تُوعَدُونَ ﴿٢٢﴾
আকাশের মাঝে রয়েছে তোমাদের রিযিক, তোমাদের দেয়া যাবতীয় প্রতিশ্রুতি ।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫১:২৩﴿
﴾ ৫১:২৩ ﴿
فَوَرَبِّ السَّمَاءِ وَالْأَرْضِ إِنَّهُ لَحَقٌّ مِثْلَ مَا أَنَّكُمْ تَنْطِقُونَ ﴿٢٣﴾
অতএব এ আসমান যমীনের মালিকের শপথ, এ (গ্রন্থ) -টা নির্ভূল, ঠিক যেমনি তোমরা (এখন) একে অপরের সাথে কথাবার্তা বলছো।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫১:২৪﴿
﴾ ৫১:২৪ ﴿
هَلْ أَتَاكَ حَدِيثُ ضَيْفِ إِبْرَاهِيمَ الْمُكْرَمِينَ ﴿٢٤﴾
(হে নবী, ) তোমার কাছে ইবরাহীমের সেই সম্মানিত মেহমানদের কাহিনী পৌঁছেছে কি?
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫১:২৫﴿
﴾ ৫১:২৫ ﴿
إِذْ دَخَلُوا عَلَيْهِ فَقَالُوا سَلَامًا قَالَ سَلَامٌ قَوْمٌ مُنْكَرُونَ ﴿٢٥﴾
যখন তারা তার ঘরে প্রবেশ করলো, তখন তারা (তাকে) সালাম' পেশ করলো; (সেও উত্তরে) বললো সালাম, (কিন্তু তার কাছে এদের একটি) অপরিচিত দল বলে মনে হলো,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫১:২৬﴿
﴾ ৫১:২৬ ﴿
فَرَاغَ إِلَى أَهْلِهِ فَجَاءَ بِعِجْلٍ سَمِينٍ ﴿٢٦﴾
এরপর (চুপে চুপে) সে নিজ ঘরের লোকদের কাছে চলে গেলো, কিছুক্ষণ পর সে একটি (ভুনা করা) মোটা তাজা বাছুরসহ (ফিরে) এলো,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫১:২৭﴿
﴾ ৫১:২৭ ﴿
فَقَرَّبَهُ إِلَيْهِمْ قَالَ أَلَا تَأْكُلُونَ ﴿٢٧﴾
অতপর সে তা তাদের সামনে পেশ করলো এবং বললো, কি ব্যাপার, তোমরা খাচ্ছো না যে,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫১:২৮﴿
﴾ ৫১:২৮ ﴿
فَأَوْجَسَ مِنْهُمْ خِيفَةً قَالُوا لَا تَخَفْ وَبَشَّرُوهُ بِغُلَامٍ عَلِيمٍ ﴿٢٨﴾
(তাদের খেতে না দেখে) সে মনে মনে তাদের ব্যাপারে ভয় পেলো, (তার ভয় দেখে) তারা বললো, তুমি ভয় করো না; তার সাথে তারা তাকে গুণধর একটি পুত্র সন্তানের সুসংবাদ দিলো।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫১:২৯﴿
﴾ ৫১:২৯ ﴿
فَأَقْبَلَتِ امْرَأَتُهُ فِي صَرَّةٍ فَصَكَّتْ وَجْهَهَا وَقَالَتْ عَجُوزٌ عَقِيمٌ ﴿٢٩﴾
এটা শুনে তার স্ত্রী চীষ্কার করতে করতে সামনে এলো এবং (খুশীতে) নিজের মাথায় হাত মারতে মারতে বললো (কি ভাবে তা সম্ভব) , আমি তো বৃদ্ধা এবং বন্ধ্যা]
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫১:৩০﴿
﴾ ৫১:৩০ ﴿
قَالُوا كَذَلِكَ قَالَ رَبُّكِ إِنَّهُ هُوَ الْحَكِيمُ الْعَلِيمُ ﴿٣٠﴾
(তারা বললো, ) হ্যাঁ তোমার ব্যাপারটি এভাবেই হবে, তোমার মালিক বলেছেন; তিনি প্রবল প্রজ্ঞাময়, তিনি সব কিছু জানেন (এটা তাঁর জন্যে অসম্ভব কিছু নয়।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫১:৩১﴿
﴾ ৫১:৩১ ﴿
قَالَ فَمَا خَطْبُكُمْ أَيُّهَا الْمُرْسَلُونَ ﴿٣١﴾
সে বললো, হে (আল্লাহ তায়ালার) প্রেরিত (মেহমান) -রা, (এবার) বলো, তোমাদের (এখানে আসার পেছনে আসল) ব্যাপারটা কি?
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫১:৩২﴿
﴾ ৫১:৩২ ﴿
قَالُوا إِنَّا أُرْسِلْنَا إِلَى قَوْمٍ مُجْرِمِينَ ﴿٣٢﴾
তারা বললো, আমাদের (আল্লাহর পক্ষ থেকে) একটি অপরাধী জাতির কাছে (তাদের শায়েস্তা করার জন্যে) পাঠানো হয়েছে,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫১:৩৩﴿
﴾ ৫১:৩৩ ﴿
لِنُرْسِلَ عَلَيْهِمْ حِجَارَةً مِنْ طِينٍ ﴿٣٣﴾
(আমাদের বলা হয়েছে, আমরা যেন মাটির (শক্ত) পাথর তাদের উপর বর্ষণ করি,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫১:৩৪﴿
﴾ ৫১:৩৪ ﴿
مُسَوَّمَةً عِنْدَ رَبِّكَ لِلْمُسْرِفِينَ ﴿٣٤﴾
যাতে (তাদের নাম ধাম) তোমার মালিকের কাছ থেকে চিহ্নিত করে দেয়া হয়েছে, এটা হচ্ছে সীমালংঘনকারী যালেমদের জন্যে।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫১:৩৫﴿
﴾ ৫১:৩৫ ﴿
فَأَخْرَجْنَا مَنْ كَانَ فِيهَا مِنَ الْمُؤْمِنِينَ ﴿٣٥﴾
অতঃপর আমি সেই (জনপদ) থেকে এমন প্রতিটি মানুষকে বের করে এনেছি, যারা ঈমানদার ছিলো,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫১:৩৬﴿
﴾ ৫১:৩৬ ﴿
فَمَا وَجَدْنَا فِيهَا غَيْرَ بَيْتٍ مِنَ الْمُسْلِمِينَ ﴿٣٦﴾
(আসলে) সেখানে মুসলমানদের একটি ঘর ছাড়া (উদ্ধার করার মতো দ্বিতীয়) কোনো ঘরই আমি পাইনি,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫১:৩৭﴿
﴾ ৫১:৩৭ ﴿
وَتَرَكْنَا فِيهَا آيَةً لِلَّذِينَ يَخَافُونَ الْعَذَابَ الْأَلِيمَ ﴿٣٧﴾
(তাদের ধ্বংস করে) আমি পরবর্তী এমন সব মানুষদের জন্যে একটি নিদর্শন সেখানে রেখে এসেছি, যারা আমার কঠিন আযাবকে ভয় করে;
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫১:৩৮﴿
﴾ ৫১:৩৮ ﴿
وَفِي مُوسَى إِذْ أَرْسَلْنَاهُ إِلَى فِرْعَوْنَ بِسُلْطَانٍ مُبِينٍ ﴿٣٨﴾
(আরো নিদর্শন রেখেছি) মুসার (কাহিনীর) মাঝেও, যখন আমি তাকে একটি সুস্পষ্ট প্রমাণসহ ফেরাউনের কাছে পাঠিয়েছিলাম।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫১:৩৯﴿
﴾ ৫১:৩৯ ﴿
فَتَوَلَّى بِرُكْنِهِ وَقَالَ سَاحِرٌ أَوْ مَجْنُونٌ ﴿٣٩﴾
সে তার সাংগপাংগসহ (হেদায়াত থেকে) মুখ ফিরিয়ে নিলো এবং সে বললো, (এ তো হচ্ছে) যাদুকর কিংবা (আস্ত) পাগল ।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫১:৪০﴿
﴾ ৫১:৪০ ﴿
فَأَخَذْنَاهُ وَجُنُودَهُ فَنَبَذْنَاهُمْ فِي الْيَمِّ وَهُوَ مُلِيمٌ ﴿٤٠﴾
অতঃপর আমি তাকে এবং তার লয় লশকরদের (এ বিদ্রোহের জন্যে) চরমভাবে পাকড়াও করলাম এবং তাদের সবাইকে সমুদ্রে নিক্ষেপ করলাম, (আসলেই) সে ছিলো এক (দন্ডযোগ্য) অপরাধী ব্যক্তি।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫১:৪১﴿
﴾ ৫১:৪১ ﴿
وَفِي عَادٍ إِذْ أَرْسَلْنَا عَلَيْهِمُ الرِّيحَ الْعَقِيمَ ﴿٤١﴾
আ'দ জাতির ঘটনার মাঝেও (শিক্ষণীয় উপদেশ) রয়েছে, যখন আমি তাদের উপর এক সর্ববিধ্বংসী (ঝড়) বাতাস পাঠিয়েছিলাম।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫১:৪২﴿
﴾ ৫১:৪২ ﴿
مَا تَذَرُ مِنْ شَيْءٍ أَتَتْ عَلَيْهِ إِلَّا جَعَلَتْهُ كَالرَّمِيمِ ﴿٤٢﴾
এ (বিধ্বংসী) বাতাস যা কিছুর উপর দিয়ে (ধেয়ে) এসেছে, তাকেই পঁচা হাড়ের মতো চূর্ণ বিচূর্ণ করে দিয়ে গেছে;
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫১:৪৩﴿
﴾ ৫১:৪৩ ﴿
وَفِي ثَمُودَ إِذْ قِيلَ لَهُمْ تَمَتَّعُوا حَتَّى حِينٍ ﴿٤٣﴾
(নিদর্শন রয়েছে) সামূদ জাতির (কাহিনীর) মাঝেও, যখন তাদের বলা হয়েছিলো, একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত তোমরা (নেয়ামত) ভোগ করতে থাকো।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫১:৪৪﴿
﴾ ৫১:৪৪ ﴿
فَعَتَوْا عَنْ أَمْرِ رَبِّهِمْ فَأَخَذَتْهُمُ الصَّاعِقَةُ وَهُمْ يَنْظُرُونَ ﴿٤٤﴾
(কিন্তু) তারা তাদের মালিকের কথার নাফরমানী করলো, অতঃপর এক প্রচন্ড বজ্রাঘাত তাদের উপর এসে পড়লো এবং তারা চেয়েই থাকলো।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫১:৪৫﴿
﴾ ৫১:৪৫ ﴿
فَمَا اسْتَطَاعُوا مِنْ قِيَامٍ وَمَا كَانُوا مُنْتَصِرِينَ ﴿٤٥﴾
(আযাবের সামনে) তারা (একটুখানি) দাঁড়াবার শক্তিও পেলো না এবং এ আযাব থেকে নিজেদের তারা বাঁচাতেও পারলো না,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫১:৪৬﴿
﴾ ৫১:৪৬ ﴿
وَقَوْمَ نُوحٍ مِنْ قَبْلُ إِنَّهُمْ كَانُوا قَوْمًا فَاسِقِينَ ﴿٤٦﴾
এর আগেও (বিদ্রোহের জন্যে আমি) নুহের জাতিকে (ধ্বংস করেছিলাম) ; নিঃসন্দেহে তারাও ছিলো একটি পাপী সম্প্রদায়।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫১:৪৭﴿
﴾ ৫১:৪৭ ﴿
وَالسَّمَاءَ بَنَيْنَاهَا بِأَيْدٍ وَإِنَّا لَمُوسِعُونَ ﴿٤٧﴾
আমি (আমার) হাত দিয়েই আসমান বানিয়েছি, (নিঃসন্দেহে) আমি মহান ক্ষমতাশালী।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫১:৪৮﴿
﴾ ৫১:৪৮ ﴿
وَالْأَرْضَ فَرَشْنَاهَا فَنِعْمَ الْمَاهِدُونَ ﴿٤٨﴾
আমি এ যমীনকেও (তোমাদের জন্যে) বিছিয়ে দিয়েছি, (তোমাদের সুবিধার জন্যে) আমি একে কতো সুন্দর করেই না (সমতল) করে রেখেছি!
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫১:৪৯﴿
﴾ ৫১:৪৯ ﴿
وَمِنْ كُلِّ شَيْءٍ خَلَقْنَا زَوْجَيْنِ لَعَلَّكُمْ تَذَكَّرُونَ ﴿٤٩﴾
(সৃষ্টি জগতের) প্রত্যেকটি বস্তু আমি জোড়ায় জোড়ায় পয়দা করেছি, যাতে করে (এ নিয়ে) তোমরা চিন্তা গবেষণা করতে পারো।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫১:৫০﴿
﴾ ৫১:৫০ ﴿
فَفِرُّوا إِلَى اللَّهِ إِنِّي لَكُمْ مِنْهُ نَذِيرٌ مُبِينٌ ﴿٥٠﴾
অতএব তোমরা (এ সবের আসল স্রষ্টা) আল্লাহ তায়ালার দিকেই ধাবিত হও; আমি তো তাঁর পক্ষ থেকে (আগত) তোমাদের জন্যে সুস্পষ্ট সতর্ককারী মাত্র,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫১:৫১﴿
﴾ ৫১:৫১ ﴿
وَلَا تَجْعَلُوا مَعَ اللَّهِ إِلَهًا آخَرَ إِنِّي لَكُمْ مِنْهُ نَذِيرٌ مُبِينٌ ﴿٥١﴾
তোমরা আল্লাহ তায়ালার সাথে অন্য কাউকে মাবুদ বানিয়ে নিয়ো না; আমি তো তোমাদের জন্যে তাঁর (পক্ষ) থেকে একজন সুস্পষ্ট সাবধানকারী মাত্র,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫১:৫২﴿
﴾ ৫১:৫২ ﴿
كَذَلِكَ مَا أَتَى الَّذِينَ مِنْ قَبْلِهِمْ مِنْ رَسُولٍ إِلَّا قَالُوا سَاحِرٌ أَوْ مَجْنُونٌ ﴿٥٢﴾
(রাসূলদের ব্যাপারটি) এমনটিই (হয়ে এসেছে) , এর আগের মানুষদের কাছে এমন কোনো রাসূল আসেনি, যাদের এরা যাদুকর কিংবা পাগল বলেনি,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫১:৫৩﴿
﴾ ৫১:৫৩ ﴿
أَتَوَاصَوْا بِهِ بَلْ هُمْ قَوْمٌ طَاغُونَ ﴿٥٣﴾
(একি ব্যাপার!) এরা কি একে অপরকে এই একই পরামর্শ দিয়ে এসেছে (যে, বংশানুক্রমে সবাই একই কথা বলছে, ) না, (আসলেই) এরা ছিলো সীমালংঘনকারী জাতি,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫১:৫৪﴿
﴾ ৫১:৫৪ ﴿
فَتَوَلَّ عَنْهُمْ فَمَا أَنْتَ بِمَلُومٍ ﴿٥٤﴾
অতএব (হে নবী) , তুমি এদের উপেক্ষা করো, অতঃপর (এ জন্যে) তুমি (কোনোক্রমেই) অভিযুক্ত হবে না,
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫১:৫৫﴿
﴾ ৫১:৫৫ ﴿
وَذَكِّرْ فَإِنَّ الذِّكْرَى تَنْفَعُ الْمُؤْمِنِينَ ﴿٥٥﴾
তুমি (মানুষদের আল্লাহ তায়ালার পথে) উপদেশ দিতে থাকো, অবশ্যই উপদেশ ঈমানদারদের উপকারে আসে ।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫১:৫৬﴿
﴾ ৫১:৫৬ ﴿
وَمَا خَلَقْتُ الْجِنَّ وَالْإِنْسَ إِلَّا لِيَعْبُدُونِ ﴿٥٦﴾
আমি মানুষ এবং জ্বিন জাতিকে আমার ইবাদাত করা ছাড়া অন্য কোনো উদ্দেশে সৃষ্টি করিনি।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫১:৫৭﴿
﴾ ৫১:৫৭ ﴿
مَا أُرِيدُ مِنْهُمْ مِنْ رِزْقٍ وَمَا أُرِيدُ أَنْ يُطْعِمُونِ ﴿٥٧﴾
আমি তো তাদের কাছ থেকে কোনো রকম জীবিকা দাবী করি না, তাদের কাছ থেকে আমি এও চাই না, তারা আমাকে খাবার যোগাবে।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫১:৫৮﴿
﴾ ৫১:৫৮ ﴿
إِنَّ اللَّهَ هُوَ الرَّزَّاقُ ذُو الْقُوَّةِ الْمَتِينُ ﴿٥٨﴾
নিঃসন্দেহে আল্লাহ তায়ালাই জীবিকা সরবরাহকারী, তিনি মহাপরাক্রমশালী, প্রবল ক্ষমতার অধিকারী।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫১:৫৯﴿
﴾ ৫১:৫৯ ﴿
فَإِنَّ لِلَّذِينَ ظَلَمُوا ذَنُوبًا مِثْلَ ذَنُوبِ أَصْحَابِهِمْ فَلَا يَسْتَعْجِلُونِ ﴿٥٩﴾
অতএব যারা সীমালংঘনকারী যালেম তাদের জন্যে প্রাপ্য আযাবের অংশ ততোটুকুই নির্দিষ্ট থাকবে যতোটুকু তাদের পূর্ববর্তী (যালেম) লোকেরা ভোগ করেছে, অতঃপর (আযাবের ব্যাপারে) তারা যেন খুব তাড়াহুড়ো না করে ।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]
﴾৫১:৬০﴿
﴾ ৫১:৬০ ﴿
فَوَيْلٌ لِلَّذِينَ كَفَرُوا مِنْ يَوْمِهِمُ الَّذِي يُوعَدُونَ ﴿٦٠﴾
দুর্ভোগ (ও ভোগান্তি) তো তাদের জন্যেই যারা শেষ বিচারের দিনকে অস্বীকার করেছে, যার প্রতিশ্রুতি তাদের (বার বার) দেয়া হয়েছে।
[হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ ।]