🕋

الذاريات
(৫১) আয-যারিয়াত

৬০

وَالذَّارِيَاتِ ذَرْوًا ﴿١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (ঝঞ্চাবিক্ষুব্ধ) বাতাসের শপথ, যা ধুলাবালি উড়িয়ে নিয়ে যায়,
فَالْحَامِلَاتِ وِقْرًا ﴿٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অতপর (মেঘমালার) শপথ যা পানির বোঝা বয়ে চলে,
فَالْجَارِيَاتِ يُسْرًا ﴿٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (জলযানসমুহের) শপথ যা ধীরে ধীরে এগিয়ে চলে,
فَالْمُقَسِّمَاتِ أَمْرًا ﴿٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অতপর তাদের (ফেরেশতাদের) শপথ, যারা (আল্লাহর) আদেশ মোতাবেক প্রত্যেক বস্তু বন্টন করে,
إِنَّمَا تُوعَدُونَ لَصَادِقٌ ﴿٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (কেয়ামতের) যে দিনের ওয়াদা তোমাদের সাথে করা হচ্ছে তা (অবশ্যম্ভাবী) সত্য,
وَإِنَّ الدِّينَ لَوَاقِعٌ ﴿٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । বিচার আচারের একটা দিন অবশ্যই আসবে;
وَالسَّمَاءِ ذَاتِ الْحُبُكِ ﴿٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । বহু কক্ষ বিশিষ্ট আকাশের শপথ,
إِنَّكُمْ لَفِي قَوْلٍ مُخْتَلِفٍ ﴿٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তোমরাও (কেয়ামতের ব্যাপারে) নানা কথাবার্তার মধ্যে (নিমজ্জিত) রয়েছে;
يُؤْفَكُ عَنْهُ مَنْ أُفِكَ ﴿٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (মূলত) যে ব্যক্তি সত্যভ্রষ্ট সে ব্যক্তিই (কোরআনকে) পরিত্যাগ করেছে;
১০
قُتِلَ الْخَرَّاصُونَ ﴿١٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । ধ্বংস হোক, যারা শুধু অনুমানের উপর ভিত্তি করে (কথা বলে) ,
১১
الَّذِينَ هُمْ فِي غَمْرَةٍ سَاهُونَ ﴿١١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (সর্বোপরি) যারা জাহেলিয়াতে (নিমজ্জিত হয়ে) মূল সত্য থেকে উদাসীন হয়ে পড়েছে,
১২
يَسْأَلُونَ أَيَّانَ يَوْمُ الدِّينِ ﴿١٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । এরা (তামাশার ছলে) জিজ্ঞেস করে, বিচারের দিনটি কবে আসবে?
১৩
يَوْمَ هُمْ عَلَى النَّارِ يُفْتَنُونَ ﴿١٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (এদের তুমি বলো, ) যেদিন তাদের আগুনে দগ্ধ করা হবে (সেদিন কেয়ামত হবে ।
১৪
ذُوقُوا فِتْنَتَكُمْ هَذَا الَّذِي كُنْتُمْ بِهِ تَسْتَعْجِلُونَ ﴿١٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (সেদিন তাদের বলা হবে, এবার) তোমরা তোমাদের শাস্তি ভোগ করতে থাকো; এ হচ্ছে (সেদিন) যে জন্যে তোমরা খুব তাড়াহুড়ো করছিলে!
১৫
إِنَّ الْمُتَّقِينَ فِي جَنَّاتٍ وَعُيُونٍ ﴿١٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । যারা (আল্লাহ তায়ালাকে) ভয় করে, তারা (আল্লাহ তায়ালার) জান্নাতে ও ঝর্ণাধারায় (চির শান্তিতে) থাকবে,
১৬
آخِذِينَ مَا آتَاهُمْ رَبُّهُمْ إِنَّهُمْ كَانُوا قَبْلَ ذَلِكَ مُحْسِنِينَ ﴿١٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । সেদিন আল্লাহ তায়ালা তাদের যা (যা পুরস্কার) দেবেন, তা সবই তারা (সানন্দ চিত্তে) গ্রহণ করতে থাকবে; নিঃসন্দেহে এরা আগে সকর্মশীল ছিলো;
১৭
كَانُوا قَلِيلًا مِنَ اللَّيْلِ مَا يَهْجَعُونَ ﴿١٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তারা রাতের সামান্য অংশ ঘুমিয়ে কাটাতো ।
১৮
وَبِالْأَسْحَارِ هُمْ يَسْتَغْفِرُونَ ﴿١٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । রাতের শেষ প্রহরে তারা আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতো।
১৯
وَفِي أَمْوَالِهِمْ حَقٌّ لِلسَّائِلِ وَالْمَحْرُومِ ﴿١٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (এরা বিশ্বাস করতো, ) তাদের ধন সম্পদে প্রার্থী ও বঞ্চিত লোকদের অধিকার রয়েছে ।
২০
وَفِي الْأَرْضِ آيَاتٌ لِلْمُوقِنِينَ ﴿٢٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । যারা (নিশ্চিতভাবে) বিশ্বাস করতো, তাদের জন্যে পৃথিবীর মাঝে (আল্লাহকে চেনা জানার) অসংখ্য নিদর্শন (ছড়িয়ে) রয়েছে।
২১
وَفِي أَنْفُسِكُمْ أَفَلَا تُبْصِرُونَ ﴿٢١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তোমাদের নিজেদের (এ দেহের) মধ্যেও তো (আল্লাহকে চেনার অসংখ্য নিদর্শন) রয়েছে; তোমরা কি দেখতে পাও না?
২২
وَفِي السَّمَاءِ رِزْقُكُمْ وَمَا تُوعَدُونَ ﴿٢٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । আকাশের মাঝে রয়েছে তোমাদের রিযিক, তোমাদের দেয়া যাবতীয় প্রতিশ্রুতি ।
২৩
فَوَرَبِّ السَّمَاءِ وَالْأَرْضِ إِنَّهُ لَحَقٌّ مِثْلَ مَا أَنَّكُمْ تَنْطِقُونَ ﴿٢٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অতএব এ আসমান যমীনের মালিকের শপথ, এ (গ্রন্থ) -টা নির্ভূল, ঠিক যেমনি তোমরা (এখন) একে অপরের সাথে কথাবার্তা বলছো।
২৪
هَلْ أَتَاكَ حَدِيثُ ضَيْفِ إِبْرَاهِيمَ الْمُكْرَمِينَ ﴿٢٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (হে নবী, ) তোমার কাছে ইবরাহীমের সেই সম্মানিত মেহমানদের কাহিনী পৌঁছেছে কি?
২৫
إِذْ دَخَلُوا عَلَيْهِ فَقَالُوا سَلَامًا قَالَ سَلَامٌ قَوْمٌ مُنْكَرُونَ ﴿٢٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । যখন তারা তার ঘরে প্রবেশ করলো, তখন তারা (তাকে) সালাম' পেশ করলো; (সেও উত্তরে) বললো সালাম, (কিন্তু তার কাছে এদের একটি) অপরিচিত দল বলে মনে হলো,
২৬
فَرَاغَ إِلَى أَهْلِهِ فَجَاءَ بِعِجْلٍ سَمِينٍ ﴿٢٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । এরপর (চুপে চুপে) সে নিজ ঘরের লোকদের কাছে চলে গেলো, কিছুক্ষণ পর সে একটি (ভুনা করা) মোটা তাজা বাছুরসহ (ফিরে) এলো,
২৭
فَقَرَّبَهُ إِلَيْهِمْ قَالَ أَلَا تَأْكُلُونَ ﴿٢٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অতপর সে তা তাদের সামনে পেশ করলো এবং বললো, কি ব্যাপার, তোমরা খাচ্ছো না যে,
২৮
فَأَوْجَسَ مِنْهُمْ خِيفَةً قَالُوا لَا تَخَفْ وَبَشَّرُوهُ بِغُلَامٍ عَلِيمٍ ﴿٢٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (তাদের খেতে না দেখে) সে মনে মনে তাদের ব্যাপারে ভয় পেলো, (তার ভয় দেখে) তারা বললো, তুমি ভয় করো না; তার সাথে তারা তাকে গুণধর একটি পুত্র সন্তানের সুসংবাদ দিলো।
২৯
فَأَقْبَلَتِ امْرَأَتُهُ فِي صَرَّةٍ فَصَكَّتْ وَجْهَهَا وَقَالَتْ عَجُوزٌ عَقِيمٌ ﴿٢٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । এটা শুনে তার স্ত্রী চীষ্কার করতে করতে সামনে এলো এবং (খুশীতে) নিজের মাথায় হাত মারতে মারতে বললো (কি ভাবে তা সম্ভব) , আমি তো বৃদ্ধা এবং বন্ধ্যা]
৩০
قَالُوا كَذَلِكَ قَالَ رَبُّكِ إِنَّهُ هُوَ الْحَكِيمُ الْعَلِيمُ ﴿٣٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (তারা বললো, ) হ্যাঁ তোমার ব্যাপারটি এভাবেই হবে, তোমার মালিক বলেছেন; তিনি প্রবল প্রজ্ঞাময়, তিনি সব কিছু জানেন (এটা তাঁর জন্যে অসম্ভব কিছু নয়।
৩১
قَالَ فَمَا خَطْبُكُمْ أَيُّهَا الْمُرْسَلُونَ ﴿٣١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । সে বললো, হে (আল্লাহ তায়ালার) প্রেরিত (মেহমান) -রা, (এবার) বলো, তোমাদের (এখানে আসার পেছনে আসল) ব্যাপারটা কি?
৩২
قَالُوا إِنَّا أُرْسِلْنَا إِلَى قَوْمٍ مُجْرِمِينَ ﴿٣٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তারা বললো, আমাদের (আল্লাহর পক্ষ থেকে) একটি অপরাধী জাতির কাছে (তাদের শায়েস্তা করার জন্যে) পাঠানো হয়েছে,
৩৩
لِنُرْسِلَ عَلَيْهِمْ حِجَارَةً مِنْ طِينٍ ﴿٣٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (আমাদের বলা হয়েছে, আমরা যেন মাটির (শক্ত) পাথর তাদের উপর বর্ষণ করি,
৩৪
مُسَوَّمَةً عِنْدَ رَبِّكَ لِلْمُسْرِفِينَ ﴿٣٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । যাতে (তাদের নাম ধাম) তোমার মালিকের কাছ থেকে চিহ্নিত করে দেয়া হয়েছে, এটা হচ্ছে সীমালংঘনকারী যালেমদের জন্যে।
৩৫
فَأَخْرَجْنَا مَنْ كَانَ فِيهَا مِنَ الْمُؤْمِنِينَ ﴿٣٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অতঃপর আমি সেই (জনপদ) থেকে এমন প্রতিটি মানুষকে বের করে এনেছি, যারা ঈমানদার ছিলো,
৩৬
فَمَا وَجَدْنَا فِيهَا غَيْرَ بَيْتٍ مِنَ الْمُسْلِمِينَ ﴿٣٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (আসলে) সেখানে মুসলমানদের একটি ঘর ছাড়া (উদ্ধার করার মতো দ্বিতীয়) কোনো ঘরই আমি পাইনি,
৩৭
وَتَرَكْنَا فِيهَا آيَةً لِلَّذِينَ يَخَافُونَ الْعَذَابَ الْأَلِيمَ ﴿٣٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (তাদের ধ্বংস করে) আমি পরবর্তী এমন সব মানুষদের জন্যে একটি নিদর্শন সেখানে রেখে এসেছি, যারা আমার কঠিন আযাবকে ভয় করে;
৩৮
وَفِي مُوسَى إِذْ أَرْسَلْنَاهُ إِلَى فِرْعَوْنَ بِسُلْطَانٍ مُبِينٍ ﴿٣٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (আরো নিদর্শন রেখেছি) মুসার (কাহিনীর) মাঝেও, যখন আমি তাকে একটি সুস্পষ্ট প্রমাণসহ ফেরাউনের কাছে পাঠিয়েছিলাম।
৩৯
فَتَوَلَّى بِرُكْنِهِ وَقَالَ سَاحِرٌ أَوْ مَجْنُونٌ ﴿٣٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । সে তার সাংগপাংগসহ (হেদায়াত থেকে) মুখ ফিরিয়ে নিলো এবং সে বললো, (এ তো হচ্ছে) যাদুকর কিংবা (আস্ত) পাগল ।
৪০
فَأَخَذْنَاهُ وَجُنُودَهُ فَنَبَذْنَاهُمْ فِي الْيَمِّ وَهُوَ مُلِيمٌ ﴿٤٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অতঃপর আমি তাকে এবং তার লয় লশকরদের (এ বিদ্রোহের জন্যে) চরমভাবে পাকড়াও করলাম এবং তাদের সবাইকে সমুদ্রে নিক্ষেপ করলাম, (আসলেই) সে ছিলো এক (দন্ডযোগ্য) অপরাধী ব্যক্তি।
৪১
وَفِي عَادٍ إِذْ أَرْسَلْنَا عَلَيْهِمُ الرِّيحَ الْعَقِيمَ ﴿٤١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । আ'দ জাতির ঘটনার মাঝেও (শিক্ষণীয় উপদেশ) রয়েছে, যখন আমি তাদের উপর এক সর্ববিধ্বংসী (ঝড়) বাতাস পাঠিয়েছিলাম।
৪২
مَا تَذَرُ مِنْ شَيْءٍ أَتَتْ عَلَيْهِ إِلَّا جَعَلَتْهُ كَالرَّمِيمِ ﴿٤٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । এ (বিধ্বংসী) বাতাস যা কিছুর উপর দিয়ে (ধেয়ে) এসেছে, তাকেই পঁচা হাড়ের মতো চূর্ণ বিচূর্ণ করে দিয়ে গেছে;
৪৩
وَفِي ثَمُودَ إِذْ قِيلَ لَهُمْ تَمَتَّعُوا حَتَّى حِينٍ ﴿٤٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (নিদর্শন রয়েছে) সামূদ জাতির (কাহিনীর) মাঝেও, যখন তাদের বলা হয়েছিলো, একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত তোমরা (নেয়ামত) ভোগ করতে থাকো।
৪৪
فَعَتَوْا عَنْ أَمْرِ رَبِّهِمْ فَأَخَذَتْهُمُ الصَّاعِقَةُ وَهُمْ يَنْظُرُونَ ﴿٤٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (কিন্তু) তারা তাদের মালিকের কথার নাফরমানী করলো, অতঃপর এক প্রচন্ড বজ্রাঘাত তাদের উপর এসে পড়লো এবং তারা চেয়েই থাকলো।
৪৫
فَمَا اسْتَطَاعُوا مِنْ قِيَامٍ وَمَا كَانُوا مُنْتَصِرِينَ ﴿٤٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (আযাবের সামনে) তারা (একটুখানি) দাঁড়াবার শক্তিও পেলো না এবং এ আযাব থেকে নিজেদের তারা বাঁচাতেও পারলো না,
৪৬
وَقَوْمَ نُوحٍ مِنْ قَبْلُ إِنَّهُمْ كَانُوا قَوْمًا فَاسِقِينَ ﴿٤٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । এর আগেও (বিদ্রোহের জন্যে আমি) নুহের জাতিকে (ধ্বংস করেছিলাম) ; নিঃসন্দেহে তারাও ছিলো একটি পাপী সম্প্রদায়।
৪৭
وَالسَّمَاءَ بَنَيْنَاهَا بِأَيْدٍ وَإِنَّا لَمُوسِعُونَ ﴿٤٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । আমি (আমার) হাত দিয়েই আসমান বানিয়েছি, (নিঃসন্দেহে) আমি মহান ক্ষমতাশালী।
৪৮
وَالْأَرْضَ فَرَشْنَاهَا فَنِعْمَ الْمَاهِدُونَ ﴿٤٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । আমি এ যমীনকেও (তোমাদের জন্যে) বিছিয়ে দিয়েছি, (তোমাদের সুবিধার জন্যে) আমি একে কতো সুন্দর করেই না (সমতল) করে রেখেছি!
৪৯
وَمِنْ كُلِّ شَيْءٍ خَلَقْنَا زَوْجَيْنِ لَعَلَّكُمْ تَذَكَّرُونَ ﴿٤٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (সৃষ্টি জগতের) প্রত্যেকটি বস্তু আমি জোড়ায় জোড়ায় পয়দা করেছি, যাতে করে (এ নিয়ে) তোমরা চিন্তা গবেষণা করতে পারো।
৫০
فَفِرُّوا إِلَى اللَّهِ إِنِّي لَكُمْ مِنْهُ نَذِيرٌ مُبِينٌ ﴿٥٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অতএব তোমরা (এ সবের আসল স্রষ্টা) আল্লাহ তায়ালার দিকেই ধাবিত হও; আমি তো তাঁর পক্ষ থেকে (আগত) তোমাদের জন্যে সুস্পষ্ট সতর্ককারী মাত্র,
৫১
وَلَا تَجْعَلُوا مَعَ اللَّهِ إِلَهًا آخَرَ إِنِّي لَكُمْ مِنْهُ نَذِيرٌ مُبِينٌ ﴿٥١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তোমরা আল্লাহ তায়ালার সাথে অন্য কাউকে মাবুদ বানিয়ে নিয়ো না; আমি তো তোমাদের জন্যে তাঁর (পক্ষ) থেকে একজন সুস্পষ্ট সাবধানকারী মাত্র,
৫২
كَذَلِكَ مَا أَتَى الَّذِينَ مِنْ قَبْلِهِمْ مِنْ رَسُولٍ إِلَّا قَالُوا سَاحِرٌ أَوْ مَجْنُونٌ ﴿٥٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (রাসূলদের ব্যাপারটি) এমনটিই (হয়ে এসেছে) , এর আগের মানুষদের কাছে এমন কোনো রাসূল আসেনি, যাদের এরা যাদুকর কিংবা পাগল বলেনি,
৫৩
أَتَوَاصَوْا بِهِ بَلْ هُمْ قَوْمٌ طَاغُونَ ﴿٥٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (একি ব্যাপার!) এরা কি একে অপরকে এই একই পরামর্শ দিয়ে এসেছে (যে, বংশানুক্রমে সবাই একই কথা বলছে, ) না, (আসলেই) এরা ছিলো সীমালংঘনকারী জাতি,
৫৪
فَتَوَلَّ عَنْهُمْ فَمَا أَنْتَ بِمَلُومٍ ﴿٥٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অতএব (হে নবী) , তুমি এদের উপেক্ষা করো, অতঃপর (এ জন্যে) তুমি (কোনোক্রমেই) অভিযুক্ত হবে না,
৫৫
وَذَكِّرْ فَإِنَّ الذِّكْرَى تَنْفَعُ الْمُؤْمِنِينَ ﴿٥٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তুমি (মানুষদের আল্লাহ তায়ালার পথে) উপদেশ দিতে থাকো, অবশ্যই উপদেশ ঈমানদারদের উপকারে আসে ।
৫৬
وَمَا خَلَقْتُ الْجِنَّ وَالْإِنْسَ إِلَّا لِيَعْبُدُونِ ﴿٥٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । আমি মানুষ এবং জ্বিন জাতিকে আমার ইবাদাত করা ছাড়া অন্য কোনো উদ্দেশে সৃষ্টি করিনি।
৫৭
مَا أُرِيدُ مِنْهُمْ مِنْ رِزْقٍ وَمَا أُرِيدُ أَنْ يُطْعِمُونِ ﴿٥٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । আমি তো তাদের কাছ থেকে কোনো রকম জীবিকা দাবী করি না, তাদের কাছ থেকে আমি এও চাই না, তারা আমাকে খাবার যোগাবে।
৫৮
إِنَّ اللَّهَ هُوَ الرَّزَّاقُ ذُو الْقُوَّةِ الْمَتِينُ ﴿٥٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । নিঃসন্দেহে আল্লাহ তায়ালাই জীবিকা সরবরাহকারী, তিনি মহাপরাক্রমশালী, প্রবল ক্ষমতার অধিকারী।
৫৯
فَإِنَّ لِلَّذِينَ ظَلَمُوا ذَنُوبًا مِثْلَ ذَنُوبِ أَصْحَابِهِمْ فَلَا يَسْتَعْجِلُونِ ﴿٥٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অতএব যারা সীমালংঘনকারী যালেম তাদের জন্যে প্রাপ্য আযাবের অংশ ততোটুকুই নির্দিষ্ট থাকবে যতোটুকু তাদের পূর্ববর্তী (যালেম) লোকেরা ভোগ করেছে, অতঃপর (আযাবের ব্যাপারে) তারা যেন খুব তাড়াহুড়ো না করে ।
৬০
فَوَيْلٌ لِلَّذِينَ كَفَرُوا مِنْ يَوْمِهِمُ الَّذِي يُوعَدُونَ ﴿٦٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । দুর্ভোগ (ও ভোগান্তি) তো তাদের জন্যেই যারা শেষ বিচারের দিনকে অস্বীকার করেছে, যার প্রতিশ্রুতি তাদের (বার বার) দেয়া হয়েছে।



ফন্ট সাইজ
15px
17px