🕋

القمر
(৫৪) আল-কামার

৫৫

اقْتَرَبَتِ السَّاعَةُ وَانْشَقَّ الْقَمَرُ ﴿١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । কেয়ামত নিকটবর্তী হয়ে গেছে এবং চাঁদ বিদীর্ণ হয়ে গেছে ।
وَإِنْ يَرَوْا آيَةً يُعْرِضُوا وَيَقُولُوا سِحْرٌ مُسْتَمِرٌّ ﴿٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (এদের অবস্থা হচ্ছে, এরা কোনো নিদর্শন দেখলে তা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয় এবং বলে, এটা তো হচ্ছে এক চিরাচরিত যাদুকরী (ব্যাপার) ।
وَكَذَّبُوا وَاتَّبَعُوا أَهْوَاءَهُمْ وَكُلُّ أَمْرٍ مُسْتَقِرٌّ ﴿٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (তারা সত্য) অস্বীকার করে এবং নিজেদের খেয়াল খুশীর অনুসরণ করে চলে, (অথচ) প্রত্যেক কাজের একটি চূড়ান্ত নিস্পত্তির (সময়) রয়েছে।
وَلَقَدْ جَاءَهُمْ مِنَ الْأَنْبَاءِ مَا فِيهِ مُزْدَجَرٌ ﴿٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অবশ্যই এ লোকদের কাছে (অতীত জাতিসমূহের উপর আযাবের) সংবাদসমূহ এসেছে, (এমন সংবাদ) যাতে (বিদ্রোহের শাস্তির) হুঁশিয়ারী রয়েছে,
حِكْمَةٌ بَالِغَةٌ فَمَا تُغْنِ النُّذُرُ ﴿٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । এগুলো হচ্ছে পুরোপুরি জ্ঞানসমৃদ্ধ ঘটনা, যদিও এসব সতর্কবাণী তাদের কোনোই উপকারে আসে না,
فَتَوَلَّ عَنْهُمْ يَوْمَ يَدْعُو الدَّاعِيَ إِلَى شَيْءٍ نُكُرٍ ﴿٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (হে নবী) তুমি এদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নাও । যেদিন একজন আহ্বানকারী এদের একটি অপ্রিয় বিষয়ের দিকে আহ্বান করবে।
خُشَّعًا أَبْصَارُهُمْ يَخْرُجُونَ مِنَ الْأَجْدَاثِ كَأَنَّهُمْ جَرَادٌ مُنْتَشِرٌ ﴿٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (সেদিন) তারা অবনত দৃষ্টি নিয়ে (একে একে) কবর থেকে এমনভাবে বেরিয়ে আসবে, যেন ইতস্তত বিক্ষিপ্ত পঙ্গপালের দল,
مُهْطِعِينَ إِلَى الدَّاعِي يَقُولُ الْكَافِرُونَ هَذَا يَوْمٌ عَسِرٌ ﴿٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তারা সবাই (তখন সেই) আহ্বানকারীর দিকে দৌড়াতে থাকবে; যারা (এ দিনকে) অস্বীকার করেছিলো, তারা বলবে, এ তো (দেখছি আসলেই) এক ভয়াবহ দিন!
كَذَّبَتْ قَبْلَهُمْ قَوْمُ نُوحٍ فَكَذَّبُوا عَبْدَنَا وَقَالُوا مَجْنُونٌ وَازْدُجِرَ ﴿٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । এদের আগে নুহের জাতিও (এভাবে তাদের নবীকে) অস্বীকার করেছিলো, তারা আমার বান্দা (নুহ নবী) -কে মিথ্যা সাব্যস্ত করেছে, তারা তাকে পাগল বলে আখ্যায়িত করেছে, তাকে (নানাভাবে) ধমক দেয়া হয়েছিলো ।
১০
فَدَعَا رَبَّهُ أَنِّي مَغْلُوبٌ فَانْتَصِرْ ﴿١٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অবশেষে সে তার মালিককে ডাকলো (এবং বললো হে আমার মালিক) , অবশ্যই আমি অসহায় (হয়ে পড়েছি) , অতএব তুমিই (এদের কাছ থেকে) প্রতিশোধ নাও।
১১
فَفَتَحْنَا أَبْوَابَ السَّمَاءِ بِمَاءٍ مُنْهَمِرٍ ﴿١١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । এরপর আমি (তার ডাকে সাড়া দিলাম এবং) প্রবল বৃষ্টির পানি বর্ষণের জন্যে আসমানের দ্বারসমূহ খুলে দিলাম,
১২
وَفَجَّرْنَا الْأَرْضَ عُيُونًا فَالْتَقَى الْمَاءُ عَلَى أَمْرٍ قَدْ قُدِرَ ﴿١٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । ভূমির স্তর (বিদীর্ণ করে তাকে পানির) প্রচন্ড প্রস্রবণে পরিণত করলাম, অতঃপর (আসমান ও যমীনের) পানি এক জায়গায় মিলিত হলো এমন একটি কাজের জন্যে, যা আগে থেকেই ঠিক করে রাখা হয়েছিলো,
১৩
وَحَمَلْنَاهُ عَلَى ذَاتِ أَلْوَاحٍ وَدُسُرٍ ﴿١٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তখন আমি তাকে কাঠ ও পেরেক (নির্মিত একটি) যানে উঠিয়ে নিলাম,
১৪
تَجْرِي بِأَعْيُنِنَا جَزَاءً لِمَنْ كَانَ كُفِرَ ﴿١٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । যা আমার (প্রত্যক্ষ) দৃষ্টির সামনে (ধীরে ধীরে) বয়ে চললো, এটি ছিলো সে ব্যক্তির জন্যে একটি বিনিময়, যাকে (মাত্র কিছু দিন আগেও) অস্বীকার করা হয়েছিলো।
১৫
وَلَقَدْ تَرَكْنَاهَا آيَةً فَهَلْ مِنْ مُدَّكِرٍ ﴿١٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । আমি (জলযান সদৃশ) সে জিনিসটিকে (পরবর্তী মানুষদের জন্যে) একটি নিদর্শন হিসেবে রেখে দিয়েছি, কে আছে (আজ এর থেকে) শিক্ষা গ্রহণ করার?
১৬
فَكَيْفَ كَانَ عَذَابِي وَنُذُرِ ﴿١٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (হ্যাঁ, এমন কেউ থাকলে এসো, দেখে নাও, ) কেমন (কঠোর) ছিলো আমার আযাব এবং (কতো সত্য ছিলো) আমার সতর্কবাণী!
১৭
وَلَقَدْ يَسَّرْنَا الْقُرْآنَ لِلذِّكْرِ فَهَلْ مِنْ مُدَّكِرٍ ﴿١٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । আমি (অবশ্যই) উপদেশ গ্রহণ করার জন্যে এ কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি, কে আছে (তোমাদের মাঝে এর থেকে) শিক্ষা গ্রহণ করার?
১৮
كَذَّبَتْ عَادٌ فَكَيْفَ كَانَ عَذَابِي وَنُذُرِ ﴿١٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । আ'দ জাতির লোকেরাও (আমার নবীকে) মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছে, (তোমরা দেখে নিতে পারো তাদের প্রতি) আমার আযাব কেমন (কঠোর) ছিলো এবং (কতো সত্য ছিলো) আমার সতর্কবাণী!
১৯
إِنَّا أَرْسَلْنَا عَلَيْهِمْ رِيحًا صَرْصَرًا فِي يَوْمِ نَحْسٍ مُسْتَمِرٍّ ﴿١٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । এক স্থায়ী কুলক্ষণের দিনে আমি তাদের উপর প্রবল বায়ু প্রেরণ করেছিলাম,
২০
تَنْزِعُ النَّاسَ كَأَنَّهُمْ أَعْجَازُ نَخْلٍ مُنْقَعِرٍ ﴿٢٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । যা মানুষদের এমনভাবে ছুঁড়ে মারছিলো, যেন তা খেজুর গাছের এক একটি উৎপাটিত কান্ড!
২১
فَكَيْفَ كَانَ عَذَابِي وَنُذُرِ ﴿٢١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (হ্যাঁ, দেখে নাও, ) কেমন (কঠোর) ছিলো আমার আযাব আর (কতো সত্য ছিলো) আমার সতর্কবাণী!
২২
وَلَقَدْ يَسَّرْنَا الْقُرْآنَ لِلذِّكْرِ فَهَلْ مِنْ مُدَّكِرٍ ﴿٢٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অবশ্যই আমি উপদেশ গ্রহণের জন্যে কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি, কে আছে (তা থেকে) শিক্ষা গ্রহণ করার?
২৩
كَذَّبَتْ ثَمُودُ بِالنُّذُرِ ﴿٢٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । সামূদ সম্প্রদায়ও (আযাবের) সতর্ককারী (নবী ও রাসূল) -দের মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছিলো।
২৪
فَقَالُوا أَبَشَرًا مِنَّا وَاحِدًا نَتَّبِعُهُ إِنَّا إِذًا لَفِي ضَلَالٍ وَسُعُرٍ ﴿٢٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তারা বলেছিলো, আমরা কি এমন একজন লোকের কথা মেনে চলবো, যে ব্যক্তি একা আমাদেরই একজন, (এভাবে) তার আনুগত্য করলে সত্যিই তো আমরা বড়ো গোমরাহী ও পাগলামী কাজে নিমজ্জিত হয়ে পড়বো ।
২৫
أَؤُلْقِيَ الذِّكْرُ عَلَيْهِ مِنْ بَيْنِنَا بَلْ هُوَ كَذَّابٌ أَشِرٌ ﴿٢٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । আমাদের মাঝে সে-ই কি একমাত্র ব্যক্তি, যার উপর (আল্লাহর) ওহী নাযিল করা হয়েছে, (আসলে) সে হচ্ছে একজন চরম মিথ্যাবাদী ও অহংকারী ব্যক্তি।
২৬
سَيَعْلَمُونَ غَدًا مَنِ الْكَذَّابُ الْأَشِرُ ﴿٢٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । আগামীকাল (মহাবিচারের দিন) তারা ভালো করেই এটা জানতে পারবে, কে ছিলো তাদের মধ্যে মিথ্যাবাদী ও অহংকারী ব্যক্তি!
২৭
إِنَّا مُرْسِلُو النَّاقَةِ فِتْنَةً لَهُمْ فَارْتَقِبْهُمْ وَاصْطَبِرْ ﴿٢٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । আমি (অচিরেই) তাদের পরীক্ষার জন্যে একটি উষ্ট্রী পাঠাবো, তুমি একান্ত কাছে থেকে তাদের দিকে লক্ষ্য করো এবং (একটুখানি) ধৈর্য্য ধরো এবং তাদের পরিণামটা দেখো,
২৮
وَنَبِّئْهُمْ أَنَّ الْمَاءَ قِسْمَةٌ بَيْنَهُمْ كُلُّ شِرْبٍ مُحْتَضَرٌ ﴿٢٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তাদের বলে দাও, (কুয়ার) পানি অবশ্যই তাদের (ও উষ্ট্রীর) মধ্যে ভাগ করে দেয়া হয়েছে এবং তাদের সবাই (পালাক্রমে) কুয়ার পাশে হাযির হবে।
২৯
فَنَادَوْا صَاحِبَهُمْ فَتَعَاطَى فَعَقَرَ ﴿٢٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । পরিশেষে তারা (বিদ্রোহ করার জন্যে) তাদের (এক) বন্ধুকে ডেকে আনলো, সে (উস্ত্রীকে ছুরি দিয়ে) আক্রমণ করলো এবং (সেটির পায়ের) নলি কেটে ফেললো ।
৩০
فَكَيْفَ كَانَ عَذَابِي وَنُذُرِ ﴿٣٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (হ্যাঁ, অতঃপর তোমরাই দেখেছো) কেমন ছিলো আমার আযাব, (কতো সত্য ছিলো) আমার সতর্কবাণী!
৩১
إِنَّا أَرْسَلْنَا عَلَيْهِمْ صَيْحَةً وَاحِدَةً فَكَانُوا كَهَشِيمِ الْمُحْتَظِرِ ﴿٣١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অতঃপর আমি তাদের উপর প্রেরণ করলাম মাত্র একটি গর্জন, এতেই তারা শুষ্ক শাখাপল্লব নির্মিত জন্তু জানোয়ারদের দলিত খোয়াড়ের মতো হয়ে গেলো।
৩২
وَلَقَدْ يَسَّرْنَا الْقُرْآنَ لِلذِّكْرِ فَهَلْ مِنْ مُدَّكِرٍ ﴿٣٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । বোঝার জন্যে আমি কোরআন সহজ করে নাযিল করেছি, (তা থেকে) উপদেশ গ্রহণ করার মতো কেউ আছে কি?
৩৩
كَذَّبَتْ قَوْمُ لُوطٍ بِالنُّذُرِ ﴿٣٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । নূতের জাতির লোকেরাও সতর্ককারী (নবী) -দের মিথ্যাবাদী বলেছিলো ।
৩৪
إِنَّا أَرْسَلْنَا عَلَيْهِمْ حَاصِبًا إِلَّا آلَ لُوطٍ نَجَّيْنَاهُمْ بِسَحَرٍ ﴿٣٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (ফলে) আমি তাদের উপর প্রেরণ করলাম পাথর (নিক্ষেপকারী এক ধরনের) বৃষ্টি, লুতের পরিবার পরিজন ও তার অনুবর্তনকারীদের বাদে; রাতের শেষ প্রহরেই আমি তাদের উদ্ধার করে নিয়েছিলাম,
৩৫
نِعْمَةً مِنْ عِنْدِنَا كَذَلِكَ نَجْزِي مَنْ شَكَرَ ﴿٣٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । এ (কাজ) -টা ছিলো (তাদের প্রতি) আমার একান্ত অনুগ্রহ; যে ব্যক্তি আমার (অনুগ্রহের) কৃতজ্ঞতা আদায় করে আমি তাকে এভাবেই পুরস্কৃত করি।
৩৬
وَلَقَدْ أَنْذَرَهُمْ بَطْشَتَنَا فَتَمَارَوْا بِالنُّذُرِ ﴿٣٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । সে (ক্ত) আমার কঠোর পাকড়াও সম্পর্কে তাদের বার বার ভয় দেখিয়েছিলো, কিন্তু এ সতর্কীকরণে তারা বাকবিতন্ডা শুরু করে দিলো ।
৩৭
وَلَقَدْ رَاوَدُوهُ عَنْ ضَيْفِهِ فَطَمَسْنَا أَعْيُنَهُمْ فَذُوقُوا عَذَابِي وَنُذُرِ ﴿٣٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (অতঃপর) তারা তার কাছে এসে (কুমতলবের জন্যে) তার মেহমানদের (নিয়ে যাবার) দাবী করলো, আমি (তখন) তাদের দৃষ্টিশক্তি বিলুপ্ত করে দিলাম, (আমি তাদের বললাম) , এবার তোমরা আমার আযাব উপভোগ করো এবং (আমার) সতর্কবাণী (অবজ্ঞা করার পরিণামটা) -ও দেখে নাও!
৩৮
وَلَقَدْ صَبَّحَهُمْ بُكْرَةً عَذَابٌ مُسْتَقِرٌّ ﴿٣٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । প্রত্যুষেই তাদের উপর আমার এক অমোঘ আযাব প্রচন্ড আঘাত হানলো,
৩৯
فَذُوقُوا عَذَابِي وَنُذُرِ ﴿٣٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (আমি বললাম, ) অতঃপর তোমরা আমার এ আযাব আস্বাদন করতে থাকো এবং (আমার) সতর্ককারীদের উপেক্ষা করার (পরিণামটাও একবার) দেখে নাও।
৪০
وَلَقَدْ يَسَّرْنَا الْقُرْآنَ لِلذِّكْرِ فَهَلْ مِنْ مُدَّكِرٍ ﴿٤٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । আমি এ কোরআনকে শিক্ষা গ্রহণ করার জন্যে সহজ (করে নাযিল) করেছি, কিন্তু কেউ আছে কি (এ থেকে) শিক্ষা গ্রহণ করার?
৪১
وَلَقَدْ جَاءَ آلَ فِرْعَوْنَ النُّذُرُ ﴿٤١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । ফেরাউনের জাতির লোকদের কাছেও আমার পক্ষ থেকে সতর্ককারী (অনেক নিদর্শন) এসেছিলো,
৪২
كَذَّبُوا بِآيَاتِنَا كُلِّهَا فَأَخَذْنَاهُمْ أَخْذَ عَزِيزٍ مُقْتَدِرٍ ﴿٤٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । কিন্তু তারা আমার সমুদয় নিদর্শন অস্বীকার করেছে, (আর পরিণামে) আমিও তাদের (শক্ত হাতে) পাকড়াও করলাম ঠিক যেমনি করে সর্বশক্তিমান সত্তা (বিদ্রোহীদের) পাকড়াও করে থাকেন।
৪৩
أَكُفَّارُكُمْ خَيْرٌ مِنْ أُولَئِكُمْ أَمْ لَكُمْ بَرَاءَةٌ فِي الزُّبُرِ ﴿٤٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (তোমরা কি সত্যিই মনে করছো, ) তোমাদের (সমাজের) এ কাফেররা তোমাদের পূর্ববর্তী কাফেরদের চাইতে (শক্তি ও ক্ষমতার দিক থেকে) উৎকৃষ্ট? অথবা (আমার) কিতাবের কোথাও কি তোমাদের জন্যে অব্যাহতি (-মূলক কিছু লিপিবদ্ধ) রয়েছে?
৪৪
أَمْ يَقُولُونَ نَحْنُ جَمِيعٌ مُنْتَصِرٌ ﴿٤٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অথবা তারা বলছে, আমরা হচ্ছি (সত্যিই) একটি অপরাজেয় দল ।
৪৫
سَيُهْزَمُ الْجَمْعُ وَيُوَلُّونَ الدُّبُرَ ﴿٤٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অচিরেই এ (অপরাজেয়) দলটি শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়ে যাবে এবং (সম্মুখসমর থেকে) পৃষ্ঠ প্রদর্শন করে পালাতে থাকবে।
৪৬
بَلِ السَّاعَةُ مَوْعِدُهُمْ وَالسَّاعَةُ أَدْهَى وَأَمَرُّ ﴿٤٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (কিন্তু এ পালানোই তো তাদের শেষ নয়, বরং তাদের (শাস্তিদানের) নির্ধারিত ক্ষণ কেয়ামত তো রয়েছেই, আর কেয়ামত হবে তাদের জন্যে বড়োই কঠিন ও বড়োই তিক্ত।
৪৭
إِنَّ الْمُجْرِمِينَ فِي ضَلَالٍ وَسُعُرٍ ﴿٤٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অবশ্যই এসব অপরাধী (নিদারুণ) বিভ্রান্তি ও বিকারগ্রস্ততার মাঝে পড়ে আছে।
৪৮
يَوْمَ يُسْحَبُونَ فِي النَّارِ عَلَى وُجُوهِهِمْ ذُوقُوا مَسَّ سَقَرَ ﴿٤٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । যেদিন তাদের উপুড় করে (জাহান্নামের) আগুনের দিকে ঠেলে নেয়া হবে (তখন তাদের ঘোর কেটে যাবে, অতঃপর তাদের বলা হবে) ; এবার তোমরা জাহান্নামের (আযাবের) স্বাদ উপভোগ করো,
৪৯
إِنَّا كُلَّ شَيْءٍ خَلَقْنَاهُ بِقَدَرٍ ﴿٤٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । আমি সব কয়টি জিনিসকে অবশ্যই একটি সুনির্দিষ্ট পরিমাণমতো সৃষ্টি করেছি।
৫০
وَمَا أَمْرُنَا إِلَّا وَاحِدَةٌ كَلَمْحٍ بِالْبَصَرِ ﴿٥٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (আর) আমার হুকুম! সে তো এক নিমেষে চোখের পলকের মতোই (কার্যকর হয়) ।
৫১
وَلَقَدْ أَهْلَكْنَا أَشْيَاعَكُمْ فَهَلْ مِنْ مُدَّكِرٍ ﴿٥١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তোমাদের (মতো) বহু (বিদ্রোহী) জাতিকে আমি বিনাশ করে দিয়েছি, অতএব আছে কি (তা থেকে) শিক্ষা গ্রহণ করার মতো কেউ?
৫২
وَكُلُّ شَيْءٍ فَعَلُوهُ فِي الزُّبُرِ ﴿٥٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তারা যা কিছু করছে (তার) সবটুকুই (তাদের আমলনামায়) সংরক্ষিত আছে।
৫৩
وَكُلُّ صَغِيرٍ وَكَبِيرٍ مُسْتَطَرٌ ﴿٥٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (সেখানে যেমনি রয়েছে। প্রতিটি ক্ষুদ্র বিষয়, (তেমনি) লিপিবদ্ধ আছে প্রতিটি বড়ো বিষয়ও।
৫৪
إِنَّ الْمُتَّقِينَ فِي جَنَّاتٍ وَنَهَرٍ ﴿٥٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (অপরদিকে এ বিদ্রোহের পথ পরিহার করে) যারা (আল্লাহকে) ভয় করেছে, তারা অনাদিকাল (এক সুরম্য) জান্নাতে ও (প্রবাহমান) ঝর্ণাধারায় থাকবে,
৫৫
فِي مَقْعَدِ صِدْقٍ عِنْدَ مَلِيكٍ مُقْتَدِرٍ ﴿٥٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (তারা অবস্থান করবে) যথাযোগ্য সম্মানজনক জায়গায়, বিশাল ক্ষমতার অধিকারী সার্বভৌম আল্লাহ তায়ালার সান্নিধ্যে।



ফন্ট সাইজ
15px
17px