🕋

المرسلات
(৭৭) আল-মুরসালাত

৫০

وَالْمُرْسَلَاتِ عُرْفًا ﴿١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । মৃদুমন্দ ও ক্রমাগতভাবে পাঠানো (কল্যাণবাহী) বাতাসের শপথ,
فَالْعَاصِفَاتِ عَصْفًا ﴿٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । প্রলয়ংকরী ঝঞ্চা বাতাসের শপথ,
وَالنَّاشِرَاتِ نَشْرًا ﴿٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । মেঘমালা বিস্তৃতকারী বাতাসের শপথ,
فَالْفَارِقَاتِ فَرْقًا ﴿٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (আবার এ মেঘমালাকে) যে (বাতাস) টুকরো টুকরো করে আলাদা করে দেয় তার শপথ,
فَالْمُلْقِيَاتِ ذِكْرًا ﴿٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (মানুষের অন্তরে) ওহী নিয়ে আসে যে (ফেরেশতা) তার শপথ,
عُذْرًا أَوْ نُذْرًا ﴿٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (বিশ্বাসীরা এরপর) যেন কোনো ওযর আপত্তি (পেশ) করতে না পারে কিংবা (অবিশ্বাসীরা) যেন এতে সতর্ক হতে পারে,
إِنَّمَا تُوعَدُونَ لَوَاقِعٌ ﴿٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । নিঃসন্দেহে তোমাদের (পরকাল দিবসের) যে প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে তা সংঘটিত হবেই;
فَإِذَا النُّجُومُ طُمِسَتْ ﴿٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । যখন আকাশের তারাগুলোকে জ্যোতিহীন করে দেয়া হবে,
وَإِذَا السَّمَاءُ فُرِجَتْ ﴿٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । যখন আকাশ বিদীর্ণ হয়ে যাবে,
১০
وَإِذَا الْجِبَالُ نُسِفَتْ ﴿١٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । যখন পাহাড়গুলোকে (ধুলার মতো) উড়িয়ে দেয়া হবে,
১১
وَإِذَا الرُّسُلُ أُقِّتَتْ ﴿١١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । যখন নবী রসূলদের সকলকে নির্ধারিত সময়ে (এক জায়গায়) জড়ো করা হবে;
১২
لِأَيِّ يَوْمٍ أُجِّلَتْ ﴿١٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । কোন (বিশেষ) দিনটির জন্যে (এ কাজটি) স্থগিত করে রাখা হয়েছে?
১৩
لِيَوْمِ الْفَصْلِ ﴿١٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (হ্যাঁ) চূড়ান্ত ফয়সালার দিনটির জন্যে,
১৪
وَمَا أَدْرَاكَ مَا يَوْمُ الْفَصْلِ ﴿١٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তুমি কি জানো সে ফয়সালার দিনটি কেমন হবে?
১৫
وَيْلٌ يَوْمَئِذٍ لِلْمُكَذِّبِينَ ﴿١٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । যারা (একে) মিথ্যা সাব্যস্ত করেছে সেদিন তাদের ধ্বংস (অবধারিত) ।
১৬
أَلَمْ نُهْلِكِ الْأَوَّلِينَ ﴿١٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । আমি কি আগের (অবিশ্বাসী যালেম) লোকদের ধ্বংস করিনি?
১৭
ثُمَّ نُتْبِعُهُمُ الْآخِرِينَ ﴿١٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অতঃপর আমি পরবর্তী লোকদেরও (ধ্বংসের পথে) পূর্ববর্তীদের সঙ্গী করে দেবো।
১৮
كَذَلِكَ نَفْعَلُ بِالْمُجْرِمِينَ ﴿١٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (সকল যুগে) অপরাধী ব্যক্তিদের সাথে আমি এ (একই) ধরনের ব্যবহারই করে থাকি।
১৯
وَيْلٌ يَوْمَئِذٍ لِلْمُكَذِّبِينَ ﴿١٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (যাবতীয়) দুর্ভোগ সেদিন তাদের (জন্যে) যারা (সত্যকে) মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছে!
২০
أَلَمْ نَخْلُقْكُمْ مِنْ مَاءٍ مَهِينٍ ﴿٢٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । আমি কি তোমাদের (এক ফোঁটা) তুচ্ছ পানি থেকে সৃষ্টি করিনি?
২১
فَجَعَلْنَاهُ فِي قَرَارٍ مَكِينٍ ﴿٢١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অতঃপর সেই (তুচ্ছ পানির) ফোঁটাকে একটি সংরক্ষিত স্থানে আমি (সযত্নে) রেখে দিয়েছি?
২২
إِلَى قَدَرٍ مَعْلُومٍ ﴿٢٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (রেখে দিয়েছি) একটি সুনির্দিষ্ট মেয়াদ পর্যন্ত,
২৩
فَقَدَرْنَا فَنِعْمَ الْقَادِرُونَ ﴿٢٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তারপর তাকে পরিমাণমতো সব (কিছু দিয়ে আমি পূর্ণাংগ একটি মানুষ তৈরী) করতে সক্ষম হয়েছি, কতো সক্ষম (ও নিপুণ) স্রষ্টা আমি!
২৪
وَيْلٌ يَوْمَئِذٍ لِلْمُكَذِّبِينَ ﴿٢٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (যাবতীয়) দুর্ভোগ সেদিন তাদের জন্যে যারা (সত্যকে) মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছে।
২৫
أَلَمْ نَجْعَلِ الْأَرْضَ كِفَاتًا ﴿٢٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । আমি কি ভূমিকে (প্রয়োজনীয় সামগ্রীসমূহের) ধারণকারী করে বানিয়ে রাখিনি?
২৬
أَحْيَاءً وَأَمْوَاتًا ﴿٢٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । জীবিত ব্যক্তিদের যেমনি (সে ধারণ করে আছে) তেমনি মৃত ব্যক্তিদেরও (সে নিজের ভেতরে ধরে রেখেছে) ,
২৭
وَجَعَلْنَا فِيهَا رَوَاسِيَ شَامِخَاتٍ وَأَسْقَيْنَاكُمْ مَاءً فُرَاتًا ﴿٢٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । আমি তাতে উঁচু উঁচু পর্বতমালা সৃষ্টি করে রেখেছি এবং তোমাদের আমি সুপেয় পানি পান করিয়েছি।
২৮
وَيْلٌ يَوْمَئِذٍ لِلْمُكَذِّبِينَ ﴿٢٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । দুর্ভোগ তাদের জন্যে, যারা (এসব সত্যকে) মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছে।
২৯
انْطَلِقُوا إِلَى مَا كُنْتُمْ بِهِ تُكَذِّبُونَ ﴿٢٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (বিচারের পর বলা হবে, ) এবার চলো সেই জিনিসের দিকে যাকে তোমরা দুনিয়ায় মিথ্যা প্রতিপন্ন করতে,
৩০
انْطَلِقُوا إِلَى ظِلٍّ ذِي ثَلَاثِ شُعَبٍ ﴿٣٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । চলো সেই ধূম্রপুঞ্জের ছায়ার দিকে, যার রয়েছে তিনটি (ভয়ংকর) শাখা প্রশাখা,
৩১
لَا ظَلِيلٍ وَلَا يُغْنِي مِنَ اللَّهَبِ ﴿٣١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । এ ছায়া কিন্তু সুনিবিড় কিছু নয়, এটা (তাকে) আগুনের লেলিহান শিখা থেকে বাঁচাতেও পারবে না;
৩২
إِنَّهَا تَرْمِي بِشَرَرٍ كَالْقَصْرِ ﴿٣٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (বরং) তা বৃহত্ প্রাসাদতুল্য আগুনের স্ফুলিংগ নিক্ষেপ করতে থাকবে,
৩৩
كَأَنَّهُ جِمَالَةٌ صُفْرٌ ﴿٣٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (মনে হবে) তা যেন হলুদ বর্ণের (কতিপয়) উটের পাল;
৩৪
وَيْلٌ يَوْمَئِذٍ لِلْمُكَذِّبِينَ ﴿٣٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । দুর্ভোগ তাদের (জন্যে) , যারা (একে) মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছে।
৩৫
هَذَا يَوْمٌ لَا يَنْطِقُونَ ﴿٣٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । এ হচ্ছে সেই (মহাবিচারের) দিন, যেদিন কেউ কোনো কথা বলবে না,
৩৬
وَلَا يُؤْذَنُ لَهُمْ فَيَعْتَذِرُونَ ﴿٣٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । কাউকে সেদিন (গুনাহের পক্ষে) ওযর আপত্তি (কিংবা সাফাই) পেশ করার অনুমতি দেয়া হবে না।
৩৭
وَيْلٌ يَوْمَئِذٍ لِلْمُكَذِّبِينَ ﴿٣٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (যাবতীয়) দুর্ভোগ সেদিন তাদের (জন্যে) যারা (এসব সত্যকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছে।
৩৮
هَذَا يَوْمُ الْفَصْلِ جَمَعْنَاكُمْ وَالْأَوَّلِينَ ﴿٣٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । র(সেদিন পাপীদের বলা হবে, ) আজকের দিন হচ্ছে চূড়ান্ত ফয়সালার দিন, তোমাদের সাথে তোমাদের পূর্ববর্তী সকল মানুষকে আজ আমি (এখানে) একত্রিত করেছি।
৩৯
فَإِنْ كَانَ لَكُمْ كَيْدٌ فَكِيدُونِ ﴿٣٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । আজ যদি (আমার বিরুদ্ধে) তোমাদের কোনো অপকৌশল প্রয়োগ করার থাকে তাহলে তা প্রয়োগ করো।
৪০
وَيْلٌ يَوْمَئِذٍ لِلْمُكَذِّبِينَ ﴿٤٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । দুর্ভোগ তাদের (জন্যে) , যারা (একে) মিথ্যা করেছে।
৪১
إِنَّ الْمُتَّقِينَ فِي ظِلَالٍ وَعُيُونٍ ﴿٤١﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (আল্লাহকে) যারা ভয় করেছে আজ তারা থাকবে (সুনিবিড়) ছায়াতলে এবং (প্রবাহমান) ঝর্ণাধারার মাঝে,
৪২
وَفَوَاكِهَ مِمَّا يَشْتَهُونَ ﴿٤٢﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । তাদের জন্যে ফলফলারির ব্যবস্থা থাকবে, যা চাইবে তারা তাই পাবে;
৪৩
كُلُوا وَاشْرَبُوا هَنِيئًا بِمَا كُنْتُمْ تَعْمَلُونَ ﴿٤٣﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (তাদের বলা হবে, দুনিয়ায়) তোমরা যা করে এসেছে তার পুরস্কার হিসেবে (আজ) তোমরা তৃপ্তির সাথে (আমার নেয়ামত) খাও ও পান করো।
৪৪
إِنَّا كَذَلِكَ نَجْزِي الْمُحْسِنِينَ ﴿٤٤﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । অবশ্যই আমি সকর্মশীল মানুষদের এমনিভাবে পুরস্কার দিয়ে থাকি।
৪৫
وَيْلٌ يَوْمَئِذٍ لِلْمُكَذِّبِينَ ﴿٤٥﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । সেদিন (যাবতীয়) দুর্ভোগ তাদের জন্যে, যারা (এসব সত্যকে) মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছে।
৪৬
كُلُوا وَتَمَتَّعُوا قَلِيلًا إِنَّكُمْ مُجْرِمُونَ ﴿٤٦﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (হে অবিশ্বাসীরা, ) কিছুদিনের জন্যে তোমরা এখানে খেয়ে নাও এবং কিছু ভোগ আস্বাদনও করে নাও, নিঃসন্দেহে তোমরা হচ্ছো অপরাধী!
৪৭
وَيْلٌ يَوْمَئِذٍ لِلْمُكَذِّبِينَ ﴿٤٧﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (যাবতীয়) দুর্ভোগ সেদিন তাদের (জন্যে) যারা (এসব সত্যকে) মিথ্যা সাব্যস্ত করেছে।
৪৮
وَإِذَا قِيلَ لَهُمُ ارْكَعُوا لَا يَرْكَعُونَ ﴿٤٨﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । এ যালেমদের অবস্থা হচ্ছে, এদের যখন বলা হয়, তোমরা আল্লাহর দরবারে নত হও, তখন তারা নত হয় না ।
৪৯
وَيْلٌ يَوْمَئِذٍ لِلْمُكَذِّبِينَ ﴿٤٩﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (যাবতীয়) দুর্ভোগ সেদিন তাদের (জন্যে) , যারা (এসব সত্যকে) মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছে!
৫০
فَبِأَيِّ حَدِيثٍ بَعْدَهُ يُؤْمِنُونَ ﴿٥٠﴾
হাঃ মুনিরউদ্দিন আহমেদ । (তুমিই বলো, ) এরপর আর এমন কোন কথা আছে যার উপর এরা ঈমান আনবে!



ফন্ট সাইজ
15px
17px